📄 জিনের আছর থেকে বাঁচবার নিষ্ফল তদবীর
৯২০ - عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا كَانَتْ تُؤْتُى بالصَّبْيان اذا ولدُوا فَتَدْعُو لَهُمْ بِالْبَرَكَةِ فَأُتِيَتْ بصَبيَّ فَذَهَبَتْ تَضَعُ وِسَادَتَهُ فَإِذَا تَحْتَ رَأْسِهِ مُوسَى فَسَأَلَتْهُمْ عَنِ الْمُوسَى فَقَالُوا نَجْعَلُهَا مِنَ الْجِنِّ فَأَخَذَتِ الْمُوسى فَرَمَتْ بِهَا وَنَهَتْهُمْ عَنْهَا وَقَالَتْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ كَانَ يَكْرَهُ الطَّيَرَةَ وَيُبْغِضُهَا وَكَانَتْ عَائِشَةُ تَنْهَى عَنْهَا
৯২০। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর নবজাতকদের আয়েশা (রা)-র নিকট আনা হতো। তিনি তাদের জন্য বরকতের দোয়া করতেন। আমি (আলকামার মা) একটি নবজাতককে নিয়ে আয়েশা (রা)-র নিকট এলাম। তিনি নবজাতকের বালিশ সরাতেই দেখা গেলো, একটি ক্ষুর তার শিয়রের নিচে। তিনি ক্ষুর সম্পর্কে তাদের জিজ্ঞেস করলে তারা বললো, আমরা জিনের অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তা রেখেছি। তিনি ক্ষুরটি ধরে তা দূরে নিক্ষেপ করেন এবং তাদেরকে এরূপ করতে নিষেধ করেন। তিনি আরো বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) অশুভ লক্ষণে বিশ্বাস অপছন্দ করতেন এবং তাতে অসন্তুষ্ট হতেন। অতএব আয়েশা (রা)-ও এরূপ করতে বারণ করেন।
📄 শুভ লক্ষণ
৯২১ - عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ لا عَدْوَى وَلَا طِيَرَةَ وَيُعْجِبُنِي الْقَالُ الصَّالِحُ الكَلِمَةُ الْحَسَنَةُ .
৯২১। আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: রোগ সংক্রমণ বলতে কিছু নেই বা অশুভ লক্ষণেরও কোন বাস্তবতা নেই। আর শুভ ফাল অর্থাৎ (অদৃশ্য থেকে শ্রুত) উৎকৃষ্ট কথা আমার পছন্দনীয় (বু,মু,দা, তি, না)।
৯২২ - حَدَّثَنِي حَبَّةُ التَّمِيمِيُّ أَنَّ آبَاهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيُّ ﷺ يَقُولُ لَا شَيْءٍ فِي الهوام واصْدَقُ الطَّيَرَةِ الْقَالُ وَالْعَيْنُ حَقٌّ .
৯২২। হাব্বা (তিরমিযীতে হায়্যা) ইবনে হাবিস আত-তামীমী (র) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী (স)-কে বলতে শুনেছেন: পেঁচার ডাকে অশুভ কিছু নেই। ফাল-ই হলো অধিক নির্ভরযোগ্য শুভ লক্ষণ এবং বদনজর সত্য বা বাস্তব (তি)।
📄 উত্তম নামকে বরকতময় মনে করা
৯২৩ - عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ السَّائِبِ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ عَامَ الْحُدَيْبِيَّةِ حِيْنَ ذَكَرَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ أَنَّ سُهَيْلاً قَدْ أَرْسَلَهُ إِلَيْهِ قَوْمُهُ صَالِحُوهُ عَلَى أَنْ يُرْجِعَ عَنْهُمْ هُذَا الْعَامِ وَيَخْلُوْهَا لَهُمْ قَابِلَ ثَلاثَةً فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ حِينَ أَتَى فَقِيلَ أَتَى سُهَيْلٌ سَهْلَ اللَّهُ أَمْرَكُمْ وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ السَّائِبِ أَدْرَكَ النَّبِيَّ ﷺ
৯২৩। আবদুল্লাহ ইবনুস সাইব (রা) বলেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির বছর যখন উসমান ইবনে আফফান (রা) বললেন, সুহাইলকে তার সম্প্রদায় সন্ধির এই প্রস্তাবসহ পাঠিয়েছে যে, মুসলমানগণ এই বছর ফিরে যাবে এবং আগামী বছর কুরাইশগণ তিন দিনের জন্য (মক্কা নগরী মুসলমানদের জন্য) খালি করে দিবে। সুহাইল এসে পৌঁছলে নবী (স) বলেন: সুহাইল এসেছে। আল্লাহ তোমাদের বিষয়টি সহজ করে দিয়েছেন। আবদুল্লাহ ইবনুস সাইব (রা) নবী (স)-এর সাহচর্য লাভ করেন।
📄 ঘোড়ায় কুলক্ষণ
৯২৪ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ السُّؤْمُ فِي الدَّارِ وَالْمَرْأَةِ والفرس .
৯২৪। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: কুলক্ষণ (বলতে কিছু থাকলে তা) ঘরবাড়ি, স্ত্রীলোক ও ঘোড়ায় (বু,মু,দা, না,তহা)।
৯২৫ - عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ إِنْ كَانَ السُّؤْمُ فِي شَيْءٍ فَفِي الْمَرْأَةِ وَالْفَرَسِ وَالْمَسْكَنِ
৯২৫। সাহল ইবনে সাদ (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: যদি কিছুতে কুলক্ষণ থাকতো তবে তা স্ত্রীলোক, ঘোড়া ও বাসস্থানে থাকতো (বু,মু,ই,তহা)।
৯২৬ - عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكَ قَالَ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّا كُنَّا فِي دَارٍ كَثُرَ فِيْهَا عَدَدْنَا وَكَثُرَتْ فِيْهَا أَمْوَالُنَا فَتَحَوَّلْنَا إلى دار أُخْرَى فَقَلَّ فِيهَا عَدَدْنَا وَقَلَّتْ فِيْهَا أَمْوَالُنَا قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ رُدَّهَا أَوْ دَعُوهَا وَهِيَ دَمِيْمَةٌ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ فِي اسْنَادِهِ نَظَرُ
৯২৬। আনাস ইবনে মালেক (রা) বলেন, এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা এক বাড়িতে বসবাস করতাম। সেখানে আমাদের জনসংখ্যা ও ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছিল। অতঃপর আমরা অপর একটি বাড়িতে স্থানান্তরিত হওয়ার পর সেখানে আমাদের জনসংখ্যা ও ধন-সম্পদ হ্রাস পেয়েছে। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ তোমরা আগের বাড়িতে ফিরে যাও অথবা তিনি বলেন : তোমরা এই বাড়ি ত্যাগ করো। কেননা এটি নিন্দনীয় বাড়ি। ইমাম বুখারী (র) বলেন, এ হাদীসের সনদে ত্রুটি আছে।