📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 তোমরা বায়ুকে গালি দিও না

📄 তোমরা বায়ুকে গালি দিও না


৯১৪ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أَخَذَتِ النَّاسَ الرِّيحُ فِي طَرِيقِ مَكَّةَ وَعُمَرُ حَاجَّ فَاشْتَدَّتْ فَقَالَ عُمَرُ لِمَنْ حَوْلَهُ مَا الرِّيحُ فَلَمْ يَرْجِعُوا بِشَيْءٍ فَاسْتَحْتَقْتُ رَاحِلَتِي فَأَدْرَكْتُهُ فَقُلْتُ بَلَغَنِي أَنَّكَ سَالَتَ عَنِ الرِّيحِ وَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ الرِّيْحُ مِنْ رُوحِ اللَّهِ تَأْتِي بِالرَّحْمَةِ وَتَأْتِي بِالْعَذَابِ فَلَا تَسُبُّوهَا وَسَلُوا اللَّهَ خَيْرَهَا وَعُوذُوا مِنْ شَرِّهَا .
৯১৪। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, মক্কায় যাবার পথে লোকজন প্রবল বায়ু তাড়িত হলো। উমার (রা)-ও (তাদের সাথে) হজ্জের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। উমার (রা) তার চারপাশের লোকদের বলেন, এই বায়ু কী? তারা কিছুই উত্তর দিলো না। তখন আমি আমার বাহনটিকে তার দিকে ধাবিত করে তার নিকটে গিয়ে বললাম, আমি জানতে পারলাম যে, আপনি বায়ু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছেন। আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছি : "বাতাস হলো আল্লাহ্র রহমাতের অন্তর্ভুক্ত। তা রহমাতও বয়ে আনে, আবার আযাবও বয়ে আনে। অতএব তোমরা তাকে গালি দিও না, বরং তোমরা আল্লাহ্র কাছে তার কল্যাণ প্রার্থনা করো এবং তার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করো" (দা, না, ই, আ)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 কারো বক্তব্য

📄 কারো বক্তব্য


৯১৫ - عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِي أَنَّهُ قَالَ صَلَّى لَنَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ صَلَاةَ الصُّبْحِ بِالْحُدَيْبِيَةِ عَلَى أَثَرِ سَمَاء كَانَتْ مِنَ اللَّيْلَةِ فَلَمَّا انْصَرَفَ النَّبِيُّ ﷺ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ فَقَالَ هَلْ تَدْرُونَ مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ قَالُوا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ قَالَ أَصْبَحَ مِنْ عِبَادِي مُؤْمِنٌ بِي وَكَافِرٌ فَأَمَّا مَنْ قَالَ مُطِرْنَا بِفَضْلِ اللَّهِ وَرَحْمَتِهِ فَذُلِكَ مُؤْمِنٌ بِي كَافِرُ بِالْكَوكَبِ وَأَمَّا مَنْ قَالَ بِنَوْءِ كَذَا وَكَذَا فَذَلِكَ كَافِرُ بِي مُؤْمِنُ بِالكَوكَبِ .
৯১৫। যায়েদ ইবনে খালিদ আল-জুহানী (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) হুদায়বিয়াতে আমাদেরকে নিয়ে ফজরের নামায পড়লেন। ঐ রাতে বৃষ্টি হয়েছিল। নামাযান্তে নবী (স) লোকদের দিকে ফিরে বলেন: তোমরা কি জানো, তোমাদের প্রভু কী বলেছেন? তারা বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই সমধিক জ্ঞাত। আল্লাহ বলেন, "আমার বান্দারা আমার প্রতি মুমিন ও কাফেররূপে প্রভাতে উপনীত হয়। যে বলে, আল্লাহর করুণা ও দয়ায় বৃষ্টি হয়েছে সে আমার প্রতি মুমিন এবং নক্ষত্রসমূহের প্রতি অবিশ্বাসী। আর যে বলে, অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে বৃষ্টি হয়েছে সে আমার প্রতি অবিশ্বাসী এবং নক্ষত্রের প্রতি বিশ্বাসী" (বু,মু,দা, না)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 লোকজন মেঘ দেখলে যা বলবে

📄 লোকজন মেঘ দেখলে যা বলবে


৯১৬ - عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ إِذَا رَأَى مُحِيْلَةً دَخَلَ وَخَرَجَ وَأَقْبَلَ وَادْبُرَ وَتَغَيَّرَ وَجْهُهُ فَإِذَا مَطَرَتِ السَّمَاءُ سُرَّى فَعَرَّفَتْهُ عَائِشَةُ ذُلِكَ فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ وَمَا أَدْرِي لَعَلَّهُ كَمَا قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فَلَمَّا رَأَوْهُ عَارِضًا مُسْتَقْبِلَ أَوْدِيَتِهِمْ .
৯১৬। আয়েশা (রা) বলেন, নবী (স) আকাশে মেঘের আনাগোনা দেখলে (চিন্তিত হয়ে) ঘরে ঢোকতেন, আবার বের হতেন, সামনে যেতেন আবার পেছনে ফিরে আসতেন এবং তাঁর চেহারা বিবর্ণ হয়ে যেতো। বৃষ্টি হলে পর তাঁর মুখে হাসি ফোটতো। আয়েশা (রা) তাঁর এরূপ অবস্থা সম্পর্কে তাঁর সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন: কি জানি এমনও তো হতে পারে যেরূপ আল্লাহ বলেছেন, "অতঃপর তারা যখন মেঘমালাকে তাদের উপত্যকা অভিমুখে অগ্রসর হতে দেখলো তখন বললো, এতো সেই মেঘমালা যা আমাদের বৃষ্টি দিবে....." (বু,মু,তি, না)।
৯১৭ - عَبْدِ اللَّهِ هُوَ ابْنُ مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ الطَّبَرَةُ شِرْكٌ وَمَا مِنَّا وَلَكِنَّ اللهَ يُذْهِبُهُ بِالتَّوَكَّلِ
৯১৭। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) বলেন, নবী (স) বলেছেন: 'কুলক্ষণে' বিশ্বাস শেরেকের অন্তর্ভুক্ত। আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার মধ্যে অনুরূপ ধারণা আসে না। তবে আল্লাহর উপর ভরসা করার কারণে তিনি তা দূর করে দেন (তি,দা,ই)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 অশুভ লক্ষণ

📄 অশুভ লক্ষণ


৯১৮ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيُّ ﷺ يَقُولُ الطَّيَرَةُ وَخَيْرُهَا الْقَالُ قَالُوا وَمَا الْقَالُ قَالَ كَلِمَةً صَالِحَةً يَسْمَعُهَا أَحَدُكُمْ .
৯১৮। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, আমি নবী (স)-কে বলতে শুনেছি: অশুভ লক্ষণ (বলতে কিছু নেই)। তার মধ্যে ফালই উত্তম। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করেন, 'ফাল' কি? তিনি বলেন: তোমাদের কেউ (অদৃশ্য থেকে) যে উত্তম কথা শোনতে পায় তা (বু,মু,আ,হি,তহা)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00