📄 শিশুদের সাথে মোসাফাহা করা
৪৪০-অনুচ্ছেদ: শিশুদের সাথে মোসাফাহা করা।
৯৭৫ - عَنْ سَلَمَةَ بْنِ وَرْدَانَ قَالَ رَأَيْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكِ يُصَافِحُ النَّاسَ فَسَأَلَنِي مَنْ اَنْتَ فَقُلْتُ مَوْلَى لَبَنِي لَيْثَ فَمَسَحَ عَلَى رَأْسِي ثَلَاثًا وَقَالَ بَارَكَ اللَّهُ فِيكَ
৯৭৫। সালামা ইবনে ওয়ারদান (র) বলেন, আমি আনাস ইবনে মালেক (রা)-কে লোকজনের সাথে মোসাফাহা করতে দেখলাম। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তুমি কে? আমি বললাম, আমি লাইস গোত্রের মুক্তদাস। তিনি তিনবার আমার মাথায় হাত বুলান এবং বলেন, আল্লাহ তোমাকে বরকত দান করুন।
📄 মোসাফাহা (করমর্দন)
৪৪১-অনুচ্ছেদ: মোসাফাহা (করমর্দন)।
৯৭৬ - عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكَ قَالَ لَمَّا جَاءَ أَهْلُ الْيَمَنِ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ قَدْ أَقْبَلَ أَهْلُ الْيَمَنِ وَهُمْ أَرَقُّ قُلُوبًا مِّنْكُمْ فَهُمْ أَوَّلُ مَنْ جَاءَ بِالْمُصَافَحَةِ.
৯৭৬। আনাস ইবনে মালেক (রা) বলেন, যখন ইয়ামনবাসীগণ এসে উপস্থিত হন তখন নবী (স) বলেন: "ইয়ামনবাসীগণ এসেছে। তাদের অন্তর তোমাদের তুলনায় অধিক কোমল" (রাবী বলেন,) তারাই সর্বপ্রথম মোসাফাহা করেন (দা)।
৯৭৭ - عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ قَالَ مِنْ تَمَامِ التَّحِيَّةِ أَنْ تُصَافِحَ أَخَاكَ .
৯৭৭। বারাআ ইবনে আযেব (রা) বলেন, তোমার ভাইয়ের সাথে তোমার মোসাফাহা (করমর্দন) সালামকে পূর্ণতা দান করে (দা, তি, ই)।
📄 শিশুর মাথায় কোন মহিলার হাত বুলানো
৪৪২-অনুচ্ছেদ: শিশুর মাথায় কোন মহিলার হাত বুলানো।
৯৭৮ - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقِ الثَّقَفِيُّ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي وَكَانَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ فَأَخَذَهُ الْحَجَّاجُ مِنْهُ قَالَ كَانَ عَبْدُ اللَّهِ ابْنُ الزُّبَيْرِ بَعَثَنِي إِلَى أُمِّهِ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ فَأَخْبِرُهَا بِمَا يُعَامِلُهُمْ حَجَّاجُ وَتَدْعُو لِى وَتَمْسَحُ رَأْسِي وَأَنَا يَوْمَئِذٍ وَصِيْفٌ
৯৭৮। ইবরাহীম ইবনে মারযূক আছ-ছাকাফী (র) বলেন, আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রা)-র সমর্থক ছিলেন এবং পরে হাজ্জাজ তাকে তার নিকট থেকে ছিনিয়ে নেয়। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রা) আমাকে তার মা আসমা বিনতে আবু বাক্স (রা)-এর কাছে পাঠাতেন এবং আমি তাকে তাদের প্রতি হাজ্জাজের দুর্ব্যবহারের কথা অবগত করতাম। তিনি আমার জন্য দোয়া করতেন এবং আমার মাথায় হাত বুলাতেন। আমি ছিলাম তখন বালক বয়সী।
📄 মুয়ানাকা (আলিঙ্গন)
৪৪৩-অনুচ্ছেদ : মুয়ানাকা (আলিঙ্গন)।
৯৭৯ - عَنِ ابْنِ عَقِيلٍ أَنْ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَهُ أَنَّهُ بَلَغَهُ حَدِيْثٌ عَنْ رَجُلٍ مِّنْ أَصْحَابِ النَّبِيُّ ﷺ فَابْتَعْتُ بَعِيرًا فَشَدَدْتُ إِلَيْهِ رَحْلَى شَهْرًا حَتَّى قَدِمْتُ الشَّامَ فَإِذَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَنَيْسِ فَبَعَثْتُ إِلَيْهِ أَنْ جَابِرًا بِالْبَابِ فَرَجَعَ الرَّسُولُ فَقَالَ جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ فَقُلْتُ نَعَمْ فَخَرَجَ فَاعْتَنَقَنِي قُلْتُ حَدِيْثٌ بَلَغَنِي لَمْ أَسْمَعْهُ خَشِيْتُ أَنْ امُوْتَ أَوْ تَمُوْتَ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيُّ ﷺ يَقُولُ يَحْشُرُ اللَّهُ الْعِبَادَ أَوِ النَّاسَ عُرَاةً غُرُلا بُهُمَا قُلْنَا مَا بُهُمَا قَالَ لَيْسَ مَعَهُمْ شَيْءٌ فَيُنَادِيهِمْ بِصَوْتٍ يَسْمَعُهُ مَنْ بَعْدَ أَحْسِبُهُ قَالَ كَمَا يَسْمَعُهُ مَنْ قَرُبَ أَنَا الْمِلْكُ لاَ يَنْبَغِي لِأَحَدٍ مِّنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ وَأَحَدٌ مِّنْ أَهْلِ النَّارِ يَطْلُبُهُ بِمَظْلِمَةٍ وَلَا يَنْبَغِي لِأَحَدٍ مِّنْ أَهْلِ النَّارِ يَدْخُلُ النَّارَ وَاحَدٌ مِّنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ يَطلُبُهُ بِمَظْلِمَةٍ قُلْتُ وَكَيْفَ وَإِنَّمَا نَأْتِي اللَّهَ عُرَاةً بُهُمَا قَالَ بِالْحَسَنَاتِ وَالسَّيِّئَاتِ .
৯৭৯। ইবনে আকীল (র) থেকে বর্ণিত। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা) তার নিকট বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-এর এক সাহাবীর বরাতে একটি হাদীস সম্পর্কে অবহিত হন। আমি (জাবের) একটি উট ক্রয় করে তাতে আরোহণ করে এক মাসের পথ অতিক্রম করে সিরিয়ায় গিয়ে তার নিকট উপস্থিত হই। সেই সাহাবী ছিলেন আবদুল্লাহ ইবনে উনাইস (রা)। আমি তাকে খবর পাঠালাম যে, জাবের তোমার দ্বারে অপেক্ষমাণ। দূত ফিরে এসে জিজ্জেস করলো, আপনার নাম কি জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা)? আমি বললাম, হাঁ। তখন তিনি বাইরে বের হয়ে এসে আমাকে আলিঙ্গন করেন। আমি বললাম, এমন একটি হাদীস আমার নিকট পৌঁছেছে যা আমি ইতিপূর্বে শুনিনি। আমার আশংকা হলো হয়তো আমি মারা যাবো অথবা আপনি মারা যাবেন। তিনি বলেন, আমি নবী (স)-কে বলতে শুনেছি : আল্লাহ তাআলা বান্দাগণকে বা মানবজাতিকে হাশরের মাঠে উঠাবেন বস্ত্রহীন ও সহায়-সম্বলহীন অবস্থায়। আমরা বললাম, সহায়-সম্বলহীন কি? তিনি বলেন: তাদের কোন সহায়-সম্বল থাকবে না। তিনি তাদেরকে সশব্দে ডাকবেন, দূরবর্তীগণও তা শুনতে পাবে, যেমন শুনতে পাবে নিকটবর্তীরা, "আমিই রাজাধিরাজ"। কোন বেহেশতবাসী বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না যতক্ষণ তার উপর কোন দোযখবাসীর কোন দাবি অবশিষ্ট থাকবে। আর কোন দোযখবাসীও দোযখে প্রবেশ করবে না যতক্ষণ তার উপর কোন বেহেশতবাসীর কোন দাবি অবশিষ্ট থাকবে। আমি বললাম, সে দাবি কিভাবে মিটমাট করবে, যেখানে আমরা সকলে উত্থিত হবো আল্লাহ্র সমীপে সহায়-সম্বলহীনভাবে? তিনি বলেন: নেকী এবং গোনাহ দ্বারা (বু,আ, ইলা, তা, হা)।