📄 মজলিস থেকে বিদায়কালে সালাম প্রদানকারীর অধিকার
৪৬৫-অনুচ্ছেদ: মজলিস থেকে বিদায়কালে সালাম প্রদানকারীর অধিকার।
১০১৯ - عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ قَالَ قَالَ لِي أَبِي يَا بُنَيَّ إِنْ كُنْتَ فِي مَجْلِسٍ تَرْجُمْ خَيْرَهُ فَعَجِلَتْ بِكَ حَاجَةً فَقُلْ سَلَامٌ عَلَيْكُمْ فَإِنَّكَ تُشْرِكُهُمْ فِيمَا أَصَابُوا فِي ذَلِكَ الْمَجْلِسِ وَمَا مِنْ قَوْمٍ يَجْلِسُونَ مَجْلِسًا فَيَتَفَرَّقُونَ عَنْهُ لَمْ يَذْكُرِ اللَّهَ إِلَّا كَأَنَّمَا تَفَرِّقُوا عَنْ جِيفَةِ حِمَارٍ .
১০১৯। মুয়াবিয়া ইবনে কুররা (র) বলেন, আমার পিতা আমাকে বললেন, হে বৎস! তুমি যদি কোন মজলিসে তার কল্যাণ লাভের আশায় অংশগ্রহণ করো, অতঃপর কোন প্রয়োজনে তোমাকে সেখান থেকে তাড়াতাড়ি উঠে যেতে হয় তবে তুমি বলবে, সালামুন আলাইকুম! তাহলে সেই মজলিসে অংশগ্রহণকারীগণ তাতে যে কল্যাণ লাভ করবে, তুমিও তাতে শরীক থাকবে। আর যারা কোন মজলিসে অংশগ্রহণের পর আল্লাহকে স্মরণ না করে মজলিস ভঙ্গ করে উঠে যায়, তারা যেন একটি মৃত গাধা (খেতে একত্র হওয়ার পর) উঠে গেলো (তা)।
১০২০ - عَنْ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ مَنْ لَقِيَ أَخَاهُ فَلْيُسَلِّمْ عَلَيْهِ فَإِنْ حَالَتْ بَيْنَهُمَا شَجَرَةٌ أَوْ حَائِط ثُمَّ لَقِيَهُ فَلْيُسَلِّمْ عَلَيْهِ
১০২০। আবু মরিয়ম (র) থেকে বর্ণিত। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, কোন ব্যক্তি তার অপর ভাইয়ের সাথে সাক্ষাত করলে সে যেন তাকে সালাম দেয়। যদি তাদের মধ্যে কোন গাছ বা প্রাচীর অন্তরায় হয়, অতঃপর পুনরায় তাদের সাক্ষাত হয়, তখনও যেন তাকে সালাম দেয় (দা)।
১০২১ - عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنْ أَصْحَابَ النَّبِيِّ ﷺ كَانُوا يَكُونُونَ مُجْتَمِعِينَ فَتَسْتَقْبِلُهُمُ الشَّجَرَةُ فَتَنْطَلِقُ طَائِفَةٌ مِّنْهُمْ عَنْ يَمِينِهَا وَطَائِفَةٌ عَنْ شِمَالِهَا فَإِذَا التَّقُوا سَلَّمَ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ .
১০২১। আনাস ইবনে মালেক (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স)-এর সাহাবাগণ একত্র থাকা অবস্থায় তাদের সামনে কোন গাছ প্রতিবন্ধক হওয়ায় তাদের কতক তার ডান পাশ দিয়ে এবং কতক বাম পাশ দিয়ে যেতে তাদের পুনরায় সাক্ষাত হতেই পরস্পর সালাম করতেন (তা)।
১০১৯ - عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ قَالَ قَالَ لِي أَبِي يَا بُنَيَّ إِنْ كُنْتَ فِي مَجْلِسٍ تَرْجُمْ خَيْرَهُ فَعَجِلَتْ بِكَ حَاجَةً فَقُلْ سَلَامٌ عَلَيْكُمْ فَإِنَّكَ تُشْرِكُهُمْ فِيمَا أَصَابُوا فِي ذَلِكَ الْمَجْلِسِ وَمَا مِنْ قَوْمٍ يَجْلِسُونَ مَجْلِسًا فَيَتَفَرَّقُونَ عَنْهُ لَمْ يَذْكُرِ اللَّهَ إِلَّا كَأَنَّمَا تَفَرِّقُوا عَنْ جِيفَةِ حِمَارٍ .
১০১৯। মুয়াবিয়া ইবনে কুররা (র) বলেন, আমার পিতা আমাকে বললেন, হে বৎস! তুমি যদি কোন মজলিসে তার কল্যাণ লাভের আশায় অংশগ্রহণ করো, অতঃপর কোন প্রয়োজনে তোমাকে সেখান থেকে তাড়াতাড়ি উঠে যেতে হয় তবে তুমি বলবে, সালামুন আলাইকুম! তাহলে সেই মজলিসে অংশগ্রহণকারীগণ তাতে যে কল্যাণ লাভ করবে, তুমিও তাতে শরীক থাকবে। আর যারা কোন মজলিসে অংশগ্রহণের পর আল্লাহকে স্মরণ না করে মজলিস ভঙ্গ করে উঠে যায়, তারা যেন একটি মৃত গাধা (খেতে একত্র হওয়ার পর) উঠে গেলো (তা)।
১০২০ - عَنْ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ مَنْ لَقِيَ أَخَاهُ فَلْيُسَلِّمْ عَلَيْهِ فَإِنْ حَالَتْ بَيْنَهُمَا شَجَرَةٌ أَوْ حَائِط ثُمَّ لَقِيَهُ فَلْيُسَلِّمْ عَلَيْهِ
১০২০। আবু মরিয়ম (র) থেকে বর্ণিত। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, কোন ব্যক্তি তার অপর ভাইয়ের সাথে সাক্ষাত করলে সে যেন তাকে সালাম দেয়। যদি তাদের মধ্যে কোন গাছ বা প্রাচীর অন্তরায় হয়, অতঃপর পুনরায় তাদের সাক্ষাত হয়, তখনও যেন তাকে সালাম দেয় (দা)।
১০২১ - عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنْ أَصْحَابَ النَّبِيِّ ﷺ كَانُوا يَكُونُونَ مُجْتَمِعِينَ فَتَسْتَقْبِلُهُمُ الشَّجَرَةُ فَتَنْطَلِقُ طَائِفَةٌ مِّنْهُمْ عَنْ يَمِينِهَا وَطَائِفَةٌ عَنْ شِمَالِهَا فَإِذَا التَّقُوا سَلَّمَ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ .
১০২১। আনাস ইবনে মালেক (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স)-এর সাহাবাগণ একত্র থাকা অবস্থায় তাদের সামনে কোন গাছ প্রতিবন্ধক হওয়ায় তাদের কতক তার ডান পাশ দিয়ে এবং কতক বাম পাশ দিয়ে যেতে তাদের পুনরায় সাক্ষাত হতেই পরস্পর সালাম করতেন (তা)।
📄 যে ব্যক্তি মুসাফাহা করার উদ্দেশে হাতে তৈল মালিশ করে
৪৬৬-অনুচ্ছেদ: যে ব্যক্তি মুসাফাহা করার উদ্দেশে হাতে তৈল মালিশ করে।
১০২২ - عَنْ ثَابِتِ البُنَانِي أَنْ أَنَسًا كَانَ إِذَا أَصْبَحَ دَهَنَ يَدَهُ بِدُهْن طيب لِمُصَافَحَةِ إِخْوَانِهِ .
১০২২। সাবিত আল-বুনানী (র) বলেন, আনাস (রা) সকালবেলা বন্ধু-বান্ধবের সাথে মোসাফাহা (করমর্দন) করার জন্য তার হাতে সুগন্ধি তৈল মাখতেন।
১০২২ - عَنْ ثَابِتِ البُنَانِي أَنْ أَنَسًا كَانَ إِذَا أَصْبَحَ دَهَنَ يَدَهُ بِدُهْن طيب لِمُصَافَحَةِ إِخْوَانِهِ .
১০২২। সাবিত আল-বুনানী (র) বলেন, আনাস (রা) সকালবেলা বন্ধু-বান্ধবের সাথে মোসাফাহা (করমর্দন) করার জন্য তার হাতে সুগন্ধি তৈল মাখতেন।
📄 পরিচিত-অপরিচিত সকলকে সালাম দেয়া
৪৬৭-অনুচ্ছেদ: পরিচিত-অপরিচিত সকলকে সালাম দেয়া।
১০২৩ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنْ رَجُلاً قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ الْإِسْلَامِ خَيْرٌ قَالَ تُطْعِمُ الطَّعَامَ وَتُقْرِىءُ السَّلامَ عَلَى مَنْ عَرَفْتَ وَمَنْ لَّمْ تَعْرِفْ .
১০২৩। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন ইসলাম সর্বোত্তম? তিনি বলেন: তুমি আহার করাবে এবং সালাম দিবে পরিচিত-অপরিচিত সকলকে (বু, মু, দা, ই, আন, হি)।
১০২৩ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنْ رَجُلاً قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ الْإِسْلَامِ خَيْرٌ قَالَ تُطْعِمُ الطَّعَامَ وَتُقْرِىءُ السَّلامَ عَلَى مَنْ عَرَفْتَ وَمَنْ لَّمْ تَعْرِفْ .
১০২৩। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন ইসলাম সর্বোত্তম? তিনি বলেন: তুমি আহার করাবে এবং সালাম দিবে পরিচিত-অপরিচিত সকলকে (বু, মু, দা, ই, আন, হি)।
📄 (রাস্তার অধিকার)
৪৬৮-অনুচ্ছেদ: (রাস্তার অধিকার)।
১০২৪ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ نَهَى عَنِ الْأَفْنِيَةِ وَالصُّعُدَاتِ أَنْ يُجَلَسَ فِيْهَا فَقَالَ الْمُسْلِمُونَ لا نَسْتَطِيعُهُ لا تُطِيقُهُ قَالَ أَمَّا لَا فَأَعْطُوا حَقَّهَا قَالُوا وَمَا حَقَّهَا قَالَ غَضُّ الْبَصَرِ وَارْشَادُ ابْنِ السَّبِيْلِ وَتَسْمِيْتِ الْعَاطِسِ إِذَا حَمِدَ اللهَ وَرَدَّ التَّحِيَّة .
১০২৪। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বাড়ির আঙ্গিনায় এবং উঁচু স্থানসমূহের ঢালে বসতে নিষেধ করলেন। মুসলমানগণ বলেন, তা তো আমাদের সাধ্যাতীত। তিনি বলেন: যদি তাই হয় তবে তোমরা তার দাবি পূরণ করো। তারা বলেন, রাস্তার দাবি কি? তিনি বলেন: দৃষ্টিশক্তি সংযত রাখা, পথিককে পথ বলে দেয়া, হাঁচিদাতা আলহামদু লিল্লাহ বললে তার জবাব দেয়া এবং সালামের উত্তর দেয়া (দা)।
১০২৫ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ ابْخَلُ النَّاسِ مِنْ بُخْلِ بِالسَّلَامِ وَالْمَعْبُونُ مَنْ لَّمْ يَرُدُّهُ وَإِنْ حَالَتْ بَيْنَكَ وَبَيْنَ أَخِيكَ شَجَرَةٌ فَإِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ تَبْدَاهُ بِالسَّلَامِ لَا يَبْدَاكَ فَافْعَلْ .
১০২৫। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, যে ব্যক্তি সালাম দিতে কার্পণ্য করে সে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট কৃপণ এবং যে ব্যক্তি সালামের উত্তর দেয় না সে প্রতারক। যদি তোমার ও তোমার অপর ভাইয়ের মাঝখানে কোন গাছ প্রতিবন্ধক হয় তবে যথাসাধ্য তুমিই তাকে আগে সালাম দিতে তৎপর হবে। সে যেন তোমার আগে তোমাকে সালাম দিতে না পারে।
১০২৬ - عَنْ سَالِمٍ مَوْلَى عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا سَلَّمَ عَلَيْهِ فَرَدَّ زَادَ فَأَتَيْتُهُ وَهُوَ جَالِسٌ فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ ثُمَّ آتَيْتُهُ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ قَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ ثُمَّ آتَيْتُهُ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ وَطَيِّبُ صَلَوَاتِه .
১০২৬। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রা)-র মুক্তদাস সালেম (র) বলেন, কেউ ইবনে উমার (রা)-কে সালাম দিলে তিনি বর্ধিত শব্দযোগে তার উত্তর দিতেন। আমি তার নিকট আসলাম এবং তিনি তখন বসা ছিলেন। আমি বললাম, আসসালামু আলাইকুম। তিনি উত্তর দেন, আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমি পুনরায় তার নিকট এসে বললাম, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। তিনি উত্তর দেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আমি পুনরায় তার নিকট এসে বললাম, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। তিনি এবার জবাব দিলেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ওয়া তাইয়্যিবু সালাওয়াতিহি।
১০২৪ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ نَهَى عَنِ الْأَفْنِيَةِ وَالصُّعُدَاتِ أَنْ يُجَلَسَ فِيْهَا فَقَالَ الْمُسْلِمُونَ لا نَسْتَطِيعُهُ لا تُطِيقُهُ قَالَ أَمَّا لَا فَأَعْطُوا حَقَّهَا قَالُوا وَمَا حَقَّهَا قَالَ غَضُّ الْبَصَرِ وَارْشَادُ ابْنِ السَّبِيْلِ وَتَسْمِيْتِ الْعَاطِسِ إِذَا حَمِدَ اللهَ وَرَدَّ التَّحِيَّة .
১০২৪। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বাড়ির আঙ্গিনায় এবং উঁচু স্থানসমূহের ঢালে বসতে নিষেধ করলেন। মুসলমানগণ বলেন, তা তো আমাদের সাধ্যাতীত। তিনি বলেন: যদি তাই হয় তবে তোমরা তার দাবি পূরণ করো। তারা বলেন, রাস্তার দাবি কি? তিনি বলেন: দৃষ্টিশক্তি সংযত রাখা, পথিককে পথ বলে দেয়া, হাঁচিদাতা আলহামদু লিল্লাহ বললে তার জবাব দেয়া এবং সালামের উত্তর দেয়া (দা)।
১০২৫ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ ابْخَلُ النَّاسِ مِنْ بُخْلِ بِالسَّلَامِ وَالْمَعْبُونُ مَنْ لَّمْ يَرُدُّهُ وَإِنْ حَالَتْ بَيْنَكَ وَبَيْنَ أَخِيكَ شَجَرَةٌ فَإِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ تَبْدَاهُ بِالسَّلَامِ لَا يَبْدَاكَ فَافْعَلْ .
১০২৫। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, যে ব্যক্তি সালাম দিতে কার্পণ্য করে সে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট কৃপণ এবং যে ব্যক্তি সালামের উত্তর দেয় না সে প্রতারক। যদি তোমার ও তোমার অপর ভাইয়ের মাঝখানে কোন গাছ প্রতিবন্ধক হয় তবে যথাসাধ্য তুমিই তাকে আগে সালাম দিতে তৎপর হবে। সে যেন তোমার আগে তোমাকে সালাম দিতে না পারে।
১০২৬ - عَنْ سَالِمٍ مَوْلَى عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا سَلَّمَ عَلَيْهِ فَرَدَّ زَادَ فَأَتَيْتُهُ وَهُوَ جَالِسٌ فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ ثُمَّ آتَيْتُهُ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ قَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ ثُمَّ آتَيْتُهُ مَرَّةً أُخْرَى فَقُلْتُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ وَطَيِّبُ صَلَوَاتِه .
১০২৬। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রা)-র মুক্তদাস সালেম (র) বলেন, কেউ ইবনে উমার (রা)-কে সালাম দিলে তিনি বর্ধিত শব্দযোগে তার উত্তর দিতেন। আমি তার নিকট আসলাম এবং তিনি তখন বসা ছিলেন। আমি বললাম, আসসালামু আলাইকুম। তিনি উত্তর দেন, আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমি পুনরায় তার নিকট এসে বললাম, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। তিনি উত্তর দেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আমি পুনরায় তার নিকট এসে বললাম, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। তিনি এবার জবাব দিলেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ওয়া তাইয়্যিবু সালাওয়াতিহি।