📄 এমনকি কোন ব্যক্তির নিজ স্ত্রীর মুখে তুলে দেয়া গ্রাসেও
৩১৯ - بَابُ يُؤْجَرُ فِي كُلِّ شَيْءٍ حَتَّى اللُّقْمَةَ يَرْفَعُهَا إِلى فِي امْرَأَتِهِ
৩১৯-অনুচ্ছেদ: প্রত্যেক জিনিসের সওয়াব আছে, এমনকি কোন ব্যক্তির নিজ স্ত্রীর মুখে তুলে দেয়া গ্রাসেও।
৭৫৭- عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَاصِ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ لِسَعْدِ إِنَّكَ لَنْ تُنْفِقَ نَفَقَةً تَبْتَغِي بِهَا وَجْهَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ إِلا أُجِرْتَ بِهَا حَتَّى مَا تَجْعَلُ فِي فَمِ امْرَأَتِكَ .
৭৫৭। সাদ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) তাকে বলেন: তুমি আল্লাহ্ সন্তুষ্টি লাভের আশায় যা-ই খরচ করো, তোমাকে তার সওয়াব অবশ্যই দেয়া হবে, এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যা তুলে দাও তার জন্যও (বু, মু)।
৩১৯ - بَابُ يُؤْجَرُ فِي كُلِّ شَيْءٍ حَتَّى اللُّقْمَةَ يَرْفَعُهَا إِلى فِي امْرَأَتِهِ
৭৫৭- عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَاصِ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ لِسَعْدِ إِنَّكَ لَنْ تُنْفِقَ نَفَقَةً تَبْتَغِي بِهَا وَجْهَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ إِلا أُجِرْتَ بِهَا حَتَّى مَا تَجْعَلُ فِي فَمِ امْرَأَتِكَ .
৭৫৭। সাদ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) তাকে বলেন: তুমি আল্লাহ্ সন্তুষ্টি লাভের আশায় যা-ই খরচ করো, তোমাকে তার সওয়াব অবশ্যই দেয়া হবে, এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যা তুলে দাও তার জন্যও (বু, মু)।
📄 রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দোয়া করা
-৩২- بابُ الدُّعَاءِ إِذَا بَقِيَ ثُلُثُ اللَّيْلِ
৩২০-অনুচ্ছেদ: রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দোয়া করা।
৭৫৮- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ يَنْزِلُ رَبُّنَا تَبَارَكَ وَتَعَالَى فِي كُلِّ لَيْلَةٍ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا حِيْنَ يَبْقَى ثُلُثُ اللَّيْلِ الْآخِرِ فَيَقُولُ مَنْ يَدْعُونِي فَاسْتَجِيْبَ لَهُ مَنْ يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ مَنْ يُسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ .
৭৫৮। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: আমাদের বরকতময় মহামহিম প্রভু রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে প্রতি রাতে নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করে ঘোষণা করতে থাকেন: কে আছে যে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দিবো? (কে আছে এমন, যে আমার কাছে দোয়া করবে এবং আমি তার দোয়া কবুল করবো)? কে আছে এমন, যে আমার কাছে কিছু প্রার্থনা করবে এবং আমি তা দান করবো? কে আছে এমন, যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে এবং আমি তাকে ক্ষমা করবো (বু, মু, দার)।
-৩২- بابُ الدُّعَاءِ إِذَا بَقِيَ ثُلُثُ اللَّيْلِ
৭৫৮- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ يَنْزِلُ رَبُّنَا تَبَارَكَ وَتَعَالَى فِي كُلِّ لَيْلَةٍ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا حِيْنَ يَبْقَى ثُلُثُ اللَّيْلِ الْآخِرِ فَيَقُولُ مَنْ يَدْعُونِي فَاسْتَجِيْبَ لَهُ مَنْ يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ مَنْ يُسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ .
৭৫৮। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: আমাদের বরকতময় মহামহিম প্রভু রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে প্রতি রাতে নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করে ঘোষণা করতে থাকেন: কে আছে যে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দিবো? (কে আছে এমন, যে আমার কাছে দোয়া করবে এবং আমি তার দোয়া কবুল করবো)? কে আছে এমন, যে আমার কাছে কিছু প্রার্থনা করবে এবং আমি তা দান করবো? কে আছে এমন, যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে এবং আমি তাকে ক্ষমা করবো (বু, মু, দার)।
📄 গীবতের উদ্দেশ্যে নয়
-৩৩- بابُ قَوْلِ الرَّجُلِ فُلاَنٌ جَعْدٌ أَسْوَدَ أَوْ طَوِيلٌ قَصِيرٌ يُرِيدُ الصَّفَةَ وَلَا يُرِيدُ الْغِيبَةَ
৭৫৯- عَنْ أَبِي رُهُم وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللهِ ﷺ الَّذِينَ بَايَعُوهُ تَحْتَ الشَّجَرَةِ يَقُولُ غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللهِ ﷺ غَزْوَةَ تَبُوكَ فَقُمْتُ لَيْلَةَ بِالْأَخْضَرِ فَصِرْتُ قَرِيبًا مِّنْهُ فَأَلْقَى عَلَيْنَا النُّعَاسُ فَطَفِقْتُ اسْتَيْقَظُ وَقَدْ دَنَتْ راحلتى مِنْ راحلته فَيُفْزَعُنى دُنُوهَا خَشْيَةَ أَنْ تُصِيبَ رِجْلَهُ فِي الْغَرْزِ فَطَفِقْتُ أُؤَخِّرُ رَاحِلَتِي حَتَّى غَلَبَتْنِي عَيْنِي بَعْضٍ اللَّيْلِ فَزَاحَمَتْ رَاحِلَتِي رَاحِلَةَ رَسُولِ اللهِ ﷺ وَرِجْلَهُ فِي الْغَرْزِ فَأَصَبْتُ رَجُلُهُ فَلَمْ اسْتَيْقِظَ الا بِقَوْلِهِ حَسٌ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ اسْتَغْفِرْ لِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ سِرْ فَطَفِقَ رَسُولُ اللهِ ﷺ يَسْأَلُنِي عَنْ مِّنْ تَخَلَّفَ مِنْ بَنِي غِفَارٍ فَقَالَ وَهُوَ يَسْأَلُنِي مَا فَعَلَ النَّفَرُ الحُمْرُ الطُّوَالُ الشَّطَاطُ قَالَ فَحَدَّثْتُهُ بِتَخَلُّفِهِمْ قَالَ فَمَا فَعَلَ السُّودُ الْجِعَادُ الْقِصَارُ الَّذِينَ لَهُمْ نَعَمٌ بِشَبَكَةِ شَدَحْ فَتَذَكَّرْتُهُمْ فِي بَنِي غِفَارٍ فَلَمْ أَذْكُرْهُمْ حَتَّى ذكَرْتُ أَنَّهُمْ رَهْطُ مِّنْ أَسْلَمَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ أُولَئِكَ مِنْ أَسْلَمَ قَالَ فَمَا يَمْنَعُ أَحَدُ
২৭২ আল-আদাবুল মুফরাদ
أُولَئِكَ حِيْنَ يَتَخَلَّفُ أَنْ يُحْمِلَ عَلَى بَعِيرٍ مِّنْ ابْلِهِ امْرَا نَشِيطًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَإِنْ أَعَزُّ أَهْلِي عَلَى أَنْ يُتَخَلَّفَ عَنِ الْمُهَاجِرِينَ مِنْ قُرَيْشٍ وَالْأَنْصَارِ وَعَفَارٍ وَأَسْلَمَ .
৭৫৯। আবু রুহম (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি ছিলেন বৃক্ষতলে (হুদাইবিয়ায়) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট বাইআতকারী সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি বলেন, আমি তাবুকের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সঙ্গে অংশগ্রহণ করি। এক রাতে আমি নৈশ প্রহরায় দাঁড়ালাম। আমি তাঁর নিকটেই পাহারা দিচ্ছিলাম। আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লাম এবং জেগে থাকতে চেষ্টা করলাম। আমার জন্তযান তাঁর জন্তুযানের কাছাকাছি এসে পড়লে আমার আশংকা হলো, কখন জানি আমার জন্তযান আরও কাছাকাছি চলে এলে পাদানিতে রাখা তাঁর পায়ে আমার জন্তযানের ধাক্কায় ব্যাথা পান। তাই আমি আমার জন্তুযানকে হটাতে থাকলাম। শেষে রাতের কোন এক অংশে আমার চোখে তন্দ্রা এলো এবং আমার জন্তুযান রাসূলুল্লাহ (স)-এর জন্তযানকে ধাক্কা দিলো। তখনো তাঁর পা পাদানিতে ছিল এবং তা আমার পায়ের সাথে লেগে গেলো। কিন্তু তবুও আমার ঘুম ভাংলো না। রাসূলুল্লাহ (স)-এর 'সজাগ হও' কথায় আমার ঘুম ছুটলো। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: সামনে চলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে গিফার গোত্রের কে কে যুদ্ধে যোগদান থেকে পেছনে রয়ে গেছে সেই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে লাগলেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেন: ঐ যে গৌর বর্ণ দীর্ঘদেহী যাদের চোয়ালে সামান্য দাড়ি আছে তারা কি করেছে? আমি তাদের পেছনে থেকে যাওয়ার কথা তাঁকে জানালাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: ঐ যে কৃষ্ণবর্ণ খর্বাকৃতির লোকগুলো কি করেছে, শাবকা শাদাখ নামক পানির উৎসে যাদের পশুপাল আছে? আমি গিফার গোত্রের মধ্যে আমার স্মৃতিচারণ করলাম, কিন্তু সেই গোত্রে তেমন কাউকে স্মরণ করতে পারলাম না। আমার স্মরণ হলো যে, তারা তো আসলাম গোত্রের লোক। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তারা তো আসলাম গোত্রের লোক। তিনি বলেন: তাদের কোন সুচতুর কর্মঠ লোককে তার জন্তযানে আরোহণ করিয়ে আল্লাহ্র রাস্তায় পাঠাতে তাদের কিসে বাধা দিলো? আমার একথা চিন্তা করতে কষ্ট হয় যে, কুরাইশ বংশীয় মুহাজিরগণ, আনসারগণ, গিফার গোত্রের লোক এবং আসলাম গোত্রের কেউ যুদ্ধে অংশগ্রহণ থেকে পিছনে থেকে যাবে (আ ১৯২৮২)।
৭৬০- عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ اسْتَأْذَنَ رَجُلٌ عَلَى النَّبِيِّ ﷺ فَقَالَ بِئْسَ أَخُو الْعَشِيْرَة فَلَمَّا دَخَلَ انْبَسَطَ إِلَيْهِ فَقُلْتُ لَهُ فَقَالَ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْفَاحِشَ الْمُتَفَحِّشَ.
৭৬০। আয়েশা (রা) বলেন, এক ব্যক্তি নবী (স)-এর সাক্ষাত প্রার্থনা করলো। তিনি বলেন: গোত্রের মন্দ লোক। অতঃপর সে ভেতরে প্রবেশ করলে তিনি তার সাথে প্রসন্ন বদনে সাক্ষাত করেন। (পরে) আমি তাঁকে বললে তিনি বলেন: আল্লাহ অশ্লীলভাষীকে এবং অশ্লীল আচরণকারীকে পছন্দ করেন না (বু, মু)।
৭৬১- عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ اسْتَأْذَنَتْ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ سَوْدَةُ لَيْلَةَ جَمْعِ وَكَانَتْ امْرَأَةٌ ثَقِيلَةٌ ثَبْطَةٌ فَأَذِنَ لَهَا .
৭৬১। আয়েশা (রা) বলেন, সাওদা (রা) মুযদালিফার রাতে যাত্রা করার জন্য নবী (স)-এর কাছে অনুমতি চাইলে তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। সাওদা (রা) ছিলেন মন্থর গতিসম্পন্ন স্থূলদেহী মহিলা। সুতরাং তিনি (স) তাকে অনুমতি দিলেন (বু, মু, ই)।
📄 বরং পরিচয় দানের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তির এরূপ বলা : অমুক কৃষ্ণকায়
-৩৩- بابُ قَوْلِ الرَّجُلِ فُلاَنٌ جَعْدٌ أَسْوَدَ أَوْ طَوِيلٌ قَصِيرٌ يُرِيدُ الصَّفَةَ وَلَا يُرِيدُ الْغِيبَةَ
৭৫৯- عَنْ أَبِي رُهُم وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللهِ ﷺ الَّذِينَ بَايَعُوهُ تَحْتَ الشَّجَرَةِ يَقُولُ غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللهِ ﷺ غَزْوَةَ تَبُوكَ فَقُمْتُ لَيْلَةَ بِالْأَخْضَرِ فَصِرْتُ قَرِيبًا مِّنْهُ فَأَلْقَى عَلَيْنَا النُّعَاسُ فَطَفِقْتُ اسْتَيْقَظُ وَقَدْ دَنَتْ راحلتى مِنْ راحلته فَيُفْزَعُنى دُنُوهَا خَشْيَةَ أَنْ تُصِيبَ رِجْلَهُ فِي الْغَرْزِ فَطَفِقْتُ أُؤَخِّرُ رَاحِلَتِي حَتَّى غَلَبَتْنِي عَيْنِي بَعْضٍ اللَّيْلِ فَزَاحَمَتْ رَاحِلَتِي رَاحِلَةَ رَسُولِ اللهِ ﷺ وَرِجْلَهُ فِي الْغَرْزِ فَأَصَبْتُ رَجُلُهُ فَلَمْ اسْتَيْقِظَ الا بِقَوْلِهِ حَسٌ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ اسْتَغْفِرْ لِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ سِرْ فَطَفِقَ رَسُولُ اللهِ ﷺ يَسْأَلُنِي عَنْ مِّنْ تَخَلَّفَ مِنْ بَنِي غِفَارٍ فَقَالَ وَهُوَ يَسْأَلُنِي مَا فَعَلَ النَّفَرُ الحُمْرُ الطُّوَالُ الشَّطَاطُ قَالَ فَحَدَّثْتُهُ بِتَخَلُّفِهِمْ قَالَ فَمَا فَعَلَ السُّودُ الْجِعَادُ الْقِصَارُ الَّذِينَ لَهُمْ نَعَمٌ بِشَبَكَةِ شَدَحْ فَتَذَكَّرْتُهُمْ فِي بَنِي غِفَارٍ فَلَمْ أَذْكُرْهُمْ حَتَّى ذكَرْتُ أَنَّهُمْ رَهْطُ مِّنْ أَسْلَمَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ أُولَئِكَ مِنْ أَسْلَمَ قَالَ فَمَا يَمْنَعُ أَحَدُ
২৭২ আল-আদাবুল মুফরাদ
أُولَئِكَ حِيْنَ يَتَخَلَّفُ أَنْ يُحْمِلَ عَلَى بَعِيرٍ مِّنْ ابْلِهِ امْرَا نَشِيطًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَإِنْ أَعَزُّ أَهْلِي عَلَى أَنْ يُتَخَلَّفَ عَنِ الْمُهَاجِرِينَ مِنْ قُرَيْشٍ وَالْأَنْصَارِ وَعَفَارٍ وَأَسْلَمَ .
৭৫৯। আবু রুহম (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি ছিলেন বৃক্ষতলে (হুদাইবিয়ায়) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট বাইআতকারী সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি বলেন, আমি তাবুকের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সঙ্গে অংশগ্রহণ করি। এক রাতে আমি নৈশ প্রহরায় দাঁড়ালাম। আমি তাঁর নিকটেই পাহারা দিচ্ছিলাম। আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লাম এবং জেগে থাকতে চেষ্টা করলাম। আমার জন্তযান তাঁর জন্তুযানের কাছাকাছি এসে পড়লে আমার আশংকা হলো, কখন জানি আমার জন্তযান আরও কাছাকাছি চলে এলে পাদানিতে রাখা তাঁর পায়ে আমার জন্তযানের ধাক্কায় ব্যাথা পান। তাই আমি আমার জন্তুযানকে হটাতে থাকলাম। শেষে রাতের কোন এক অংশে আমার চোখে তন্দ্রা এলো এবং আমার জন্তুযান রাসূলুল্লাহ (স)-এর জন্তযানকে ধাক্কা দিলো। তখনো তাঁর পা পাদানিতে ছিল এবং তা আমার পায়ের সাথে লেগে গেলো। কিন্তু তবুও আমার ঘুম ভাংলো না। রাসূলুল্লাহ (স)-এর 'সজাগ হও' কথায় আমার ঘুম ছুটলো। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: সামনে চলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে গিফার গোত্রের কে কে যুদ্ধে যোগদান থেকে পেছনে রয়ে গেছে সেই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে লাগলেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেন: ঐ যে গৌর বর্ণ দীর্ঘদেহী যাদের চোয়ালে সামান্য দাড়ি আছে তারা কি করেছে? আমি তাদের পেছনে থেকে যাওয়ার কথা তাঁকে জানালাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: ঐ যে কৃষ্ণবর্ণ খর্বাকৃতির লোকগুলো কি করেছে, শাবকা শাদাখ নামক পানির উৎসে যাদের পশুপাল আছে? আমি গিফার গোত্রের মধ্যে আমার স্মৃতিচারণ করলাম, কিন্তু সেই গোত্রে তেমন কাউকে স্মরণ করতে পারলাম না। আমার স্মরণ হলো যে, তারা তো আসলাম গোত্রের লোক। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তারা তো আসলাম গোত্রের লোক। তিনি বলেন: তাদের কোন সুচতুর কর্মঠ লোককে তার জন্তযানে আরোহণ করিয়ে আল্লাহ্র রাস্তায় পাঠাতে তাদের কিসে বাধা দিলো? আমার একথা চিন্তা করতে কষ্ট হয় যে, কুরাইশ বংশীয় মুহাজিরগণ, আনসারগণ, গিফার গোত্রের লোক এবং আসলাম গোত্রের কেউ যুদ্ধে অংশগ্রহণ থেকে পিছনে থেকে যাবে (আ ১৯২৮২)।
৭৬০- عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ اسْتَأْذَنَ رَجُلٌ عَلَى النَّبِيِّ ﷺ فَقَالَ بِئْسَ أَخُو الْعَشِيْرَة فَلَمَّا دَخَلَ انْبَسَطَ إِلَيْهِ فَقُلْتُ لَهُ فَقَالَ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْفَاحِشَ الْمُتَفَحِّشَ.
৭৬০। আয়েশা (রা) বলেন, এক ব্যক্তি নবী (স)-এর সাক্ষাত প্রার্থনা করলো। তিনি বলেন: গোত্রের মন্দ লোক। অতঃপর সে ভেতরে প্রবেশ করলে তিনি তার সাথে প্রসন্ন বদনে সাক্ষাত করেন। (পরে) আমি তাঁকে বললে তিনি বলেন: আল্লাহ অশ্লীলভাষীকে এবং অশ্লীল আচরণকারীকে পছন্দ করেন না (বু, মু)।
৭৬১- عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ اسْتَأْذَنَتْ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ سَوْدَةُ لَيْلَةَ جَمْعِ وَكَانَتْ امْرَأَةٌ ثَقِيلَةٌ ثَبْطَةٌ فَأَذِنَ لَهَا .
৭৬১। আয়েশা (রা) বলেন, সাওদা (রা) মুযদালিফার রাতে যাত্রা করার জন্য নবী (স)-এর কাছে অনুমতি চাইলে তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। সাওদা (রা) ছিলেন মন্থর গতিসম্পন্ন স্থূলদেহী মহিলা। সুতরাং তিনি (স) তাকে অনুমতি দিলেন (বু, মু, ই)।