📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 যে ব্যক্তি রোগীর কাছে নামায পড়ে

📄 যে ব্যক্তি রোগীর কাছে নামায পড়ে


২৩৮ - بَابُ مَنْ صَلَّي عِنْدَ الْمَرِيضِ
২৩৮-অনুচ্ছেদ: যে ব্যক্তি রোগীর কাছে নামায পড়ে।
৫২৫- عَنْ عَطَاء قَالَ عَادَنِي عُمَرُ بْنُ صَفْوَانَ فَحَضَرَتِ الصَّلَاةُ فَصَلِّي بِهِمُ ابْنُ عُمَرَ رَكْعَتَيْنِ وَقَالَ إِنَّا سَفْرٌ.
৫২৫। আতা (র) বলেন, উমার ইবনে সাফওয়ান (র) আমার রুগ্ন অবস্থায় আমাকে দেখতে এলেন। নামাযের ওয়াক্ত হয়ে গেলে ইবনে উমার (রা) তাদেরকে নিয়ে দুই রাকআত নামায পড়েন এবং বলেন, আমরা সফরে আছি।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 মুশরিক (পৌত্তলিক) রোগীকে দেখতে যাওয়া

📄 মুশরিক (পৌত্তলিক) রোগীকে দেখতে যাওয়া


۲۳۹ - بَابُ عِيَادَةِ الْمُشْرِكِ.
২৩৯-অনুচ্ছেদ: মুশরিক (পৌত্তলিক) রোগীকে দেখতে যাওয়া।
৫২৬- عَنْ نَس أَنْ غُلَامًا مِّنَ الْيَهُودِ كَانَ يَخْدُمُ النَّبِيُّ ﷺ فَمَرِضَ فَآتَاهُ النَّبِيُّ ﷺ يَعُودُهُ فَقَعَدَ عِنْدَ رَأْسِهِ فَقَالَ أَسْلِمْ فَنَظَرَ إِلى أَبِيهِ وَهُوَ عِنْدَ رَأْسِهِ فَقَالَ لَهُ أَطِعْ أَبَا القَاسِمِ فَاسْلَمَ فَخَرَجَ النَّبِيُّ ﷺ وَهُوَ يَقُولُ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَنْقَذَهُ مِنَ النَّارِ.
৫২৬। আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। এক ইহুদী বালক নবী (স)-এর খেদমত করতো। সে অসুস্থ হলে নবী (স) তাকে দেখতে যান। তিনি তার শিয়রে বসে বলেন : তুমি ইসলাম গ্রহণ করো। সে তার শিয়রে বসা তার পিতার দিকে তাকালো। সে তাকে বললো, আবুল কাসিমের অনুসরণ করো। ফলে সে ইসলাম গ্রহণ করলো। রাসূলুল্লাহ (স) এই কথা বলতে বলতে বেরিয়ে এলেনঃ "সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি তাকে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা করেছেন" (বু, দা, না)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 রোগীকে দেখতে গিয়ে কি বলবে?

📄 রোগীকে দেখতে গিয়ে কি বলবে?


٢٤٠ - بَابُ مَا يَقُولُ لِلْمَرِيضِ
২৪০-অনুচ্ছেদ: রোগীকে দেখতে গিয়ে কি বলবে?
৫২৭- عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ الْمَدِينَةَ وَعَكَ أَبُو بَكْرٍ وَبِلَالٌ قَالَتْ فَدَخَلْتُ عَلَيْهِمَا قُلْتُ يَا أَبَنَاهُ كَيْفَ تَجِدُكَ وَيَا بِلالُ كَيْفَ تَجِدُكَ قَالَ وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ إِذَا أَخَذَتْهُ الْحُمِّي يَقُولُ : كُلُّ امْرِئٍ مُصْبِحَ فِي أَهْلِهِ * وَالْمَوْتُ أَدْنِي مِنْ شَرَاكَ نَعْلِهِ .
وكَانَ بِلالُ إِذا أَقْلَعَ عَنْهُ يَرْفَعُ عَقِيرَتَهُ فَيَقُولُ : أَلَا لَيْتَ شَعْرِي هَلْ أَبِيْتَنَّ لَيْلَةَ * بِوَادٍ وَحَوْلِي اذْخِرُ وَجَلِيلُ وَهَلْ أَردَنْ يَوْمًا مِيَاهَ مَجَنَّةٍ * وَهَلْ يَبْدُونَ لِي شَامَةٌ وَطَفِيلٌ .
قَالَتْ عَائِشَةُ فَجِئْتُ رَسُولَ الله الله فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ اللَّهُمْ حَبِّبُ إِلَيْنَا الْمَدِينَةَ كَحُبِّنَا مَكَّةَ أَوْ أَشَدَّ وَصَحْحْهَا وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِهَا وَمُدَّهَا وَأَنْقُلْ حُمَّاهَا فَاجْعَلْهَا بِالْجُحْفَة .
৫২৭। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) (হিজরত করে) মদীনায় আসলে আবু বাক্স ও বিলাল (রা) জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। আবু বাক্স (রা) যখনই জ্বরে আক্রান্ত হতেন তখনই একটি কবিতাংশ আবৃত্তি করে বলতেন, "প্রত্যেক ব্যক্তিই তার পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে, অথচ মৃত্যু তার জুতার ফিতার চেয়েও নিকটবর্তী"। আর বিলালের যখন জ্বর ছেড়ে যেতো তখন উচ্চ স্বরে এ কবিতাংশ আবৃত্তি করতেন, "আহ! কতই না ভালো হতো যদি আমি কবিতা বলতে পারতাম। আহ! যদি আমি মক্কার প্রান্তরে একটি রাত কাটাতে পারতাম যেখানে আমার চারিদিকে ইযখির ও জালিল ঘাস থাকতো। আহ্! একদিন যদি মুজেন্নার প্রান্তরে ঝর্ণার পানি পান করতে পারতাম এবং শামা ও তাফিল পাহাড়ের পাদদেশে যেতে পারতাম”। আয়েশা (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট এসে তাঁকে একথা জানালে রাসূলুল্লাহ (স) দোয়া করলেন : “হে আল্লাহ! মক্কার প্রতি আমাদের যেমন মহব্বত, মদীনার প্রতিও তেমন অথবা তার চাইতেও বেশী মহব্বত আমাদের মধ্যে সৃষ্টি করে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের সা' ও মুদে বরকত দান করো"।
৫২৮- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيِّ ﷺ دَخَلَ عَلَي أَعْرَابِي يَعُودُهُ قَالَ وَكَانَ النَّبِيُّ ﷺ إِذَا دَخَلَ عَلَى مَرِيض يَعُودُهُ قَالَ لَا بَأْسَ طَهُورٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ قَالَ ذَاكَ طَهُورٌ كَلَا بَلْ شَيْخ كَبِيرٍ تَزيرُهُ الْقُبُورَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ فَنِعْمَ إِذَا . هي حُمِّي تَفُورُ أَوْ تَشُورُ عَلَى شَيْخ ـ
৫২৮। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) এক রুগ্ন বেদুইনকে দেখতে গেলেন। রাবী বলেন, নবী (স) কোন রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখতে গেলে বলতেন: ক্ষতি হবে না, ইনশাআল্লাহ পাক-পবিত্র হয়ে যাবে। সে বললো, তা কি পবিত্র? কখনো নয়, বরং তা তো এক প্রবীণ বৃদ্ধের উপর আপতিত টগবগে জ্বর। তা তাকে কবরে নিয়ে ছাড়বে। নবী (স) বলেনঃ তা তো আরো উত্তম (বু)।
৫২৯- عَنْ نَافِعٍ قَالَ كَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا دَخَلَ عَلَى مَرِيضٍ يَسْأَلُهُ كَيْفَ هُوَ فَإِذَا قَامَ مِنْ عِنْدِهِ قَالَ خَارَ اللَّهُ لَكَ وَلَمْ يَزِدْهُ عَلَيْهِ.
৫২৯। নাফে (র) বলেন, ইবনে উমার (রা) রুগ্ন ব্যক্তির নিকট উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করতেন যে, সে কেমন আছে? আর তিনি তার নিকট থেকে বিদায়কালে বলতেন, আল্লাহ তোমার কল্যাণ করুন। তিনি এর অধিক কিছু বলতেন না।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 রোগী কি উত্তর দিবে?

📄 রোগী কি উত্তর দিবে?


٢٤١ - بَابُ مَا يُجِيبُ الْمَرِيضُ
২৪১-অনুচ্ছেদ: রোগী কি উত্তর দিবে? ১৯৭
৫৩০- حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ ابْنُ سَعِيدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ سَعِيدٍ عَنْ أَبِيْهِ قَالَ دَخَلَ الْحَجَّاجُ عَلَيَّ ابْنِ عُمَرَ وَأَنَا عِنْدَهُ فَقَالَ كَيْفَ هُوَ قَالَ صَالِحٌ قَالَ مَنْ أَصَابَكَ قَالَ أَصَابَنِي مَنْ أَمَرَ بِحَمْلِ السَّلَاحِ فِي يَوْمٍ لَا يَحِلُّ فِيْهِ حَمْلَهُ يَعْنِي الْحَجَّاجَ.
৫৩০। ইসহাক ইবনে সাঈদ (র) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। হাজ্জাজ হযরত ইবনে উমার (রা)-এর নিকট প্রবেশ করলো। আমি তখন তার নিকট উপস্থিত ছিলাম। হাজ্জাজ জিজ্ঞেস করলো, তিনি কেমন আছেন? তিনি বলেন, ভালো। হাজ্জাজ জিজ্ঞেস করলো, কে আপনাকে কষ্ট দিলো? তিনি বলেন, যে ব্যক্তি এমন দিনে অস্ত্রধারণ করতে আদেশ করেছিল, যেদিন অস্ত্রধারণ করা নিষিদ্ধ অর্থাৎ স্বয়ং হাজ্জাজ (বু)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00