📄 মেহমানকে প্রদত্ত পাথেয়
۳۱۱- بَابُ جَائِزَة الضَّيْفِ L
৩১১- অনুচ্ছেদঃ মেহমানকে প্রদত্ত পাথেয়।
৭৪৬- عَنْ أَبِي شُرَيْحِ الْعَدَوِيِّ قَالَ سَمِعَتْ أُذْنَايَ وَأَبْصَرَتْ عَيْنَايَ حِيْنَ تَكَلَّمَ النَّبِيُّ ﷺ فَقَالَ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُكْرِمْ جَارَهُ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ جَائِزَتُهُ قَالَ وَمَا جَائِزَتُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ
২৬৬ আল-আদাবুল মুফরাদ
وَالضِّيَافَةُ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ فَمَا كَانَ وَرَاءَ ذَلِكَ فَهُوَ صَدَقَةٌ عَلَيْهِ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ.
৭৪৬। আবু শুরাইহ আল-আদাবী (রা) বলেন, যখন নবী (স) বলেছেন, তখন আমার দুই কান শুনেছে এবং দুই চোখ দেখেছে। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার প্রতিবেশীকে সম্মান করে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন পুরস্কারসহ মেহমানের আপ্যায়ন ও সমাদর করে। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহ্ রাসূল! তার পুরস্কার কি? তিনি বলেনঃ এক রাত ও এক দিনের জন্য উন্নত খাবার পরিবেশন করা। আর তিন দিন পর্যন্ত সাধারণ মেজবানীই যথেষ্ট। এর চেয়েও বেশী দিন অবস্থান করলে সেই মেহমানদারি হলে বদান্যতা। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন ভালো কথা বলে, অন্যথায় চুপ থাকে (বু,মু,দা,তি, না, ই)।
۳۱۱- بَابُ جَائِزَة الضَّيْفِ L
৭৪৬- عَنْ أَبِي شُرَيْحِ الْعَدَوِيِّ قَالَ سَمِعَتْ أُذْنَايَ وَأَبْصَرَتْ عَيْنَايَ حِيْنَ تَكَلَّمَ النَّبِيُّ ﷺ فَقَالَ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُكْرِمْ جَارَهُ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ جَائِزَتُهُ قَالَ وَمَا جَائِزَتُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ
২৬৬ আল-আদাবুল মুফরাদ
وَالضِّيَافَةُ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ فَمَا كَانَ وَرَاءَ ذَلِكَ فَهُوَ صَدَقَةٌ عَلَيْهِ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ.
৭৪৬। আবু শুরাইহ আল-আদাবী (রা) বলেন, যখন নবী (স) বলেছেন, তখন আমার দুই কান শুনেছে এবং দুই চোখ দেখেছে। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার প্রতিবেশীকে সম্মান করে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন পুরস্কারসহ মেহমানের আপ্যায়ন ও সমাদর করে। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহ্ রাসূল! তার পুরস্কার কি? তিনি বলেনঃ এক রাত ও এক দিনের জন্য উন্নত খাবার পরিবেশন করা। আর তিন দিন পর্যন্ত সাধারণ মেজবানীই যথেষ্ট। এর চেয়েও বেশী দিন অবস্থান করলে সেই মেহমানদারি হলে বদান্যতা। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন ভালো কথা বলে, অন্যথায় চুপ থাকে (বু,মু,দা,তি, না, ই)।
📄 মেহমানদারি তিন দিন
۳۱۲ - بَابُ الضَّيَافَةِ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ
৩১২- অনুচ্ছেদঃ মেহমানদারি তিন দিন।
৭৪৭- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ الضِّيَافَةُ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ فَمَا كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ فَهُوَ صَدَقَةٌ.
৭৪৭। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ মেহমানদারি করতে হবে তিন দিন। তার অধিক করা হলে তা দান হিসেবে গণ্য হবে (দা)।
۳۱۲ - بَابُ الضَّيَافَةِ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ
৭৪৭- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ الضِّيَافَةُ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ فَمَا كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ فَهُوَ صَدَقَةٌ.
৭৪৭। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ মেহমানদারি করতে হবে তিন দিন। তার অধিক করা হলে তা দান হিসেবে গণ্য হবে (দা)।
📄 মেহমান আপ্যায়নকারীর অসুবিধা করে থাকবে না
۳۱۳ - بَابُ لَا يُقِيمُ عِنْدَهُ حَتَّى يُخْرِجَهُ
৩১৩- অনুচ্ছেদঃ মেহমান আপ্যায়নকারীর অসুবিধা করে থাকবে না।
৭৪৮- عَنْ أَبِي شُرَيْحِ الْكَعْبِي أَنْ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ جَائِزَتُهُ يَوْمَ وَلَيْلَةٌ وَالضَّيَافَةُ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ فَمَا بَعْدَ ذَلِكَ فَهُوَ صَدَقَةٌ وَلَا يَحِلُّ لَهُ أَنْ يُشْوِيَ عِنْدَهُ حَتَّى يُخْرِجَهُ.
৭৪৮। আবু শুরায়হ আল-কাবী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্ উপর ও আখেরাতের দিনের উপর ঈমান রাখে সে যেন উত্তম কথা বলে অন্যথা নীরব থাকে। যে ব্যক্তি আল্লাহ্র উপর ও আখেরাতের দিনের উপর ঈমান রাখে সে যেন মেহমানের সমাদর করে। তার বিশেষ মেহমানদারি হচ্ছে এক দিন এক রাত, আর স্বাভাবিক মেহমানদারি হচ্ছে তিন দিন। তার অতিরিক্ত যা করা হবে তা বদান্যতারূপে গণ্য হবে। আর মেহমানের পক্ষে মেজবানের বাড়িতে এতো অধিক দিন অবস্থান করা উচিৎ নয় যাতে সে অসুবিধা বোধ করে (আ, তহা)।
۳۱۳ - بَابُ لَا يُقِيمُ عِنْدَهُ حَتَّى يُخْرِجَهُ
৭৪৮- عَنْ أَبِي شُرَيْحِ الْكَعْبِي أَنْ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ جَائِزَتُهُ يَوْمَ وَلَيْلَةٌ وَالضَّيَافَةُ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ فَمَا بَعْدَ ذَلِكَ فَهُوَ صَدَقَةٌ وَلَا يَحِلُّ لَهُ أَنْ يُشْوِيَ عِنْدَهُ حَتَّى يُخْرِجَهُ.
৭৪৮। আবু শুরায়হ আল-কাবী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্ উপর ও আখেরাতের দিনের উপর ঈমান রাখে সে যেন উত্তম কথা বলে অন্যথা নীরব থাকে। যে ব্যক্তি আল্লাহ্র উপর ও আখেরাতের দিনের উপর ঈমান রাখে সে যেন মেহমানের সমাদর করে। তার বিশেষ মেহমানদারি হচ্ছে এক দিন এক রাত, আর স্বাভাবিক মেহমানদারি হচ্ছে তিন দিন। তার অতিরিক্ত যা করা হবে তা বদান্যতারূপে গণ্য হবে। আর মেহমানের পক্ষে মেজবানের বাড়িতে এতো অধিক দিন অবস্থান করা উচিৎ নয় যাতে সে অসুবিধা বোধ করে (আ, তহা)।
📄 মেহমান ভোরবেলা আপ্যায়নকারীর আঙ্গিনায় উপস্থিত হলে
٣١٤ - بَابُ إِذَا أَصْبَحَ بِفَنَائِهِ
৩১৪- অনুচ্ছেদঃ মেহমান ভোরবেলা আপ্যায়নকারীর আঙ্গিনায় উপস্থিত হলে।
৭৪৯- عَنِ المِقْدَامِ أَبِي كَرِيْمَةَ السَّامِي قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ لَيْلَةُ الضَّيْفِ حَقٌّ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ فَمَنْ أَصْبَحَ بِفِنَائِهِ فَهُوَ دَيْنٌ عَلَيْهِ إِنْ شَاءَ فَإِنْ شَاءَ اقْتَضَاهُ وَإِنْ شَاءَ تَرَكَهُ .
৭৪৯। মিকদাম আবু কারীমা আস-সামী (রা) বলেন, নবী (স) বলেছেনঃ রাতের বেলা আগত মেহমানের মেহমানদারি করা প্রত্যেক মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য। আর রাতের বেলা তার নিকট মেহমান অবস্থান করলে, সে তার জন্য ঋণস্বরূপ। এখন সে ইচ্ছা করলে এই ঋণ (মেহমানকে পানাহার করানো) পরিশোধ করুক অথবা চাইলে তা ত্যাগ করুক (দা,ই, দার, হা, তহা, কু,আ)।
٣١٤ - بَابُ إِذَا أَصْبَحَ بِفَنَائِهِ
৭৪৯- عَنِ المِقْدَامِ أَبِي كَرِيْمَةَ السَّامِي قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ لَيْلَةُ الضَّيْفِ حَقٌّ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ فَمَنْ أَصْبَحَ بِفِنَائِهِ فَهُوَ دَيْنٌ عَلَيْهِ إِنْ شَاءَ فَإِنْ شَاءَ اقْتَضَاهُ وَإِنْ شَاءَ تَرَكَهُ .
৭৪৯। মিকদাম আবু কারীমা আস-সামী (রা) বলেন, নবী (স) বলেছেনঃ রাতের বেলা আগত মেহমানের মেহমানদারি করা প্রত্যেক মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য। আর রাতের বেলা তার নিকট মেহমান অবস্থান করলে, সে তার জন্য ঋণস্বরূপ। এখন সে ইচ্ছা করলে এই ঋণ (মেহমানকে পানাহার করানো) পরিশোধ করুক অথবা চাইলে তা ত্যাগ করুক (দা,ই, দার, হা, তহা, কু,আ)।