📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 সালামের সূচনা

📄 সালামের সূচনা


৪৪৮-অনুচ্ছেদ: সালামের সূচনা।
৯৮৭ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ خَلَقَ اللَّهُ آدَمَ عا وَطُولُهُ سِتُّونَ ذِرَاعًا قَالَ إِذْهَبْ فَسَلَّمْ عَلَى أُولَئِكَ نَفَرٍ مِّنَ الْمَلَائِكَةِ جُلُوسٌ فَاسْتَمِعْ مَا يُجِيبُونَكَ فَإِنَّهَا تَحِيَّتُكَ وَتَحِيَّةُ ذُرِّيَّتِكَ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ فَقَالُوا السَّلَامُ عَلَيْكَ وَرَحْمَةُ اللهِ فَزَادُوهُ وَرَحْمَةُ اللهِ فَكُلُّ مَنْ يُدْخُلُ الْجَنَّةَ عَلَى صُورَتِهِ فَلَمْ يَزَلْ يَنْقُصُ الْخَلْقُ حَتَّى الْآنَ .
৯৮৭। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: আল্লাহ তাআলা আদম (আ)-কে সৃষ্টি করলেন। তাঁর উচ্চতা ছিল ষাট হাত। আল্লাহ তাআলা তাঁকে বলেন, যাও, উপবিষ্ট ঐ ফেরেশতার দলকে সালাম দাও এবং তারা তোমার সালামের কি জবাব দেয় তা মনোযোগ সহকারে শোনো। কেননা এটাই হবে তোমার ও তোমার সন্তানদের সালাম (সম্ভাষণ)। আদম (আ) গিয়ে বলেন, আসসালামু আলাইকুম (আপনাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক)। ফেরেশতাগণ জবাব দিলেন, আসসালামু আলাইকা ওয়া রহমাতুল্লাহ (আপনার উপরও শান্তি ও আল্লাহ্র রহমাত বর্ষিত হোক)। ফেরেশতাগণ "ওয়া রহমাতুল্লাহি" বাড়িয়ে বলেন। যে ব্যক্তি বেহেশতে যাবে সেই হবে আদম (আ)-এর আকৃতি বিশিষ্ট। তখন থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত মানুষের দেহাবয়ব (উচ্চতা) ক্রমাগত হ্রাস পেয়ে আসছে (বু, মু)।

৯৮৭ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ خَلَقَ اللَّهُ آدَمَ عا وَطُولُهُ سِتُّونَ ذِرَاعًا قَالَ إِذْهَبْ فَسَلَّمْ عَلَى أُولَئِكَ نَفَرٍ مِّنَ الْمَلَائِكَةِ جُلُوسٌ فَاسْتَمِعْ مَا يُجِيبُونَكَ فَإِنَّهَا تَحِيَّتُكَ وَتَحِيَّةُ ذُرِّيَّتِكَ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ فَقَالُوا السَّلَامُ عَلَيْكَ وَرَحْمَةُ اللهِ فَزَادُوهُ وَرَحْمَةُ اللهِ فَكُلُّ مَنْ يُدْخُلُ الْجَنَّةَ عَلَى صُورَتِهِ فَلَمْ يَزَلْ يَنْقُصُ الْخَلْقُ حَتَّى الْآنَ .
৯৮৭। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: আল্লাহ তাআলা আদম (আ)-কে সৃষ্টি করলেন। তাঁর উচ্চতা ছিল ষাট হাত। আল্লাহ তাআলা তাঁকে বলেন, যাও, উপবিষ্ট ঐ ফেরেশতার দলকে সালাম দাও এবং তারা তোমার সালামের কি জবাব দেয় তা মনোযোগ সহকারে শোনো। কেননা এটাই হবে তোমার ও তোমার সন্তানদের সালাম (সম্ভাষণ)। আদম (আ) গিয়ে বলেন, আসসালামু আলাইকুম (আপনাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক)। ফেরেশতাগণ জবাব দিলেন, আসসালামু আলাইকা ওয়া রহমাতুল্লাহ (আপনার উপরও শান্তি ও আল্লাহ্র রহমাত বর্ষিত হোক)। ফেরেশতাগণ "ওয়া রহমাতুল্লাহি" বাড়িয়ে বলেন। যে ব্যক্তি বেহেশতে যাবে সেই হবে আদম (আ)-এর আকৃতি বিশিষ্ট। তখন থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত মানুষের দেহাবয়ব (উচ্চতা) ক্রমাগত হ্রাস পেয়ে আসছে (বু, মু)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 সালামের প্রসার

📄 সালামের প্রসার


৪৪৯-অনুচ্ছেদ: সালামের প্রসার।
৯৮৮ - عَنِ الْبَرَاءِ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ أَفْشُوا السَّلَامَ تَسْلَمُوا
৯৮৮। বারাআ (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: তোমরা সালামের বহুল প্রসার করো, তাহলে শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করবে (আ, হি)।
৯৮৯ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَا تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ حَتَّى تُؤْمِنُوا وَلَا تُؤْمِنُوا حَتَّى تَحَابُّوا أَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى مَا تَحَابُّوْنَ بِهِ قَالُوا بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ أَفْشُوا السَّلامَ بَيْنَكُمْ .
৯৮৯। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না। তোমরা পরস্পরকে মহব্বত না করা পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদের এমন জিনিস জ্ঞাত করবো না, যাতে তোমাদের পরস্পরের মধ্যে মহব্বত সৃষ্টি হয়? সাহাবাগণ বলেন, নিশ্চয় ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বলেন: তোমাদের মধ্যে সালামের বহুল প্রসার ঘটাও (মু)।
৯৯০ - عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرِهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَعْبُدُوا الرَّحْمَنَ وَأَطْعِمُوا الطَّعَامَ وَأَفْسُوا السَّلامَ تَدْخُلُوا الْجَنَانَ .
৯৯০। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: তোমরা দয়াময় রহমানের ইবাদত করো, মানুষকে আহার করাও এবং সালামের বহুল প্রচলন করো, তাহলে জান্নাতসমূহে প্রবেশ করতে পারবে (তি, ই, দার, আ, হি)।

৯৮৮ - عَنِ الْبَرَاءِ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ أَفْشُوا السَّلَامَ تَسْلَمُوا
৯৮৮। বারাআ (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: তোমরা সালামের বহুল প্রসার করো, তাহলে শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করবে (আ, হি)।
৯৮৯ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَا تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ حَتَّى تُؤْمِنُوا وَلَا تُؤْمِنُوا حَتَّى تَحَابُّوا أَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى مَا تَحَابُّوْنَ بِهِ قَالُوا بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ أَفْشُوا السَّلامَ بَيْنَكُمْ .
৯৮৯। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না। তোমরা পরস্পরকে মহব্বত না করা পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদের এমন জিনিস জ্ঞাত করবো না, যাতে তোমাদের পরস্পরের মধ্যে মহব্বত সৃষ্টি হয়? সাহাবাগণ বলেন, নিশ্চয় ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বলেন: তোমাদের মধ্যে সালামের বহুল প্রসার ঘটাও (মু)।
৯৯০ - عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرِهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَعْبُدُوا الرَّحْمَنَ وَأَطْعِمُوا الطَّعَامَ وَأَفْسُوا السَّلامَ تَدْخُلُوا الْجَنَانَ .
৯৯০। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: তোমরা দয়াময় রহমানের ইবাদত করো, মানুষকে আহার করাও এবং সালামের বহুল প্রচলন করো, তাহলে জান্নাতসমূহে প্রবেশ করতে পারবে (তি, ই, দার, আ, হি)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 যে ব্যক্তি আগে সালাম দেয়

📄 যে ব্যক্তি আগে সালাম দেয়


৪৫০-অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি আগে সালাম দেয়।
৯৯১ - عَنْ بَشَيْرِ بْنِ يَسَارٍ قَالَ مَا كَانَ أَحَدٌ يَبْدَأُ أَوْ يَبْدَرُ ابْنَ عُمَرَ بِالسَّلَامِ .
৯৯১। বশীর ইবনে ইয়াসার (র) বলেন, ইবনে উমার (রা)-কে তার আগে কেউ সালাম দিতে পারতো না (আন, হি)।
৯৯২ - عَنْ جَابِرٍ يَقُولُ يُسَلِّمُ الرَّاكِبُ عَلَى الْمَاشِي وَالْمَاشِي عَلَى الْقَاعِدِ وَالْمَاشِيَانِ أَيُّهَا يَبْدَأُ بِالسَّلَامِ فَهُوَ أَفْضَلُ .
৯৯২। জাবের (রা) বলেন, আরোহী ব্যক্তি পদব্রজে গমনকারীকে সালাম দিবে এবং পদব্রজে গমনকারী বসা ব্যক্তিকে সালাম দিবে। আর দুই পথচারীর মধ্যে যে প্রথম সালাম দিবে সে অধিক উত্তম।
৯৯৩ - عَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ أَنَّ الْآخَرُ وَهُوَ رَجُلٌ مِّنْ مُزَيْنَةَ وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ معَ النَّبِيِّ ﷺ كَانَتْ لَهُ أَوْسُقٌ مِّنْ تَمْرٍ عَلَى رَجُلٍ مِّنْ بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفِ اخْتَلَفَ إِلَيْهِ مِرَارًا قَالَ فَجِئْتُ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ فَأَرْسَلَ مَعِى أَبَا بَكْرِ الصِّدِّيقِ قَالَ فَكُلُّ مَنْ لَقِينَا سَلِّمُوا عَلَيْنَا فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ أَلَا تَرَى النَّاسَ يَبْدَأُونَكَ بِالسَّلَامِ فَيَكُونُ لَهُمُ الْأَجْرُ إِبْدَاهُمْ بِالسَّلَامِ يَكُنُ لَكَ الْأَجْرُ يُحَدِّثُ هَذَا ابْنُ عُمَرَ عَنْ نَفْسِهِ .
৯৯৩। নাফে (র) থেকে বর্ণিত। ইবনে উমার (রা) তাকে অবহিত করেন যে, মুযায়না গোত্রের আল-আগারর (রা) নবী (স)-এর সাহাবী ছিলেন। আমর ইবনে আওফ গোত্রের এক ব্যক্তির নিকট তার কয়েক ওয়াসাক খেজুর পাওনা ছিল। তিনি এজন্য বেশ কয়েক বার তাকে তাগাদাও দেন। তিনি বলেন, আমি নবী (স)-এর নিকট গেলে তিনি আমার সাথে আবু বাক্স সিদ্দীক (রা)-কে পাঠান। তিনি বলেন, (পথিমধ্যে যার সাথেই) আমাদের সাক্ষাত হয়েছে তারাই আগে আমাদের সালাম দিয়েছে। আবু বাক্স (রা) বলেন, তুমি কি লক্ষ্য করছো না যে, লোকজন তোমাকে আগে সালাম দিচ্ছে এবং তাদের সওয়াব হচ্ছে? তুমি আগে তাদেরকে সালাম দাও, তোমার সওয়াব হবে। ইবনে উমার (রা) এটাকে নিজের ঘটনা বলেছেন (তা)।
৯৯৪ - عَنْ أَبِي أَيُّوبَ أَنْ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ لَا يَحِلُّ لِامْرِيءٍ مُّسْلِمِ أَنْ يُهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلاثَ فَيَلْتَقِيَانِ فَيَعْرِضُ هَذَا وَيَعْرِضُ هَذَا وَخَيْرُهُمَا الَّذِي يَبْدَأُ بِالسَّلَامِ .
৯৯৪। আবু আইউব (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: কোন মুসলমানের জন্য তার অপর মুসলমান ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশী সম্পর্ক ছিন্ন করে থাকা হালাল নয়। অবস্থা এই দাঁড়ায় যে, তাদের দু'জনের সাক্ষাত হলে একজন এদিকে এবং অপরজন ঐদিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়। তাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি যে আগে সালাম দেয় (বু, মু, দা, তি)।

৯৯১ - عَنْ بَشَيْرِ بْنِ يَسَارٍ قَالَ مَا كَانَ أَحَدٌ يَبْدَأُ أَوْ يَبْدَرُ ابْنَ عُمَرَ بِالسَّلَامِ .
৯৯১। বশীর ইবনে ইয়াসার (র) বলেন, ইবনে উমার (রা)-কে তার আগে কেউ সালাম দিতে পারতো না (আন, হি)।
৯৯২ - عَنْ جَابِرٍ يَقُولُ يُسَلِّمُ الرَّاكِبُ عَلَى الْمَاشِي وَالْمَاشِي عَلَى الْقَاعِدِ وَالْمَASHِيَانِ أَيُّهَا يَبْدَأُ بِالسَّلَامِ فَهُوَ أَفْضَلُ .
৯৯২। জাবের (রা) বলেন, আরোহী ব্যক্তি পদব্রজে গমনকারীকে সালাম দিবে এবং পদব্রজে গমনকারী বসা ব্যক্তিকে সালাম দিবে। আর দুই পথচারীর মধ্যে যে প্রথম সালাম দিবে সে অধিক উত্তম।
৯৯৩ - عَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ أَنَّ الْآخَرُ وَهُوَ رَجُلٌ مِّنْ مُزَيْنَةَ وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ معَ النَّبِيِّ ﷺ كَانَتْ لَهُ أَوْسُقٌ مِّنْ تَمْرٍ عَلَى رَجُلٍ مِّنْ بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفِ اخْتَلَفَ إِلَيْهِ مِرَارًا قَالَ فَجِئْتُ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ فَأَرْسَلَ مَعِى أَبَا بَكْرِ الصِّدِّيقِ قَالَ فَكُلُّ مَنْ لَقِينَا سَلِّمُوا عَلَيْنَا فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ أَلَا تَرَى النَّاسَ يَبْدَأُونَكَ بِالسَّلَامِ فَيَكُونُ لَهُمُ الْأَجْرُ إِبْدَاهُمْ بِالسَّلَامِ يَكُنُ لَكَ الْأَجْرُ يُحَدِّثُ هَذَا ابْنُ عُمَرَ عَنْ نَفْسِهِ .
৯৯৩। নাফে (র) থেকে বর্ণিত। ইবনে উমার (রা) তাকে অবহিত করেন যে, মুযায়না গোত্রের আল-আগারর (রা) নবী (স)-এর সাহাবী ছিলেন। আমর ইবনে আওফ গোত্রের এক ব্যক্তির নিকট তার কয়েক ওয়াসাক খেজুর পাওনা ছিল। তিনি এজন্য বেশ কয়েক বার তাকে তাগাদাও দেন। তিনি বলেন, আমি নবী (স)-এর নিকট গেলে তিনি আমার সাথে আবু বাক্স সিদ্দীক (রা)-কে পাঠান। তিনি বলেন, (পথিমধ্যে যার সাথেই) আমাদের সাক্ষাত হয়েছে তারাই আগে আমাদের সালাম দিয়েছে। আবু বাক্স (রা) বলেন, তুমি কি লক্ষ্য করছো না যে, লোকজন তোমাকে আগে সালাম দিচ্ছে এবং তাদের সওয়াব হচ্ছে? তুমি আগে তাদেরকে সালাম দাও, তোমার সওয়াব হবে। ইবনে উমার (রা) এটাকে নিজের ঘটনা বলেছেন (তা)।
৯৯৪ - عَنْ أَبِي أَيُّوبَ أَنْ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ لَا يَحِلُّ لِامْرِيءٍ مُّسْلِمِ أَنْ يُهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلاثَ فَيَلْتَقِيَانِ فَيَعْرِضُ هَذَا وَيَعْرِضُ هَذَا وَخَيْرُهُمَا الَّذِي يَبْدَأُ بِالسَّلَامِ .
৯৯৪। আবু আইউব (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: কোন মুসলমানের জন্য তার অপর মুসলমান ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশী সম্পর্ক ছিন্ন করে থাকা হালাল নয়। অবস্থা এই দাঁড়ায় যে, তাদের দু'জনের সাক্ষাত হলে একজন এদিকে এবং অপরজন ঐদিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়। তাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি যে আগে সালাম দেয় (বু, মু, দা, তি)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 সালাম বিনিময়ের ফযীলাত

📄 সালাম বিনিময়ের ফযীলাত


৪৫১-অনুচ্ছেদ: সালাম বিনিময়ের ফযীলাত।
৯৯৫ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَجُلاً مَرَّ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ وَهُوَ فِي مَجْلِسٍ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ فَقَالَ عَشَرَ حَسَنَاتٍ فَمَرَّ رَجُلٌ أَخَرُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَقَالَ عِشْرُونَ حَسَنَةً فَمَرَّ رَجُلٌ آخَرُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ ثَلاثُونَ حَسَنَةً فَقَامَ رَجُلٌ مِّنَ الْمَجْلِسِ وَلَمْ يُسَلِّمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ مَا أَوْشَكَ مَا نَسِيَ صَاحِبُكُمْ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمُ الْمَجْلِسَ فَلْيُسَلَّمْ فَإِنْ بَدَا لَهُ أَنْ يُجْلِسَ فَلْيَجْلِسُ وَإِذَا قَامَ فَلْيُسَلَّمْ مَا الْأُولَى بِأَحَقُّ مِنَ الْآخِرَةِ .
৯৯৫। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নবী (স)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। তিনি তখন এক মজলিসে ছিলেন। সে বললো, আসসালামু আলাইকুম। নবী (স) বলেন: দশটি নেকী। অতঃপর অপর এক ব্যক্তি ঐ পথে যেতে বললো, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। নবী (স) বলেন: বিশ নেকী। আরেক ব্যক্তি সেখান দিয়ে যেতে বললো, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহ। নবী (স) বলেন: তিরিশ নেকী। অতঃপর এক ব্যক্তি মজলিস থেকে উঠে চলে গেলো, কিন্তু সালাম দিলো না। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: হয়তো তোমাদের সাথী (সালামের মর্যাদা) বিস্তৃত হয়েছে। তোমাদের কেউ মজলিসে এসে পৌঁছলে যেন সালাম দেয়। তারপর মজলিসে বসার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলে সে বসবে। আবার সে যখন চলে যাবে তখনও যেন সালাম দেয়। কেননা পরের সালাম পূর্বের সালামের চেয়ে কম মর্যাদাপূর্ণ নয় (তি, না, হি,আ, দা)।
৯৯৬ - عُمَرَ قَالَ كُنْتُ رَدِيْفَ أَبِي بَكْرٍ فَيَمُرُّ عَلَى الْقَوْمِ فَيَقُولُ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ فَيَقُولُونَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَيَقُولُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَيَقُولُونَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ فَضَّلْنَا النَّاسُ الْيَوْمَ بِزِيَادَةٍ كَثِيرَةٍ .
৯৯৬। উমার (রা) বলেন, আমি বাহনের পেছন দিকে আবু বাকর (রা)-এর সফরসংগী ছিলাম। তিনি যে কোন জনসমষ্টিকে অতিক্রম করেন তাদেরকে আসসালামু আলাইকুম বলেন। তারা বললো, ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আর তিনি আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ বললে তারা বলে, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আবু বাক্ (রা) বলেন, লোকজন আজ আমাদের চেয়ে অনেক বেশী সওয়াবের অধিকারী হলো।
৯৯৭ - عَنْ عَائِشَةَ عَنْ رَسُولِ اللهِ ﷺ مَا حَسَدَكُمُ الْيَهُودُ عَلَى شَيْءٍ مَا حَسَدُوكُمْ عَلَى السَّلامِ وَالتَّأْمِينِ .
৯৯৭। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: ইহুদীরা তোমাদের কোন ব্যাপারে এতো বেশী ঈর্ষান্বিত নয় যতোটা তারা তোমাদের সালাম ও আমীনের ব্যাপারে ঈর্ষান্বিত (ই ৮৫৬)।

৯৯৫ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَجُلاً مَرَّ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ وَهُوَ فِي مَجْلِسٍ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ فَقَالَ عَشَرَ حَسَنَاتٍ فَمَرَّ رَجُلٌ أَخَرُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَقَالَ عِشْرُونَ حَسَنَةً فَمَرَّ رَجُلٌ آخَرُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ ثَلاثُونَ حَسَنَةً فَقَامَ رَجُلٌ مِّنَ الْمَجْلِسِ وَلَمْ يُسَلِّمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ مَا أَوْشَكَ مَا نَسِيَ صَاحِبُكُمْ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمُ الْمَجْلِسَ فَلْيُسَلَّمْ فَإِنْ بَدَا لَهُ أَنْ يُجْلِسَ فَلْيَجْلِسُ وَإِذَا قَامَ فَلْيُسَلَّمْ مَا الْأُولَى بِأَحَقُّ مِنَ الْآخِرَةِ .
৯৯৫। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নবী (স)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। তিনি তখন এক মজলিসে ছিলেন। সে বললো, আসসালামু আলাইকুম। নবী (স) বলেন: দশটি নেকী। অতঃপর অপর এক ব্যক্তি ঐ পথে যেতে বললো, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। নবী (স) বলেন: বিশ নেকী। আরেক ব্যক্তি সেখান দিয়ে যেতে বললো, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহ। নবী (স) বলেন: তিরিশ নেকী। অতঃপর এক ব্যক্তি মজলিস থেকে উঠে চলে গেলো, কিন্তু সালাম দিলো না। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: হয়তো তোমাদের সাথী (সালামের মর্যাদা) বিস্তৃত হয়েছে। তোমাদের কেউ মজলিসে এসে পৌঁছলে যেন সালাম দেয়। তারপর মজলিসে বসার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলে সে বসবে। আবার সে যখন চলে যাবে তখনও যেন সালাম দেয়। কেননা পরের সালাম পূর্বের সালামের চেয়ে কম মর্যাদাপূর্ণ নয় (তি, না, হি,আ, দা)।
৯৯৬ - عُمَرَ قَالَ كُنْتُ رَدِيْفَ أَبِي بَكْرٍ فَيَمُرُّ عَلَى الْقَوْمِ فَيَقُولُ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ فَيَقُولُونَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَيَقُولُ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَيَقُولُونَ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ فَضَّلْنَا النَّاسُ الْيَوْمَ بِزِيَادَةٍ كَثِيرَةٍ .
৯৯৬। উমার (রা) বলেন, আমি বাহনের পেছন দিকে আবু বাকর (রা)-এর সফরসংগী ছিলাম। তিনি যে কোন জনসমষ্টিকে অতিক্রম করেন তাদেরকে আসসালামু আলাইকুম বলেন। তারা বললো, ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আর তিনি আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ বললে তারা বলে, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আবু বাক্ (রা) বলেন, লোকজন আজ আমাদের চেয়ে অনেক বেশী সওয়াবের অধিকারী হলো।
৯৯৭ - عَنْ عَائِشَةَ عَنْ رَسُولِ اللهِ ﷺ مَا حَسَدَكُمُ الْيَهُودُ عَلَى شَيْءٍ مَا حَسَدُوكُمْ عَلَى السَّلامِ وَالتَّأْمِينِ .
৯৯৭। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: ইহুদীরা তোমাদের কোন ব্যাপারে এতো বেশী ঈর্ষান্বিত নয় যতোটা তারা তোমাদের সালাম ও আমীনের ব্যাপারে ঈর্ষান্বিত (ই ৮৫৬)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00