📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 যে ব্যক্তি অশুভ লক্ষণ মানে না তার মর্যাদা

📄 যে ব্যক্তি অশুভ লক্ষণ মানে না তার মর্যাদা


৯১৯ - عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ عُرِضَتْ عَلَى الْأُمَمُ بِالْمَوْسِمِ أَيَّامَ الْحَجِّ فَأَعْجَبَنِي كَثْرَةُ أُمَّتِي قَدْ مَلَكُوا السَّهْلَ وَالْجَبَلَ قَالُوا يَا مُحَمَّدُ أَرَضِيْتَ قَالَ نَعَمْ أَيْ رَبِّ قَالَ فَإِنَّ مَعَ هَؤُلاَءِ سَبْعِينَ أَلْفًا يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ بِغَيْرِ حِسَابٍ وَهُمُ الَّذِينَ لَا يَسْتَرْقُونَ وَلَا يَكْتَرُونَ وَلَا يَتَطَيَّرُونَ وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ قَالَ عُكَاشَةُ فَادْعُ اللَّهَ أَنْ يُجْعَلَنِي مِنْهُمْ قَالَ اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ مِنْهُمْ فَقَالَ رَجُلٌ أَخَرُ أَدْعُ اللَّهَ أَنْ يُجْعَلَنِي مِنْهُمْ قَالَ سَبَقَكَ بِهَا عُكَاشَةُ .
৯১৯। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: একদা হজ্জের মৌসুমে আমার উম্মাতকে আমার সামনে পেশ করা হলো। আমার উম্মাতের সংখ্যাধিক্যে আমি অভিভূত হলাম। সমভূমি ও পাহাড়-পর্বত তাদের দ্বারা পরিপূর্ণ। আমাকে জিজ্ঞেস করা হলো, হে মুহাম্মাদ! আপনি কি সন্তুষ্ট? আমি বললাম: হাঁ, হে প্রভু। তিনি বলেন, "উপরন্তু এদের সাথে রয়েছে আরো সত্তর হাজার যারা বিনা হিসাবে বেহেশতে প্রবেশ করবে। তারা হচ্ছে সেইসব লোক যারা ঝাড়ফুঁক করায় না, শরীরে দাগ দেয়ায় না এবং অশুভ লক্ষণে বিশ্বাস করে না। তারা তাদের প্রভুর উপরই ভরসা করে"। তখন উকাশা (রা) বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহর কাছে দোয়া করুন তিনি যেন আমাকে সেই দলের অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি দোয়া করলেন: "হে আল্লাহ! উকাশাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করো"। অপর এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার জন্যও দোয়া করুন, যেন আল্লাহ আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি বলেন: এ ব্যাপারে উকাশা তোমার অগ্রগামী হয়ে গেছে (বু, আ, মু)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 জিনের আছর থেকে বাঁচবার নিষ্ফল তদবীর

📄 জিনের আছর থেকে বাঁচবার নিষ্ফল তদবীর


৯২০ - عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا كَانَتْ تُؤْتُى بالصَّبْيان اذا ولدُوا فَتَدْعُو لَهُمْ بِالْبَرَكَةِ فَأُتِيَتْ بصَبيَّ فَذَهَبَتْ تَضَعُ وِسَادَتَهُ فَإِذَا تَحْتَ رَأْسِهِ مُوسَى فَسَأَلَتْهُمْ عَنِ الْمُوسَى فَقَالُوا نَجْعَلُهَا مِنَ الْجِنِّ فَأَخَذَتِ الْمُوسى فَرَمَتْ بِهَا وَنَهَتْهُمْ عَنْهَا وَقَالَتْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ كَانَ يَكْرَهُ الطَّيَرَةَ وَيُبْغِضُهَا وَكَانَتْ عَائِشَةُ تَنْهَى عَنْهَا
৯২০। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর নবজাতকদের আয়েশা (রা)-র নিকট আনা হতো। তিনি তাদের জন্য বরকতের দোয়া করতেন। আমি (আলকামার মা) একটি নবজাতককে নিয়ে আয়েশা (রা)-র নিকট এলাম। তিনি নবজাতকের বালিশ সরাতেই দেখা গেলো, একটি ক্ষুর তার শিয়রের নিচে। তিনি ক্ষুর সম্পর্কে তাদের জিজ্ঞেস করলে তারা বললো, আমরা জিনের অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তা রেখেছি। তিনি ক্ষুরটি ধরে তা দূরে নিক্ষেপ করেন এবং তাদেরকে এরূপ করতে নিষেধ করেন। তিনি আরো বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) অশুভ লক্ষণে বিশ্বাস অপছন্দ করতেন এবং তাতে অসন্তুষ্ট হতেন। অতএব আয়েশা (রা)-ও এরূপ করতে বারণ করেন।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 শুভ লক্ষণ

📄 শুভ লক্ষণ


৯২১ - عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ لا عَدْوَى وَلَا طِيَرَةَ وَيُعْجِبُنِي الْقَالُ الصَّالِحُ الكَلِمَةُ الْحَسَنَةُ .
৯২১। আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: রোগ সংক্রমণ বলতে কিছু নেই বা অশুভ লক্ষণেরও কোন বাস্তবতা নেই। আর শুভ ফাল অর্থাৎ (অদৃশ্য থেকে শ্রুত) উৎকৃষ্ট কথা আমার পছন্দনীয় (বু,মু,দা, তি, না)।
৯২২ - حَدَّثَنِي حَبَّةُ التَّمِيمِيُّ أَنَّ آبَاهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيُّ ﷺ يَقُولُ لَا شَيْءٍ فِي الهوام واصْدَقُ الطَّيَرَةِ الْقَالُ وَالْعَيْنُ حَقٌّ .
৯২২। হাব্বা (তিরমিযীতে হায়্যা) ইবনে হাবিস আত-তামীমী (র) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী (স)-কে বলতে শুনেছেন: পেঁচার ডাকে অশুভ কিছু নেই। ফাল-ই হলো অধিক নির্ভরযোগ্য শুভ লক্ষণ এবং বদনজর সত্য বা বাস্তব (তি)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 উত্তম নামকে বরকতময় মনে করা

📄 উত্তম নামকে বরকতময় মনে করা


৯২৩ - عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ السَّائِبِ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ عَامَ الْحُدَيْبِيَّةِ حِيْنَ ذَكَرَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ أَنَّ سُهَيْلاً قَدْ أَرْسَلَهُ إِلَيْهِ قَوْمُهُ صَالِحُوهُ عَلَى أَنْ يُرْجِعَ عَنْهُمْ هُذَا الْعَامِ وَيَخْلُوْهَا لَهُمْ قَابِلَ ثَلاثَةً فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ حِينَ أَتَى فَقِيلَ أَتَى سُهَيْلٌ سَهْلَ اللَّهُ أَمْرَكُمْ وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ السَّائِبِ أَدْرَكَ النَّبِيَّ ﷺ
৯২৩। আবদুল্লাহ ইবনুস সাইব (রা) বলেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির বছর যখন উসমান ইবনে আফফান (রা) বললেন, সুহাইলকে তার সম্প্রদায় সন্ধির এই প্রস্তাবসহ পাঠিয়েছে যে, মুসলমানগণ এই বছর ফিরে যাবে এবং আগামী বছর কুরাইশগণ তিন দিনের জন্য (মক্কা নগরী মুসলমানদের জন্য) খালি করে দিবে। সুহাইল এসে পৌঁছলে নবী (স) বলেন: সুহাইল এসেছে। আল্লাহ তোমাদের বিষয়টি সহজ করে দিয়েছেন। আবদুল্লাহ ইবনুস সাইব (রা) নবী (স)-এর সাহচর্য লাভ করেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00