📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 কারো উপস্থিতিতে মহানবী (স)-এর নামোল্লেখ হওয়া সত্বেও সে তাঁর প্রতি দুরূদ না পড়লে

📄 কারো উপস্থিতিতে মহানবী (স)-এর নামোল্লেখ হওয়া সত্বেও সে তাঁর প্রতি দুরূদ না পড়লে


۲۸۱ - بَابُ مَنْ ذُكِرَ عِنْدَهُ النَّبِيُّ ﷺ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَيْهِ
২৮১- অনুচ্ছেদঃ কারো উপস্থিতিতে মহানবী (স)-এর নামোল্লেখ হওয়া সত্বেও সে তাঁর প্রতি দুরূদ না পড়লে।
৬৪৮- عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ أَنَّ النَّبِيِّ ﷺ رَقَي الْمِنْبَرَ فَلَمَّا رَقِي الدَّرَجَةَ الْأُولَي قَالَ أَمِينَ ثُمَّ رَقِي الثَّانِيَةَ فَقَالَ أَمِينَ ثُمَّ رَقِي الثَّالِثَةَ فَقَالَ أَمِينَ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ سَمِعْنَاكَ تَقُولُ أَمِينَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ قَالَ لَمَّا رَقَيْتُ الدِّرْجَةَ الْأُولِي جَاءَنِي جِبْرِيلُ فَقَالَ شَقِي عَبْدُ أَدْرَكَ رَمَضَانَ فَانْسَلَخَ مِنْهُ وَلَمْ يُغْفَرْ لَهُ فَقُلْتُ امِيْنَ ثُمَّ قَالَ شَقِي عَبْدٌ
আদ্‌রাকা ওয়ালিদাইহি আও আহাদাহুমা ফালম ইউদখি লাহুল জান্নাতা ফাকুলতু আমীন ছুম্মা ক্বালা শাক্বী 'আবদুন যুকিরতু 'ইন্দাহু ওয়ালাম ইউসাল্লি 'আলাইকা ফাকুলতু আমীন।
৬৪৮। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) মিম্বারে উঠলেন। তিনি প্রথম সিঁড়িতে উঠে বলেনঃ 'আমীন'। তিনি দ্বিতীয় সিঁড়িতে উঠেও বলেনঃ 'আমীন'। তিনি তৃতীয় সিঁড়িতে উঠেও বলেনঃ 'আমীন'। সাহাবীগণ বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা আপনাকে তিনবার আমীন বলতে শুনলাম। তিনি বলেনঃ আমি প্রথম সিঁড়িতে উঠতেই জিবরাঈল (আ) এসে বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যে রমযান মাস পেলো এবং তা শেষ হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও তার গুনাহ্ ক্ষমা হলো না। আমি বললামঃ 'আমীন'। অতঃপর দ্বিতীয় ধাপে উঠতেই তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যে নিজ পিতা-মাতা উভয়কে অথবা তাদের একজনকে বৃদ্ধাবস্থায় পেলো, অথচ তারা তাকে বেহেশতে প্রবেশ করালো না। আমি বললামঃ 'আমীন'। অতঃপর তৃতীয় ধাপে উঠতেই তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যার নিকট আপনার উল্লেখ হলো, অথচ সে আপনার প্রতি দুরূদ পড়েনি। আমি বললাম: 'আমীন' (ইবনুস সুন্নী)।
৬৪৯- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ مَنْ صَلِّي عَلَيَّ وَاحِدَةً صَلَّي اللهُ عَلَيْهِ عشراً .
৬৪৯। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ কোন ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দুরূদ পাঠ করলে আল্লাহ তার প্রতি দশবার রহমাত বর্ষণ করেন (মু, দা, তি, না, আ, দার, হি)।
৬৫০- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيُّ ﷺ رَقَى الْمِنْبَرَ فَقَالَ أَمِينَ أَمِينَ آمِينَ قِيلَ لَهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا كُنْتَ تَصْنَعُ هَذَا فَقَالَ قَالَ لِي جِبْرِيلُ رَغمَ أَنْفُ عَبْدِ أَدْرَكَ أَبَوَيْهِ أَوْ أَحَدَهُمَا لَمْ يُدْخِلْهُ الجَنَّةَ قُلْتُ أَمِيْنَ ثُمَّ قَالَ رَغمَ أَنْفُ عَبْدٍ دَخَلَ عَلَيْهِ رَمَضَانُ لَمْ يُغْفَرْ لَهُ قُلْتُ امِيْنَ ثُمَّ قَالَ رَغِمَ أَنْفُ امْرِئٍ ذُكِرْتَ عِنْدَهُ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَيْكَ فَقُلْتُ أَمِينَ .
৬৫০। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) মিম্বারে আরোহণ করে বলেনঃ আমীন, আমীন, আমীন। তাঁকে বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি তো কখনও এরূপ করেননি। তিনি বলেনঃ জিবরীল (আ) বলেন, যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতাকে বা তাদের একজনকে জীবিত পেলো, অথচ তারা তার বেহেশতে প্রবেশের কারণ হলো না, সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন (তাই হোক)। অতঃপর তিনি বলেন, যে ব্যক্তি রমযান মাস পেলো, অথচ তার গুনাহ মাফ হলো না সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন। তিনি পুনরায় বলেন, যার সামনে আপনার প্রসঙ্গ উত্থাপিত হলো, অথচ সে আপনার প্রতি দুরূদ পড়লো না সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন (মু, তি, আ, হা, হি, খু, আন)।
৬৫১- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ جُوَيْرِيَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ بْنِ أَبِي ضَرَارٍ أَنَّ النَّبِيِّ ﷺ خَرَجَ مِنْ عِنْدِهَا وَإِنَّ اسْمَهَا بَرَةٌ فَحَوَّلَ النَّبِيُّ ﷺ اسْمَهَا فَسَمَّاهَا جُوَيْرِيَةً فَخَرَجَ وَكَرِهَ أَنْ يُدْخَلَ
৬৫১। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে জুয়াইরিয়া (রা)-এর সূত্রে বর্ণিত। নবী (স) তার নিকট থেকে বের হয়ে গেলেন। তার পূর্বনাম ছিল বাররা। নবী (স) তার নাম পরিবর্তন করে রাখেন জুয়াইরিয়া। তিনি তার নিকট থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর তার নাম বাররা থাকা অবস্থায় তিনি ঘরে পুনরায় প্রবেশ করা পছন্দ করলেন না। অতঃপর দিনের বেশ সময় চলে গেলে তিনি ফিরে এলেন, অথচ জুয়াইরিয়া (রা) তখনও সেই বসা অবস্থায় ছিলেন। তিনি বলেন : তুমি কি সেই এক নাগাড়ে বসে আছো? তোমার এখান থেকে যাওয়ার পর আমি চারটি বাক্য তিনবার করে বলেছি। যদি তোমার দোয়া-কালামের সাথে সেগুলো ওজন করা হয়, তবে আমার কথিত বাক্যগুলিই অধিক ভারী হবেঃ "আমি আল্লাহ্র পবিত্রতা ঘোষণা ও প্রশংসা করছি তাঁর অগণিত সৃষ্টির সমান ও তাঁর নিজের সন্তুষ্টি ও তাঁর আরশের ওজনের সমান এবং তাঁর কলেমাসমূহের সংখ্যার সমপরিমাণ” (মু)।
৬৫২- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ اسْتَعِيذُوا بِاللَّهِ مِنْ جَهَنَّمَ اسْتَعِيدُوا بِاللَّهِ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ اسْتَعِبْدُوا بِاللَّهِ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالَ اسْتَعِيدُوا بِاللَّهِ مِنْ فتنة المَحْيَا وَالْمَمَاتِ.
৬৫২। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ তোমরা আল্লাহ্র নিকট দোযখ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করো। তোমরা আল্লাহ্র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করো কবরের আযাব থেকে। তোমরা মসীহ দাজ্জালের বিপর্যয় থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। তোমরা জীবন ও মৃত্যুর বিপর্যয় থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করো (তি, না, আ, হি)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 যালেমের বিরুদ্ধে মযলুমের বদদোয়া

📄 যালেমের বিরুদ্ধে মযলুমের বদদোয়া


۲۸۲ - بَابُ دُعَاءِ الرَّجُلِ عَلَي مَنْ ظَلَمَهُ
২৮২- অনুচ্ছেদঃ যালেমের বিরুদ্ধে মযলুমের বদদোয়া।
৬৫৩- عَنْ جَابِرٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللهِ ﷺ يَقُولُ اللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي سَمْعِي وَبَصَرِي وَاجْعَلْهُمَا الْوَارِثَيْنِ مِنِّي وَانْصُرْنِي عَلَي مَنْ ظَلَمَنِي وَأَرِنِي مِنْهُ تَارِي
৬৫৩। জাবের (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলতেনঃ "হে আল্লাহ! আমার শ্রবণশক্তি ও দর্শনশক্তি সংশোধন করো এবং এগুলোকে আমার মৃত্যু পর্যন্ত কার্যক্ষম রাখো। যে ব্যক্তি আমার উপর যুলুম করেছে তার বিরুদ্ধে তুমি আমাকে সাহায্য করো এবং তুমি তার থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করে আমাকে দেখাও” (তাবারানীর মুজামুস সাগীর)।
৬৫৪- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَقُولُ اللَّهُمَّ مَتَّعْنِي بِسَمْعِي وَبَصَرِي وَاجْعَلْهُمَا الْوَارِثَ مِنِّي وَانْصُرْنِي عَلَي عَدُوِّي وَأَرِنِي مِنْهُ تَارِي.
৬৫৪। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, নবী (স) বলতেনঃ "হে আল্লাহ! তুমি আমাকে আমার চোখ ও কানের দ্বারা উপকৃত করো এবং এগুলোকে আমার মৃত্যু পর্যন্ত সুস্থ রাখো, আমার শত্রুর বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো এবং তার থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করে আমাকে দেখাও" (তি, হা, বায)।
৬৫৫- حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ طَارِقِ بْنِ أَشْيَمِ الْأَشْجَعِي قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ كُنَّا نَعْدُو إِلَي النَّبِيِّ ﷺ فَيَجِيئُ الرَّجُلُ وَتَجِيبُ الْمَرْأَةُ فَيَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ أَقُولُ إِذَا صَلَّيْتُ فَيَقُولُ قُلِ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَاهْدِنِي وَارْزُقْنِي فَقَدْ جَمَعْنَ لَكَ دُنْيَاكَ وَآخِرَتَكَ .
৬৫৫। সাদ ইবনে তারিক ইবনে আশয়াম আল-আশযাঈ (র) বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমরা প্রভাতকালে সকাল সকাল নবী (স)-এর নিকট উপস্থিত হতাম। কোন পুরুষ বা নারী উপস্থিত হয়ে বলতো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি নামায পড়াকালে কিরূপ দোয়া করবো? তিনি বলতেন : তুমি বলবে, "হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা করো, আমাকে দয়া করো, আমাকে হেদায়াত করো এবং আমাকে রিযিক দান করো"। তা তোমার দুনিয়া ও আখেরাতকে একত্র করবে (মু)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 যে ব্যক্তি দীর্ঘায়ু কামনা করে

📄 যে ব্যক্তি দীর্ঘায়ু কামনা করে


۲۸۳ - بَابُ مِمَّنْ دَعَا بِطُولِ الْعُمُرِ
২৮৩- অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি দীর্ঘায়ু কামনা করে।
৬৫৬- عَنْ أَمْ قَيْسٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَا قَالَتْ طَالَ عُمْرُهَا وَلَا نَعْلَمُ امْرَأَةً عُمَرَتْ مَا عُمَّرَتْ .
৬৫৬। উম্মু কায়েস (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ উম্মু কায়েস যা বলেছে, সে দীর্ঘজীবি হোক। অধস্তন রাবী বলেন, আমার জানামতে তার মতো দীর্ঘায়ু আর কোন নারীর হয়নি (না)।
৬৫৭- عَنْ أَنَسٍ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَدْخُلُ عَلَيْنَا أَهْلَ الْبَيْتِ فَدَخَلَ يَوْمًا فَدَعَا لَنَا فَقَالَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ خُوَيْدِمُكَ أَلَا تَدْعُوْ لَهُ قَالَ اللَّهُمَّ اكْثِرْ مَالَهُ وَوَلَدَهُ وَأَطِلْ حَيَاتَهُ وَاغْفِرْ لَهُ. فَدَعَا لِي بِثَلَاثَ فَدَفَنْتُ مِائَةً وَثَلاثَةٌ وَإِنْ تَمَرَتِي لَتُطْعَمُ فِي السَّنَةِ مَرَّتَيْنِ وَطَالَتْ حَيَاتِي حَتَّى اسْتَحْيَيْتُ مِنَ النَّاسِ وَارْجُو الْمَغْفِرَةَ.
৬৫৭। আনাস (রা) বলেন, নবী (স) আমাদের আহলে বাইতের এখানে আসতেন। একদিন তিনি এসে আমাদের জন্য দোয়া করলেন। উম্মু সুলাইম (রা) বলেন, আপনার ছোট্ট খাদেমটি, আপনি তার জন্য কি দোয়া করবেন না? তিনি বলেনঃ "হে আল্লাহ! তুমি তার সম্পদ ও তার সন্তান বৃদ্ধি করো, তাকে দীর্ঘজীবি করো এবং তাকে ক্ষমা করো"। আনাস (রা) বলেন, তিনি আমার জন্য তিনটি দোয়া করেন। অতএব আমি এক শত তিনটি সন্তানকে দাফন করেছি, আমার বাগানে বছরে দুইবার ফল ধরে এবং আমার আয়ু এতো দীর্ঘ হয়েছে যে, অধিক বয়সের জন্য আমি লোকজনের সামনে লজ্জাবোধ করি। এখন আমি ক্ষমা আশা করছি (মু)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 যে ব্যক্তি বলে

📄 যে ব্যক্তি বলে


২৮৪ - بَابُ مَنْ قَالَ يُسْتَجَابُ لِلْعَبْدِ مَا لَمْ يَعْجِلْ
২৮৪- অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি বলে, তাড়াহুড়া না করলে বান্দার দোয়া কবুল হয়।
৬৫৮- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنْ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ يُسْتَجَابُ لِأَحَدِكُمْ مَا لَمْ يَعْجِلْ يَقُولُ دَعَوْتُ فَلَمْ يُسْتَجَبْ لِي .
৬৫৮। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ তোমাদের যে কোন ব্যক্তির দোয়া কবুল হয়, যতক্ষণ না সে তাড়াহুড়া করে। সে বলে, আমি দোয়া তো করলাম কিন্তু আমার দোয়া কবুল হলো না (বু,মু, দা, তি, ই)।
৬৫৯- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ يُستَجَابُ لِأَحَدِكُمْ مَا لَمْ يَدْعُ بِاثْمِ أَوْ قَطِيعَةِ رَحِم أَوْ يَسْتَعْجِلُ فَيَقُولُ دَعَوْتُ فَلا أَرَى يُسْتَجِيبُ لِي فَيَدَعُ الدُّعَاءَ.
৬৫৯। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ তোমাদের যে কোন ব্যক্তির দোয়া কবুল হয় যতক্ষণ না সে পাপাচারের বা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার দোয়া করে এবং তাড়াহুড়া না করে। সে বলে, আমি দোয়া করলাম কিন্তু তা কবুল হয়েছে বলে মনে হয় না। তারপর সে দোয়া করা ত্যাগ করে (বু,মু,দা,তি,ই)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00