📄 পর্দার তিন সময়
১০৬২ - عَنْ ثَعْلَبَةَ بْنِ أَبِي مَالِكَ الْقُرَظِي أَنَّهُ رَكِبَ إِلى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سُوَيْدٍ أَخِي بَنِي حَارِثَةَ بْنِ الْحَارِثِ يَسْأَلُهُ عَنِ الْعَوْرَاتِ الثَّلاثِ وَكَانَ يَعْمَلُ بِهِنَّ فَقَالَ مَا تُرِيدُ فَقُلْتُ أُرِيدُ أَنْ أَعْمَلَ بِهِنَّ فَقَالَ إِذَا وَضَعْتُ ثِيَابِي مِنَ الظَّهِيرَةِ لَمْ يَدْخُلْ عَلَى أَحَدٌ مِّنْ أَهْلِي بَلَغَ الْحِلْمَ الا باذنى إِلا أَنْ أَدْعُوهُ فَذَلِكَ اذْنُهُ وَلَا إِذَا طَلَعَ الْفَجْرُ وَعُرِفَ النَّاسُ حَتَّى تُصَلَّى الصَّلاةُ وَلَا إِذَا صَلَّيْتُ العِشَاءَ وَوَضَعْتُ ثِيَابِي حَتَّى أَنَامَ .
১০৬২। সালাবা ইবনে আবু মালেক আল-কুরাযী (র) থেকে বর্ণিত। তিনি "পর্দার তিন সময়” সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য জনুযানে আরোহণ করে বনূ হারিসা ইবনুল হারিস-এর সদস্য আবদুল্লাহ ইবনে সুয়াইদ (রা)-র নিকট গেলেন। কারণ তিনি এই তিন সময়ের নিয়ম মেনে চলতেন। তিনি বলেন, তুমি কী জানতে চাও? আমি বললাম, আমি ঐ তিন সময়ের বিধান মেনে চলতে চাই। তিনি বলেন, দুপুরের সময় যখন আমি আমার পোশাকাদি খুলে রাখি তখন আমার পরিবারের কোন বালেগ সদস্য আমার অনুমতি ব্যতীত আমার নিকট প্রবেশ করতে পারে না। অবশ্য আমি যদি তাকে ডাকি, তবে এটাও তার জন্য অনুমতি। আর যখন ফজরের ওয়াক্ত হয় এবং লোকজনকে চেনা যায়, তখন থেকে ফজরের নামায পড়া পর্যন্ত সময়ও (কেউ অনুমতি ব্যতীত প্রবেশ করতে পারে না)। আর যখন আমি এশার নামায পড়ার পর পোশাক খুলে রেখে ঘুমানো পর্যন্ত (অনুমতি ব্যতীত প্রবেশ করে না) (ইসতীআব ও উসদুল গাবা)।
📄 স্ত্রীর সাথে স্বামীর আহার গ্রহণ
১০৬৩ - عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كُنْتُ أَكُلُ مَعَ النَّبِيِّ ﷺ حَيْسًا فَمَرَّ عُمَرُ فَدَعَاهُ فَأَكَلَ فَأَصَابَتْ يَدَهُ اصْبَعِي فَقَالَ حِس لَوْ أَطَاعُ فِيكُنَّ مَا رَأَتْكُنَّ عَيْنٌ فَنَزَلَ الْحِجَابُ .
১০৬৩। আয়েশা (রা) বলেন, আমি নবী (স)-এর সাথে হায়স (এক প্রকার মিষ্টি খাদ্য) খাচ্ছিলাম। তখন উমার (রা) এলে তিনি তাকে ডাকলেন এবং তিনিও আহার করলেন। তার হাত আমার আঙ্গুল স্পর্শ করলে তিনি বলেন, তোমাদের ব্যাপারে বোধশক্তি কাজ করলে কোন চোখ তোমাদের দেখতে পেতো না। তখন পর্দার বিধান নাযিল হয় (না)।
১০৬৪ - عَنْ سَالِمِ بْنِ سَرْجِ مَوْلَى أَمْ حَبِيبَةَ بِنْتِ قَيْسٍ وَهِيَ خَوْلَةٌ وَهِيَ جَدَّةٌ خَارِجَةً بْنِ الْحَارِثِ أَنَّهُ سَمِعَهَا تَقُولُ اخْتَلَفَتْ يَدِى وَيَدُ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ فِي إِنَاءِ وَاحِدٍ .
১০৬৪। সালেম ইবনে সারজ (র) থেকে বর্ণিত। তিনি উম্মু হাবীবা বিনতে কায়েস (রা)-কে বলতে শুনেছেন, একই পাত্রে (আহারের সময়) রাসূলুল্লাহ (স)-এর হাত আমার হাতে লেগে যায় (দা, ই, আ, শা, তা)।
📄 কেউ বসতিহীন ঘরে প্রবেশ করলে
১০৬৫ - عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ إِذَا دَخَلَ الْبَيْتَ غَيْرُ الْمَسْكُونِ فَلْيَقُلْ السَّلامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِينَ
১০৬৫। নাফে (র) থেকে বর্ণিত। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রা) বলেন, কেউ বসতিহীন ঘরে প্রবেশ করলে যেনো বলে, "আসসালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদil্লাহis সালিহীন" (আমাদের উপর এবং আল্লাহ্র সৎকর্মপরায়ণ বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক) (শা)।
১০৬৬ - عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَا تَدْخُلُوا بُيُوتًا غَيْرَ بُيُوتِكُمْ حَتَّى تَسْتَأْنِسُوا وَتُسَلِّمُوا عَلَى أَهْلِهَا وَاسْتَثْنَى مِنْ ذَلِكَ فَقَالَ لَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَنْ تَدْخُلُوا بُيُوتًا غَيْرَ مَسْكُونَةٍ فِيْهَا مَتَاعٌ لَّكُمْ وَاللَّهُ يَعْلَمُ مَا تُبْدُونَ وَمَا تَكْتُمُونَ].
১০৬৬। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। (মহান আল্লাহ্ বাণী): "তোমরা নিজেদের ঘর ব্যতীত অন্য ঘরে প্রবেশ করো না, যতক্ষণ না তোমরা অনুমতি গ্রহণ করো এবং ঘরবাসীদের সালাম দাও” (সূরা নূর: ২৭)। মহান আল্লাহ্ বাণীঃ "বসতিহীন যে ঘরে তোমাদের জিনিসপত্র রয়েছে তাতে তোমাদের প্রবেশ করায় কোন আপত্তি নাই। তোমরা যা প্রকাশ করো এবং যা গোপন করো তা আল্লাহ জানেন" (সূরা নূর: ২৯)। ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, এই শেষোক্ত আয়াতের নির্দেশ পূর্বোক্ত আয়াতের নির্দেশের ব্যতিক্রম (তাবারী)।
📄 “তোমাদের ক্রীতদাসেরা যেন তোমাদের নিকট অনুমতি প্রার্থনা করে”
১০৬৭ - عَنِ ابْنِ عُمَرَ لِيَسْتَأْذِنْكُمُ الَّذِينَ مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ ] قَالَ هِيَ لِلرِّجَالِ دُونَ النِّسَاءِ .
১০৬৭। ইবনে উমার (রা) থেকে বর্ণিত। (আল্লাহ্ বাণী): "তোমাদের ডান হাত যাদের মালিক হয়েছে তারা যেন তোমাদের অনুমতি প্রার্থনা করে" (সূরা নূর: ৫৮)। তিনি বলেন, এই নির্দেশ পুরুষদের জন্য, নারীদের জন্য নয়।