📄 প্রবল বায়ু প্রবাহের সময় দোয়া করা
২৯৭ - بَابُ الدُّعَاءِ عِنْدَ الرِّيحِ
২৯৭- অনুচ্ছেদ : প্রবল বায়ু প্রবাহের সময় দোয়া করা।
৭২২- عَنْ أَنَسٍ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ إِذَا هَاجَتْ رِيحٌ شَدِيدَةٌ قَالَ اللهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا أَرْسَلْتَ بِهِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا أَرْسَلْتَ بِهِ.
৭২২। আনাস (রা) বলেন, প্রবল বেগে বায়ু প্রবাহিত হলে নবী (স) বলতেনঃ “হে আল্লাহ! তুমি যে কল্যাণসহ তা পাঠিয়েছো, তা লাভের জন্য তোমার কাছে প্রার্থনা করি এবং যে অনিষ্টসহ তা পাঠিয়েছো সেই অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয় চাই” (আবু ইয়ালা, ইবনুস সুন্নী)।
৭২৩- عَنْ سَلَمَةَ قَالَ كَانَ إِذَا اشْتَدَّتِ الرِّيحُ يَقُولُ اللَّهُمَّ لَأَقِحًا لَا عَقِيمًا.
৭২৩। সালামা (রা) বলেন, জোরে হাওয়া প্রবাহিত হলে মহানবী (স) বলতেন: হে আল্লাহ! তাকে ফলবতী করো, বন্ধ্যা করো না (তা, সুন্নী)।
📄 তোমরা বাতাসকে গালি দিও না
২৪৮ - بابُ لَا تَسُبُّوا الرِّيْحَ
২৯৮- অনুচ্ছেদ : তোমরা বাতাসকে গালি দিও না।
৭২৪- عَنْ أَبَيٍّ قَالَ لَا تَسُبُّوا الرِّيحَ فَإِذَا رَأَيْتُمْ مِنْهَا مَا تَكْرَهُونَ فَقُولُوا اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ خَيْرَ هُذِهِ الرِّيحِ وَخَيْرَ مَا فِيْهَا وَخَيْرَ مَا أَرْسَلْتَ بِهِ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ هَذِهِ الرِّيحِ وَشَرِّ مَا فِيْهَا وَشَرِّمَا أَرْسَلْتَ بِهِ.
৭২৪। উবাই ইবনে কাব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ তোমরা বায়ুকে গালি দিও না। তোমরা তাতে অপছন্দনীয় কিছু দেখতে পেলে এই দোয়া পড়বে, “হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছে কামনা করি এ বায়ুর কল্যাণ, এর মধ্যে যে কল্যাণ নিহিত আছে তা এবং সে যে বিষয়ে আদিষ্ট হয়েছে তার কল্যাণ। আমরা তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি এ বায়ুর অনিষ্ট থেকে, এর মধ্যে নিহিত ক্ষতি থেকে এবং সে যে বিষয়ে আদিষ্ট হয়েছে তার অকল্যাণ থেকে” (তি, হা)।
৭২৫- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ الرِّيْحُ مِنْ رَوْحِ اللَّهِ تَأْتِي بِالرَّحْمَةِ والعَذَابِ فَلَا تَسُبُّوهَا وَلَكِنْ سَلُوا اللَّهَ مِنْ خَيْرِهَا وَتَعَوَّذُوا بِاللَّهِ مِنْ شَرِّهَا .
৭২৫। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ বায়ু হলো আল্লাহ্র রহমতের অংশ। তা রহমাত ও শান্তি বয়ে আনে। অতএব তোমরা তাকে গালি দিও না। বরং তোমরা আল্লাহ্র কাছে তার মধ্যে নিহিত কল্যাণ প্রার্থনা করো এবং তার ক্ষতি থেকে আল্লাহ্বর কাছে আশ্রয় চাও (দা, ই, না, হা, হি, আন)।
📄 বজ্রধ্বনির সময় দোয়া করা
۲۹۹ - بَابُ الدُّعَاءِ عِنْدَ الصَّوَاعِقِ .
২৯৯- অনুচ্ছেদঃ বজ্রধ্বনির সময় দোয়া করা।
৭২৬- عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ إِذَا سَمِعَ الرَّعْدَ والصواعق قَالَ اللَّهُمَّ لَا تَقْتُلَنَا بِصَعِقِكَ وَلَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ.
৭২৬। সালেম ইবনে আবদুল্লাহ (র) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (স) বজ্রধ্বনি ও মেঘের গর্জন শুনলে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! তোমার বজ্রপাত দ্বারা আমাদের হত্যা করো না, তোমার আযাব দ্বারা আমাদেরকে ধ্বংস করো না এবং তার আগেই আমাদের ক্ষমা করে দাও” (তি,না, আ, হা, ইলা)।
📄 কেউ বজ্রধ্বনি শুনলে
٣٠٠ - بَابُ إِذَا سَمِعَ الرَّعْدَ
৩০০- অনুচ্ছেদঃ কেউ বজ্রধ্বনি শুনলে।
৭২৭- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ كَانَ إِذَا سَمِعَ صَوْتَ الرَّعْدِ قَالَ سُبْحَانَ الَّذِي سَبَّحَتْ لَهُ قَالَ إِنَّ الرَّعْدَ مَلَكُ يُنْعِقُ بِالْغَيْثِ كَمَا يَنْعِقُ الرَّاعِي بِغَنَمِهِ.
৭২৭। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বজ্রধ্বনি শুনতে পেলে বলতেনঃ "মহাপবিত্র সেই সত্তা বজ্রধ্বনি যাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করলো"। তিনি বলেন, বজ্রধ্বনিকারী হলেন একজন ফেরেশতা। তিনি মেঘমালাকে হাঁকিয়ে নিয়ে যান, যেমন রাখাল তার মেষপালকে হাঁকিয়ে নিয়ে যায়।
৭২৮- عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّهُ كَانَ إِذَا سَمِعَ الرَّعْدَ تَرَكَ الْحَدِيثَ وَقَالَ سُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِ ثُمَّ يَقُولُ إِنَّ هَذَا لَوَعِيدٌ شَدِيدٌ لِأَهْلِ الْأَرْضِ .
৭২৮। আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রা) থেকে বর্ণিত। বজ্রধ্বনি শুনতে পেলে আলাপ-আলোচনা বন্ধ করে দিয়ে বলতেনঃ "মহাপবিত্র সেই সত্তা বজ্রধ্বনি যাঁর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করে এবং ফেরেশতাকুল যার ভয়ে শংকিত" (সূরা রাদ: ১৩)। অতঃপর তিনি বলতেন, এটা হলো জগতবাসীর জন্য চরম ভীতি প্রদর্শন বা হুমকি (মা)।