📄 হাঁচিদাতার জবাব দেয়া
৪১৭-অনুচ্ছেদ: হাঁচিদাতার জবাব দেয়া।
৯৩০ - عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زِيَادِ بْنِ أَنْعُمِ الأفْرِيقِي قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّهُمْ كَانُوا غُرَاةً فِي الْبَحْرِ زَمَنَ مُعَاوِيَةَ فَانْضَمُّ مَرْكَبُنَا إِلى مَرْكَبِ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِي فَلَمَّا حَضَرَ غَدَاؤُنَا أَرْسَلْنَا إِلَيْهِ فَأَتَانَا فَقَالَ دَعَوْتُمُونِي وَأَنَا صَائِمٌ فَلَمْ يَكُنْ لِّي بُدٌّ مِّنْ أَنْ أُجِيبَكُمْ لِأَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ إِنَّ لِلْمُسْلِمِ عَلَى أَخِيهِ سِتْ خِصَالٍ واجِبَةٍ إِنْ تَرَكَ مِنْهَا شَيْئًا فَقَدْ تَرَكَ حَقًّا وَاحِبًا لِأَخِيهِ عَلَيْهِ يُسَلِّمُ عَلَيْهِ إِذَا لقِيَهُ وَيُجِيبُهُ إِذَا دَعَاهُ وَيُشَمِّتُهُ إِذَا عَطَسَ وَيَعُودُهُ إِذَا مَرِضَ وَيَحْضُرُهُ إِذَا مَاتَ وَيَنْصَحُهُ إِذَا اسْتَنْصَحَهُ قَالَ وَكَانَ مَعَنَا رَجُلٌ مَزَاحَ يَقُولُ لِرَجُلٍ أَصَابَ طَعَامُنَا جَزَاكَ اللهُ خَيْرًا وَبَرًّا فَغَضِبَ عَلَيْهِ حِيْنَ أَكْثَرَ عَلَيْهِ فَقَالَ لِأَبِي أَيُّوبَ مَا تَرَى فِي رَجُلٍ إِذَا قُلْتُ لَهُ جَزَاكَ اللهُ خَيراً وبَراً غَضِبَ وَشَتَمَنِي فَقَالَ أَبُو أَيُّوبَ إِنَّا كُنَّا نَقُولُ إِنَّ مَنْ لَمْ يُصْلِحُهُ الخَيْرُ أَصْلَحَهُ الشَّرُّ فَاقْلِبْ عَلَيْهِ فَقَالَ لَهُ حِيْنَ آتَاهُ جَزَاكَ اللهُ شَراً وَعَرًّا فَضَحِكَ وَرَضِي وَقَالَ مَا تَدَعُ مَزَاحَكَ فَقَالَ الرَّجُلُ جَزَى اللَّهُ أَبَا أَيُّوبَ الْأَنْصَارِي خَيْرًا
৯৩০। আবদুর রহমান ইবনে যিয়াদ ইবনে আনউম আল-ইফরীকী (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, তারা মুআবিয়া (রা)-এর আমলে নৌ-যুদ্ধে যোগদান করেন। পথিমধ্যে আমাদের জাহাজ আবু আইউব আনসারী (রা)-র জাহাজের নিকটবর্তী হলে এবং আমাদের সকালের খাবার উপস্থিত হলে আমরা তার নিকট লোক পাঠালাম। তিনি এসে বলেন, তোমরা আমাকে দাওয়াত দিয়েছো। কিন্তু আমি রোযাদার। তবুও আমি তোমাদের দাওয়াত কবুল করেছি। কারণ আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছি: এক মুসলমানের উপর তার অপর মুসলমান ভাইয়ের ছয়টি অনিবার্য দাবি রয়েছে। যদি কেউ তার একটিও লংঘন করে তবে সে তার ভাইয়ের প্রতি একটি অপরিহার্য কর্তব্য পালন করলো না। (১) তার সাথে সাক্ষাত হলে তাকে সালাম দিবে। (২) সে তাকে দাওয়াত দিলে তা কবুল করবে। (৩) সে হাঁচি দিলে (ইয়ারহামুকাল্লাহ বলে) তার জবাব দিবে। (৪) সে রোগগ্রস্ত হলে তাকে দেখতে যাবে। (৫) সে মৃত্যুবরণ করলে তার জানাযায় অংশগ্রহণ করবে এবং (৬) সে পরামর্শ চাইলে তাকে উত্তম পরামর্শ দিবে। রাবী বলেন, আমাদের সাথে (ঐ অভিযানে) একজন রসিক লোকও ছিলেন। তিনি আমাদের সাথে আহাররত এক ব্যক্তিকে বলেন, আল্লাহ তোমাকে অতিশয় উত্তম প্রতিদান দিন। তাকে বারবার এরূপ বললে সে ক্ষেপে যেতো। রসিক ব্যক্তি আবু আইউব (রা)-কে বলেন, এই লোকটি সম্পর্কে আপনি কি বলেন, আমি তাকে 'জাযাকাল্লাহু খায়রান ওয়া বাররান' বললে সে ক্ষেপে যায় এবং আমাকে গালি দেয়। আবু আইউব (রা) বলেন, আমরা বলতাম, কল্যাণ যার জন্য বাঞ্ছনীয় নয় অমঙ্গলই তার জন্য বাঞ্ছনীয়। অতএব তাকে এর উল্টা বলো। ঐ লোকটি তার নিকট এলে রসিক ব্যক্তি তাকে বলেন, জাযাকাল্লাহু শাররান ওয়া আররান (আল্লাহ তোমাকে অমঙ্গল ও কঠোর প্রতিদান দিন)। লোকটি হেসে দিলো এবং প্রসন্ন হলো আর বললো, তুমি বুঝি তোমার রসিকতা ত্যাগ করতে পারো না। তিনি বলেন, আল্লাহ আবু আইউব আনসারী (রা)-কে উত্তম প্রতিদান দিন (তাহযীবুল কামাল)।
৯৩১ - عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ أَرْبَعُ لِلْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ يَعُودُهُ إِذَا مَرِضَ وَيَشْهَدُهُ إِذَا مَاتَ وَيُجِيبُهُ إِذَا دَعَاهُ وَيُشَمِّتُهُ إِذَا عَطَسَ .
৯৩১। আবু মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন : এক মুসলমানের প্রতি অপর মুসলমানের চারটি কর্তব্য রয়েছে। (১) সে অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাবে। (২) সে মারা গেলে তার জানাযায় শামিল হবে। (৩) সে তাকে দাওয়াত দিলে তা গ্রহণ করবে। (৪) সে হাঁচি দিলে তার হাঁচির জবাব দিবে (ই, আ, হা, হি)।
৯৩২ - عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ قَالَ أَمَرَنَا رَسُولُ اللهِ ﷺ بِسَبْعٍ وَنَهَانَا عَنْ سَبْعِ أَمَرَنَا بِعِيَادَةِ الْمَرِيضِ وَاتَّبَاعِ الْجَنَائِزِ وَتَسْمِيتِ الْعَاطِسِ وَأَبْرَارِ الْمُقْسِمِ وَنَصْرِ الْمَظْلُومِ وَإِفْشَاءِ السَّلَامِ وَأَجَابَةِ الدَّاعِي وَنَهَانَا عَنْ خَوَاتِيمِ الذَّهَبِ وَعَنْ أَنِيَةِ الْفِضَّةِ وَعَنِ الْمَيَاثِرِ وَالْقَسِيَّةِ وَالْإِسْتَبْرَقِ وَالدِّيبَاجِ وَالْحَرِيرِ .
৯৩২। বারাআ ইবনে আযেব (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) আমাদেরকে সাতটি বিষয়ে আদেশ দিয়েছেন এবং সাতটি বিষয়ে নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদের আদেশ করেছেন : (১) অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যেতে, (২) জানাযায় শরীক হতে, (৩) হাঁচিদাতার হাঁচির জবাব দিতে, (৪) প্রতিজ্ঞা পালন করতে, (৫) উৎপীড়িতের সাহায্য করতে, (৬) সালামের বহুল প্রচলন করতে এবং (৭) দাওয়াত দানকারীর দাওয়াত কবুল করতে। তিনি আমাদের নিষেধ করেছেন : (১) সোনার আংটি পরতে, (২) রূপার বাসনপত্র ব্যবহার করতে এবং (৩) নরম তুলতুলে রেশমী বস্ত্র, (৪) (তৎকালে মিসরে উৎপাদিত) এক প্রকার রেশমী বস্ত্র, (৫) মোটা রেশমী বস্ত্র, (৬) রেশম ও সূতা মিশ্রিত রেশমী বস্ত্র ও (৭) মিহি রেশমী বস্ত্র ব্যবহার করতে (বু, মু, তি, না, ই)।
৯৩৩ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ حَقُّ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ سِتَّ قِيْلَ مَا هِيَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ إِذَا لَقِيتَهُ فَسَلَّمْ عَلَيْهِ وَإِذَا دَعَاكَ فَأَجِبْهُ وَإِذَا اسْتَنْصَحَكَ فَانْصَحْ لَهُ وَإِذَا عَطَسَ فَحَمِدَ اللهَ فَشَمَّتْهُ وَإِذَا مَرِضَ فَعُدْهُ وَإِذَا مَاتَ فَاتَّبَعْهُ .
৯৩৩। অবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: এক মুসলমানের প্রতি অপর মুসলমানের ছয়টি কর্তব্য রয়েছে। জিজ্ঞেসা করা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সেই কর্তব্যগুলো কি কি? তিনি বলেনঃ (১) তার সাথে তোমার সাক্ষাত হলে সালাম দিবে। (২) সে তোমাকে দাওয়াত দিলে তার দাওয়াত কবুল করবে। (৩) সে তোমার কাছে পরামর্শ চাইলে তুমি তাকে পরামর্শ দিবে। (৪) সে হাঁচি দিয়ে আল্লাহ্র প্রশংসা করলে তুমি তার জবাব দিবে। (৫) সে অসুস্থ হলে তুমি তাকে দেখতে যাবে। (৬) সে মারা গেলে তুমি তার জানাযায় ও দাফনে শরীক হবে (বু,মু,না আন, হি)।
📄 যে হাঁচি দিতে শোনবে সে বলবে
৪১৮-অনুচ্ছেদ: যে হাঁচি দিতে শোনবে সে বলবে, আলহামদু লিল্লাহ।
৯৩৪ - عَنْ عَلَى قَالَ مَنْ قَالَ عِنْدَ عَطْسَةٍ سَمِعَهَا الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ عَلَى كُلِّ حَالٍ مَا كَانَ لَمْ يَجِدُ وَجَعَ الشَّرْسِ وَلَا الْأُذُنِ أَبَدًا .
৯৩৪। আলী (রা) বলেন, যে ব্যক্তি কাউকে হাঁচি দিতে শোনে বলে, "আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন আলা কুল্লি হালিন মাকানা" (সর্বাবস্থায় বিশ্বজাহানের প্রতিপালক আল্লাহ্ জন্য প্রশংসা), কখনো তার দাঁতের ও কানের অসুখ হবে না (আ, তা, শা)।
📄 কেউ হাঁচি দিতে শোনলে কিভাবে জবাব দিবে?
৪১৯-অনুচ্ছেদ: কেউ হাঁচি দিতে শোনলে কিভাবে জবাব দিবে?
৯৩৫ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ إِذَا عَطَسَ أَحَدُكُمْ فَلْيَقُلْ الْحَمْدُ لِلَّهِ فَإِذَا قَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ فَلْيَقُلْ لَهُ أَخُوهُ أَوْ صَاحِبُهُ يَرْحَمُكَ اللَّهُ وَلْيَقُلْ هُوَ يَهْدِيكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ .
৯৩৫। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: তোমাদের কেউ হাঁচি দিয়ে যেন বলে, আলহামদু লিল্লাহ (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্)। সে আলহামদু লিল্লাহ বললে তার অপর ভাই বা সাথী যেন বলে, ইয়ারহামুকাল্লাহ (আল্লাহ তোমার প্রতি সদয় হোন)। আবার হাঁচিদাতা যেন বলে, ইয়াহ্দীকুমুল্লাহ ওয়া ইউসলিহু বালাকুম (আল্লাহ তোমাকে সৎপথে চালিত করুন এবং তোমাকে স্বাচ্ছন্দ প্রদান করুন) (বু, দা)।
৯৩৬ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ إِنَّ اللهَ يُحِبُّ الْعُطَاسَ وَيَكْرَهُ التَّشَاؤُبَ وَإِذَا عَطَسَ أَحَدُكُمْ وَحَمِدَ اللهَ كَانَ حَقًّا عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ سَمِعَهُ أَنْ يَقُولَ يَرْحَمُكَ اللَّهُ فَأَمَّا التَّشَاؤُبُ فَإِنَّمَا هُوَ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِذَا تَشَاءَبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَرُدُهُ مَا اسْتَطَاعَ فَإِنَّ أَحَدُكُمْ إِذَا تَثَانَبَ ضَحِكَ مِنْهُ الشَّيْطَانُ .
৯৩৬। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: আল্লাহ হাঁচি পছন্দ করেন এবং হাই তোলা অপছন্দ করেন। তোমাদের কেউ হাঁচি দিয়ে আল্লাহ্ প্রশংসা করলে (আলহামদু লিল্লাহ বললে) এবং অপর মুসলমান ব্যক্তি তা শোনতে পেলে ইয়ারহামুকাল্লাহ (আল্লাহ তোমার প্রতি সদয় হোন) বলা তার কর্তব্য হয়ে যায়। আর হাই উঠে শয়তানের পক্ষ থেকে। অতএব তোমাদের কারো হাই উঠলে সে যেন তা যথাসাধ্য চেপে রাখে। কারণ তোমাদের কোন ব্যক্তি হাই তুললে তাতে শয়তান আনন্দের হাসি দেয় (বু, দা,তি, না)।
৯৩৭ - عَنْ أَبِي جَمْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ إِذَا شَمَّتَ عَافَانَا اللَّهُ وَإِيَّاكُمْ مِّنَ النَّارِ يَرْحَمُكُمُ اللَّهُ .
৯৩৭। আবু জামরা (র) বলেন, আমি ইবনে আব্বাস (রা)-কে হাঁচির জবাবে বলতে শুনেছি, "আল্লাহ আমাদের এবং তোমাদের দোযখ থেকে রক্ষা করুন। আল্লাহ তোমাদের প্রতি সদয় হোন" (বু,মু,দা,তি,না,ই)।
৯৩৮ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ فَعَطَسَ رَجُلٌ فَحَمِدَ اللَّهَ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللهِ ﷺ يَرْحَمُكَ اللهُ ثُمَّ عَطَسَ أَخَرُ فَلَمْ يَقُلْ لَهُ شَيْئًا فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ رَدَدْتُ عَلَى الْآخَرِ وَلَمْ تَقُلْ لَّيْ شَيْئًا قَالَ إِنَّهُ حَمِدَ اللَّهَ وَسَكَتْ .
৯৩৮। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট বসা ছিলাম। এক ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে আল্লাহ্র প্রশংসা করলে রাসূলুল্লাহ (স) তার জবাবে বলেন: ইয়ারহামুকাল্লাহ। অতঃপর আরেক ব্যক্তি হাঁচি দিলো কিন্তু তার জবাবে তিনি কিছুই বলেননি। সে ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি ঐ লোকটির হাঁচির জবাব দিলেন, অথচ আমার জন্য কিছুই বলেননি। তিনি বলেন: সে তো আল্লাহ্ প্রশংসা করেছে কিন্তু তুমি তো কিছুই বলোনি।
📄 হাঁচিদাতা আল্লাহ্র প্রশংসা না করলে হাঁচির জবাব দিবে না
৪২০-অনুচ্ছেদ : হাঁচিদাতা আল্লাহর প্রশংসা না করলে হাঁচির জবাব দিবে না।
৯৩৯ - عَنْ أَنَسٍ يَقُولُ عَطَسَ رَجُلانِ عِنْدَ النَّبِيِّ ﷺ فَشَمَّتَ أَحَدَهُمَا وَلَمْ يُشَمِّت الْآخَرَ فَقَالَ شَمَّتْ هَذا وَلَمْ تُشَمِّتْنِي قَالَ إِنَّ هَذَا حَمِدَ اللَّهَ وَلَمْ تَحْمَدُهُ .
৯৩৯। আনাস (রা) বলেন, দুই ব্যক্তি নবী (স)-এর সামনে হাঁচি দিলো। নবী (স) তাদের একজনের হাঁচির জবাব দিলেন এবং অপরজনের হাঁচির জবাব দেননি। সে বললো, আপনি ঐ ব্যক্তির হাঁচির জবাব দিলেন, অথচ আমার হাঁচির জবাব দেননি। তিনি বলেন: সে তো আল্লাহর প্রশংসা করেছে কিন্তু তুমি আল্লাহ্ প্রশংসা করোনি (বু, মু)।
৯৪০ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ جَلَسَ رَجُلانِ عِنْدَ النَّبِيِّ ﷺ أَحَدُهُمَا أَشْرَفُ مِنَ الْآخَرِ فَعَطَسَ الشَّرِيفُ مِنْهُمَا فَلَمْ يَحْمَدِ اللَّهَ وَلَمْ يُشَمِّتْهُ وَعَطَسَ الْآخَرُ فَحَمِدَ اللَّهَ فَشَمَّتَهُ النَّبِيُّ ﷺ فَقَالَ الشَّرِيفُ عَطَسْتُ عِنْدَكَ فَلَمْ تُشَمِّتْنِي وَعَطَسَ هَذَا الْآخَرُ فَشَمِّتُهُ فَقَالَ إِنَّ هَذَا ذَكَرَ اللَّهَ فَذَكَرْتُهُ وَأَنْتَ نَسِيْتَ اللَّهَ فَنَسِيْتُكَ .
৯৪০। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, দুই ব্যক্তি নবী (স)-এর নিকট বসলো। তাদের একজন ছিল অপরজনের চেয়ে অধিক সম্মানী। তাদের মধ্যকার সম্মানী ব্যক্তিটি হাঁচি দিলো কিন্তু আল্লাহ্র প্রশংসা করলো না। নবী (স)-ও তার হাঁচির জবাব দেননি। অতঃপর অপর ব্যক্তি হাঁচি দিলো এবং আল্লাহ্র প্রশংসা করলো। নবী (স) তার হাঁচির জবাব দিলেন। তখন শরীফ ব্যক্তি বললো, আমি আপনার সামনে হাঁচি দিয়েছি, কিন্তু আপনি আমার কোন জবাব দেননি। অথচ এই ব্যক্তি হাঁচি দিলে আপনি তার জবাব দিয়েছেন। তিনি বলেন: ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে স্মরণ করেছে, তাই আমিও তাঁকে স্মরণ করেছি। অপরদিকে তুমি আল্লাহকে ভুলে রয়েছো, তাই আমিও তোমাকে ভুলে রয়েছি (মু,দা,তি,ই,আ,হা,হি)।