📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 কেউ যেনো তার ভাইয়ের প্রস্থানকালে তার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে না তাকায়

📄 কেউ যেনো তার ভাইয়ের প্রস্থানকালে তার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে না তাকায়


٣٣٢ - بَابُ لَا يَحِدُّ الرَّجُلُ إِلَى أَخِيهِ النَّظْرَ إِذَا وَلَّى
৩৩২-অনুচ্ছেদঃ কেউ যেন তার ভাইয়ের প্রস্থানকালে তার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে না তাকায়।
৭৭৬- عَنْ مُجَاهِد قَالَ يَكْرَهُ أَنْ يحد الرَّجُلُ إلى أخيه النَّظَرَ أَوْ يَتْبَعُهُ بَصَرَهُ إِذَا وَلَّى أَوْ يَسْأَلُهُ مِنْ أَيْنَ جِئْتَ وَأَيْنَ تَذْهَبُ .
৭৭৬। মুজাহিদ (র) বলেন, কোন ব্যক্তির প্রতি অপর ব্যক্তির তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকানো অথবা তার ফিরে যাবার সময় তার দিকে সন্ধানী দৃষ্টিতে তাকানো অথবা তাকে জিজ্ঞেস করা, তুমি কোথা থেকে এসেছো এবং কোথায় যাবে, এরূপ আচরণ আপত্তিকর।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 এক ব্যক্তিকে অপর ব্যক্তির এরূপ বলা তোমার সর্বনাশ হোক

📄 এক ব্যক্তিকে অপর ব্যক্তির এরূপ বলা তোমার সর্বনাশ হোক


۳۳۳ - بَابُ قَوْلَ الرَّجُل لِلرَّجُل وَيْلَكَ
৩৩৩-অনুচ্ছেদ : এক ব্যক্তিকে অপর ব্যক্তির এরূপ বলা, তোমার সর্বনাশ হোক।
৭৭৭- عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِي ﷺ رَأَى رَجُلاً يَسُوقُ بَدَنَةً فَقَالَ ارْكَبْهَا فَقَالَ إِنَّهَا بَدَنَةٌ قَالَ ارْكَبْهَا قَالَ إِنَّهَا بَدَنَةٌ قَالَ ارْكَبْهَا قَالَ فَإِنَّهَا بَدَنَةً قَالَ ارْكَبْهَا وَيْلَكَ .
৭৭৭। আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) এক ব্যক্তিকে কোরবানীর একটি উট হাঁকিয়ে নিয়ে যেতে দেখে বলেন: উটের পিঠে আরোহণ করো। লোকটি বললো, এটি কোরবানীর উট। তিনি পুনরায় বলেন, এর পিঠে আরোহণ করো। সে বললো, এটি কোরবানীর উট। তিনি বলেন: তুমি এর পিঠে আরোহণ করো। সে বললো, এটি কোরবানীর উট। তিনি বলেন: তোমার অকল্যাণ হোক, তুমি এর পিঠে আরোহণ করো (বু, মু, তি, না, ই, আ, দার, খু)।
৭৭৮- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَرَجُلٌ يَسْأَلُهُ فَقَالَ إِنِّي أَكَلْتُ خُبْزًا وَلَحْمًا فَهَلْ أَتَوَضَّأُ فَقَالَ وَيْحَكَ أَتَتَوَضَّأُ مِنَ الطَّيِّبَاتِ .
৭৭৮। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি তাকে বললো, আমি রুটি ও গোশত খেয়েছি। আমাকে কি উযু করতে হবে? তিনি বলেন, তোমার জন্য দুঃখ হয়। তুমি কি পাক জিনিস আহার করে উযু করবে?
৭৭৯- عَنْ جَابِرٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللهِ ﷺ يَوْمَ حُنَيْنِ بِالْجِعْرَانَةِ وَالتَّبْرُ فِي حِجْرِ بِلَالٍ وَهُوَ يَقْسِمُ فَجَاءَهُ رَجُلٌ فَقَالَ اعْدِلْ فَإِنَّكَ لَا تَعْدِلُ فَقَالَ وَيْلَكَ فَمَنْ يَعْدِلُ إِذَا لَمْ أَعْدِلْ قَالَ عُمَرُ دَعْنِي يَا رَسُولَ اللَّهِ أَضْرِبَ عُنُقَ هُذَا الْمُنَافِقِ فَقَالَ إِنَّ هَذَا مَعَ
২৭৮ আল-আদাবুল মুফরাদ
أَصْحَابِ لَهُ أَوْ فِي أَصْحَابِ لَهُ يَقْرَأُونَ الْقُرْآنَ لَا يُجَاوِزُ تَرَاقِيهِمْ يَمْرُقُونَ مِنَ الدِّينِ كَمَا يَمْرُقُ السَّهْمُ مِنَ الرَّمِيَّة .
৭৭৯। জাবের (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) হুনাইন যুদ্ধের দিন জিরানা নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন। তিনি বিলালের কোলে (কাপড়ের মধ্যে রাখা) সোনা বিতরণ করছিলেন। এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, ইনসাফ করুন। আপনি ইনসাফ করছেন না। তিনি বলেন : তোমার জন্য দুঃখ হয়। আমি যদি ইনসাফ না করি তবে ইনসাফ আর কে করবে? উমার (রা) বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে অনুমতি দিন আমি এই মোনাফিকের ঘাড়ে আঘাত হানি (হত্যা করি)। তিনি বলেন : সে তার সঙ্গী-সাথীসহ এখানে আছে। তারা কুরআন পড়ে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করে না। তারা ধনুক থেকে তীর বের হয়ে যাওয়ার গতিতে দীন থেকে বের হয়ে যাবে (বু, মু, আন)।
৭৮০- عَنْ بَشِيْرِ بْنِ نَهِيكَ عَنْ بَشِيْرِ بْنِ مَعْبَدٍ السَّدُوسِي وَكَانَ اسْمُهُ زَحْمُ بْنُ مَعْبَدٍ فَهَاجَرَ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ فَقَالَ مَا اسْمُكَ قَالَ زَحْمٌ قَالَ بَلْ أَنْتَ بَشِيرٌ قَالَ بَيْنَمَا أَنَا أَمْشِي مَعَ رَسُولِ اللهِ ﷺ إِذْ مَرَّ بِقُبُورِ الْمُشْرِكِينَ فَقَالَ لَقَدْ سَبَقَ هُؤُلَاءِ خَيْرٌ كَثِيرٌ ثَلَاثًا فَمَرَّ بِقُبُورِ الْمُسْلِمِينَ فَقَالَ لَقَدْ أَدْرَكَ هُؤُلاَءِ خَيْرًا كَثِيرًا ثَلَاثًا فَحَانَتْ مِنَ النَّبِيِّ نَظَرَةٌ فَرَأَى رَجُلاً تَمْشِي فِي الْقُبُورِ وَعَلَيْهِ نَعْلَانِ فَقَالَ يَا صَاحِبَ السَّبْتِيِّيْنِ الْقِ سبْتِيتَيْكَ فَنَظَرَ الرَّجُلُ فَلَمَّا رَأَى النَّبِيَّ ﷺ خَلَعَ نَعْلَيْهِ فَرَمَى بِهِمَا .
৭৮০। বশীর ইবনে মাবাদ আস-সাদৃসী (রা) থেকে বর্ণিত। তার পূর্বনাম ছিল জাহম ইবনে মাবাদ। তিনি নবী (স)-এর নিকট হিজরত করেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন : তোমার নাম কি? তিনি বলেন, জাহম (দুদর্শা)। তিনি বলেন : তুমি হচ্ছো বশীর (সুসংবাদদাতা)। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর সাথে হাঁটছিলাম। তিনি মুশরিকদের কবরস্থানের নিকট পৌঁছে বলেন : এরা প্রভূত কল্যাণ হারিয়েছে। তিনি তিনবার এরূপ বলেন। অতঃপর তিনি মুসলমানদের কবরস্থানে পৌঁছে বলেন : এরা প্রভূত কল্যাণ লাভ করেছে। তিনি তিনবার এরূপ বলেন। তখন নবী (স)-এর দৃষ্টি এক ব্যক্তির উপর পতিত হলো। সে জুতা পরিহিত অবস্থায় কবরস্থানের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। তিনি বলেন : হে জুতাধারী! তোমার জুতা খুলে ফেলে দাও। লোকটি তাকালো। সে নবী (স)-কে দেখে তৎক্ষণাৎ তার জুতাজোড়া খুলে ফেলে দিলো (দা, না, ই, আ)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 দালান-কোঠা নির্মাণ

📄 দালান-কোঠা নির্মাণ


٣٣٤- بَابُ الْبِنَاءِ
৭৮১- عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ هِلَالٍ أَنَّهُ رَأَى حُجَرَ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ ﷺ مِنْ جَرِيدٍ مُسْتَورَةٌ بِمَسُوحِ الشَّعَرِ فَسَأَلْتُهُ عَنْ بَيْتِ عَائِشَةَ فَقَالَ كَانَ بَابُهُ مِنْ وَجْهَةِ الشَّامِ فَقُلْتُ مِصْرَاعًا كَانَ مِصْرَاعَيْنِ قَالَ كَانَ بَابًا وَاحِدًا قُلْتُ مِنْ أَيِّ شَيْءٍ كَانَ قَالَ مِنْ عَرْعَرٍ أَوْ سَاجِ .
৭৮১। মুহাম্মাদ ইবনে হেলাল (র) থেকে বর্ণিত। তিনি দেখেছেন যে, নবী (স)-এর স্ত্রীগণের হুজরাসমূহে খেজুর পাতার ছাউনি এবং বেড়া শুষ্ক ঘাস বা খড়ের ছিল। আমি মুহাম্মাদ ইবনে হেলালকে আয়েশা (রা)-এর ঘর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বলেন, তার ঘরের দরজা ছিল সিরিয়া অভিমুখী। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, দরজার কপাট কি একটি ছিল না দুইটি? তিনি বলেন, একটি। আমি বললাম, তা কি কাঠের ছিল? তিনি বলেন, সাইপ্রাস অথবা সেগুন কাঠের।
৭৮২- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَبْنِي النَّاسُ بُيُوتًا يُوشُونُهَا وَشَئُ الْمَرَاحِيلِ قَالَ إِبْرَاهِيمُ يَعْنِي الثَّيَابَ الْمُخَطَّطَةَ
৭৮২। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: লোকজন নকশী কাঁথার মত কারুকার্য মণ্ডিত ঘর-বাড়ি তৈরি না করা পর্যন্ত কিয়ামত হবে না।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 কোন ব্যক্তির কথা “না তোমার পিতার শপথ”

📄 কোন ব্যক্তির কথা “না তোমার পিতার শপথ”


٣٣٥- بَابُ قَوْلِ الرَّجُلِ لَا وَأَبِيكَ
৭৮৩- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ جَاءَ رَجُلٌ إِلى رَسُولِ اللهِ ﷺ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ الصَّدَقَةِ أَفْضَلُ أَجْراً قَالَ أَمَا وَأَبِيْكَ لَتُنَبَّأَنَّهُ إِنْ تَصَدَّقَ وَأَنْتَ صَحِيحٌ شَحِيْحٌ تَخْشَى الفَقْرَ وَتَأْمُلُ الْغِنَى وَلَا تُمْهِلُ حَتَّى إِذَا بَلَغَتِ الْحُلْقُوْمَ قُلْتَ لِفُلَانٍ كَذَا وَلِفُلانٍ كَذَا وَقَدْ كَانَ لِفُلانٍ .
৭৮৩। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নবী (স)-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন ধরনের দান সর্বাধিক পুণ্যের? তিনি বলেন: তুমি সুস্থ ও অর্থের প্রয়োজন থাকা অবস্থায় এবং দারিদ্র্যের আশংকা করছো, ধনী হওয়ার আশাও পোষণ করছো, এমতাবস্থায় যে দান করবে। আর ঐ সময় পর্যন্ত বিলম্ব করো না, যখন তোমার প্রাণ হবে কণ্ঠাগত, আর তুমি বলবে, অমুককে এতা, অমুককে এতো দিলাম। তা তো তখন অপরের হয়েই গেছে (বু, মু, আ, ই, খু, হি)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00