📄 (রাস্তার অধিকার)
৪৬৮-অনুচ্ছেদ: (রাস্তার অধিকার)।
১০২৪ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ نَهَى عَنِ الْأَفْنِيَةِ وَالصُّعُدَاتِ أَنْ يُجَلَسَ فِيْهَا فَقَالَ الْمُسْلِمُونَ لا نَسْتَطِيعُهُ لا تُطِيقُهُ قَالَ أَمَّا لَا فَأَعْطُوا حَقَّهَا قَالُوا وَمَا حَقَّهَا قَالَ غَضُّ الْبَصَرِ وَارْشَادُ ابْنِ السَّبِيْلِ وَتَسْمِيْتِ الْعَاطِسِ إِذَا حَمِدَ اللهَ وَرَدَّ التَّحِيَّة .
১০২৪। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বাড়ির আঙ্গিনায় এবং উঁচু স্থানসমূহের ঢালে বসতে নিষেধ করলেন। মুসলমানগণ বলেন, তা তো আমাদের সাধ্যাতীত। তিনি বলেন: যদি তাই হয় তবে তোমরা তার দাবি পূরণ করো। তারা বলেন, রাস্তার দাবি কি? তিনি বলেন: দৃষ্টিশক্তি সংযত রাখা, পথিককে পথ বলে দেয়া, হাঁচিদাতা আলহামদু লিল্লাহ বললে তার জবাব দেয়া এবং সালামের উত্তর দেয়া (দা)।
১০২৫ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ ابْخَلُ النَّاسِ مِنْ بُخْلِ بِالسَّلَامِ وَالْمَعْبُونُ مَنْ لَّمْ يَرُدُّهُ وَإِنْ حَالَتْ بَيْنَكَ وَبَيْنَ أَخِيكَ شَجَرَةٌ فَإِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ تَبْدَاهُ بِالسَّلَامِ لَا يَبْدَاكَ فَافْعَلْ .
১০২৫। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, যে ব্যক্তি সালাম দিতে কার্পণ্য করে সে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট কৃপণ এবং যে ব্যক্তি সালামের উত্তর দেয় না সে প্রতারক। যদি তোমার ও তোমার অপর ভাইয়ের মাঝখানে কোন গাছ প্রতিবন্ধক হয় তবে যথাসাধ্য তুমিই তাকে আগে সালাম দিতে তৎপর হবে। সে যেন তোমার আগে তোমাকে সালাম দিতে না পারে।
১০২৬ - عَنْ سَالِمٍ مَوْلَى عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا سَلَّمَ عَلَيْهِ فَرَدَّ زَادَ فَأَتَيْتُهُ وَهُوَ جَالِسٌ فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ ثُمَّ آتَيْتُهُ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ قَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ ثُمَّ آتَيْتُهُ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ وَطَيِّبُ صَلَوَاتِه .
১০২৬। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রা)-র মুক্তদাস সালেম (র) বলেন, কেউ ইবনে উমার (রা)-কে সালাম দিলে তিনি বর্ধিত শব্দযোগে তার উত্তর দিতেন। আমি তার নিকট আসলাম এবং তিনি তখন বসা ছিলেন। আমি বললাম, আসসালামু আলাইকুম। তিনি উত্তর দেন, আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমি পুনরায় তার নিকট এসে বললাম, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। তিনি উত্তর দেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আমি পুনরায় তার নিকট এসে বললাম, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। তিনি এবার জবাব দিলেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ওয়া তাইয়্যিবু সালাওয়াতিহি।
১০২৪ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ نَهَى عَنِ الْأَفْنِيَةِ وَالصُّعُدَاتِ أَنْ يُجَلَسَ فِيْهَا فَقَالَ الْمُسْلِمُونَ لا نَسْتَطِيعُهُ لا تُطِيقُهُ قَالَ أَمَّا لَا فَأَعْطُوا حَقَّهَا قَالُوا وَمَا حَقَّهَا قَالَ غَضُّ الْبَصَرِ وَارْشَادُ ابْنِ السَّبِيْلِ وَتَسْمِيْتِ الْعَاطِسِ إِذَا حَمِدَ اللهَ وَرَدَّ التَّحِيَّة .
১০২৪। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বাড়ির আঙ্গিনায় এবং উঁচু স্থানসমূহের ঢালে বসতে নিষেধ করলেন। মুসলমানগণ বলেন, তা তো আমাদের সাধ্যাতীত। তিনি বলেন: যদি তাই হয় তবে তোমরা তার দাবি পূরণ করো। তারা বলেন, রাস্তার দাবি কি? তিনি বলেন: দৃষ্টিশক্তি সংযত রাখা, পথিককে পথ বলে দেয়া, হাঁচিদাতা আলহামদু লিল্লাহ বললে তার জবাব দেয়া এবং সালামের উত্তর দেয়া (দা)।
১০২৫ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ ابْخَلُ النَّاسِ مِنْ بُخْلِ بِالسَّلَامِ وَالْمَعْبُونُ مَنْ لَّمْ يَرُدُّهُ وَإِنْ حَالَتْ بَيْنَكَ وَبَيْنَ أَخِيكَ شَجَرَةٌ فَإِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ تَبْدَاهُ بِالسَّلَامِ لَا يَبْدَاكَ فَافْعَلْ .
১০২৫। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, যে ব্যক্তি সালাম দিতে কার্পণ্য করে সে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট কৃপণ এবং যে ব্যক্তি সালামের উত্তর দেয় না সে প্রতারক। যদি তোমার ও তোমার অপর ভাইয়ের মাঝখানে কোন গাছ প্রতিবন্ধক হয় তবে যথাসাধ্য তুমিই তাকে আগে সালাম দিতে তৎপর হবে। সে যেন তোমার আগে তোমাকে সালাম দিতে না পারে।
১০২৬ - عَنْ سَالِمٍ مَوْلَى عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا سَلَّمَ عَلَيْهِ فَرَدَّ زَادَ فَأَتَيْتُهُ وَهُوَ جَالِسٌ فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ ثُمَّ آتَيْتُهُ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ قَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ ثُمَّ آتَيْتُهُ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ وَطَيِّبُ صَلَوَاتِه .
১০২৬। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রা)-র মুক্তদাস সালেম (র) বলেন, কেউ ইবনে উমার (রা)-কে সালাম দিলে তিনি বর্ধিত শব্দযোগে তার উত্তর দিতেন। আমি তার নিকট আসলাম এবং তিনি তখন বসা ছিলেন। আমি বললাম, আসসালামু আলাইকুম। তিনি উত্তর দেন, আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমি পুনরায় তার নিকট এসে বললাম, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। তিনি উত্তর দেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আমি পুনরায় তার নিকট এসে বললাম, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। তিনি এবার জবাব দিলেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ওয়া তাইয়্যিবু সালাওয়াতিহি।
📄 পাপাচারীকে সালাম দিবে না
৪৬৯-অনুচ্ছেদ: পাপাচারীকে সালাম দিবে না।
১০২৭ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ لَا تُسَلِّمُوا عَلَى شَرَابِ الخَمْرَ .
১০২৭। আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা) বলেন, তোমরা মদ্যপায়ীকে সালাম দিও না (বু)।
১০২৮ - عَنِ الْحَسَنِ قَالَ لَيْسَ بَيْنَكَ وَبَيْنَ الْفَاسِقِ حُرْمَةٌ .
১০২৮। হাসান (র) বলেন, তোমার ও পাপাসক্ত ব্যক্তির মধ্যে সম্মানের কোন সম্পর্ক থাকবে না।
১০২৯ - হাদ্দানী আবু যুরাইক্বিন আন্নাহু সামিআ’ আলীয়্যা ইবনা ‘আবদিল্লাহি ইয়াকরাহুল ইশতিরanজা ওয়া ইয়াকুলু লা তুসাল্লিমু ‘আলা মান লা’ইবা বিহা ওয়াহিয়া মিনাল মাইসির।
১০২৯। আবু জুরাইক (র) থেকে বর্ণিত। তিনি আলী ইবনে আবদুল্লাহ (র) সম্পর্কে শুনেছেন যে, তিনি দাবা খেলা অপছন্দ করতেন এবং বলতেন, যারা এই খেলায় অভ্যস্ত তোমরা তাদেরকে সালাম দিও না। কেননা তা জুয়ার অন্তর্ভুক্ত।
১০২৭ - عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ لَا تُسَلِّمُوا عَلَى شَرَابِ الخَمْرَ .
১০২৭। আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা) বলেন, তোমরা মদ্যপায়ীকে সালাম দিও না (বু)।
১০২৮ - عَنِ الْحَسَنِ قَالَ لَيْسَ بَيْنَكَ وَبَيْنَ الْفَاسِقِ حُرْمَةٌ .
১০২৮। হাসান (র) বলেন, তোমার ও পাপাসক্ত ব্যক্তির মধ্যে সম্মানের কোন সম্পর্ক থাকবে না।
১০২৯ - হাদ্দানী আবু যুরাইক্বিন আন্নাহু সামিআ’ আলীয়্যা ইবনা ‘আবদিল্লাহি ইয়াকরাহুল ইশতিরানজা ওয়া ইয়াকুলু লা তুসাল্লিমু ‘আলা মান লা’ইba বিহা ওয়াহিয়া মিনাল মাইসির।
১০২৯। আবু জুরাইক (র) থেকে বর্ণিত। তিনি আলী ইবনে আবদুল্লাহ (র) সম্পর্কে শুনেছেন যে, তিনি দাবা খেলা অপছন্দ করতেন এবং বলতেন, যারা এই খেলায় অভ্যস্ত তোমরা তাদেরকে সালাম দিও না। কেননা তা জুয়ার অন্তর্ভুক্ত।
📄 যে ব্যক্তি খালুক (যাফরান মিশ্রিত খোশবু) ব্যবহারকারী ও পাপাচারীকে সালাম দেয় না
৪৭০-অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি খালুক (যাফরান মিশ্রিত খোশবু) ব্যবহারকারী ও পাপাচারীকে সালাম দেয় না।
১0৩০ - ‘আন ‘আলী ইবনি আবি তালিবিন কালা মাররান নাবিয়্যু ﷺ ‘আলা ক্বাওমিন ফিহিম রাজুলun মুতাখাল্লিকুন বিখালুক্বিন ফানাযারা ইলাইহিম ওয়া সাল্লামা আলাইhim ওয়া আ’রাদা ‘আর রাজুলি ফাক্বালার রাজুলু আ’রাজতা আন্নি কালা বাইনা ‘আইনাইহি জামরাতুন।
১0৩০। আলী ইবনে আবু তালিব (রা) বলেন, নবী (স) এক সম্প্রদায়ের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের মধ্যে খালুক প্রসাধনী মাখা এক ব্যক্তিও ছিল। তিনি তাদের দিকে তাকিয়ে তাদের সালাম দিলেন, কিন্তু ঐ ব্যক্তিকে উপেক্ষা করলেন। সে বললো, আপনি যে আমাকে উপেক্ষা করলেন? তিনি বলেন: তার দুই চোখের মাঝখানে জ্বলন্ত কয়লা রয়েছে।
১০৩১ - ‘আন ‘আমরুবনি শু’আইবিন আন আবিহি আন জাদ্দিহি আন্না রাজুলান আতান্নাবিয়া ﷺ ওয়া ফি ইয়াদিhi খাতামুম মিন যাহাবিন ফা’আরাদান্নাবিয়্যু ﷺ আ’নহু ফালাম্মা রায়্যার রাজুলু কারাহিয়াতাহু যাহাবা ফাআলকাল খাতামা ওয়া আখাজা খাতামাম মিন hাদিdin ফালাবিসাহু ওয়া আতান্নাবিয়া ﷺ কালা হাজা শাররুন হাজা hুলইয়াতু আহলিন্নারি ফারাজিয়া ফাতারাহু ওয়া লাবিসা খাতামাম মির ওয়ারিক্বিন ফাসাকাতা ‘আনহুন্নাবিয়্যু ﷺ
১০৩১। আমর ইবনে শুআইব (র) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি সোনার আংটি পরে নবী (স)-এর নিকট আসলো। নবী (স) তাকে অবজ্ঞা করলেন। সে তাঁর অবজ্ঞা অনুভব করতে পেরে চলে গিয়ে ঐ আংটি ফেলে দিলো এবং একটি লোহার আংটি পরিধান করলো, অতঃপর নবী (স)-এর নিকট এলো। তিনি বলেন: এটা মন্দ, এটা দোযখবাসীদের অলংকার। সে ফিরে গেলো এবং তাও ফেলে দিয়ে একটি রূপার আংটি পরিধান করলো। নবী (স) এবার তার সম্পর্কে কোন মন্তব্য করেননি (তহা)।
১০৩২ - ‘আন আবি সাঈদিন কালা আকবালা রাজুলুম মিনাল বাহরাইনি ইলান্নাবিয়্যি ﷺ ফাসাল্লামা আলাইhi ফালাম ইয়ারুদ্দু ওয়া ফি ইয়াদিhi খাতামুম মিন যাহাবিও ওয়া আলাইhi জুব্বাতুন হারিরিন ফানতালাক্বার রাজুলু মাহযুনা ফাসাকা ইলা اِمْرَأَتِهِ فَقَالَتْ لَعَلَّ بِرَسُولِ اللهِ ﷺ جُبَّتَكَ وَخَاتَمُكَ فَالْقَهُمَا ثُمَّ عَدَا فَفَعَلَ فَرَدَّ السَّلَامَ فَقَالَ جِئْتُكَ آنفًا فَأَعْرَضْتَ عَنِّي قَالَ كَانَ فِي يَدِكَ جَمْرٌ مِّنْ نَارٍ فَقَالَ لَقَدْ جِئْتُ إِذَا بِجَمَرٍ كَثِيرٍ قَالَ إِنَّ مَا جِئْتَ بِهِ لَيْسَ بِأَحَدٍ أَغْنَى مِنْ حِجَارَةِ الْحَرَّةِ وَلَكِنَّهُ مَتَاعُ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا قَالَ فِيْمَا ذَا أَتَخَتُمُ قَالَ بِحَلْقَةٍ مِّنْ وَرِقٍ أَوْ صُفْرٍ أَوْ حَدِيدٍ .
১০৩২। আবু সাঈদ (রা) বলেন, বাহরাইন থেকে এক ব্যক্তি নবী (স)-এর নিকট এলো। সে তাকে সালাম দিলো কিন্তু জবাব তিনি দেননি। তার হাতে ছিল সোনার আংটি এবং তার পরনে ছিল একটি রেশমী জুব্বা। লোকটি বিষন্ন মনে ফিরে গিয়ে ঘটনাটি তার স্ত্রীকে জানালো। তার স্ত্রী বললো, হয়তো তোমার এই জুব্বা ও সোনার আংটির কারণে রাসূলুল্লাহ (স) এরূপ করে থাকবেন। সে এই দুটি ফেলে দিয়ে পুনরায় ফিরে এসে তাঁকে সালাম দিলো। তিনি তার সালামের জবাব দিলেন। সে বললো, কিছুক্ষণ আগে আমি আপনার নিকট এসেছিলাম। তখন আপনি আমাকে উপেক্ষা করেছেন। তিনি বললেন: তখন তোমার হাতে দোযখের জ্বলন্ত অঙ্গার ছিল। সে বললো, তাহলে তো আমি অনেক অঙ্গারই সঞ্চয় করেছি। তিনি বলেন: তুমি তো তাই নিয়ে এসেছিলে। কারো কাছে হাররা প্রান্তরের পাথরের চেয়ে অধিক পরিমাণ সম্পদ থাকলেও তা তো পার্থিব জীবনের সম্পদই। সে বললো, তাহলে আমি কিসের আংটি বানাবো? তিনি বলেন: রূপা, পিতল বা লোহা দ্বারা (না, আ)।
১0৩০ - ‘আন ‘আলী ইবনি আবি তালিবিন কালা মাররান নাবিয়্যু ﷺ ‘আলা ক্বাওমিন ফিহিম রাজুলun মুতাখাল্লিকুন বিখালুক্বিন ফানাযারা ইলাইhim ওয়া সাল্লামা আলাইhim ওয়া আ’রাদা ‘আর রাজুলি ফাক্বালার রাজুলু আ’রাজta আন্নি কালা বাইনা ‘আইনাইhi জামরাতুন।
১0৩০। আলী ইবনে আবু তালিব (রা) বলেন, নবী (স) এক সম্প্রদায়ের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের মধ্যে খালুক প্রসাধনী মাখা এক ব্যক্তিও ছিল। তিনি তাদের দিকে তাকিয়ে তাদের সালাম দিলেন, কিন্তু ঐ ব্যক্তিকে উপেক্ষা করলেন। সে বললো, আপনি যে আমাকে উপেক্ষা করলেন? তিনি বলেন: তার দুই চোখের মাঝখানে জ্বলন্ত কয়লা রয়েছে।
১০৩১ - ‘আন ‘আমরুবনি শু’আইবিন আন আবিহি আন জাদ্দিhi আন্না রাজুলান আতান্নাবিয়া ﷺ ওয়া ফি ইয়াদিhi খাতামুম মিন যাহাবিন ফা’আরাদান্নাবিয়্যু ﷺ আ’নhu ফালাম্মা রায়্যার রাজুলু কারাহিয়াতাহু যাহাবা ফাআলকাল খাতামা ওয়া আখাজা খাতামাম মিন hাদিdin ফালাবিসাহু ওয়া আতান্নাবিয়া ﷺ কালা হাজা শাররুন হাজা hুলইয়াতু আহলিন্নারি ফারাজিয়া ফাতারাহু ওয়া লাবিসা খাতামাম মির ওয়ারিক্বিন ফাসাকাতা ‘আনহুন্নাবিয়্যু ﷺ
১০৩১। আমর ইবনে শুআইব (র) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি সোনার আংটি পরে নবী (স)-এর নিকট আসলো। নবী (স) তাকে অবজ্ঞা করলেন। সে তাঁর অবজ্ঞা অনুভব করতে পেরে চলে গিয়ে ঐ আংটি ফেলে দিলো এবং একটি লোহার আংটি পরিধান করলো, অতঃপর নবী (স)-এর নিকট এলো। তিনি বলেন: এটা মন্দ, এটা দোযখবাসীদের অলংকার। সে ফিরে গেলো এবং তাও ফেলে দিয়ে একটি রূপার আংটি পরিধান করলো। নবী (স) এবার তার সম্পর্কে কোন মন্তব্য করেননি (তহা)।
১০৩২ - ‘আন আবি সাঈদিন কালা আকবালা রাজুলুম মিনাল বাহরাইনি ইলান্নাবিয়্যি ﷺ ফাসাল্লামা আলাইhi ফালাম ইয়ারুদ্দু ওয়া ফি ইয়াদিhi খাতamum মিন যাহাবিও ওয়া আলাইhi জুব্বাতুন হারিরিন ফানতালাক্বার রাজুলু মাহযুনা ফাসাকা ইলা اِمْرَأَتِهِ فَقَالَتْ لَعَلَّ بِرَسُولِ اللهِ ﷺ جُبَّتَكَ وَخَاتَمُكَ فَالْقَهُمَا ثُمَّ عَدَا فَفَعَلَ فَرَدَّ السَّلَامَ فَقَالَ جِئْتُكَ آنفًا فَأَعْرَضْتَ عَنِّي قَالَ كَانَ فِي يَدِكَ جَمْرٌ مِّنْ نَارٍ فَقَالَ لَقَدْ جِئْتُ إِذَا بِجَمَرٍ كَثِيرٍ قَالَ إِنَّ مَا جِئْتَ بِهِ لَيْسَ بِأَحَدٍ أَغْنَى مِنْ حِجَارَةِ الْحَرَّةِ وَلَكِنَّهُ مَتَاعُ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا قَالَ فِيْمَا ذَا أَتَخَتُمُ قَالَ بِحَلْقَةٍ مِّنْ وَرِقٍ أَوْ صُفْرٍ أَوْ حَدِيدٍ .
১০৩২। আবু সাঈদ (রা) বলেন, বাহরাইন থেকে এক ব্যক্তি নবী (স)-এর নিকট এলো। সে তাকে সালাম দিলো কিন্তু জবাব তিনি দেননি। তার হাতে ছিল সোনার আংটি এবং তার পরনে ছিল একটি রেশমী জুব্বা। লোকটি বিষন্ন মনে ফিরে গিয়ে ঘটনাটি তার স্ত্রীকে জানালো। তার স্ত্রী বললো, হয়তো তোমার এই জুব্বা ও সোনার আংটির কারণে রাসূলুল্লাহ (স) এরূপ করে থাকবেন। সে এই দুটি ফেলে দিয়ে পুনরায় ফিরে এসে তাঁকে সালাম দিলো। তিনি তার সালামের জবাব দিলেন। সে বললো, কিছুক্ষণ আগে আমি আপনার নিকট এসেছিলাম। তখন আপনি আমাকে উপেক্ষা করেছেন। তিনি বললেন: তখন তোমার হাতে দোযখের জ্বলন্ত অঙ্গার ছিল। সে বললো, তাহলে তো আমি অনেক অঙ্গারই সঞ্চয় করেছি। তিনি বলেন: তুমি তো তাই নিয়ে এসেছিলে। কারো কাছে হাররা প্রান্তরের পাথরের চেয়ে অধিক পরিমাণ সম্পদ থাকলেও তা তো পার্থিব জীবনের সম্পদই। সে বললো, তাহলে আমি কিসের আংটি বানাবো? তিনি বলেন: রূপা, পিতল বা লোহা দ্বারা (না, আ)।
📄 আমীরকে সালাম দেয়া
৪৭১-অনুচ্ছেদ: আমীরকে সালাম দেয়া।
১০৩৩ - عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنْ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ سَأَلَ أَبَا بَكْرِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ لِمَ كَانَ أَبُو بَكْرٍ يَكْتُبُ مِنْ أَبِي بَكْرٍ خَلِيفَة رَسُولِ اللَّهِ ثُمَّ كَانَ عُمَرُ يَكْتُبُ بَعْدَهُ مِنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَابِ خَلِيفَةِ أَبِي بَكْرٍ مَنْ أَوَّلُ مَنْ كَتَبَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ فَقَالَ حَدَّثَتْنِي جَدَّتِي الشَّفَاءُ وَكَانَتْ مِنَ الْمُهَاجِرَاتِ الْأَوَّل وَكَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَابِ إِذَا هُوَ دَخَلَ السُّوقَ دَخَلَ عَلَيْهَا قَالَتْ كَتَبَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَابِ الى عامل الْعِرَاقِينَ أَنِ ابْعَثْ إِلَى بِرَجُلَيْنِ جَلْدَيْنِ نَبِيلَيْنِ أَسْأَلُهُمَا عَنِ الْعِرَاقِ وَأَهْلِهِ فَبَعَثَ إِلَيْهِ صَاحِبَ الْعِرَاقِينَ بِلَبِيْدِ بْنِ رَبِيعَةَ وَعَدِي بْنِ حَاتِمٍ فَقَدِمَا الْمَدِينَةَ فَأَنَاخَا رَاحِلَتَيْهِمَا بِفَنَاءِ الْمَسْجِدِ ثُمَّ دَخَلَا الْمَسْجِدَ فَوَجَدَا عَمْرُو بْنَ الْعَاصِ فَقَالاً لَهُ يَا عَمْرُو اسْتَأْذِنْ لَنَا عَلَى أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ عُمَرَ فَوَثَبَ عَمْرُو فَدَخَلَ عَلَى عُمَرَ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ فَقَالَ لَهُ عُمَرُ مَا بَدَا لَكَ فِي هَذَا الْاِسْمِ يَا ابْنَ الْعَاصِ لَتُخْرِجَنَّ مِمَّا قُلْتَ قَالَ نَعَمْ قَدِمَ لَبِيْدُ بْنُ رَبِيعَةَ وَعَدِيُّ بْنُ حَاتِمٍ فَقَالَا لِي اسْتَأْذِنْ لَنَا عَلَى أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ فَقُلْتُ أَنْتُمَا وَالله أَصَبْتُمَا اسْمَهُ وَأَنَّهُ الْأَمِيرُ وَنَحْنُ الْمُؤْمِنِينَ فَجَرِيَ الْكِتَابَ مِنْ ذَلِكَ الْيَوْمِ .
১০৩৩। ইবনে শিহাব (র) থেকে বর্ণিত। উমার ইবনে আবদুল আযীয (র) আবু বাক্স ইবনে সুলায়মান ইবনে আবু হাসমাকে জিজ্ঞেস করেন, কেনো আবু বাক্স (রা) পত্রের শিরোনামে লিখতেনঃ আবু বাক্স, রাসূলুল্লাহ (স)-এর খলীফার পক্ষ থেকে। অতঃপর উমার (রা) লিখতেন, উমার ইবনুল খাত্তাব, আবু বাক্সের খলীফার (প্রতিনিধির) পক্ষ থেকে। সর্বপ্রথম কে "আমীরুল মুমিনীন' শব্দটি লেখার প্রচলন করেন? তিনি বলেন, আমার পিতামহী শিফা (রা) আমাকে বলেছেন, তিনি প্রথম যুগের মুহাজির মহিলাদের একজন এবং উমার ইবনুল খাত্তাব (রা) বাজারে গেলে তার সাথে অবশ্যই সাক্ষাত করতেন। উমার ইবনুল খাত্তাব (রা) ইরাকের শাসনকর্তাকে লিখে পাঠান, আমার নিকট দুইজন বিজ্ঞ ও সম্ভ্রান্ত লোক পাঠাও যাদেরকে আমি ইরাক ও তার অধিবাসীদের সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞাসা করবো। ইরাকের শাসনকর্তা লবীদ ইবনে রবীয়া এবং আদী ইবনে হাতেম (রা)-কে তার নিকট পাঠান। তারা মদীনায় পৌঁছে তাদের বাহনদ্বয় মসজিদের চত্বরে বাঁধেন। অতঃপর তারা মসজিদে প্রবেশ করে আমর ইবনুল আস (রা)-এর সাক্ষাত পান। তারা তাকে বলেন, হে আমর! "আমীরুল মুমিনীন" উমার (রা)-এর সাথে আমাদের সাক্ষাতের অনুমতি নিয়ে দিন। আমর (রা) উমার (রা)-এর কাছে দ্রুত ছুটে গেলেন এবং বলেন, আসসালামু আলাইকুম ইয়া আমীরুল মুমিনীন। উমার (রা) তাকে বলেন, হে আসের পুত্র! এই পদবী তুমি কোথায় পেলে? তুমি যা বলেছো তা প্রত্যাহার করো। তিনি বলেন, হাঁ, লবীদ ইবনে রবীয়া এবং আদী ইবনে হাতেম (রা) এসেছেন। তারা আমাকে বলেছেন, আমীরুল মুমিনীনের নিকট থেকে আমাদের জন্য সাক্ষাতের অনুমতি এনে দিন। আমি বললাম, আল্লাহ্র শপথ! তোমরা দু'জনে তার যথার্থ নামকরণ করেছো। নিশ্চয় তিনি আমীর এবং আমরা মুমিন। সেদিন থেকে তা লেখার প্রচলন হয় (ইসতীআব)।
১০৩৪ - أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَدِمَ مُعَاوِيَةُ حَاجًا حَجْتَهُ الْأُولَى وَهُوَ خَلِيفَةً فَدَخَلَ عَلَيْهِ عُثْمَانُ ابْنُ حُنَيْفِ الْأَنْصَارِيُّ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا الْأَمِيرُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَأَنْكَرَهَا أَهْلُ الشَّامِ وَقَالُوا مَنْ هُذَا الْمُنَافِقُ الَّذِي يُقَصِّرُ بِتَحِيَّةِ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ فَبَرَّكَ عُثْمَانُ عَلَى رُكْبَته ثُمَّ قَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ إِنَّ هَؤُلَاءِ أَنْكَرُوا عَلَى أَمْرًا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنْهُمْ فَوَاللهِ لَقَدْ حَيَّيْتُ بِهَا أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ فَمَا أَنْكَرَهُ مِنْهُمْ أَحَدٌ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ لِمَنْ تَكَلَّمَ مِنْ أَهْلِ الشَّامِ عَلَى رِسْلُكُمْ فَإِنَّهُ قَدْ كَانَ بَعْضُ مَا يَقُولُ وَلَكِنْ أَهْلُ الشَّامِ لَمَّا حُدِّثَتْ هَذِهِ الْفِتَنُ قَالُوا لَا تُقَصِّرْ عِنْدَنَا تَحِيَّةَ خَلِيفَتِنَا فَإِنِّي أَخَالُكُمْ يَا أَهْلَ الْمَدِينَةِ تَقُولُونَ لِعَامِلِ الصَّدَقَةِ أَيُّهَا الْأَمِيرُ .
১০৩৪। উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ (র) বলেন, মুআবিয়া (রা) যখন খলীফারূপে প্রথমবার হজ্জ করতে আসেন তখন উসমান ইবনে হুনাইফ আনসারী (রা) তার নিকট আসেন এবং বলেন, আসসালামু আলাইকুম আয়্যুহাল আমীর ওয়া রহমাতুল্লাহ (হে আমীর! আপনাকে সালাম ও আল্লাহ্ রহমাত বর্ষিত হোক)। সিরিয়াবাসীদের তা অপছন্দ হলো। তারা বললো, কে এই মোনাফিক যে আমীরুল মুমিনীনের প্রতি অভিবাদনটাকে খাটো করেছে? তখন উসমান (রা) তার হাঁটুতে ভর দিয়ে বসে বলেন, হে আমীরুল মুমিনীন! এরা এমন একটি ব্যাপারকে অপছন্দ করছে যা তাদের চাইতে আপনি অধিক জ্ঞাত। আল্লাহ্র শপথ! আমি আবু বাক্স, উমার ও উসমান (রা)-কে এভাবে অভিবাদন করেছি। তাদের কেউই তা অপছন্দ করেননি। মুআবিয়া (রা) সিরিয়াবাসীদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ কথা বলেছে তাকে বলেন, ওহে! চুপ করো। তিনি যা বলেছেন ব্যাপার অনেকটা তাই। কিন্তু সিরিয়াবাসীরা গোলযোগ ঘটে যাবার পর বলে, আমাদের খলীফার প্রতি অভিবাদনকে সংক্ষিপ্ত করবো না। হে মদীনাবাসীগণ! আমি তোমাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, তোমরা যাকাত আদায়কারীদেরকেও "আমীর” বলে সম্বোধন করে থাকো (মুসান্নাফ আবদুর রায্যাক)।
১০৩৫ - عَنْ جَابِرٍ قَالَ دَخَلْتُ عَلَى الْحَجَّاجِ فَمَا سَلَّمْتُ عَلَيْهِ
১০৩৫। জাবের (রা) বলেন, আমি হাজ্জাজের নিকট গিয়েছি কিন্তু তাকে সালাম দেইনি (হা)।
১০৩৬ - عَنْ تَمِيمٍ ابْنِ حَدْلَمٍ قَالَ إِنِّي لَأَذْكُرُ أَوَّلَ مَنْ سُلَّمَ عَلَيْهِ بِالْامَرَةِ بِالْكُوفَةِ خَرَجَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ مِنْ بَابِ الرَّحْبَةِ فَجَاءَهُ رَجُلٌ مِّنْ عِنْدَةَ زَعَمُوا أَنَّهُ أَبُو قُرَّةَ الْكِنْدِي فَسَلَّمَ عَلَيْهِ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا الْأَمِيرُ وَرَحْمَةُ اللهِ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ فَكَرِهَهُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ أَيُّهَا الْأَمِيرُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ هَلْ أَنَا إِلَّا مِنْهُمْ أَمْ لَا قَالَ سِمَاكٌ ثُمَّ أَقَرَّ بِهَا بَعْدُ
১০৩৬। তামীম ইবনে হাযলাম (র) বলেন, কুফাতে সর্বপ্রথম কাকে আমীর সম্বোধন করে সালাম দেয়া হয়েছিল তা আমার অবশ্যই স্মরণ আছে। মুগীরা ইবনে শোবা (রা) কুফার রাহবা ফটক দিয়ে বের হলে কিনদার এক ব্যক্তি তার নিকট আসেন। লোকের ধারণা যে, তিনি ছিলেন আবু কুররা আল-কিন্দী। তিনি তাকে সালাম দিয়ে বলেন, আসসালামু আলাইকা আয়্যুহাল আমীর ওয়া রহমাতুল্লাহ আসসালামু আলাইকুম। মুগীরা (রা) তা অপছন্দ করেন এবং বলেন, আসসালামু আলাইকুম আয়্যুহাল আমীরু ওয়া রহমাতুল্লাহ আসসালামু আলাইকুম, এটা কি? আমি তাদেরই একজন কিনা? সিমাক (র) বলেন, অতঃপর মুগীরা (রা) এই আমীর উপাধি গ্রহণ করেন।
১০৩৭ - حَدَّثَنِي زِيَادُ بْنُ عُبَيْدِ الرُّعَيْنِيُّ بَطْنٌ مِّنْ حِمْيَرَ قَالَ دَخَلْنَا عَلَى رُوَيْفِعِ وَكَانَ أَمِيرًا عَلَى أَنْطَابُلُسَ فَجَاءَ رَجُلٌ فَسَلَّمَ عَلَيْهِ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَى الْأَمِيرِ وَعَنْ عَبْدَةَ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا الْأَمِيرُ فَقَالَ لَهُ رَوَيُفِعٌ لَوْ سَلَّمْتَ عَلَيْنَا لَرَدَدْنَا عَلَيْكَ السَّلَامَ وَلَكِنْ إِنَّمَا سَلَّمْتَ عَلَى مَسْلَمَةَ بْنِ مُخَلَّدٍ وَكَانَ مَسْلَمْهُ عَلَى مِصْرٍ اذْهَبْ إِلَيْهِ فَلْيَرُهُ عَلَيْكَ السَّلَامَ قَالَ زِيَادٌ وَكُنَّا إِذَا جِئْنَا فَسَلَّمْنَا وَهُوَ فِي الْمَجْلِسِ قُلْنَا السَّلَامُ عَلَيْكُمْ .
১০৩৭। হিময়ারের এক শাখার সদস্য যিয়াদ ইবনে উবায়েদ আর-রুয়াইনী (র) বলেন, আমরা রুয়াইফে (রা)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি তখন আনতাবুলসের আমীর (শাসক)। এক ব্যক্তি এসে তাকে সালাম দিয়ে বললো, আসসালামু আলাল আমীর। আবদা (র)-এর বর্ণানায় আছে, সে বললো, আসসালামু আলাইকা আয়্যুহাল আমীর। রুয়াইফে (রা) তাকে বলেন, তুমি যদি আমাকেই সালাম দিতে তবে অবশ্যই আমি তোমার সালামের জবাব দিতাম। তুমি তো মিসরের শাসক মাসলামা ইবনে মুখাল্লিদকে সালাম দিয়েছো। তুমি তার নিকট যাও, তিনিই তোমার সালামের জবাব দিবেন। রাবী যিয়াদ (র) বলেন, আমরা তার ওখানে গেলে এবং তিনি মজলিসে উপস্থিত থাকলে আসসালামু আলাইকুম বলতাম।
১০৩৩ - عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنْ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ سَأَلَ أَبَا بَكْرِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ لِمَ كَانَ أَبُو بَكْرٍ يَكْتُبُ مِنْ أَبِي بَكْرٍ خَلِيفَة رَسُولِ اللَّهِ ثُمَّ كَانَ عُمَرُ يَكْتُبُ بَعْدَهُ مِنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَابِ خَلِيفَةِ أَبِي بَكْرٍ مَنْ أَوَّلُ مَنْ كَتَبَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ فَقَالَ حَدَّثَتْنِي جَدَّتِي الشَّفَاءُ وَكَانَتْ مِنَ الْمُهَاجِرَاتِ الْأَوَّل وَكَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَابِ إِذَا هُوَ دَخَلَ السُّوقَ دَخَلَ عَلَيْهَا قَالَتْ كَتَبَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَابِ الى عامل الْعِرَاقِينَ أَنِ ابْعَثْ إِلَى بِرَجُلَيْنِ جَلْدَيْنِ نَبِيلَيْنِ أَسْأَلُهُمَا عَنِ الْعِرَاقِ وَأَهْلِهِ فَبَعَثَ إِلَيْهِ صَاحِبَ الْعِرَاقِينَ بِلَبِيْدِ بْنِ رَبِيعَةَ وَعَدِي بْنِ حَاتِمٍ فَقَدِمَا الْمَدِينَةَ فَأَنَاخَا رَاحِلَتَيْهِمَا بِفَنَاءِ الْمَسْجِدِ ثُمَّ دَخَلَا الْمَسْجِدَ فَوَجَدَا عَمْرُو بْنَ الْعَاصِ فَقَالاً لَهُ يَا عَمْرُو اسْتَأْذِنْ لَنَا عَلَى أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ عُمَرَ فَوَثَبَ عَمْرُو فَدَخَلَ عَلَى عُمَرَ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ فَقَالَ لَهُ عُمَرُ مَا بَدَا لَكَ فِي هَذَا الْاِسْمِ يَا ابْنَ الْعَاصِ لَتُخْرِجَنَّ مِمَّا قُلْتَ قَالَ نَعَمْ قَدِمَ لَبِيْدُ بْنُ رَبِيعَةَ وَعَدِيُّ بْنُ حَاتِمٍ فَقَالَا لِي اسْتَأْذِنْ لَنَا عَلَى أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ فَقُلْتُ أَنْتُمَا وَالله أَصَبْتُمَا اسْمَهُ وَأَنَّهُ الْأَمِيرُ وَنَحْنُ الْمُؤْمِنِينَ فَجَرِيَ الْكِتَابَ مِنْ ذَلِكَ الْيَوْمِ .
১০৩৩। ইবনে শিহাব (র) থেকে বর্ণিত। উমার ইবনে আবদুল আযীয (র) আবু বাক্স ইবনে সুলায়মান ইবনে আবু হাসমাকে জিজ্ঞেস করেন, কেনো আবু বাক্স (রা) পত্রের শিরোনামে লিখতেনঃ আবু বাক্স, রাসূলুল্লাহ (স)-এর খলীফার পক্ষ থেকে। অতঃপর উমার (রা) লিখতেন, উমার ইবনুল খাত্তাব, আবু বাক্সের খলীফার (প্রতিনিধির) পক্ষ থেকে। সর্বপ্রথম কে "আমীরুল মুমিনীন' শব্দটি লেখার প্রচলন করেন? তিনি বলেন, আমার পিতামহী শিফা (রা) আমাকে বলেছেন, তিনি প্রথম যুগের মুহাজির মহিলাদের একজন এবং উমার ইবনুল খাত্তাব (রা) বাজারে গেলে তার সাথে অবশ্যই সাক্ষাত করতেন। উমার ইবনুল খাত্তাব (রা) ইরাকের শাসনকর্তাকে লিখে পাঠান, আমার নিকট দুইজন বিজ্ঞ ও সম্ভ্রান্ত লোক পাঠাও যাদেরকে আমি ইরাক ও তার অধিবাসীদের সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞাসা করবো। ইরাকের শাসনকর্তা লবীদ ইবনে রবীয়া এবং আদী ইবনে হাতেম (রা)-কে তার নিকট পাঠান। তারা মদীনায় পৌঁছে তাদের বাহনদ্বয় মসজিদের চত্বরে বাঁধেন। অতঃপর তারা মসজিদে প্রবেশ করে আমর ইবনুল আস (রা)-এর সাক্ষাত পান। তারা তাকে বলেন, হে আমর! "আমীরুল মুমিনীন" উমার (রা)-এর সাথে আমাদের সাক্ষাতের অনুমতি নিয়ে দিন। আমর (রা) উমার (রা)-এর কাছে দ্রুত ছুটে গেলেন এবং বলেন, আসসালামু আলাইকুম ইয়া আমীরুল মুমিনীন। উমার (রা) তাকে বলেন, হে আসের পুত্র! এই পদবী তুমি কোথায় পেলে? তুমি যা বলেছো তা প্রত্যাহার করো। তিনি বলেন, হাঁ, লবীদ ইবনে রবীয়া এবং আদী ইবনে হাতেম (রা) এসেছেন। তারা আমাকে বলেছেন, আমীরুল মুমিনীনের নিকট থেকে আমাদের জন্য সাক্ষাতের অনুমতি এনে দিন। আমি বললাম, আল্লাহ্র শপথ! তোমরা দু'জনে তার যথার্থ নামকরণ করেছো। নিশ্চয় তিনি আমীর এবং আমরা মুমিন। সেদিন থেকে তা লেখার প্রচলন হয় (ইসতীআব)।
১০৩৪ - أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَدِمَ مُعَاوِيَةُ حَاجًا حَجْتَهُ الْأُولَى وَهُوَ خَلِيفَةً فَدَخَلَ عَلَيْهِ عُثْمَانُ ابْنُ حُنَيْفِ الْأَنْصَارِيُّ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا الْأَمِيرُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَأَنْكَرَهَا أَهْلُ الشَّامِ وَقَالُوا مَنْ هُذَا الْمُنَافِقُ الَّذِي يُقَصِّرُ بِتَحِيَّةِ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ فَبَرَّكَ عُثْمَانُ عَلَى رُكْبَته ثُمَّ قَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ إِنَّ هَؤُلَاءِ أَنْكَرُوا عَلَى أَمْرًا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنْهُمْ فَوَاللهِ لَقَدْ حَيَّيْتُ بِهَا أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ فَمَا أَنْكَرَهُ مِنْهُمْ أَحَدٌ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ لِمَنْ تَكَلَّمَ مِنْ أَهْلِ الشَّامِ عَلَى رِسْلُكُمْ فَإِنَّهُ قَدْ كَانَ بَعْضُ مَا يَقُولُ وَلَكِنْ أَهْلُ الشَّامِ لَمَّا حُدِّثَتْ هَذِهِ الْفِتَنُ قَالُوا لَا تُقَصِّرْ عِنْدَنَا تَحِيَّةَ خَلِيفَتِنَا فَإِنِّي أَخَالُكُمْ يَا أَهْلَ الْمَدِينَةِ تَقُولُونَ لِعَامِلِ الصَّدَقَةِ أَيُّهَا الْأَمِيرُ .
১০৩৪। উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ (র) বলেন, মুআবিয়া (রা) যখন খলীফারূপে প্রথমবার হজ্জ করতে আসেন তখন উসমান ইবনে হুনাইফ আনসারী (রা) তার নিকট আসেন এবং বলেন, আসসালামু আলাইকুম আয়্যুহাল আমীর ওয়া রহমাতুল্লাহ (হে আমীর! আপনাকে সালাম ও আল্লাহ্ রহমাত বর্ষিত হোক)। সিরিয়াবাসীদের তা অপছন্দ হলো। তারা বললো, কে এই মোনাফিক যে আমীরুল মুমিনীনের প্রতি অভিবাদনটাকে খাটো করেছে? তখন উসমান (রা) তার হাঁটুতে ভর দিয়ে বসে বলেন, হে আমীরুল মুমিনীন! এরা এমন একটি ব্যাপারকে অপছন্দ করছে যা তাদের চাইতে আপনি অধিক জ্ঞাত। আল্লাহ্র শপথ! আমি আবু বাক্স, উমার ও উসমান (রা)-কে এভাবে অভিবাদন করেছি। তাদের কেউই তা অপছন্দ করেননি। মুআবিয়া (রা) সিরিয়াবাসীদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ কথা বলেছে তাকে বলেন, ওহে! চুপ করো। তিনি যা বলেছেন ব্যাপার অনেকটা তাই। কিন্তু সিরিয়াবাসীরা গোলযোগ ঘটে যাবার পর বলে, আমাদের খলীফার প্রতি অভিবাদনকে সংক্ষিপ্ত করবো না। হে মদীনাবাসীগণ! আমি তোমাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, তোমরা যাকাত আদায়কারীদেরকেও "আমীর” বলে সম্বোধন করে থাকো (মুসান্নাফ আবদুর রায্যাক)।
১০৩৫ - عَنْ جَابِرٍ قَالَ دَخَلْتُ عَلَى الْحَجَّاجِ فَمَا سَلَّمْتُ عَلَيْهِ
১০৩৫। জাবের (রা) বলেন, আমি হাজ্জাজের নিকট গিয়েছি কিন্তু তাকে সালাম দেইনি (হা)।
১০৩৬ - عَنْ تَمِيمٍ ابْنِ حَدْلَمٍ قَالَ إِنِّي لَأَذْكُرُ أَوَّلَ مَنْ سُلَّمَ عَلَيْهِ بِالْامَرَةِ بِالْكُوفَةِ خَرَجَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ مِنْ بَابِ الرَّحْبَةِ فَجَاءَهُ رَجُلٌ مِّنْ عِنْدَةَ زَعَمُوا أَنَّهُ أَبُو قُرَّةَ الْكِنْدِي فَسَلَّمَ عَلَيْهِ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا الْأَمِيرُ وَرَحْمَةُ اللهِ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ فَكَرِهَهُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ أَيُّهَا الْأَمِيرُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ هَلْ أَنَا إِلَّا مِنْهُمْ أَمْ لَا قَالَ سِمَاكٌ ثُمَّ أَقَرَّ بِهَا بَعْدُ
১০৩৬। তামীম ইবনে হাযলাম (র) বলেন, কুফাতে সর্বপ্রথম কাকে আমীর সম্বোধন করে সালাম দেয়া হয়েছিল তা আমার অবশ্যই স্মরণ আছে। মুগীরা ইবনে শোবা (রা) কুফার রাহবা ফটক দিয়ে বের হলে কিনদার এক ব্যক্তি তার নিকট আসেন। লোকের ধারণা যে, তিনি ছিলেন আবু কুররা আল-কিন্দী। তিনি তাকে সালাম দিয়ে বলেন, আসসালামু আলাইকা আয়্যুহাল আমীর ওয়া রহমাতুল্লাহ আসসালামু আলাইকুম। মুগীরা (রা) তা অপছন্দ করেন এবং বলেন, আসসালামু আলাইকুম আয়্যুহাল আমীরু ওয়া রহমাতুল্লাহ আসসালামু আলাইকুম, এটা কি? আমি তাদেরই একজন কিনা? সিমাক (র) বলেন, অতঃপর মুগীরা (রা) এই আমীর উপাধি গ্রহণ করেন।
১০৩৭ - حَدَّثَنِي زِيَادُ بْنُ عُبَيْدِ الرُّعَيْنِيُّ بَطْنٌ مِّنْ حِمْيَرَ قَالَ دَخَلْنَا عَلَى رُوَيْفِعِ وَكَانَ أَمِيرًا عَلَى أَنْطَابُلُسَ فَجَاءَ رَجُلٌ فَسَلَّمَ عَلَيْهِ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَى الْأَمِيرِ وَعَنْ عَبْدَةَ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا الْأَمِيرُ فَقَالَ لَهُ رَوَيُفِعٌ لَوْ سَلَّمْتَ عَلَيْنَا لَرَدَدْنَا عَلَيْكَ السَّلَامَ وَلَكِنْ إِنَّمَا سَلَّمْتَ عَلَى مَسْلَمَةَ بْنِ مُخَلَّدٍ وَكَانَ مَسْلَمْهُ عَلَى مِصْرٍ اذْهَبْ إِلَيْهِ فَلْيَرُهُ عَلَيْكَ السَّلَامَ قَالَ زِيَادٌ وَكُنَّا إِذَا جِئْنَا فَسَلَّمْنَا وَهُوَ فِي الْمَجْلِسِ قُلْنَا السَّلَامُ عَلَيْكُمْ .
১০৩৭। হিময়ারের এক শাখার সদস্য যিয়াদ ইবনে উবায়েদ আর-রুয়াইনী (র) বলেন, আমরা রুয়াইফে (রা)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি তখন আনতাবুলসের আমীর (শাসক)। এক ব্যক্তি এসে তাকে সালাম দিয়ে বললো, আসসালামু আলাল আমীর। আবদা (র)-এর বর্ণানায় আছে, সে বললো, আসসালামু আলাইকা আয়্যুহাল আমীর। রুয়াইফে (রা) তাকে বলেন, তুমি যদি আমাকেই সালাম দিতে তবে অবশ্যই আমি তোমার সালামের জবাব দিতাম। তুমি তো মিসরের শাসক মাসলামা ইবনে মুখাল্লিদকে সালাম দিয়েছো। তুমি তার নিকট যাও, তিনিই তোমার সালামের জবাব দিবেন। রাবী যিয়াদ (র) বলেন, আমরা তার ওখানে গেলে এবং তিনি মজলিসে উপস্থিত থাকলে আসসালামু আলাইকুম বলতাম।