📄 কেউ নিজ সংগীকে তার নাম সংক্ষিপ্ত করে ডাকতে পারে
٣٦٦ - بَابُ مَنْ دَعَا صَاحِبَهُ فَيَخْتَصِرُ وَيَنْقُصُ مِنْ اسْمِهِ شَيْئًا
৮৩৪- عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ يَا عَائِشَ هُذَا جِبْرِيلُ يُقْرِئُ عَلَيْكَ السلامَ قَالَتْ وَعَلَيْهِ السَّلامُ وَرَحْمَةُ اللهِ قَالَتْ وَهُوَ يَرَى مَا لَا أَرَى .
৮৩৪। আয়েশা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে বললেনঃ হে আইশ! ইনি হচ্ছেন জিবরীল (আ)। তিনি তোমাকে সালাম বলেছেন। তিনি বলেন, তার প্রতিও সালাম এবং আল্লাহ্র রহমাত বর্ষিত হোক। আয়েশা (রা) বলেন, তিনি দেখতে পান যা আমি দেখি না (বু, মু, দা, তি, না, ই)।
৮৩৫- عَنْ أَمْ كُلْثُومٍ بِنْتِ ثُمَامَةَ أَنَّهَا قَدِمَتْ حَاجَةً فَإِنَّ أَخَاهَا الْمُخَارِقَ بْنَ ثُمَامَةَ قَالَ ادْخُلِي عَلَى عَائِشَةَ وَسَلِيْهَا عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانٍ فَإِنَّ النَّاسَ قَدْ أَكْثَرُوا فِيهِ عِنْدَنَا قَالَتْ فَدَخَلْتُ عَلَيْهَا فَقُلْتُ بَعْضُ بَنِيكِ يُقْرِيكِ السَّلَامَ وَيَسْأَلُكَ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانٍ قَالَتْ وَعَلَيْهِ السَّلامُ وَرَحْمَةُ اللهِ قَالَتْ أَمَا أَنَا فَأَشْهَدُ عَلَى أَنِّي رَأَيْتُ عُثْمَانَ فِي هَذَا البَيْتِ فِي لَيْلَةٍ قَائِظَةٍ وَنَبِيُّ الله ﷺ وَجِبْرِيلُ يُوْحِي إِلَيْهِ وَالنَّبِيُّ يَضْرِبُ كَفَّ أَوْ كَيْفَ ابْنِ عَفَّانٍ بِيَدِهِ أَكْتُبْ عُثْمُ فَمَا كَانَ اللَّهُ يَنْزِلُ تِلْكَ الْمَنْزِلَةَ مِنْ نَبِيَّ اللهِ ﷺ إِلَّا رَجُلاً عَلَيْهِ كَرِيمًا فَمَنْ سَبِّ ابْنَ عَفَّانٍ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ
৮৩৫। উম্মে কুলসুম বিনতে ছুমামা (র) থেকে বর্ণিত। তিনি হজ্জ উপলক্ষে (বসরা থেকে মদীনা) আসেন। তার ভাই মুখারিক ইবনে ছুমামা (র) বলেন, আপনি আয়েশা (রা)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে উসমান ইবনে আফফান (রা) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করুন। কেননা বহু লোক তার সম্পর্কে আমাদের কাছে নানা কথা বলে। উম্মে কুলসুম (র) বলেন, আমি তার নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, আপনার কোন এক সন্তান আপনাকে সালাম জানিয়েছে এবং উসমান ইবনে আফফান (রা) সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞেস করেছে। তিনি বলেন, ওয়া আলাইহিস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ (তার উপর শান্তি এবং আল্লাহ্র রহমাত বর্ষিত হোক)। তিনি বলেন, শোনো! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি উসমান (রা) এবং আল্লাহ্ নবী (স)-কে এই ঘরের মধ্যেই এই গরমের রাতে একত্রে দেখেছি। জিবরাঈল (আ) তখন নবী (স)-এর উপর ওহী নাযিল করেন। পরে নবী (স) উসমান (রা)-এর হাতে অথবা কাঁধের উপর চপেটাঘাত করে বলেন: লিখে নাও হে উসম! আল্লাহ তাআলা কারো প্রতি সদয় না হলে তার নবীর পক্ষ থেকে এমন মর্যাদা তাকে দেন না। সুতরাং যে উসমান (রা)-কে গালি দেয় তার প্রতি আল্লাহ্ গযব (আ)।
📄 জাহম নাম রাখা
٣٦٧ - بَابُ زَحْمٍ
৮৩৬- عَنْ بَشِيرِ ابْنِ نَهِيكَ قَالَ أُتِيَ النَّبِيُّ ﷺ فَقَالَ مَا اسْمُكَ قَالَ زَحْمٌ قَالَ بَلْ أَنْتَ بَشِيرٌ فَبَيْنَمَا أَنَا أَمَاشِيَ النَّبِيُّ ﷺ فَقَالَ يَا ابْنَ الْخَصَاصِيَةِ مَا أَصْبَحْتَ تَنْقِمُ عَلَى اللَّهِ أَصْبَحْتَ تُمَاشِي رَسُولَ اللهِ ﷺ قُلْتُ بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي مَا أَنْقِمُ عَلَى اللَّهِ شَيْئًا كُلُّ خَيْرٍ قَدْ أَصَبْتُ فَأَتَى عَلَى قُبُورِ الْمُشْرِكِينَ فَقَالَ لَقَدْ سَبَقَ هُؤُلَاءِ خَيْرًا كَثِيرًا ثُمَّ أَتَى عَلَى قُبُورِ الْمُسْلِمِينَ فَقَالَ لَقَدْ أَدْرَكَ هُؤُلاء خَيْرًا كَثِيرًا فَإِذَا رَجُلٌ عَلَيْهِ سِبْتِيَّانِ يَمْشِي بَيْنَ الْقُبُورِ فَقَالَ يَا صَاحِبَ السَّبْتِيتَيْنِ الْقِ سِبْتِيْتَيْكَ فَخَلَعَ نَعْلَيْهِ
২৯৬ আল-আদাবুল মুফরাদ
৮৩৬। বশীর ইবনে নাহীক (রা) বলেন, আমি নবী (স)-এর নিকট নীত হলে তিনি জিজ্ঞেস করেন: তোমার নাম কি? তিনি বলেন, জাম্। তিনি বলেন: বরং তোমার নাম বশীর। একদা আমি নবী (স)-এর সাথে যাচ্ছিলাম। তিনি বলেনঃ হে খাসাসিয়ার পুত্র! তোমার কি হলো যে, তুমি আল্লাহর কাজে দোষ খুঁজে বেড়াও? আর সেজন্যই তুমি কি আল্লাহর রাসূলের পিছনে লেগেছো? আমি বললাম, আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা কোরবান হোক। আমি আল্লাহ্ কাজে দোষ খুঁজি না। আমি সর্বপ্রকার কল্যাণ লাভ করেছি। অতঃপর তিনি মুশরিকদের কবরস্থানে পৌঁছে বলেন: এরা প্রভূত কল্যাণ হারিয়েছে। অতঃপর তিনি মুসলমানদের কবরস্থানে পৌঁছে বলেন: এরা প্রভূত কল্যাণ লাভ করেছে। এই সময় চপ্পল পরিহিত এক ব্যক্তি কবরস্থানের উপর দিয়ে যাচ্ছিলো। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ হে চপ্পল পরিহিত! তোমার চপ্পলজোড়া খুলে ফেলে দাও। অতএব সে তার চপ্পলজোড়া খুলে ফেলে দিলো (দা, না, ই, আ, ৭৮০ নং-ও দ্র.)।
৮৩৭- عَنْ بَشِيرِ بْنِ الْخَصَاصِيَةِ وَكَانَ اسْمُهُ زَحْمٌ فَسَمَّاهُ النَّبِيُّ ﷺ بَشِيرًا
৮৩৭। বশীর ইবনুল খাসাসিয়া (রা) থেকে বর্ণিত। তার নাম ছিল যাহম। নবী (স) তার নাম রাখেন বশীর।
📄 "বাররা” নাম
٣٦٨ - بَابُ بَرَّة
৮৩৮- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ اسْمَ جُوَيْرِيَةَ كَانَ بَرَةٌ فَسَمَّاهَا النَّبِيُّ ﷺ جُوَيْرِيَةً .
৮৩৮। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। উম্মুল মুমিনীন জুয়াইরিয়া (রা)-এর নাম ছিল বাররা। নবী (স) তার নাম রাখেন জুয়াইরিয়া (মু, দা, আ, আন, হি)।
৮৩৯- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ كَانَ اسْمُ مَيْمُونَةَ بَرَةٌ فَسَمَّاهَا النَّبِيُّ ﷺ مَيْمُونَةَ .
৮৩৯। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, মায়মূনা (রা)-এর নাম ছিল বাররা। নবী (স) তার নাম রাখেন মায়মূনা।
📄 আফলাহ্ নাম
٣٦٩ - بَابُ أَفْلَحَ
৮৪০- عَنْ جَابِرٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ إِنْ عِشْتُ نَهْيَتُ أُمَّتِي إِنْ شَاءَ اللَّهُ أَنْ يُسَمَّى أَحَدُهُمْ بَرَكَةً وَنَافِعًا وَأَفْلَحَ وَلَا أَدْرِي قَالَ رَافِعٌ أَمْ لَا يُقَالُ هَاهُنَا بَرَكَةً فَيُقَالُ لَيْسَ هُهُنَا فَقُبِضَ النَّبِيُّ ﷺ وَلَمْ يَنْهَ عَنْ ذَلِكَ .
৮৪০। জাবের (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: আমি যদি জীবিত থাকি তবে ইনশাআল্লাহ আমার উম্মাতকে নিষেধ করবো যে, তাদের কেউ যেন বরকত, নাফে, আফলাহ্ ইত্যাদি নাম না রাখে। রাবী বলেন, তিনি রাফে নামের কথাও বলেছেন কিনা তা আমার স্মরণ নাই। হয় তো বলা
২৯৭ মুসলিম
হবে, এখানে বরকত আছে কি? জবাবে বলা হবে, না, এখানে নাই। নবী (স) ইন্তিকাল করেন, কিন্তু এসব নাম রাখতে নিষেধ করেননি (দা)।
৮৪১- عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ يَقُولُ أَرَادَ النَّبِيُّ ﷺ أَنْ يُنْهَى أَنْ يُسَمّى بِيَعْلَى وبركة وَنَافِعَ وَيَسَارَ وَأَفْلَحَ وَنَحْوَ ذَلِكَ ثُمَّ سَكَتَ بَعْدُ عَنْهَا فَلَمْ يَقُلْ شَيْئًا
৮৪১। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা) বলেন, নবী (স) ইয়ালা, বরকত, নাফে, ইয়াসার, আফলাহ্ প্রভৃতি নাম রাখতে নিষেধ করতে চেয়েছিলেন। পরে তিনি এ ব্যাপারে নীরব থাকেন এবং আর কিছু বলেননি (মু, দা)。