📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 পরিচিত-অপরিচিত সকলকে সালাম দেয়া

📄 পরিচিত-অপরিচিত সকলকে সালাম দেয়া


৪৬৭-অনুচ্ছেদ: পরিচিত-অপরিচিত সকলকে সালাম দেয়া।
১০২৩ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنْ رَجُلاً قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ الْإِسْلَامِ خَيْرٌ قَالَ تُطْعِمُ الطَّعَامَ وَتُقْرِىءُ السَّلامَ عَلَى مَنْ عَرَفْتَ وَمَنْ لَّمْ تَعْرِفْ .
১০২৩। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন ইসলাম সর্বোত্তম? তিনি বলেন: তুমি আহার করাবে এবং সালাম দিবে পরিচিত-অপরিচিত সকলকে (বু, মু, দা, ই, আন, হি)।

১০২৩ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنْ رَجُلاً قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ الْإِسْلَامِ خَيْرٌ قَالَ تُطْعِمُ الطَّعَامَ وَتُقْرِىءُ السَّلامَ عَلَى مَنْ عَرَفْتَ وَمَنْ لَّمْ تَعْرِفْ .
১০২৩। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন ইসলাম সর্বোত্তম? তিনি বলেন: তুমি আহার করাবে এবং সালাম দিবে পরিচিত-অপরিচিত সকলকে (বু, মু, দা, ই, আন, হি)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 (রাস্তার অধিকার)

📄 (রাস্তার অধিকার)


৪৬৮-অনুচ্ছেদ: (রাস্তার অধিকার)।
১০২৪ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ نَهَى عَنِ الْأَفْنِيَةِ وَالصُّعُدَاتِ أَنْ يُجَلَسَ فِيْهَا فَقَالَ الْمُسْلِمُونَ لا نَسْتَطِيعُهُ لا تُطِيقُهُ قَالَ أَمَّا لَا فَأَعْطُوا حَقَّهَا قَالُوا وَمَا حَقَّهَا قَالَ غَضُّ الْبَصَرِ وَارْشَادُ ابْنِ السَّبِيْلِ وَتَسْمِيْتِ الْعَاطِسِ إِذَا حَمِدَ اللهَ وَرَدَّ التَّحِيَّة .
১০২৪। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বাড়ির আঙ্গিনায় এবং উঁচু স্থানসমূহের ঢালে বসতে নিষেধ করলেন। মুসলমানগণ বলেন, তা তো আমাদের সাধ্যাতীত। তিনি বলেন: যদি তাই হয় তবে তোমরা তার দাবি পূরণ করো। তারা বলেন, রাস্তার দাবি কি? তিনি বলেন: দৃষ্টিশক্তি সংযত রাখা, পথিককে পথ বলে দেয়া, হাঁচিদাতা আলহামদু লিল্লাহ বললে তার জবাব দেয়া এবং সালামের উত্তর দেয়া (দা)।
১০২৫ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ ابْخَلُ النَّاسِ مِنْ بُخْلِ بِالسَّلَامِ وَالْمَعْبُونُ مَنْ لَّمْ يَرُدُّهُ وَإِنْ حَالَتْ بَيْنَكَ وَبَيْنَ أَخِيكَ شَجَرَةٌ فَإِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ تَبْدَاهُ بِالسَّلَامِ لَا يَبْدَاكَ فَافْعَلْ .
১০২৫। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, যে ব্যক্তি সালাম দিতে কার্পণ্য করে সে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট কৃপণ এবং যে ব্যক্তি সালামের উত্তর দেয় না সে প্রতারক। যদি তোমার ও তোমার অপর ভাইয়ের মাঝখানে কোন গাছ প্রতিবন্ধক হয় তবে যথাসাধ্য তুমিই তাকে আগে সালাম দিতে তৎপর হবে। সে যেন তোমার আগে তোমাকে সালাম দিতে না পারে।
১০২৬ - عَنْ سَالِمٍ مَوْلَى عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا سَلَّمَ عَلَيْهِ فَرَدَّ زَادَ فَأَتَيْتُهُ وَهُوَ جَالِسٌ فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ ثُمَّ آتَيْتُهُ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ قَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ ثُمَّ آتَيْتُهُ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ وَطَيِّبُ صَلَوَاتِه .
১০২৬। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রা)-র মুক্তদাস সালেম (র) বলেন, কেউ ইবনে উমার (রা)-কে সালাম দিলে তিনি বর্ধিত শব্দযোগে তার উত্তর দিতেন। আমি তার নিকট আসলাম এবং তিনি তখন বসা ছিলেন। আমি বললাম, আসসালামু আলাইকুম। তিনি উত্তর দেন, আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমি পুনরায় তার নিকট এসে বললাম, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। তিনি উত্তর দেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আমি পুনরায় তার নিকট এসে বললাম, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। তিনি এবার জবাব দিলেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ওয়া তাইয়্যিবু সালাওয়াতিহি।

১০২৪ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ نَهَى عَنِ الْأَفْنِيَةِ وَالصُّعُدَاتِ أَنْ يُجَلَسَ فِيْهَا فَقَالَ الْمُسْلِمُونَ لا نَسْتَطِيعُهُ لا تُطِيقُهُ قَالَ أَمَّا لَا فَأَعْطُوا حَقَّهَا قَالُوا وَمَا حَقَّهَا قَالَ غَضُّ الْبَصَرِ وَارْشَادُ ابْنِ السَّبِيْلِ وَتَسْمِيْتِ الْعَاطِسِ إِذَا حَمِدَ اللهَ وَرَدَّ التَّحِيَّة .
১০২৪। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বাড়ির আঙ্গিনায় এবং উঁচু স্থানসমূহের ঢালে বসতে নিষেধ করলেন। মুসলমানগণ বলেন, তা তো আমাদের সাধ্যাতীত। তিনি বলেন: যদি তাই হয় তবে তোমরা তার দাবি পূরণ করো। তারা বলেন, রাস্তার দাবি কি? তিনি বলেন: দৃষ্টিশক্তি সংযত রাখা, পথিককে পথ বলে দেয়া, হাঁচিদাতা আলহামদু লিল্লাহ বললে তার জবাব দেয়া এবং সালামের উত্তর দেয়া (দা)।
১০২৫ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ ابْخَلُ النَّاسِ مِنْ بُخْلِ بِالسَّلَامِ وَالْمَعْبُونُ مَنْ لَّمْ يَرُدُّهُ وَإِنْ حَالَتْ بَيْنَكَ وَبَيْنَ أَخِيكَ شَجَرَةٌ فَإِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ تَبْدَاهُ بِالسَّلَامِ لَا يَبْدَاكَ فَافْعَلْ .
১০২৫। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, যে ব্যক্তি সালাম দিতে কার্পণ্য করে সে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট কৃপণ এবং যে ব্যক্তি সালামের উত্তর দেয় না সে প্রতারক। যদি তোমার ও তোমার অপর ভাইয়ের মাঝখানে কোন গাছ প্রতিবন্ধক হয় তবে যথাসাধ্য তুমিই তাকে আগে সালাম দিতে তৎপর হবে। সে যেন তোমার আগে তোমাকে সালাম দিতে না পারে।
১০২৬ - عَنْ سَالِمٍ مَوْلَى عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا سَلَّمَ عَلَيْهِ فَرَدَّ زَادَ فَأَتَيْتُهُ وَهُوَ جَالِسٌ فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ ثُمَّ آتَيْتُهُ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ قَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ ثُمَّ آتَيْتُهُ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ وَطَيِّبُ صَلَوَاتِه .
১০২৬। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রা)-র মুক্তদাস সালেম (র) বলেন, কেউ ইবনে উমার (রা)-কে সালাম দিলে তিনি বর্ধিত শব্দযোগে তার উত্তর দিতেন। আমি তার নিকট আসলাম এবং তিনি তখন বসা ছিলেন। আমি বললাম, আসসালামু আলাইকুম। তিনি উত্তর দেন, আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমি পুনরায় তার নিকট এসে বললাম, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। তিনি উত্তর দেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আমি পুনরায় তার নিকট এসে বললাম, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। তিনি এবার জবাব দিলেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ওয়া তাইয়্যিবু সালাওয়াতিহি।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 পাপাচারীকে সালাম দিবে না

📄 পাপাচারীকে সালাম দিবে না


৪৬৯-অনুচ্ছেদ: পাপাচারীকে সালাম দিবে না।
১০২৭ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ لَا تُسَلِّمُوا عَلَى شَرَابِ الخَمْرَ .
১০২৭। আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা) বলেন, তোমরা মদ্যপায়ীকে সালাম দিও না (বু)।
১০২৮ - عَنِ الْحَسَنِ قَالَ لَيْسَ بَيْنَكَ وَبَيْنَ الْفَاسِقِ حُرْمَةٌ .
১০২৮। হাসান (র) বলেন, তোমার ও পাপাসক্ত ব্যক্তির মধ্যে সম্মানের কোন সম্পর্ক থাকবে না।
১০২৯ - হাদ্দানী আবু যুরাইক্বিন আন্নাহু সামিআ’ আলীয়্যা ইবনা ‘আবদিল্লাহি ইয়াকরাহুল ইশতিরanজা ওয়া ইয়াকুলু লা তুসাল্লিমু ‘আলা মান লা’ইবা বিহা ওয়াহিয়া মিনাল মাইসির।
১০২৯। আবু জুরাইক (র) থেকে বর্ণিত। তিনি আলী ইবনে আবদুল্লাহ (র) সম্পর্কে শুনেছেন যে, তিনি দাবা খেলা অপছন্দ করতেন এবং বলতেন, যারা এই খেলায় অভ্যস্ত তোমরা তাদেরকে সালাম দিও না। কেননা তা জুয়ার অন্তর্ভুক্ত।

১০২৭ - عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ لَا تُسَلِّمُوا عَلَى شَرَابِ الخَمْرَ .
১০২৭। আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা) বলেন, তোমরা মদ্যপায়ীকে সালাম দিও না (বু)।
১০২৮ - عَنِ الْحَسَنِ قَالَ لَيْسَ بَيْنَكَ وَبَيْنَ الْفَاسِقِ حُرْمَةٌ .
১০২৮। হাসান (র) বলেন, তোমার ও পাপাসক্ত ব্যক্তির মধ্যে সম্মানের কোন সম্পর্ক থাকবে না।
১০২৯ - হাদ্দানী আবু যুরাইক্বিন আন্নাহু সামিআ’ আলীয়্যা ইবনা ‘আবদিল্লাহি ইয়াকরাহুল ইশতিরানজা ওয়া ইয়াকুলু লা তুসাল্লিমু ‘আলা মান লা’ইba বিহা ওয়াহিয়া মিনাল মাইসির।
১০২৯। আবু জুরাইক (র) থেকে বর্ণিত। তিনি আলী ইবনে আবদুল্লাহ (র) সম্পর্কে শুনেছেন যে, তিনি দাবা খেলা অপছন্দ করতেন এবং বলতেন, যারা এই খেলায় অভ্যস্ত তোমরা তাদেরকে সালাম দিও না। কেননা তা জুয়ার অন্তর্ভুক্ত।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 যে ব্যক্তি খালুক (যাফরান মিশ্রিত খোশবু) ব্যবহারকারী ও পাপাচারীকে সালাম দেয় না

📄 যে ব্যক্তি খালুক (যাফরান মিশ্রিত খোশবু) ব্যবহারকারী ও পাপাচারীকে সালাম দেয় না


৪৭০-অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি খালুক (যাফরান মিশ্রিত খোশবু) ব্যবহারকারী ও পাপাচারীকে সালাম দেয় না।
১0৩০ - ‘আন ‘আলী ইবনি আবি তালিবিন কালা মাররান নাবিয়্যু ﷺ ‘আলা ক্বাওমিন ফিহিম রাজুলun মুতাখাল্লিকুন বিখালুক্বিন ফানাযারা ইলাইহিম ওয়া সাল্লামা আলাইhim ওয়া আ’রাদা ‘আর রাজুলি ফাক্বালার রাজুলু আ’রাজতা আন্নি কালা বাইনা ‘আইনাইহি জামরাতুন।
১0৩০। আলী ইবনে আবু তালিব (রা) বলেন, নবী (স) এক সম্প্রদায়ের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের মধ্যে খালুক প্রসাধনী মাখা এক ব্যক্তিও ছিল। তিনি তাদের দিকে তাকিয়ে তাদের সালাম দিলেন, কিন্তু ঐ ব্যক্তিকে উপেক্ষা করলেন। সে বললো, আপনি যে আমাকে উপেক্ষা করলেন? তিনি বলেন: তার দুই চোখের মাঝখানে জ্বলন্ত কয়লা রয়েছে।
১০৩১ - ‘আন ‘আমরুবনি শু’আইবিন আন আবিহি আন জাদ্দিহি আন্না রাজুলান আতান্নাবিয়া ﷺ ওয়া ফি ইয়াদিhi খাতামুম মিন যাহাবিন ফা’আরাদান্নাবিয়্যু ﷺ আ’নহু ফালাম্মা রায়্যার রাজুলু কারাহিয়াতাহু যাহাবা ফাআলকাল খাতামা ওয়া আখাজা খাতামাম মিন hাদিdin ফালাবিসাহু ওয়া আতান্নাবিয়া ﷺ কালা হাজা শাররুন হাজা hুলইয়াতু আহলিন্নারি ফারাজিয়া ফাতারাহু ওয়া লাবিসা খাতামাম মির ওয়ারিক্বিন ফাসাকাতা ‘আনহুন্নাবিয়্যু ﷺ
১০৩১। আমর ইবনে শুআইব (র) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি সোনার আংটি পরে নবী (স)-এর নিকট আসলো। নবী (স) তাকে অবজ্ঞা করলেন। সে তাঁর অবজ্ঞা অনুভব করতে পেরে চলে গিয়ে ঐ আংটি ফেলে দিলো এবং একটি লোহার আংটি পরিধান করলো, অতঃপর নবী (স)-এর নিকট এলো। তিনি বলেন: এটা মন্দ, এটা দোযখবাসীদের অলংকার। সে ফিরে গেলো এবং তাও ফেলে দিয়ে একটি রূপার আংটি পরিধান করলো। নবী (স) এবার তার সম্পর্কে কোন মন্তব্য করেননি (তহা)।
১০৩২ - ‘আন আবি সাঈদিন কালা আকবালা রাজুলুম মিনাল বাহরাইনি ইলান্নাবিয়্যি ﷺ ফাসাল্লামা আলাইhi ফালাম ইয়ারুদ্দু ওয়া ফি ইয়াদিhi খাতামুম মিন যাহাবিও ওয়া আলাইhi জুব্বাতুন হারিরিন ফানতালাক্বার রাজুলু মাহযুনা ফাসাকা ইলা اِمْرَأَتِهِ فَقَالَتْ لَعَلَّ بِرَسُولِ اللهِ ﷺ جُبَّتَكَ وَخَاتَمُكَ فَالْقَهُمَا ثُمَّ عَدَا فَفَعَلَ فَرَدَّ السَّلَامَ فَقَالَ جِئْتُكَ آنفًا فَأَعْرَضْتَ عَنِّي قَالَ كَانَ فِي يَدِكَ جَمْرٌ مِّنْ نَارٍ فَقَالَ لَقَدْ جِئْتُ إِذَا بِجَمَرٍ كَثِيرٍ قَالَ إِنَّ مَا جِئْتَ بِهِ لَيْسَ بِأَحَدٍ أَغْنَى مِنْ حِجَارَةِ الْحَرَّةِ وَلَكِنَّهُ مَتَاعُ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا قَالَ فِيْمَا ذَا أَتَخَتُمُ قَالَ بِحَلْقَةٍ مِّنْ وَرِقٍ أَوْ صُفْرٍ أَوْ حَدِيدٍ .
১০৩২। আবু সাঈদ (রা) বলেন, বাহরাইন থেকে এক ব্যক্তি নবী (স)-এর নিকট এলো। সে তাকে সালাম দিলো কিন্তু জবাব তিনি দেননি। তার হাতে ছিল সোনার আংটি এবং তার পরনে ছিল একটি রেশমী জুব্বা। লোকটি বিষন্ন মনে ফিরে গিয়ে ঘটনাটি তার স্ত্রীকে জানালো। তার স্ত্রী বললো, হয়তো তোমার এই জুব্বা ও সোনার আংটির কারণে রাসূলুল্লাহ (স) এরূপ করে থাকবেন। সে এই দুটি ফেলে দিয়ে পুনরায় ফিরে এসে তাঁকে সালাম দিলো। তিনি তার সালামের জবাব দিলেন। সে বললো, কিছুক্ষণ আগে আমি আপনার নিকট এসেছিলাম। তখন আপনি আমাকে উপেক্ষা করেছেন। তিনি বললেন: তখন তোমার হাতে দোযখের জ্বলন্ত অঙ্গার ছিল। সে বললো, তাহলে তো আমি অনেক অঙ্গারই সঞ্চয় করেছি। তিনি বলেন: তুমি তো তাই নিয়ে এসেছিলে। কারো কাছে হাররা প্রান্তরের পাথরের চেয়ে অধিক পরিমাণ সম্পদ থাকলেও তা তো পার্থিব জীবনের সম্পদই। সে বললো, তাহলে আমি কিসের আংটি বানাবো? তিনি বলেন: রূপা, পিতল বা লোহা দ্বারা (না, আ)।

১0৩০ - ‘আন ‘আলী ইবনি আবি তালিবিন কালা মাররান নাবিয়্যু ﷺ ‘আলা ক্বাওমিন ফিহিম রাজুলun মুতাখাল্লিকুন বিখালুক্বিন ফানাযারা ইলাইhim ওয়া সাল্লামা আলাইhim ওয়া আ’রাদা ‘আর রাজুলি ফাক্বালার রাজুলু আ’রাজta আন্নি কালা বাইনা ‘আইনাইhi জামরাতুন।
১0৩০। আলী ইবনে আবু তালিব (রা) বলেন, নবী (স) এক সম্প্রদায়ের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের মধ্যে খালুক প্রসাধনী মাখা এক ব্যক্তিও ছিল। তিনি তাদের দিকে তাকিয়ে তাদের সালাম দিলেন, কিন্তু ঐ ব্যক্তিকে উপেক্ষা করলেন। সে বললো, আপনি যে আমাকে উপেক্ষা করলেন? তিনি বলেন: তার দুই চোখের মাঝখানে জ্বলন্ত কয়লা রয়েছে।
১০৩১ - ‘আন ‘আমরুবনি শু’আইবিন আন আবিহি আন জাদ্দিhi আন্না রাজুলান আতান্নাবিয়া ﷺ ওয়া ফি ইয়াদিhi খাতামুম মিন যাহাবিন ফা’আরাদান্নাবিয়্যু ﷺ আ’নhu ফালাম্মা রায়্যার রাজুলু কারাহিয়াতাহু যাহাবা ফাআলকাল খাতামা ওয়া আখাজা খাতামাম মিন hাদিdin ফালাবিসাহু ওয়া আতান্নাবিয়া ﷺ কালা হাজা শাররুন হাজা hুলইয়াতু আহলিন্নারি ফারাজিয়া ফাতারাহু ওয়া লাবিসা খাতামাম মির ওয়ারিক্বিন ফাসাকাতা ‘আনহুন্নাবিয়্যু ﷺ
১০৩১। আমর ইবনে শুআইব (র) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি সোনার আংটি পরে নবী (স)-এর নিকট আসলো। নবী (স) তাকে অবজ্ঞা করলেন। সে তাঁর অবজ্ঞা অনুভব করতে পেরে চলে গিয়ে ঐ আংটি ফেলে দিলো এবং একটি লোহার আংটি পরিধান করলো, অতঃপর নবী (স)-এর নিকট এলো। তিনি বলেন: এটা মন্দ, এটা দোযখবাসীদের অলংকার। সে ফিরে গেলো এবং তাও ফেলে দিয়ে একটি রূপার আংটি পরিধান করলো। নবী (স) এবার তার সম্পর্কে কোন মন্তব্য করেননি (তহা)।
১০৩২ - ‘আন আবি সাঈদিন কালা আকবালা রাজুলুম মিনাল বাহরাইনি ইলান্নাবিয়্যি ﷺ ফাসাল্লামা আলাইhi ফালাম ইয়ারুদ্দু ওয়া ফি ইয়াদিhi খাতamum মিন যাহাবিও ওয়া আলাইhi জুব্বাতুন হারিরিন ফানতালাক্বার রাজুলু মাহযুনা ফাসাকা ইলা اِمْرَأَتِهِ فَقَالَتْ لَعَلَّ بِرَسُولِ اللهِ ﷺ جُبَّتَكَ وَخَاتَمُكَ فَالْقَهُمَا ثُمَّ عَدَا فَفَعَلَ فَرَدَّ السَّلَامَ فَقَالَ جِئْتُكَ آنفًا فَأَعْرَضْتَ عَنِّي قَالَ كَانَ فِي يَدِكَ جَمْرٌ مِّنْ نَارٍ فَقَالَ لَقَدْ جِئْتُ إِذَا بِجَمَرٍ كَثِيرٍ قَالَ إِنَّ مَا جِئْتَ بِهِ لَيْسَ بِأَحَدٍ أَغْنَى مِنْ حِجَارَةِ الْحَرَّةِ وَلَكِنَّهُ مَتَاعُ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا قَالَ فِيْمَا ذَا أَتَخَتُمُ قَالَ بِحَلْقَةٍ مِّنْ وَرِقٍ أَوْ صُفْرٍ أَوْ حَدِيدٍ .
১০৩২। আবু সাঈদ (রা) বলেন, বাহরাইন থেকে এক ব্যক্তি নবী (স)-এর নিকট এলো। সে তাকে সালাম দিলো কিন্তু জবাব তিনি দেননি। তার হাতে ছিল সোনার আংটি এবং তার পরনে ছিল একটি রেশমী জুব্বা। লোকটি বিষন্ন মনে ফিরে গিয়ে ঘটনাটি তার স্ত্রীকে জানালো। তার স্ত্রী বললো, হয়তো তোমার এই জুব্বা ও সোনার আংটির কারণে রাসূলুল্লাহ (স) এরূপ করে থাকবেন। সে এই দুটি ফেলে দিয়ে পুনরায় ফিরে এসে তাঁকে সালাম দিলো। তিনি তার সালামের জবাব দিলেন। সে বললো, কিছুক্ষণ আগে আমি আপনার নিকট এসেছিলাম। তখন আপনি আমাকে উপেক্ষা করেছেন। তিনি বললেন: তখন তোমার হাতে দোযখের জ্বলন্ত অঙ্গার ছিল। সে বললো, তাহলে তো আমি অনেক অঙ্গারই সঞ্চয় করেছি। তিনি বলেন: তুমি তো তাই নিয়ে এসেছিলে। কারো কাছে হাররা প্রান্তরের পাথরের চেয়ে অধিক পরিমাণ সম্পদ থাকলেও তা তো পার্থিব জীবনের সম্পদই। সে বললো, তাহলে আমি কিসের আংটি বানাবো? তিনি বলেন: রূপা, পিতল বা লোহা দ্বারা (না, আ)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00