📄 যে লোক আল্লাহ্র নিকট চায় না
২৮৬ - بَابُ مَنْ لَّمْ يَسْأَلِ اللَّهَ يَغْضَبْ عَلَيْهِ
২৮৬- অনুচ্ছেদঃ যে লোক আল্লাহর নিকট চায় না, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট হন।
৬৬২- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَنْ لَّمْ يَسْأَلِ اللَّهَ غَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِ.
৬৬২। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র কাছে চায় না, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট হন।
৬৬৩- عَنْ أَبِي صَالِحٍ الْخَوْزِيِّ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ مَنْ لَّمْ يَسْأَلُهُ يَغْضَبْ عَلَيْهِ.
৬৬৩। আবু সালেহ আল-খাওযী (র) বলেন, আমি আবু হুরায়রা (রা)-কে বলতে শুনেছি: রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র কাছে চায় না, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট হন (তি, ই,আ,হা)।
৬৬৪- عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِذَا دَعَوْتُمُ اللَّهَ فَاعْزِمُوا فِي الدُّعَاءِ وَلَا يَقُولُنَّ أَحَدُكُمْ إِنْ شِئْتَ فَأَعْطِنِي فَإِنَّ اللَّهَ لَا مُسْتَكْرِهَ لَهُ.
৬৬৪। আনাস (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ তোমরা দৃঢ় প্রত্যয় সহকারে আল্লাহ্র কাছে দোয়া করো। তোমাদের কেউ যেনো এভাবে না বলে, যদি তুমি চাও তবে আমাকে দান করো। কেননা আল্লাহর জন্য কিছুই বাধ্যতামূলক নয় (বু,মু)।
৬৬৫- عَنْ عُثْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيُّ ﷺ يَقُولُ مَنْ قَالَ صَبَاحَ كُلَّ يَوْمٍ وَمَسَاءَ وَكُلَّ لَيْلَةٍ ثَلاَثًا ثَلَاثًا بِسْمِ اللهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ لَمْ يَضُرُّهُ شَيْئً وَكَانَ أَصَابَهُ طَرَفُ مِنَ الْفَالِجِ فَجَعَلَ يَنْظُرُ إِلَيْهِ فَفَطِنَ لَهُ فَقَالَ إِنَّ الْحَدِيثَ كَمَا حَدَّثْتُكَ وَلَكِنِّي لَمْ أَقُلْهُ ذَلِكَ الْيَوْمِ لِيُمْضِيَ قَدَرُ اللَّهِ.
৬৬৫। উসমান (রা) বলেন, আমি নবী (স)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকাল-বিকাল নিম্নোক্ত দোয়া তিনবার করে পড়বে, কোন কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে নাঃ "আল্লাহর নামে যাঁর নামের বরকতে আসমান-জমিনের কিছুই ক্ষতি করতে পারে না এবং তিনি সবকিছু শুনেন ও জানেন"। হাদীসের রাবী আবান (র) পক্ষাঘাতগ্রস্থ ছিলেন। তাই রাবী আবু যিনাদ (র) তার দিকে তাকাতে থাকলেন। আবান (র) তা টের পেয়ে বলেন, হাদীস তো যথাস্থানে ঠিকই আছে, যা আমি তোমাদের নিকট বর্ণনা করলাম। কিন্তু যেদিন আমি পক্ষাঘাতগ্রস্থ হই সেদিন তা পড়িনি। তাই আল্লাহ্র লিখন (তাকদীর) কার্যকর হয়েছে (দা, তি,না, ই,হি)।
📄 আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট হন
২৮৬ - বَابُ مَنْ لَّمْ يَسْأَلِ اللَّهَ يَغْضَبْ عَلَيْهِ
২৮৬- অনুচ্ছেদঃ যে লোক আল্লাহর নিকট চায় না, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট হন।
৬৬২- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَنْ لَّمْ يَسْأَلِ اللَّهَ غَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِ.
৬৬২। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র কাছে চায় না, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট হন।
৬৬৩- عَنْ أَبِي صَالِحٍ الْخَوْزِيِّ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ مَنْ لَّمْ يَسْأَلُهُ يَغْضَبْ عَلَيْهِ.
৬৬৩। আবু সালেহ আল-খাওযী (র) বলেন, আমি আবু হুরায়রা (রা)-কে বলতে শুনেছি: রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র কাছে চায় না, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট হন (তি, ই,আ,হা)।
৬৬৪- عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِذَا دَعَوْتُمُ اللَّهَ فَاعْزِمُوا فِي الدُّعَاءِ وَلَا يَقُولُنَّ أَحَدُكُمْ إِنْ شِئْتَ فَأَعْطِنِي فَإِنَّ اللَّهَ لَا مُسْتَكْرِهَ لَهُ.
৬৬৪। আনাস (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ তোমরা দৃঢ় প্রত্যয় সহকারে আল্লাহ্র কাছে দোয়া করো। তোমাদের কেউ যেনো এভাবে না বলে, যদি তুমি চাও তবে আমাকে দান করো। কেননা আল্লাহর জন্য কিছুই বাধ্যতামূলক নয় (বু,মু)।
৬৬৫- عَنْ عُثْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيُّ ﷺ يَقُولُ مَنْ قَالَ صَبَاحَ كُلَّ يَوْمٍ وَمَسَاءَ وَكُلَّ لَيْلَةٍ ثَلاَثًا ثَلَاثًا بِسْمِ اللهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ لَمْ يَضُرُّهُ شَيْئً وَكَانَ أَصَابَهُ طَرَفُ مِنَ الْفَالِجِ فَجَعَلَ يَنْظُرُ إِلَيْهِ فَفَطِنَ لَهُ فَقَالَ إِنَّ الْحَدِيثَ كَمَا حَدَّثْتُكَ وَلَكِنِّي لَمْ أَقُلْهُ ذَلِكَ الْيَوْمِ لِيُمْضِيَ قَدَرُ اللَّهِ.
৬৬৫। উসমান (রা) বলেন, আমি নবী (স)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকাল-বিকাল নিম্নোক্ত দোয়া তিনবার করে পড়বে, কোন কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে নাঃ "আল্লাহর নামে যাঁর নামের বরকতে আসমান-জমিনের কিছুই ক্ষতি করতে পারে না এবং তিনি সবকিছু শুনেন ও জানেন"। হাদীসের রাবী আবান (র) পক্ষাঘাতগ্রস্থ ছিলেন। তাই রাবী আবু যিনাদ (র) তার দিকে তাকাতে থাকলেন। আবান (র) তা টের পেয়ে বলেন, হাদীস তো যথাস্থানে ঠিকই আছে, যা আমি তোমাদের নিকট বর্ণনা করলাম। কিন্তু যেদিন আমি পক্ষাঘাতগ্রস্থ হই সেদিন তা পড়িনি। তাই আল্লাহ্র লিখন (তাকদীর) কার্যকর হয়েছে (দা, তি,না, ই,হি)।
📄 আল্লাহর পথে জিহাদে কাতারবন্দী হয়ে দোয়া করা
২৮৭ - بابُ الدُّعَاءِ عِنْدَ الصَّفِّ فِي سَبِيلِ اللهِ
২৮৭- অনুচ্ছেদঃ আল্লাহর পথে জিহাদে কাতারবন্দী হয়ে দোয়া করা।
৬৬৬- عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ سَاعَتَانِ تُفْتَحُ لَهُمَا أَبْوَابُ السَّمَاءِ وَقَلَّ دَاعٍ تُرَدُّ عَلَيْهِ دَعْوَتُهُ حِيْنَ يَحْضُرُ النِّدَاءُ وَالصَّفِّ فِي سَبِيلِ اللهِ .
৬৬৬। সাহল ইবনে সাদ (রা) বলেন, দুইটি মুহূর্তে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। তখন দোয়াকারীদের দোয়া খুব কমই প্রত্যাখ্যাত হয়। (১) আযানের সময় এবং (২) যখন (মুজাহিদগণ) আল্লাহ্র রাস্তায় জিহাদে কাতারবন্দী হয়।
📄 মহানবী (স)-এর দোয়াসমূহ
২৮৮ - بابُ دَعْوَاتِ النَّبِيِّ ﷺ
২৮৮- অনুচ্ছেদঃ মহানবী (স)-এর দোয়াসমূহ।
৬৬৭- عَنْ أَبِي صِرْمَةَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللهِ ﷺ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِنَايَ وَعَلَى مَوْلاهُ .
৬৬৭। আবু সিরমা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলতেন: "হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ঐশ্বর্য প্রার্থনা করি"। তাঁর প্রভু তাঁকে ঐশ্বর্য দান করেন (আ)।
৬৬৮- عَنْ شُتَيْرِ بْنِ شَكل بْن حُمَيْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ عَلِّمْنِي دُعَاءً انْتَفِعُ بِهِ قَالَ قُلْ اللَّهُمَّ عَافِنِي مِنْ شَرِّ سَمْعِي وَبَصَرِي وَلِسَانِي وَقَلْبِي وَشَرِّ مَنَبِّي قَالَ وَكِيعٌ مَنِي يَعْنِي الزِّنَا وَالْفُجُورَ.
৬৬৮। শুতাইর ইবনে শাকল ইবনে হুমাইদ (র) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে একটি দোয়া শিখিয়ে দিন যা দ্বারা আমি উপকৃত হবো। তিনি বলেনঃ তুমি বলো, "হে আল্লাহ! তুমি আমাকে আমার কান, আমার চোখ, আমার যাবান, আমার অন্তর এবং অসৎ কামনার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ রাখো"। রাবী ওয়াকী (র) বলেন, কামনা-বাসনার অনিষ্ট অর্থ ব্যভিচার ও পাপাচার (দা, তি, না, হা)।
৬৬৯- عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَقُولُ اللَّهُمَّ أَعِنِّي وَلَا تُعِنْ عَلَيَّ وَانْصُرْنِي وَلَا تَنْصُرْ عَلَيَّ وَيَسِّرْ الْهُدَي لِي.
৬৬৯। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, নবী (স) বলতেনঃ "হে আল্লাহ! আমাকে গোপনে সাহায্য করো, আমার বিরুদ্ধে (বিরোধীকে) সাহায্য করো না, আমাকে প্রকাশ্যে সাহায্য করো, আমার বিরুদ্ধে সাহায্য করো না এবং হেদায়াতের পথকে আমার জন্য সুগম করো" (দা, তি, ই, হা, হি)।
৬৭০- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيُّ ﷺ يَدْعُو بِهَذَا رَبِّ أَعِنِّي وَلَا تُعِنْ عَلَيَّ وَانْصُرْنِي وَلَا تَنْصُرْ عَلَيَّ وَامْكُرْ لِي وَلَا تَمْكُرْ عَلَيَّ وَيَسِّرْ لِي الْهُدَي وَانْصُرْنِي عَلَي مَنْ بَغْيِ عَلَيَّ رَبِّ اجْعَلْنِي شَكَارًا لَكَ ذكارًا رَاهِبًا لَكَ مُطَوِّعًا لَكَ مُخْبِتًا لَكَ أَواها مُنِيبًا تَقَبَلْ تَوبَتِي وَاغْسِلْ حُوبَتِي وَأَجِبْ دَعْوَتِي وَثَبِّتْ حُجَّتِي وَاهْدِ قَلْبِي وَسَدَّدٌ لِسَانِي وَاسْلُلْ سَخِيْمَةَ قَلْبِي.
৬৭০। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (স) এভাবে দোয়া করতেনঃ “হে প্রভু! আমাক সাহায্য করো এবং আমার বিরুদ্ধে (কাউকে) সাহায্য করো না। আমাকে সহযোগিতা করো এবং আমার বিরুদ্ধে কাউকে সহযোগিতা করো না। আমার জন্য কৌশল এঁটে দাও এবং আমার বিরুদ্ধে কাউকে কৌশল এঁটে দিও না। আমার জন্য হেদায়াতের পথ সুগম করো এবং যে ব্যক্তি আমার উপর অত্যাচার ও সীমালংঘন করে তার বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো। হে প্রভু! আমাকে তোমার জন্য কৃতজ্ঞ বান্দা বানাও, তোমার জন্য অনেক যিকিরকারী, তোমাকে অধিক ভয়কারী, তোমার অধিক আনুগত্যকারী, তোমার নিকট অনুনয়-বিনয়কারী ও তোমার দিকে প্রত্যাবর্তনকারী বানাও। হে আমার রব! আমার তওবা কবুল করো, আমার সমস্ত গুনাহ ধুয়েমুছে সাফ করো, আমার যবানকে সোজা রাখো, আমার অন্তরকে হেদায়াত দান করো এবং আমার বক্ষ থেকে সমস্ত হিংসা দূরীভূত করো" (তি, দা, ই, হা,হি)।
৬৭১- عَنْ مُحَمَّد بْن كَعْبِ الْقُرَنِي قَالَ مُعَاوِيَةُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ عَلَى الْمِنْبَرِ إِنَّهُ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعَ اللهُ وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْهُ الجَدُّ وَمَنْ يُرِدا بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِي الدِّيْنِ سَمِعْتُ هُؤُلاءَ الكَلِمَاتِ مِنَ النَّبِيِّ ﷺ عَنْ هَذِهِ الْأَعْوَادِ.
৭৭১। মুহাম্মাদ ইবনে কাব আল-কুরাযী (র) থেকে বর্ণিত। মুআবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান (রা) মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলেন, "প্রভু! তুমি যাকে দান করো তা প্রতিরোধ করার কেউ নাই। আর আল্লাহ যার প্রতিবন্ধক হন তাকে কেউ দান করতে পারে না। কারো বংশমর্য্যাদা বা সম্পদশালীর সম্পদ তাঁর কাছে কোন উপকারে আসে না। আর আল্লাহ যার কল্যাণ সাধন করতে চান তাকে ধর্মের জ্ঞানে সমৃদ্ধ করেন"। অতঃপর তিনি বলেন, আমি এই কথাগুলি নবী (স)-কে এই মিম্বারের উপর বলতে শুনেছি (মা)।
৬৭২- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ إِنْ أَوْثَقِ الدُّعَاءِ أَنْ تَقُولَ اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي وَأَنَا عَبْدُكَ ظَلَمْتُ نَفْسِي وَاعْتَرَفْتُ بِذَنْبِي لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ رَبِّ اغْفِرْ لِي .
৬৭২। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ তোমার অতীব শক্তিশালী ও কার্যকর দোয়া হলো, তোমার এভাবে বলা, "হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রতিপালক এবং আমি তোমার বান্দা। আমি আমার উপর যুলুম করেছি এবং আমার অপরাধ স্বীকার করি। তুমি ছাড়া অপরাধ ক্ষমা করার কেউ নাই। হে প্রভু! আমাকে ক্ষমা করো" (মু, আ)।
৬৭৩- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللهِ ﷺ يَدْعُو اللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِي الَّذِي هُوَ عِصْمَةُ أَمْرِي وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي فِيْهَا مَعَاشِي وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَحْمَةً لَّيْ مِنْ كُلِّ سُوْءٍ أَوْ كَمَا قَالَ.
৬৭৩। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) দোয়া করতেনঃ "হে আল্লাহ! তুমি আমার দীনের ব্যাপারে আমাকে সংশোধন করে দাও, যা আমার সকল কাজের রক্ষাকবচ। তুমি আমার পার্থিব জীবনকে সংশোধন করে দাও, যেখানে রয়েছে আমার জীবন-জীবিকা এবং প্রতিটি অনিষ্ট' থেকে রক্ষার জন্য আমার মৃত্যুকে আমার জন্য রহমতের উৎস বানাও” (মু, আন, তা)।
৬৭৪- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَتَعَوَّذُ مِنْ جَهْدِ الْبَلَاءِ وَدَرْكِ الشَّقَاءِ وَسُوءِ الْقَضَاءِ وَشَمَائَةِ الْأَعْدَاءِ.
৬৭৪। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, নবী (স) আশ্রয় প্রার্থনা করতেনঃ কঠিন দুর্বিপাক থেকে, পাপের স্পর্শ থেকে, ভাগ্যবিড়ম্বনা থেকে এবং দুশমনের দুশমনি থেকে (বু, মু, না) ৮
৬৭৫- عَنْ عُمَرَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَتَعَوَّذُ مِنَ الْخَمْسِ مِنَ الْكَسَلِ وَالْبُخْلِ وَسُوْءِ الكبَرِ وَفِتْنَةِ الصَّدْرِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ.
৬৭৫। উমার (রা) বলেন, নবী (স) পাঁচটি জিনিস থেকে আল্লাহ্র কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতেনঃ অলসতা, কার্পণ্য, চরম বার্ধক্য, অন্তরের বিপর্যয় এবং কবরের আযাব থেকে (দা,মু, না)
৬৭৬- عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكِ يَقُولُ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْجُبْنِ وَالْهَرَمِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ.
৬৭৬। আনাস (রা) বলেন, আমি নবী (স)-কে বলতে শুনেছিঃ "হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি অপারগতা থেকে, ভীরুতা থেকে এবং বার্ধক্য থেকে। আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই জীবন ও মৃত্যুর বিপর্যয় থেকে। আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই কবরের আযাব থেকে" (বু,মু, দা, না,তি)।
৬৭৭- عَنْ أَنَسٍ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيُّ ﷺ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمَّ وَالْحُزْنِ وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَظَلَعِ الدِّينِ وَعَلَبَةِ الرِّجَالِ.
৬৭৭। আনাস (রা) বলেন, আমি নবী (স)-কে বলতে শুনেছিঃ "হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা, অস্থিরতা, অপারগতা, অলসতা, ভীরুতা, কৃপণত, ঋণের বোঝা ও লোকজনের দাপট থেকে" (বু, দা, তি, না)।
৬৭৮- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ كَانَ مِنْ دُعَاءِ النَّبِيِّ ﷺ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي إِنَّكَ أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَالْمُؤَخِّرُ لا اله الا أَنْتَ .
৬৭৮। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, নবী (স)-এর দোয়াসমূহের মধ্যে এটিও ছিলঃ "হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা করো আমার পূর্বেকার সমস্ত গুনাহ, আমার গোপন প্রকাশ্য সকল পাপ এবং যে পাপ সম্পর্কে তুমি আমার চেয়ে অধিক জ্ঞাত। নিশ্চয় তুমি অগ্রসরকারী ও বিলম্বকারী। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নাই" (বু, মু,আ, হা)।
৬৭৯- عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَدْعُو اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالْعَفَافَ والغنى وَقَالَ أَصْحَابُنَا عَنْ عُمَرَ وَالتَّقَى.
৬৭৯। আবদুল্লাহ (রা) বলেন, নবী (স) দোয়া করতেনঃ "হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট হেদায়াত, নিরাপত্তা ও ঐশ্বর্য প্রার্থনা করছি। উমার (রা)-এর বর্ণনায় তাকওয়া (আল্লাহভীতি) প্রার্থনার কথাও উল্লেখ আছে (মু,তি,ই)।
৬৮০- عَنْ ثُمَامَةَ بْنِ حَزْنٍ قَالَ سَمِعْتُ شَيْخًا يُنَادِي بِأَعْلَى صَوْتِهِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعْوذُ بِكَ مِنَ الشَّرِ لَا يَخْلِطُهُ شَيْئً قُلْتُ مَنْ هُذَا الشَّيْخُ قِبْلَ أَبُو الدَّرْدَاءِ.
৬৮০। ছুমামা ইবনে হাযন (র) বলেন, আমি এক প্রবীণ ব্যক্তিকে উচ্চস্বরে ডাক দিতে শুনলাম, "হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট অনিষ্ট থেকে এমন আশ্রয় প্রার্থনা করছি যার মধ্যে কোন কিছু হস্তক্ষেপ করতে পারে না"। রাবী বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, এই প্রবীণ শায়েখ কে? বলা হলো, আবু দারদা (রা)।
৬৮১- عَنْ عَبْدِ اللهِ بن أَبِي أَوْفَى أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ يَقُولُ اللَّهُمَّ طَهِّرْنِي بِالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَالْمَاءِ البَارِدِ كَمَا يُطَهِّرُ الثَّوْبُ الدُّنْسُ مِنَ الْوَسَخِ اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَاءِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ.
৬৮১। আবদুল্লাহ ইবনে আবু আওফা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলতেনঃ "হে আল্লাহ! তুমি আমাকে পবিত্র করো বরফ, শিশিরবিন্দু ও ঠাণ্ডা পানি দ্বারা, যেমন অপরিষ্কার কাপড়-চোপড় ময়লা থেকে পবিত্র করা হয়। হে আল্লাহ, আমাদের প্রতিপালক! তোমার জন্য সমস্ত প্রশংসা আসমান- যমীন ও এতোদুভয়ের মধ্যবর্তী যা কিছু আছে এবং তুমি যা চাও এসব পূর্ণ পরিমাণ" (আ)।
৬৮২- عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ يُكْثِرُ أَنْ يُدْعُوَ بِهَذَا الدُّعَاءِ اللَّهُمَّ أَتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ قَالَ شُعْبَةُ فَذَكَرْتُهُ لِعِبَادَةَ فَقَالَ كَانَ أَنَسَ يَدْعُو بِهِ وَلَمْ يَرْفَعَهُ .
৬৮২। আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) পর্যাপ্ত পরিমাণে নিম্নোক্ত দোয়া করতেনঃ “হে আল্লাহ! আমাদেরকে দুনিয়াতেও কল্যাণ দান করো, আখেরাতেও কল্যাণ দান করো এবং দোযখের শান্তি থেকে আমাদের রক্ষা করো"। আনাস (রা)-ও এই দোয়া পড়তেন কিন্তু তা নবী (স)-এর সাথে সংশ্লিষ্ট করতেন না (বু,মু,দা,না,আ)।
৬৮৩- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْفَقْرِ وَالْقِلَّةِ وَالذِّلَّةِ وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أَظْلِمَ أَوْ أُظْلَمَ.
৬৮৩। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলতেনঃ "হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি দারিদ্র্য, দৈন্যদশা ও লাঞ্ছনা থেকে। আমি তোমার নিকট আরো আশ্রয় প্রার্থনা করি নির্যাতন করা ও নির্যাতিত হওয়া থেকে" (দা,না,ই,হা)।
৬৮৪- عَنْ أَبِي أُمَامَةَ قَالَ كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ ﷺ فَدَعَا بِدُعَاء كَثِيرٍ لَا نَحْفَظُهُ فَقُلْنَا دَعَوْتَ بِدُعَاء لا نَحْفَظُهُ فَقَالَ سَأُنَبِّئُكُمْ بِشَيْءٍ يُجْمَعُ ذَلِكَ كُلَّهُ لَكُمْ اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِمَّا سَأَلَكَ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ ﷺ وَنَسْتَعِيذُكَ مِمَّا اسْتَعَاذَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ ﷺ اللَّهُمَّ أَنْتَ الْمُسْتَعَانُ وَعَلَيْكَ البَلاغُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ أَوْ كَمَا قَالَ.
৬৮৪। আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী (স)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি অনেক দোয়া করলেন। কিন্তু আমরা তা স্মরণ রাখতে পারিনি। আমরা বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি অনেক দোয়া করেছেন কিন্তু আমরা তার কিছুই স্মরণ রাখতে পারিনি। তিনি বলেনঃ "আমি কি তোমাদেরকে এমন কিছু বলে দিবো না, যা সেই সমস্ত দোয়ার সমষ্টি হবে? তোমরা বলো, "হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমরা তোমার নিকট সেই কল্যাণ কামনা করি, যা তোমার নবী মুহাম্মাদ (স) তোমার নিকট কামনা করেছেন এবং আমরা তোমার নিকট সেই অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি যে অনিষ্ট থেকে তোমার নবী মুহাম্মাদ (স) আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন। তুমিই একমাত্র সাহায্যকারী এবং তুমিই কল্যাণে পৌঁছে দাও। আল্লাহ ভিন্ন ক্ষতি রোধ করার এবং কল্যাণ পৌঁছানোর আর কোন শক্তি নাই"। অথবা তিনি অনুরূপ কথা বলেছেন (তি,তা)।
৬৮৫- عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيْهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ ﷺ يَقُولُ اللَّهُمُ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِن فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ وَأَعُوذُ بِكَ مِن فِتْنَةِ النَّارِ.
৬৮৫। আমর ইবনে শুআইব (র) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (স)-কে বলতে শুনেছিঃ "হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি মসীহ দাজ্জালের বিপর্যয় থেকে এবং তোমার নিকট আরো আশ্রয় প্রার্থনা করছি দোযখ থেকে"।
৬৮৬- عَنْ سَعِيدٍ قَالَ كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَقُولُ اللَّهُمَّ قَنَّعْنِي بِمَا رَزَقْتَنِي وَبَارِكْ لِي فِيهِ وَاخْلُفْ عَلَيَّ كُلَّ غَائِبَةٍ بِخَيْرٍ .
৬৮৬। সাঈদ (র) বলেন, ইবনে আব্বাস (রা) বলতেন, "হে আল্লাহ! তুমি আমাকে যে রিযিক দান করেছো তাতে সন্তুষ্ট থাকার তৌফিক দাও, আমাকে তাতে বরকত দাও এবং প্রতিটি অদৃশ্য বিষয়ে কল্যাণ সহকারে আমার হেফাযত করো"।
৬৮৭- عَنْ أَنَسٍ قَالَ كَانَ أَكْثَرُ دُعَاءِ النَّبِيُّ ﷺ اللَّهُمَّ أَتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ.
৬৮৭। আনাস (রা) বলেন, নবী (স) প্রচুর পরিমাণে এই দোয়া পড়তেনঃ "আমাদের প্রভু! তুমি আমাদেরকে দুনিয়াতেও কল্যাণ দান করো এবং আখেরাতেও কল্যাণ দান করো"।
৬৮৮- عَنْ أَنَسٍ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَكْثُرُ أَنْ يَقُولَ اللَّهُمَّ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ.
৬৮৮। আনাস (রা) বলেন, নবী (স) বেশী পরিমাণে বলতেনঃ "হে আল্লাহ, হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দীনের উপর অবিচল রাখো" (তি,আ, হা, হি)।
৬৮৯- عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى عَنِ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّهُ كَانَ يَدْعُو اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ اللَّهُمَّ طَهِّرْنِي بِالْبَرَدِ وَالثَّلْجِ وَالْمَاءِ الْبَارِدِ اللَّهُمَّ طَهِّرْنِي مِنَ الذُّنُوبِ وَنَقْنِي كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنَ الدُّنَسِ.
৬৮৯। আবদুল্লাহ ইবনে আবু আওফা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) এরূপ দোয়া করতেনঃ “হে আল্লাহ! তোমার জন্য সকল প্রশংসা-আসমান ও যমীন পরিপূর্ণ এবং এরপর তুমি যা চাও তা পরিপূর্ণ। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে পবিত্র করো শিশির বিন্দু, বরফ ও শীতল পানি দ্বারা। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন করো গুনাহ থেকে, যেমন সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন করা হয়” (আ)।
৬৯০- عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ مِنْ دُعَاءِ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ وَفُجَائَةِ نِقْمَتِكَ وَجَمِيعِ سَخَطِكَ.
৬৯০। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স)-এর দোয়াসমূহের মধ্যে এই দোয়াও ছিলঃ "হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি তোমার দেয়া নিয়ামতরাজি বিলুপ্ত হওয়া থেকে, তোমার দেয়া শান্তি ও নিরাপত্তা অন্তর্হিত হওয়া থেকে, তোমার আকস্মিক প্রতিশোধ গ্রহণ থেকে এবং তোমার সার্বিক অসন্তুষ্টি থেকে” (দা, মু,না, আন)।