📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 যে ব্যক্তি আগে সালাম দেয়

📄 যে ব্যক্তি আগে সালাম দেয়


৪৫০-অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি আগে সালাম দেয়।
৯৯১ - عَنْ بَشَيْرِ بْنِ يَسَارٍ قَالَ مَا كَانَ أَحَدٌ يَبْدَأُ أَوْ يَبْدَرُ ابْنَ عُمَرَ بِالسَّلَامِ .
৯৯১। বশীর ইবনে ইয়াসার (র) বলেন, ইবনে উমার (রা)-কে তার আগে কেউ সালাম দিতে পারতো না (আন, হি)।
৯৯২ - عَنْ جَابِرٍ يَقُولُ يُسَلِّمُ الرَّاكِبُ عَلَى الْمَاشِي وَالْمَاشِي عَلَى الْقَاعِدِ وَالْمَاشِيَانِ أَيُّهَا يَبْدَأُ بِالسَّلَامِ فَهُوَ أَفْضَلُ .
৯৯২। জাবের (রা) বলেন, আরোহী ব্যক্তি পদব্রজে গমনকারীকে সালাম দিবে এবং পদব্রজে গমনকারী বসা ব্যক্তিকে সালাম দিবে। আর দুই পথচারীর মধ্যে যে প্রথম সালাম দিবে সে অধিক উত্তম।
৯৯৩ - عَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ أَنَّ الْآخَرُ وَهُوَ رَجُلٌ مِّنْ مُزَيْنَةَ وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ معَ النَّبِيِّ ﷺ كَانَتْ لَهُ أَوْسُقٌ مِّنْ تَمْرٍ عَلَى رَجُلٍ مِّنْ بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفِ اخْتَلَفَ إِلَيْهِ مِرَارًا قَالَ فَجِئْتُ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ فَأَرْسَلَ مَعِى أَبَا بَكْرِ الصِّدِّيقِ قَالَ فَكُلُّ مَنْ لَقِينَا سَلِّمُوا عَلَيْنَا فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ أَلَا تَرَى النَّاسَ يَبْدَأُونَكَ بِالسَّلَامِ فَيَكُونُ لَهُمُ الْأَجْرُ إِبْدَاهُمْ بِالسَّلَامِ يَكُنُ لَكَ الْأَجْرُ يُحَدِّثُ هَذَا ابْنُ عُمَرَ عَنْ نَفْسِهِ .
৯৯৩। নাফে (র) থেকে বর্ণিত। ইবনে উমার (রা) তাকে অবহিত করেন যে, মুযায়না গোত্রের আল-আগারর (রা) নবী (স)-এর সাহাবী ছিলেন। আমর ইবনে আওফ গোত্রের এক ব্যক্তির নিকট তার কয়েক ওয়াসাক খেজুর পাওনা ছিল। তিনি এজন্য বেশ কয়েক বার তাকে তাগাদাও দেন। তিনি বলেন, আমি নবী (স)-এর নিকট গেলে তিনি আমার সাথে আবু বাক্স সিদ্দীক (রা)-কে পাঠান। তিনি বলেন, (পথিমধ্যে যার সাথেই) আমাদের সাক্ষাত হয়েছে তারাই আগে আমাদের সালাম দিয়েছে। আবু বাক্স (রা) বলেন, তুমি কি লক্ষ্য করছো না যে, লোকজন তোমাকে আগে সালাম দিচ্ছে এবং তাদের সওয়াব হচ্ছে? তুমি আগে তাদেরকে সালাম দাও, তোমার সওয়াব হবে। ইবনে উমার (রা) এটাকে নিজের ঘটনা বলেছেন (তা)।
৯৯৪ - عَنْ أَبِي أَيُّوبَ أَنْ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ لَا يَحِلُّ لِامْرِيءٍ مُّسْلِمِ أَنْ يُهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلاثَ فَيَلْتَقِيَانِ فَيَعْرِضُ هَذَا وَيَعْرِضُ هَذَا وَخَيْرُهُمَا الَّذِي يَبْدَأُ بِالسَّلَامِ .
৯৯৪। আবু আইউব (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: কোন মুসলমানের জন্য তার অপর মুসলমান ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশী সম্পর্ক ছিন্ন করে থাকা হালাল নয়। অবস্থা এই দাঁড়ায় যে, তাদের দু'জনের সাক্ষাত হলে একজন এদিকে এবং অপরজন ঐদিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়। তাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি যে আগে সালাম দেয় (বু, মু, দা, তি)।

৯৯১ - عَنْ بَشَيْرِ بْنِ يَسَارٍ قَالَ مَا كَانَ أَحَدٌ يَبْدَأُ أَوْ يَبْدَرُ ابْنَ عُمَرَ بِالسَّلَامِ .
৯৯১। বশীর ইবনে ইয়াসার (র) বলেন, ইবনে উমার (রা)-কে তার আগে কেউ সালাম দিতে পারতো না (আন, হি)।
৯৯২ - عَنْ جَابِرٍ يَقُولُ يُسَلِّمُ الرَّاكِبُ عَلَى الْمَاشِي وَالْمَاشِي عَلَى الْقَاعِدِ وَالْمَASHِيَانِ أَيُّهَا يَبْدَأُ بِالسَّلَامِ فَهُوَ أَفْضَلُ .
৯৯২। জাবের (রা) বলেন, আরোহী ব্যক্তি পদব্রজে গমনকারীকে সালাম দিবে এবং পদব্রজে গমনকারী বসা ব্যক্তিকে সালাম দিবে। আর দুই পথচারীর মধ্যে যে প্রথম সালাম দিবে সে অধিক উত্তম।
৯৯৩ - عَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ أَنَّ الْآخَرُ وَهُوَ رَجُلٌ مِّنْ مُزَيْنَةَ وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ معَ النَّبِيِّ ﷺ كَانَتْ لَهُ أَوْسُقٌ مِّنْ تَمْرٍ عَلَى رَجُلٍ مِّنْ بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفِ اخْتَلَفَ إِلَيْهِ مِرَارًا قَالَ فَجِئْتُ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ فَأَرْسَلَ مَعِى أَبَا بَكْرِ الصِّدِّيقِ قَالَ فَكُلُّ مَنْ لَقِينَا سَلِّمُوا عَلَيْنَا فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ أَلَا تَرَى النَّاسَ يَبْدَأُونَكَ بِالسَّلَامِ فَيَكُونُ لَهُمُ الْأَجْرُ إِبْدَاهُمْ بِالسَّلَامِ يَكُنُ لَكَ الْأَجْرُ يُحَدِّثُ هَذَا ابْنُ عُمَرَ عَنْ نَفْسِهِ .
৯৯৩। নাফে (র) থেকে বর্ণিত। ইবনে উমার (রা) তাকে অবহিত করেন যে, মুযায়না গোত্রের আল-আগারর (রা) নবী (স)-এর সাহাবী ছিলেন। আমর ইবনে আওফ গোত্রের এক ব্যক্তির নিকট তার কয়েক ওয়াসাক খেজুর পাওনা ছিল। তিনি এজন্য বেশ কয়েক বার তাকে তাগাদাও দেন। তিনি বলেন, আমি নবী (স)-এর নিকট গেলে তিনি আমার সাথে আবু বাক্স সিদ্দীক (রা)-কে পাঠান। তিনি বলেন, (পথিমধ্যে যার সাথেই) আমাদের সাক্ষাত হয়েছে তারাই আগে আমাদের সালাম দিয়েছে। আবু বাক্স (রা) বলেন, তুমি কি লক্ষ্য করছো না যে, লোকজন তোমাকে আগে সালাম দিচ্ছে এবং তাদের সওয়াব হচ্ছে? তুমি আগে তাদেরকে সালাম দাও, তোমার সওয়াব হবে। ইবনে উমার (রা) এটাকে নিজের ঘটনা বলেছেন (তা)।
৯৯৪ - عَنْ أَبِي أَيُّوبَ أَنْ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ لَا يَحِلُّ لِامْرِيءٍ مُّسْلِمِ أَنْ يُهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلاثَ فَيَلْتَقِيَانِ فَيَعْرِضُ هَذَا وَيَعْرِضُ هَذَا وَخَيْرُهُمَا الَّذِي يَبْدَأُ بِالسَّلَامِ .
৯৯৪। আবু আইউব (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: কোন মুসলমানের জন্য তার অপর মুসলমান ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশী সম্পর্ক ছিন্ন করে থাকা হালাল নয়। অবস্থা এই দাঁড়ায় যে, তাদের দু'জনের সাক্ষাত হলে একজন এদিকে এবং অপরজন ঐদিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়। তাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি যে আগে সালাম দেয় (বু, মু, দা, তি)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 সালাম বিনিময়ের ফযীলাত

📄 সালাম বিনিময়ের ফযীলাত


৪৫১-অনুচ্ছেদ: সালাম বিনিময়ের ফযীলাত।
৯৯৫ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَجُلاً مَرَّ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ وَهُوَ فِي مَجْلِسٍ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ فَقَالَ عَشَرَ حَسَنَاتٍ فَمَرَّ رَجُلٌ أَخَرُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَقَالَ عِشْرُونَ حَسَنَةً فَمَرَّ رَجُلٌ آخَرُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ ثَلاثُونَ حَسَنَةً فَقَامَ رَجُلٌ مِّنَ الْمَجْلِسِ وَلَمْ يُسَلِّمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ مَا أَوْشَكَ مَا نَسِيَ صَاحِبُكُمْ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمُ الْمَجْلِسَ فَلْيُسَلَّمْ فَإِنْ بَدَا لَهُ أَنْ يُجْلِسَ فَلْيَجْلِسُ وَإِذَا قَامَ فَلْيُسَلَّمْ مَا الْأُولَى بِأَحَقُّ مِنَ الْآخِرَةِ .
৯৯৫। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নবী (স)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। তিনি তখন এক মজলিসে ছিলেন। সে বললো, আসসালামু আলাইকুম। নবী (স) বলেন: দশটি নেকী। অতঃপর অপর এক ব্যক্তি ঐ পথে যেতে বললো, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। নবী (স) বলেন: বিশ নেকী। আরেক ব্যক্তি সেখান দিয়ে যেতে বললো, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহ। নবী (স) বলেন: তিরিশ নেকী। অতঃপর এক ব্যক্তি মজলিস থেকে উঠে চলে গেলো, কিন্তু সালাম দিলো না। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: হয়তো তোমাদের সাথী (সালামের মর্যাদা) বিস্তৃত হয়েছে। তোমাদের কেউ মজলিসে এসে পৌঁছলে যেন সালাম দেয়। তারপর মজলিসে বসার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলে সে বসবে। আবার সে যখন চলে যাবে তখনও যেন সালাম দেয়। কেননা পরের সালাম পূর্বের সালামের চেয়ে কম মর্যাদাপূর্ণ নয় (তি, না, হি,আ, দা)।
৯৯৬ - عُمَرَ قَالَ كُنْتُ رَدِيْفَ أَبِي بَكْرٍ فَيَمُرُّ عَلَى الْقَوْمِ فَيَقُولُ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ فَيَقُولُونَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَيَقُولُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَيَقُولُونَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ فَضَّلْنَا النَّاسُ الْيَوْمَ بِزِيَادَةٍ كَثِيرَةٍ .
৯৯৬। উমার (রা) বলেন, আমি বাহনের পেছন দিকে আবু বাকর (রা)-এর সফরসংগী ছিলাম। তিনি যে কোন জনসমষ্টিকে অতিক্রম করেন তাদেরকে আসসালামু আলাইকুম বলেন। তারা বললো, ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আর তিনি আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ বললে তারা বলে, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আবু বাক্ (রা) বলেন, লোকজন আজ আমাদের চেয়ে অনেক বেশী সওয়াবের অধিকারী হলো।
৯৯৭ - عَنْ عَائِشَةَ عَنْ رَسُولِ اللهِ ﷺ مَا حَسَدَكُمُ الْيَهُودُ عَلَى شَيْءٍ مَا حَسَدُوكُمْ عَلَى السَّلامِ وَالتَّأْمِينِ .
৯৯৭। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: ইহুদীরা তোমাদের কোন ব্যাপারে এতো বেশী ঈর্ষান্বিত নয় যতোটা তারা তোমাদের সালাম ও আমীনের ব্যাপারে ঈর্ষান্বিত (ই ৮৫৬)।

৯৯৫ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَجُلاً مَرَّ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ وَهُوَ فِي مَجْلِسٍ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ فَقَالَ عَشَرَ حَسَنَاتٍ فَمَرَّ رَجُلٌ أَخَرُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَقَالَ عِشْرُونَ حَسَنَةً فَمَرَّ رَجُلٌ آخَرُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ ثَلاثُونَ حَسَنَةً فَقَامَ رَجُلٌ مِّنَ الْمَجْلِسِ وَلَمْ يُسَلِّمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ مَا أَوْشَكَ مَا نَسِيَ صَاحِبُكُمْ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمُ الْمَجْلِسَ فَلْيُسَلَّمْ فَإِنْ بَدَا لَهُ أَنْ يُجْلِسَ فَلْيَجْلِسُ وَإِذَا قَامَ فَلْيُسَلَّمْ مَا الْأُولَى بِأَحَقُّ مِنَ الْآخِرَةِ .
৯৯৫। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নবী (স)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। তিনি তখন এক মজলিসে ছিলেন। সে বললো, আসসালামু আলাইকুম। নবী (স) বলেন: দশটি নেকী। অতঃপর অপর এক ব্যক্তি ঐ পথে যেতে বললো, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। নবী (স) বলেন: বিশ নেকী। আরেক ব্যক্তি সেখান দিয়ে যেতে বললো, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহ। নবী (স) বলেন: তিরিশ নেকী। অতঃপর এক ব্যক্তি মজলিস থেকে উঠে চলে গেলো, কিন্তু সালাম দিলো না। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: হয়তো তোমাদের সাথী (সালামের মর্যাদা) বিস্তৃত হয়েছে। তোমাদের কেউ মজলিসে এসে পৌঁছলে যেন সালাম দেয়। তারপর মজলিসে বসার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলে সে বসবে। আবার সে যখন চলে যাবে তখনও যেন সালাম দেয়। কেননা পরের সালাম পূর্বের সালামের চেয়ে কম মর্যাদাপূর্ণ নয় (তি, না, হি,আ, দা)।
৯৯৬ - عُمَرَ قَالَ كُنْتُ رَدِيْفَ أَبِي بَكْرٍ فَيَمُرُّ عَلَى الْقَوْمِ فَيَقُولُ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ فَيَقُولُونَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَيَقُولُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَيَقُولُونَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ فَضَّلْنَا النَّاسُ الْيَوْمَ بِزِيَادَةٍ كَثِيرَةٍ .
৯৯৬। উমার (রা) বলেন, আমি বাহনের পেছন দিকে আবু বাকর (রা)-এর সফরসংগী ছিলাম। তিনি যে কোন জনসমষ্টিকে অতিক্রম করেন তাদেরকে আসসালামু আলাইকুম বলেন। তারা বললো, ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আর তিনি আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ বললে তারা বলে, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আবু বাক্ (রা) বলেন, লোকজন আজ আমাদের চেয়ে অনেক বেশী সওয়াবের অধিকারী হলো।
৯৯৭ - عَنْ عَائِشَةَ عَنْ رَسُولِ اللهِ ﷺ مَا حَسَدَكُمُ الْيَهُودُ عَلَى شَيْءٍ مَا حَسَدُوكُمْ عَلَى السَّلامِ وَالتَّأْمِينِ .
৯৯৭। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: ইহুদীরা তোমাদের কোন ব্যাপারে এতো বেশী ঈর্ষান্বিত নয় যতোটা তারা তোমাদের সালাম ও আমীনের ব্যাপারে ঈর্ষান্বিত (ই ৮৫৬)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 সালাম হলো মহামহিম আল্লাহ্ নামসমূহের অন্তর্ভুক্ত একটি নাম

📄 সালাম হলো মহামহিম আল্লাহ্ নামসমূহের অন্তর্ভুক্ত একটি নাম


৪৫২-অনুচ্ছেদ: সালাম হলো মহামহিম আল্লাহর নামসমূহের অন্তর্ভুক্ত একটি নাম।
৯৯৮ - عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِنَّ السَّلَامَ اسْمٌ مِّنْ أَسْمَاءِ اللَّهِ تَعَالَى وَضَعَهُ اللهُ فِي الْأَرْضِ فَأَفْشُوا السَّلامَ بَيْنَكُمْ .
৯৯৮। আনাস (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: সালাম হলো আল্লাহ তাআলার নামসমূহের একটি। তিনি দুনিয়াবাসীদের জন্য তা দান করেছেন। অতএব তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের বহুল প্রচলন করো (তা, বায)।
৯৯৯ - عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ كَانُوا يُصَلُّونَ خَلْفَ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ الْقَائِلُ السَّلَامُ عَلَى اللَّهِ فَلَمَّا قَضَى النَّبِيُّ الله صَلَاتَهُ قَالَ مَنِ الْقَائِلُ السَّلَامُ عَلَى اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ هُوَ السَّلامُ وَلكِنْ قُولُوا التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِيْنَ أَشْهَدُ أَنْ لا الهَ الا اللهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ قَالَ وَقَدْ كَانُوا يَتَعَلَّمُونَهَا كَمَا يَتَعَلَّمُ أَحَدُكُمُ السَّورَةَ مِنَ الْقُرْآنِ .
৯৯৯। ইবনে মাসউদ (রা) বলেন, লোকজন নবী (স)-এর পেছনে নামায পড়ছিলো। এক ব্যক্তি বললো, আসসালামু আলাল্লাহ (আল্লাহ্র প্রতি সালাম)। নবী (স) নামাযশেষে জিজ্ঞেস করেন: আসসালামু আলাল্লাহ কে বলেছে? নিশ্চয় আল্লাহ হলেন সালাম (শান্তিদাতা)। বরং তোমরা বলো, ‘আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি........ আবদুহু ওয়া রাসূলুহু’। "সমস্ত সম্মান, ইবাদত, উপাসনা এবং পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক, আল্লাহ্ রহমাত এবং প্রাচুর্যও। আমাদের উপর এবং আল্লাহ্ নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দাহ ও রাসূল"। রাবী বলেন, সাহাবীগণ তা এতো গুরুত্ব সহকারে শিক্ষা করতেন, যেমন তোমাদের কেউ কুরআনের সূরা শিক্ষা করে (বু, মু,দা, তি, না, ই)।

৯৯৮ - عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِنَّ السَّلَامَ اسْمٌ مِّنْ أَسْمَاءِ اللَّهِ تَعَالَى وَضَعَهُ اللهُ فِي الْأَرْضِ فَأَفْشُوا السَّلامَ بَيْنَكُمْ .
৯৯৮। আনাস (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: সালাম হলো আল্লাহ তাআলার নামসমূহের একটি। তিনি দুনিয়াবাসীদের জন্য তা দান করেছেন। অতএব তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের বহুল প্রচলন করো (তা, বায)।
৯৯৯ - عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ كَانُوا يُصَلُّونَ خَلْفَ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ الْقَائِلُ السَّلَامُ عَلَى اللَّهِ فَلَمَّا قَضَى النَّبِيُّ الله صَلَاتَهُ قَالَ مَنِ الْقَائِلُ السَّلَامُ عَلَى اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ هُوَ السَّلامُ وَلكِنْ قُولُوا التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِيْنَ أَشْهَدُ أَنْ لا الهَ الا اللهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ قَالَ وَقَدْ كَانُوا يَتَعَلَّمُونَهَا كَمَا يَتَعَلَّمُ أَحَدُكُمُ السَّورَةَ مِنَ الْقُرْآنِ .
৯৯৯। ইবনে মাসউদ (রা) বলেন, লোকজন নবী (স)-এর পেছনে নামায পড়ছিলো। এক ব্যক্তি বললো, আসসালামু আলাল্লাহ (আল্লাহ্র প্রতি সালাম)। নবী (স) নামাযশেষে জিজ্ঞেস করেন: আসসালামু আলাল্লাহ কে বলেছে? নিশ্চয় আল্লাহ হলেন সালাম (শান্তিদাতা)। বরং তোমরা বলো, ‘আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি........ আবদুহু ওয়া রাসূলুহু’। "সমস্ত সম্মান, ইবাদত, উপাসনা এবং পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক, আল্লাহ্ রহমাত এবং প্রাচুর্যও। আমাদের উপর এবং আল্লাহ্ নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দাহ ও রাসূল"। রাবী বলেন, সাহাবীগণ তা এতো গুরুত্ব সহকারে শিক্ষা করতেন, যেমন তোমাদের কেউ কুরআনের সূরা শিক্ষা করে (বু, মু,দা, তি, না, ই)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 দুই মুসলমানের সাক্ষাতকালে সালাম প্রদানকারী মুসলমানের অধিকার

📄 দুই মুসলমানের সাক্ষাতকালে সালাম প্রদানকারী মুসলমানের অধিকার


৪৫৩-অনুচ্ছেদ: দুই মুসলমানের সাক্ষাতকালে সালাম প্রদানকারী মুসলমানের অধিকার।
১০০০ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ حَقُّ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ خَمْسٌ قَبْلَ وَمَا هِيَ قَالَ إِذَا لَقِيتَهُ فَسَلَّمْ عَلَيْهِ وَإِذَا دَعَاكَ فَأَجِبُهُ وَإِذَا اسْتَنْصَحَكَ فَانْصَحْ لَهُ وَإِذَا عَطَسَ فَحَمِدَ اللهَ فَشَمِّتْهُ وَإِذَا مَرِضَ فَعُدَهُ وَإِذَا مَاتَ فَاصْحَبْهُ .
১০০০। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: এক মুসলমানের উপর অপর মুসলমানের পাঁচটি কর্তব্য রয়েছে। জিজ্ঞেস করা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা কি কি? তিনি বলেন: (১) তুমি তার সাথে সাক্ষাত করলে তাকে সালাম দিবে। (২) সে তোমাকে দাওয়াত দিলে তুমি তার দাওয়াত কবুল করবে। (৩) সে তোমার কাছে পরামর্শ বা উপদেশ চাইলে তুমি তাকে সৎ পরামর্শ বা সদুপদেশ দিবে। (৪) সে হাঁচি দিয়ে আলহামদু লিল্লাহ বললে তুমি তার হাঁচির জবাব দিবে। (৫) সে মারা গেলে তুমি তার সংগী হবে (জানাযা পড়বে ও দাফন করবে) (বু,মু)।

১০০০ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ حَقُّ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ خَمْسٌ قَبْلَ وَمَا هِيَ قَالَ إِذَا لَقِيتَهُ فَسَلَّمْ عَلَيْهِ وَإِذَا دَعَاكَ فَأَجِبُهُ وَإِذَا اسْتَنْصَحَكَ فَانْصَحْ لَهُ وَإِذَا عَطَسَ فَحَمِدَ اللهَ فَشَمِّتْهُ وَإِذَا مَرِضَ فَعُدَهُ وَإِذَا مَاتَ فَاصْحَبْهُ .
১০০০। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: এক মুসলমানের উপর অপর মুসলমানের পাঁচটি কর্তব্য রয়েছে। জিজ্ঞেস করা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা কি কি? তিনি বলেন: (১) তুমি তার সাথে সাক্ষাত করলে তাকে সালাম দিবে। (২) সে তোমাকে দাওয়াত দিলে তুমি তার দাওয়াত কবুল করবে। (৩) সে তোমার কাছে পরামর্শ বা উপদেশ চাইলে তুমি তাকে সৎ পরামর্শ বা সদুপদেশ দিবে। (৪) সে হাঁচি দিয়ে আলহামদু লিল্লাহ বললে তুমি তার হাঁচির জবাব দিবে। (৫) সে মারা গেলে তুমি তার সংগী হবে (জানাযা পড়বে ও দাফন করবে) (বু,মু)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00