📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 কারো অমুসলিমদের শিশু সন্তানকে “হে বৎস” বলে সম্বোধন করা

📄 কারো অমুসলিমদের শিশু সন্তানকে “হে বৎস” বলে সম্বোধন করা


٣٥١ - بَابُ قَوْلِ الرَّجُلِ يَا بُنَيَّ لِمَنْ أَبُوهُ لَمْ يُدْرِكِ الْإِسْلَامَ
৩৫১-অনুচ্ছেদ: কারো অমুসলিমদের শিশু সন্তানকে "হে বৎস” বলে সম্বোধন করা।
৮১৩- عَنِ الصَّعْبِ بْنِ حَكِيمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدَّهِ قَالَ أَتَيْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَابِ فَجَعَلَ يَقُولُ يَا ابْنَ أَخِي ثُمَّ سَأَلَنِي فَانْتَسَبْتُ لَهُ فَعَرِفَ أَنْ أَبِي لَمْ يُدْرِكِ الْإِسْلَامَ فَجَعَلَ يَقُولُ يَا بُنَى يَا بُنَيَّ .
৮১৩। সাব ইবনে হাকীম (র) থেকে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রা)-এর নিকট এলে তিনি বলতে লাগলেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্র, হে ভ্রাতুষ্পুত্র!
২৮৮ আল-আদাবুল মুফরাদ
অতঃপর তিনি আমার বংশপরিচয় জিজ্ঞেস করলে আমি তাকে আমার বংশপরিচয় দিলাম। তাতে তিনি বুঝতে পারলেন যে, আমার পিতা ইসলামী যুগ পাননি। তিনি আমাকে 'হে বৎস' 'হে বৎস' বলে সম্বোধন করতে লাগলেন (শা, তারীখুল কবীর)。
৮১৪- عَنْ أَنَسٍ يَقُولُ كُنْتُ خَادِمًا لِّلنَّبِيِّ ﷺ قَالَ فَكُنْتُ أَدْخُلُ بِغَيْرِ اسْتِئْذَانِ فَجِئْتُ يَوْمًا فَقَالَ كَمَا أَنْتَ يَا بُنَيَّ فَإِنَّهُ قَدْ حَدَّثَ بَعْدَكَ أَمْرٌ لَا تَدْخُلُنَّ إِلَّا بِإِذْنِ .
৮১৪। আনাস (রা) বলেন, আমি নবী (স)-এর খাদেম ছিলাম। আমি অনুমতি না নিয়েই ঘরে প্রবেশ করতাম। এক দিন আমি এলে তিনি বলেন: বৎস! থেমে যাও। তোমার অনুপস্থিতিতে একটি ব্যাপার ঘটেছে। এখন থেকে বিনা অনুমতিতে ঘরে প্রবেশ করো না (তি, তহা)।
৮১৫- عَنِ ابْنِ أَبِي صَعْصَعَةَ عَنْ أَبِيْهِ أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ لَهُ يَا بُنَيَّ .
৮১৫। আবু সাসাআ (রা) বলেন যে, আবু সাঈদ খুদরী (রা) তাকে 'হে বৎস' বলে সম্বোধন করেছেন (বু, না, কু)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 কেও কেন না বলে আমার আত্মা নাপাক হয়ে গেছে

📄 কেও কেন না বলে আমার আত্মা নাপাক হয়ে গেছে


٣٥٢ - بَابُ لَا يَقُلْ خَبُثَتْ نَفْسِي
৩৫২-অনুচ্ছেদ: কেউ যেন না বলে, আমার আত্মা নাপাক হয়ে গেছে।
৮১৬- عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَا يَقُولُنَّ أَحَدُكُمْ خَبُثَتْ نَفْسِي وَلَكِنْ لِيَقُلْ لَقِسَتْ نَفْسِي .
৮১৬। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: অবশ্যই তোমাদের কেউ যেন না বলে, আমার আত্মা নাপাক হয়ে গেছে। বরং সে বলতে পারে, আমার আত্মা নাফরমানি করেছে (বু,মু)。
৮১৭- عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ ابْنِ حُنَيْفٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ قَالَ لَا يَقُولُنَّ أَحَدُكُمْ خَبُثَتْ نَفْسِي وَلِيَقُلْ لَقِسَتْ نَفْسِي .
৮১৭। সাহল (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে, আমার মন-মানসিকতা কলুষিত হয়ে গেছে। (বলতেই যদি হয় তাহলে) যেন বলে, আমার মন-মানসিকতা খারাপ হয়ে গেছে (বু, মু, দা)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 আবুল হাকাম উপনাম

📄 আবুল হাকাম উপনাম


۳۸۳ - بَابُ كُنْيَةِ أَبِي الْحَكَمِ
৩৫৩-অনুচ্ছেদ: আবুল হাকাম উপনাম।
৮১৮- عَنْ هَانِيءِ بْنِ يَزِيدَ أَنَّهُ لَمَّا وَفَدَ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ مَعَ قَوْمِهِ فَسَمِعَهُمُ النَّبِيُّ ﷺ وَهُمْ يُكَنُّونَهُ بَابِي الْحَكَمِ فَدَعَاهُ النَّبِيُّ ﷺ فَقَالَ إِنَّ اللَّهَ هُوَ الْحَكَمُ وَإِلَيْهِ الْحُكْمُ فَلِمَ تَكَنِّيْتَ بِأَبِي الْحَكَمِ قَالَ لَا وَلَكِنْ قَوْمِي إِذَا اخْتَلَفُوا فِي شَيْءٍ أَتَوْنِي فَحَكَمْتُ بَيْنَهُمْ
২৮৯ মুসলিম
فَرَضِيَ كِلا الْفَرِيقَيْنِ قَالَ مَا أَحْسَنَ هَذَا ثُمَّ قَالَ مَا لَكَ مِنَ الْوَلَدِ قُلْتُ لِي شُرَيْحٌ وَعَبْدُ اللَّهِ وَمُسْلِمٌ بَنُو هَانِي، قَالَ فَمَنْ أَكْبَرَهُمْ قُلْتُ شُرَيْحٍ قَالَ فَأَنْتَ أَبُو شُرَيْحٍ وَدَعَا لَهُ وَلِوَلَدِهِ وَسَمِعَ النَّبِيُّ الله يُسَمُّونَ رَجُلًا مِّنْهُمْ عَبْدُ الْحَجَرِ فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ مَا اسْمُكَ قَالَ عَبْدُ الْحَجَرِ قَالَ لَا أَنْتَ عَبْدُ اللهِ قَالَ شُرَيْحٌ وَإِنَّ هَانِيًّا لَمَّا حَضَرَ رُجُوعَهُ إلى بلاده أَتَى النَّبِيُّ اللهِ فَقَالَ أَخْبِرْنِي بِأَيِّ شَيْءٍ يُوجِبُ لِي الْجَنَّةَ قَالَ عَلَيْكَ بِحُسْنِ الْكَلَامِ وَبَدْلَ الطَّعَامِ .
৮১৮। হানী ইবনে ইয়াযীদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি তার সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দলের সাথে নবী (স)-এর নিকট গেলেন। নবী (স) তাদের কাছে শুনলেন যে, তারা তাকে "আবুল হিকাম" ডাকনাম দিয়েছে। নবী (স) তাকে ডেকে এনে বলেন: আল্লাহই হলেন হিকাম (হুকুমের মালিক) এবং তিনিই কেবল হুকুম দিতে পারেন। অতএব তুমি নিজের জন্য আবুল হিকাম উপনাম রাখলে কী করে? তিনি বলেন, ব্যাপারটি তা নয়, বরং আমার সম্প্রদায়ের মধ্যে কোন ব্যাপারে মতানৈক্য হলে তারা আমার কাছে আসে এবং আমি তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেই। উভয় পক্ষই আমার মীমাংসা মেনে নেয়। তিনি বলেন: তা তো খুবই উত্তম। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করেন: তোমার কি কোন সন্তান আছে? আমি বললাম, শুরায়হ্, আবদুল্লাহ ও মুসলিম নামে আমার তিন সন্তান আছে। তিনি বলেন: তাদের মধ্যে বয়জ্যেষ্ঠ কে? আমি বললাম, শুরায়হ্। তিনি বলেন: তাহলে তুমি আবু শুরায়হ্। অতঃপর তিনি তার জন্য এবং তার সন্তানদের জন্য দোয়া করলেন। নবী (স) শুনতে পেলেন যে, প্রতিনিধি দল তাদের একজনকে "আবদুল হাজার" (পাথরের দাস) নামে ডাকে। নবী (স) জিজ্ঞেস করেন: তোমার নাম কি? সে বললো, আবদুল হাজার। তিনি বলেনঃ না, তোমার নাম আবদুল্লাহ। শুরায়হ্ (রা) বলেন, স্বদেশে ফেরার সময় হলে হানী (রা) নবী (স)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে বলুন, কোন জিনিস আমার জন্য জান্নাত অবধারিত করবে। তিনি বলেন: তুমি সর্বদা উত্তম কথা বলবে এবং আহার্য দান করবে (দা, তি, হি, হা)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 নবী (স)-এর পছন্দনীয় নাম "হাসান”

📄 নবী (স)-এর পছন্দনীয় নাম "হাসান”


٣٥٤ - بَابُ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يُعْجِبُهُ الْاِسْمُ الْحَسَنُ
৮১৯- عَنْ أَبِي حَدْرَدٍ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ مَنْ يَسُوقُ اِبْلَنَا هَذِهِ أَوْ قَالَ مَنْ يُبْلُغُ اِبْلَنَا
২৯০ আল-আদাবুল মুফরাদ
هَذِهِ قَالَ رَجُلٌ أَنَا فَقَالَ مَا اسْمُكَ قَالَ فُلانٌ قَالَ اجْلِسَ ثُمَّ قَامَ أَخَرُ فَقَالَ مَا اسْمُكَ فَقَالَ فُلانٌ فَقَالَ اجْلِسْ ثُمَّ قَامَ أَخَرُ فَقَالَ مَا اسْمُكَ قَالَ نَاجِيَةٌ قَالَ أَنْتَ لَهَا فَسُقْهَا
৮১৯। আবু হাদরাদ (রা) বলেন, নবী (স) বললেন: আমাদের এই উটগুলোকে কে চরাতে নিয়ে যাবে বা (চারণভূমিতে) পৌঁছিয়ে দিবে? এক ব্যক্তি বললো, আমি। তিনি জিজ্ঞেস করেন: তোমার নাম কি? সে বললো, অমুক। তিনি বলেন: তুমি বসো। অতঃপর আর এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়ালে তিনি বলেন: তোমার নাম কি? সে বললো, অমুক। তিনি বলেন: তুমিও বসো। অতঃপর আরেক
ব্যক্তি দাঁড়ালে তিনি বলেন: তোমার নাম কি? সে বললো, নাজিয়া (মুক্তিপ্রাপ্ত)। তিনি বলেন: তুমিই তার যোগ্য। তুমি তা (চরাতে) নিয়ে যাও (হা)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00