📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 চক্ষুরোগে আক্রান্তকে দেখতে যাওয়া

📄 চক্ষুরোগে আক্রান্তকে দেখতে যাওয়া


٢٤٥ - بَابُ الْعِيَادَةِ مِنَ الرِّمَدِ
২৪৫-অনুচ্ছেদ : চক্ষুরোগে আক্রান্তকে দেখতে যাওয়া।
৫৩৪- عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ قَالَ سَمِعْتُ زَيْدَ بْنَ أَرْقَمَ يَقُولُ رَمَدْتُ عَيْنِي فَعَادَنِي النَّبِيُّ ثُمَّ قَالَ يَا زَيْدُ لَوْ أَنَّ عَيْنَكَ لِمَا بِهَا كَيْفَ كُنْتَ تَصْنَعُ قَالَ كُنْتُ أَصْبِرُ وَاحْتَسِبُ قَالَ لَوْ أَنَّ عَيْنَكَ لِمَا بِهَا ثُمَّ صَبَرْتَ وَاحْتَسَبْتَ كَانَ ثَوَابُكَ الْجَنَّةُ.
৫৩৪। আবু ইসহাক (র) বলেন, আমি যায়েদ ইবনে আরকাম (রা)-কে বলতে শুনেছি, আমার চক্ষুরোগ হলে নবী (স) আমাকে দেখতে এলেন, অতঃপর বলেনঃ হে যায়েদ! এভাবে তোমার চক্ষুরোগ অব্যাহত থাকলে তুমি কি করবে? তিনি বলেন, আমি সবর করবো এবং সওয়াবের আশা করবো। তিনি বলেনঃ তোমার চক্ষুরোগ অব্যাহত থাকলে এবং তুমি তাতে সবর করলে ও সওয়াবের আশা করলে তুমি তার বিনিময়ে জান্নাত লাভ করবে (দা, আ)।
৫৩৫- عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّد أَنَّ رَجُلاً مِنْ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ ذَهَبَ بَصَرُهُ فَعَادُوهُ فَقَالَ كُنْتُ أَرِيدُهُمَا لِأَنْظُرَ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ فَأَمَّا إِذْ قُبِضَ النَّبِيُّ ﷺ قَوَاللَّهِ مَا يَسُرُّنِي أَنَّ مَا بِهِمَا بِظَبْي مِنْ ظَبَاءِ تَبَالَةَ.
৫৩৫। কাসিম ইবনে মুহাম্মাদ (র) থেকে বর্ণিত। মুহাম্মাদ (স)-এর এক সাহাবীর দৃষ্টিশক্তি লোপ পেলে একজন তাকে দেখতে গেলো। তিনি বলেন, আমি তো চেয়েছিলাম যে, এই দুই চোখ ভরে আমি নবী (স)-কে অবশ্যই দেখবো। এখন যেহেতু নবী (স)-কে উঠিয়ে নেয়া হয়েছে, আল্লাহর শপথ! হরীণসমূহের মধ্যকার সৌন্দর্যময় হরিণ দেখেও আমি আর আনন্দিত হবো না।
৫৩৬- عَنْ أَنَسٍ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيِّ ﷺ يَقُولُ قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ إِذَا ابْتُلِيْتُهُ بِحَبِيبَتَيْهِ يُرِيدُ عَيْنَيْهِ ثُمَّ صَبَرَ عَوْضْتُهُ الْجَنَّةَ.
৫৩৬। আনাস (রা) বলেন, আমি নবী (স)-কে বলতে শুনেছিঃ মহামহিম আল্লাহ বলেছেন, যখন আমি আমার বান্দাকে তার প্রিয় বস্তু দুইটির পরীক্ষায় (চক্ষুদ্বয়ের জ্যোতিলোপ) ফেলেছি এবং সে ধৈর্য ধারণ করেছে, বিনিময়ে আমি তাকে জান্নাত দান করলাম (বু, তি, আ)।
৫৩৭- عَنْ أَبِي أَمَامَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ يَقُولُ اللهُ يَا ابْنَ آدَمَ إِذَا أَخَذْتُ كَرِيْمَتَيْكَ فَصَبَرْتَ عِنْدَ الصَّدْمَةِ وَاحْتَسَبْتَ لَمْ أَرْضَ لَكَ ثَوَابًا دُونَ الْجَنَّةِ.
৫৩৭। আবু উমামা (রা) নবী (স) থেকে বর্ণনা করেন, আল্লাহ তায়ালা বলেন, হে আদম সন্তান! আমি যখন তোমার প্রিয় জিনিস দু'টি নিয়ে নেই (চোখের জ্যোতি হরণ করি) এবং তুমি সে বিপদে ধৈর্য ধারণ করো ও সওয়াবের আশা করো, আমি তোমাকে সওয়াবের পরিবর্তে জান্নাত না দেয়া পর্যন্ত খুশি হই না (বু, তি, ই, আ)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 রোগীর সাথে সাক্ষাতকারী কোথায় বসবে?

📄 রোগীর সাথে সাক্ষাতকারী কোথায় বসবে?


২৪৬ - بَابُ أَيْنَ يَقْعُدُ الْعَائِدُ ؟
২৪৬- অনুচ্ছেদ: রোগীর সাথে সাক্ষাতকারী কোথায় বসবে?
৫৩৮- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ اللهِ إِذَا عَادَ الْمَرِيضِ جَلَسَ عِنْدَ رَأْسِهِ ثُمَّ قَالَ سَبْعَ مِرَارٍ أَسْأَلُ اللهَ العَظِيمَ رَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ أَنْ يُشْفِيَكَ فَإِنْ كَانَ فِي أَجَلِهِ تَأْخِيرُ عُونِي مِنْ وَجَعِهِ.
৫৩৮। ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, নবী (স) রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখতে গেলে তার মাথার কাছে বসতেন এবং সাতবার বলতেনঃ "আমি মহান আল্লাহ্র নিকট মহান আরশের প্রভুর নিকট প্রার্থনা করি, তিনি যেন তোমাকে রোগমুক্ত করেন"। তার মৃত্যু বিলম্বিত হলে সে রোগমুক্ত হয়ে যেতো (দা, তি, আ, হা, হি)।
৫৩৯- حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ عَبْدِ اللهِ قَالَ ذَهَبْتُ مَعَ الحَسَنِ إِلَي قَتَادَةَ نَعُودُهُ فَقَعَدَ عِنْدَ رَأْسِهِ فَسَأَلَهُ ثُمَّ دَعَا لَهُ قَالَ اللَّهُمَّ اشْفَ قَلْبَهُ وَاشْفَ سَقَمَهُ.
৫৩৯। রবী ইবনে আবদুল্লাহ (র) বলেন, আমি হাসান (রা)-এর সাথে অসুস্থ কাতাদা (রা)-কে দেখতে গেলাম। তিনি তার মাথার নিকট বসে তার কুশলাদি জিজ্ঞেস করেন, অতঃপর তার জন্য দোয়া করেনঃ "হে আল্লাহ! তুমি তার অন্তরাত্মাকে আরোগ্য দান করো এবং তাকে রোগমুক্ত করো"।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00