📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 মজলিসে পৌঁছে কারো সালাম দেয়া

📄 মজলিসে পৌঁছে কারো সালাম দেয়া


৪৬৩-অনুচ্ছেদ: মজলিসে পৌঁছে কারো সালাম দেয়া।
১০১৭ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمُ الْمَجْلِسَ فَلْيُسَلِّمْ فَإِنْ رَجَعَ فَلْيُسَلَّمْ فَإِنَّ الْأُخْرَى لَيْسَتْ بِأَحَقُّ مِنَ الْأُولَى .
১০১৭। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: তোমাদের কোন ব্যক্তি মজলিসে গিয়ে পৌছলে সে যেন সালাম দেয়। সে ফিরে যেতেও সালাম দিবে। কেননা, পরের সালাম আগের সালাম থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় (তি, না, তা, তহা, আ,হা,হি)।

১০১৭ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمُ الْمَجْلِسَ فَلْيُسَلِّمْ فَإِنْ رَجَعَ فَلْيُسَلَّمْ فَإِنَّ الْأُخْرَى لَيْسَتْ بِأَحَقُّ مِنَ الْأُولَى .
১০১৭। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: তোমাদের কোন ব্যক্তি মজলিসে গিয়ে পৌছলে সে যেন সালাম দেয়। সে ফিরে যেতেও সালাম দিবে। কেননা, পরের সালাম আগের সালাম থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় (তি, না, তা, তহা, আ,হা,হি)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 মজলিস থেকে বিদায়কালে সালাম দেয়া

📄 মজলিস থেকে বিদায়কালে সালাম দেয়া


৪৬৪-অনুচ্ছেদ: মজলিস থেকে বিদায়কালে সালাম দেয়া।
১০১৮ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ إِذَا جَاءَ الرَّجُلُ الْمَجْلِسَ فَلْيُسَلِّمْ فَإِنْ جَلَسَ ثُمَّ بَدَا لَهُ أَنْ يَقُومَ قَبْلَ أَنْ يَتَفَرَّقَ الْمَجْلِسَ فَلْيُسَلَّمْ فَإِنَّ الْأُولَى لَيْسَتْ بِأَحَقُّ مِنَ الْأُخْرى .
১০১৮। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: কোন ব্যক্তি মজলিসে এসে পৌঁছে যেন সালাম দেয়। সে মজলিসে বসার পর মজলিস শেষ হওয়ার পূর্বে উঠে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করলে যেন পুনরায় সালাম দেয়। কেননা আগের সালাম কোন অংশেই শেষের সালামের চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ নয় (দা, না,তহা)।

১০১৮ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ إِذَا جَاءَ الرَّجُلُ الْمَجْلِسَ فَلْيُسَلِّمْ فَإِنْ جَلَسَ ثُمَّ بَدَا لَهُ أَنْ يَقُومَ قَبْلَ أَنْ يَتَفَرَّقَ الْمَجْلِسَ فَلْيُسَلَّمْ فَإِنَّ الْأُولَى لَيْسَتْ بِأَحَقُّ مِنَ الْأُخْرى .
১০১৮। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: কোন ব্যক্তি মজলিসে এসে পৌঁছে যেন সালাম দেয়। সে মজলিসে বসার পর মজলিস শেষ হওয়ার পূর্বে উঠে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করলে যেন পুনরায় সালাম দেয়। কেননা আগের সালাম কোন অংশেই শেষের সালামের চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ নয় (দা, না,তহা)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 মজলিস থেকে বিদায়কালে সালাম প্রদানকারীর অধিকার

📄 মজলিস থেকে বিদায়কালে সালাম প্রদানকারীর অধিকার


৪৬৫-অনুচ্ছেদ: মজলিস থেকে বিদায়কালে সালাম প্রদানকারীর অধিকার।
১০১৯ - عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ قَالَ قَالَ لِي أَبِي يَا بُنَيَّ إِنْ كُنْتَ فِي مَجْلِسٍ تَرْجُمْ خَيْرَهُ فَعَجِلَتْ بِكَ حَاجَةً فَقُلْ سَلَامٌ عَلَيْكُمْ فَإِنَّكَ تُشْرِكُهُمْ فِيمَا أَصَابُوا فِي ذَلِكَ الْمَجْلِسِ وَمَا مِنْ قَوْمٍ يَجْلِسُونَ مَجْلِسًا فَيَتَفَرَّقُونَ عَنْهُ لَمْ يَذْكُرِ اللَّهَ إِلَّا كَأَنَّمَا تَفَرِّقُوا عَنْ جِيفَةِ حِمَارٍ .
১০১৯। মুয়াবিয়া ইবনে কুররা (র) বলেন, আমার পিতা আমাকে বললেন, হে বৎস! তুমি যদি কোন মজলিসে তার কল্যাণ লাভের আশায় অংশগ্রহণ করো, অতঃপর কোন প্রয়োজনে তোমাকে সেখান থেকে তাড়াতাড়ি উঠে যেতে হয় তবে তুমি বলবে, সালামুন আলাইকুম! তাহলে সেই মজলিসে অংশগ্রহণকারীগণ তাতে যে কল্যাণ লাভ করবে, তুমিও তাতে শরীক থাকবে। আর যারা কোন মজলিসে অংশগ্রহণের পর আল্লাহকে স্মরণ না করে মজলিস ভঙ্গ করে উঠে যায়, তারা যেন একটি মৃত গাধা (খেতে একত্র হওয়ার পর) উঠে গেলো (তা)।
১০২০ - عَنْ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ مَنْ لَقِيَ أَخَاهُ فَلْيُسَلِّمْ عَلَيْهِ فَإِنْ حَالَتْ بَيْنَهُمَا شَجَرَةٌ أَوْ حَائِط ثُمَّ لَقِيَهُ فَلْيُسَلِّمْ عَلَيْهِ
১০২০। আবু মরিয়ম (র) থেকে বর্ণিত। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, কোন ব্যক্তি তার অপর ভাইয়ের সাথে সাক্ষাত করলে সে যেন তাকে সালাম দেয়। যদি তাদের মধ্যে কোন গাছ বা প্রাচীর অন্তরায় হয়, অতঃপর পুনরায় তাদের সাক্ষাত হয়, তখনও যেন তাকে সালাম দেয় (দা)।
১০২১ - عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنْ أَصْحَابَ النَّبِيِّ ﷺ كَانُوا يَكُونُونَ مُجْتَمِعِينَ فَتَسْتَقْبِلُهُمُ الشَّجَرَةُ فَتَنْطَلِقُ طَائِفَةٌ مِّنْهُمْ عَنْ يَمِينِهَا وَطَائِفَةٌ عَنْ شِمَالِهَا فَإِذَا التَّقُوا سَلَّمَ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ .
১০২১। আনাস ইবনে মালেক (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স)-এর সাহাবাগণ একত্র থাকা অবস্থায় তাদের সামনে কোন গাছ প্রতিবন্ধক হওয়ায় তাদের কতক তার ডান পাশ দিয়ে এবং কতক বাম পাশ দিয়ে যেতে তাদের পুনরায় সাক্ষাত হতেই পরস্পর সালাম করতেন (তা)।

১০১৯ - عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ قَالَ قَالَ لِي أَبِي يَا بُنَيَّ إِنْ كُنْتَ فِي مَجْلِسٍ تَرْجُمْ خَيْرَهُ فَعَجِلَتْ بِكَ حَاجَةً فَقُلْ سَلَامٌ عَلَيْكُمْ فَإِنَّكَ تُشْرِكُهُمْ فِيمَا أَصَابُوا فِي ذَلِكَ الْمَجْلِسِ وَمَا مِنْ قَوْمٍ يَجْلِسُونَ مَجْلِسًا فَيَتَفَرَّقُونَ عَنْهُ لَمْ يَذْكُرِ اللَّهَ إِلَّا كَأَنَّمَا تَفَرِّقُوا عَنْ جِيفَةِ حِمَارٍ .
১০১৯। মুয়াবিয়া ইবনে কুররা (র) বলেন, আমার পিতা আমাকে বললেন, হে বৎস! তুমি যদি কোন মজলিসে তার কল্যাণ লাভের আশায় অংশগ্রহণ করো, অতঃপর কোন প্রয়োজনে তোমাকে সেখান থেকে তাড়াতাড়ি উঠে যেতে হয় তবে তুমি বলবে, সালামুন আলাইকুম! তাহলে সেই মজলিসে অংশগ্রহণকারীগণ তাতে যে কল্যাণ লাভ করবে, তুমিও তাতে শরীক থাকবে। আর যারা কোন মজলিসে অংশগ্রহণের পর আল্লাহকে স্মরণ না করে মজলিস ভঙ্গ করে উঠে যায়, তারা যেন একটি মৃত গাধা (খেতে একত্র হওয়ার পর) উঠে গেলো (তা)।
১০২০ - عَنْ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ مَنْ لَقِيَ أَخَاهُ فَلْيُسَلِّمْ عَلَيْهِ فَإِنْ حَالَتْ بَيْنَهُمَا شَجَرَةٌ أَوْ حَائِط ثُمَّ لَقِيَهُ فَلْيُسَلِّمْ عَلَيْهِ
১০২০। আবু মরিয়ম (র) থেকে বর্ণিত। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, কোন ব্যক্তি তার অপর ভাইয়ের সাথে সাক্ষাত করলে সে যেন তাকে সালাম দেয়। যদি তাদের মধ্যে কোন গাছ বা প্রাচীর অন্তরায় হয়, অতঃপর পুনরায় তাদের সাক্ষাত হয়, তখনও যেন তাকে সালাম দেয় (দা)।
১০২১ - عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنْ أَصْحَابَ النَّبِيِّ ﷺ كَانُوا يَكُونُونَ مُجْتَمِعِينَ فَتَسْتَقْبِلُهُمُ الشَّجَرَةُ فَتَنْطَلِقُ طَائِفَةٌ مِّنْهُمْ عَنْ يَمِينِهَا وَطَائِفَةٌ عَنْ شِمَالِهَا فَإِذَا التَّقُوا سَلَّمَ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ .
১০২১। আনাস ইবনে মালেক (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স)-এর সাহাবাগণ একত্র থাকা অবস্থায় তাদের সামনে কোন গাছ প্রতিবন্ধক হওয়ায় তাদের কতক তার ডান পাশ দিয়ে এবং কতক বাম পাশ দিয়ে যেতে তাদের পুনরায় সাক্ষাত হতেই পরস্পর সালাম করতেন (তা)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 যে ব্যক্তি মুসাফাহা করার উদ্দেশে হাতে তৈল মালিশ করে

📄 যে ব্যক্তি মুসাফাহা করার উদ্দেশে হাতে তৈল মালিশ করে


৪৬৬-অনুচ্ছেদ: যে ব্যক্তি মুসাফাহা করার উদ্দেশে হাতে তৈল মালিশ করে।
১০২২ - عَنْ ثَابِتِ البُنَانِي أَنْ أَنَسًا كَانَ إِذَا أَصْبَحَ دَهَنَ يَدَهُ بِدُهْن طيب لِمُصَافَحَةِ إِخْوَانِهِ .
১০২২। সাবিত আল-বুনানী (র) বলেন, আনাস (রা) সকালবেলা বন্ধু-বান্ধবের সাথে মোসাফাহা (করমর্দন) করার জন্য তার হাতে সুগন্ধি তৈল মাখতেন।

১০২২ - عَنْ ثَابِتِ البُنَانِي أَنْ أَنَسًا كَانَ إِذَا أَصْبَحَ دَهَنَ يَدَهُ بِدُهْن طيب لِمُصَافَحَةِ إِخْوَانِهِ .
১০২২। সাবিত আল-বুনানী (র) বলেন, আনাস (রা) সকালবেলা বন্ধু-বান্ধবের সাথে মোসাফাহা (করমর্দন) করার জন্য তার হাতে সুগন্ধি তৈল মাখতেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00