📄 গুরাব (কাক) নামের পরিবর্তন
٣٦٣- بَابُ غُرَابٍ
৮৩১- عَنْ رَائِطَةَ بِنْتِ مُسْلِمٍ عَنْ أَبِيْهَا قَالَ شَهِدْتُ مَعَ النَّبِيِّ ﷺ حُنَيْنًا فَقَالَ لِي مَا اسْمُكَ قُلْتُ غُرَابٌ قَالَ لَا بَلْ اسْمُكَ مُسْلِمٌ .
৮৩১। রায়েতা বিনতে মুসলিম (র) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (স)-এর সাথে হুনায়ন যুদ্ধে শরীক ছিলাম। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেন: তোমার নাম কি? আমি বললাম, গুরাব (কাক)। তিনি বলেন: না, বরং তোমার নাম মুসলিম (দা, তারীখ কবীর)।
📄 শিহাব নামের পরিবর্তন
٣٦٤ - بَابُ شِهَابٍ
৮৩২- عَنْ عَائِشَةَ ذكرَ عِنْدَ رَسُول الله ﷺ رَجُلٌ يُقَالُ لَهُ شَهَابٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهُ بَلْ أَنْتَ هِشَامٌ .
৮৩২। আয়েশা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স)-এর সামনে শিহাব নামক এক ব্যক্তির প্রসঙ্গ উঠলো। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: বরং তুমি হিশাম (দানশীল) (দা)।
📄 আস (অবাধ্য) নাম পরিবর্তন করা
٣٦٥ - بَابُ الْعَاصِ
৮৩৩- عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُطِيعِ قَالَ سَمِعْتُ مُطِيعًا يَقُولُ سَمِعْتُ النَّبِيُّ ﷺ يَقُولُ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ لَا يُقْتَلُ قُرَشِي صِبْرًا بَعْدَ الْيَوْمِ إِلى يَوْمِ الْقِيَامَةِ فَلَمْ يُدْرِكِ الْإِسْلَامَ أَحَدٌ مِّنْ عِصَاةِ قُرَيْشٍ غَيْرُ مُطِيْعُ كَانَ اسْمُهُ الْعَاصِ فَسَمَّاهُ النَّبِيُّ ﷺ مُطِيعًا
৮৩৩। আবদুল্লাহ ইবনে মুতী (র) বলেন, আমি মুতী (রা)-কে বলতে শুনেছি, আমি মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছি: আজকের পর থেকে কিয়ামত পর্যন্ত কোন কুরাইশ বংশীয় লোককে (চাঁদমারির) লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হত্যা করা যাবে না। কুরাইশের 'আস' নামীয়দের মধ্যে মুতী ছাড়া আর কেউ ইসলাম গ্রহণ করেনি। তার নামও ছিল আস (অবাধ্য)। নবী (স) তার নাম রাখেন মুতী (বাধ্য) (মু, দার, তহা)।
📄 কেউ নিজ সংগীকে তার নাম সংক্ষিপ্ত করে ডাকতে পারে
٣٦٦ - بَابُ مَنْ دَعَا صَاحِبَهُ فَيَخْتَصِرُ وَيَنْقُصُ مِنْ اسْمِهِ شَيْئًا
৮৩৪- عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ يَا عَائِشَ هُذَا جِبْرِيلُ يُقْرِئُ عَلَيْكَ السلامَ قَالَتْ وَعَلَيْهِ السَّلامُ وَرَحْمَةُ اللهِ قَالَتْ وَهُوَ يَرَى مَا لَا أَرَى .
৮৩৪। আয়েশা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে বললেনঃ হে আইশ! ইনি হচ্ছেন জিবরীল (আ)। তিনি তোমাকে সালাম বলেছেন। তিনি বলেন, তার প্রতিও সালাম এবং আল্লাহ্র রহমাত বর্ষিত হোক। আয়েশা (রা) বলেন, তিনি দেখতে পান যা আমি দেখি না (বু, মু, দা, তি, না, ই)।
৮৩৫- عَنْ أَمْ كُلْثُومٍ بِنْتِ ثُمَامَةَ أَنَّهَا قَدِمَتْ حَاجَةً فَإِنَّ أَخَاهَا الْمُخَارِقَ بْنَ ثُمَامَةَ قَالَ ادْخُلِي عَلَى عَائِشَةَ وَسَلِيْهَا عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانٍ فَإِنَّ النَّاسَ قَدْ أَكْثَرُوا فِيهِ عِنْدَنَا قَالَتْ فَدَخَلْتُ عَلَيْهَا فَقُلْتُ بَعْضُ بَنِيكِ يُقْرِيكِ السَّلَامَ وَيَسْأَلُكَ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانٍ قَالَتْ وَعَلَيْهِ السَّلامُ وَرَحْمَةُ اللهِ قَالَتْ أَمَا أَنَا فَأَشْهَدُ عَلَى أَنِّي رَأَيْتُ عُثْمَانَ فِي هَذَا البَيْتِ فِي لَيْلَةٍ قَائِظَةٍ وَنَبِيُّ الله ﷺ وَجِبْرِيلُ يُوْحِي إِلَيْهِ وَالنَّبِيُّ يَضْرِبُ كَفَّ أَوْ كَيْفَ ابْنِ عَفَّانٍ بِيَدِهِ أَكْتُبْ عُثْمُ فَمَا كَانَ اللَّهُ يَنْزِلُ تِلْكَ الْمَنْزِلَةَ مِنْ نَبِيَّ اللهِ ﷺ إِلَّا رَجُلاً عَلَيْهِ كَرِيمًا فَمَنْ سَبِّ ابْنَ عَفَّانٍ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ
৮৩৫। উম্মে কুলসুম বিনতে ছুমামা (র) থেকে বর্ণিত। তিনি হজ্জ উপলক্ষে (বসরা থেকে মদীনা) আসেন। তার ভাই মুখারিক ইবনে ছুমামা (র) বলেন, আপনি আয়েশা (রা)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে উসমান ইবনে আফফান (রা) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করুন। কেননা বহু লোক তার সম্পর্কে আমাদের কাছে নানা কথা বলে। উম্মে কুলসুম (র) বলেন, আমি তার নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, আপনার কোন এক সন্তান আপনাকে সালাম জানিয়েছে এবং উসমান ইবনে আফফান (রা) সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞেস করেছে। তিনি বলেন, ওয়া আলাইহিস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ (তার উপর শান্তি এবং আল্লাহ্র রহমাত বর্ষিত হোক)। তিনি বলেন, শোনো! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি উসমান (রা) এবং আল্লাহ্ নবী (স)-কে এই ঘরের মধ্যেই এই গরমের রাতে একত্রে দেখেছি। জিবরাঈল (আ) তখন নবী (স)-এর উপর ওহী নাযিল করেন। পরে নবী (স) উসমান (রা)-এর হাতে অথবা কাঁধের উপর চপেটাঘাত করে বলেন: লিখে নাও হে উসম! আল্লাহ তাআলা কারো প্রতি সদয় না হলে তার নবীর পক্ষ থেকে এমন মর্যাদা তাকে দেন না। সুতরাং যে উসমান (রা)-কে গালি দেয় তার প্রতি আল্লাহ্ গযব (আ)।