📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 নির্যাতীতের দোয়া

📄 নির্যাতীতের দোয়া


২২৩ - بَابُ دَعْوَةِ الْمَظْلُومِ
২২৩-অনুচ্ছেদ : নির্যাতীতের দোয়া।
৪৮৩- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ الله قَالَ ثَلاثُ دَعْوَاتِ مُسْتَجَابَاتٌ دَعْوَةُ الْمَظْلُومِ وَدَعْوَةُ الْمُسَافِر وَدَعْوَةُ الوالد على ولده.
৪৮৩। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: তিনটি দোয়া অবশ্যই কবুল হয়। (১) উৎপীড়িতের দোয়া, (২) মুসাফিরের দোয়া এবং (৩) সন্তানের জন্য পিতার দোয়া (ই)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 আল্লাহ্র কাছে বান্দার রিযিক প্রার্থনা। কেননা মহামহিম আল্লাহ্ বাণীঃ “আপনি আমাদের রিযিক দান করুন এবং আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ রিযিকদাতা”

📄 আল্লাহ্র কাছে বান্দার রিযিক প্রার্থনা। কেননা মহামহিম আল্লাহ্ বাণীঃ “আপনি আমাদের রিযিক দান করুন এবং আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ রিযিকদাতা”


২২৪ - باب: سوَالِ الْعَبْدِ الرِّزْقَ مِنَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ لِقَوْلِهِ: ﴿وَارْزُقْنَا وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ﴾
২২৪-অনুচ্ছেদ: আল্লাহর কাছে বান্দার রিযিক প্রার্থনা। কেননা মহামহিম আল্লাহর বাণীঃ "আপনি আমাদের রিযিক দান করুন এবং আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ রিযিকদাতা” (৫:১১৪)।
৪৮৪- عَنْ جَابِرٍ أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ ﷺ عَلَى الْمِنْبَرِ نَظَرَ نَحْوَ الْيَمِينِ فَقَالَ اللَّهُمَّ أَقْبِلْ بِقُلُوبِهِمْ وَنَظَرَ نَحْوَ الْعِرَاقِ فَقَالَ مِثْلَ ذَلِكَ وَنَظَرَ نَحْوَ كُلِّ أُفُقٍ فَقَالَ مِثْلَ ذَلِكَ وَقَالَ اللَّهُمَّ ارْزُقْنَا مِنْ ثَمَرَاتِ الْأَرْضِ وَبَارِكْ لَنَا فِي مُدِّنَا وَصَاعِنَا.
৪৮৪। জাবের (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী (স)-কে মিম্বারে উপবিষ্ট অবস্থায় ইয়ামনের দিকে তাকিয়ে বলতে শুনেছেন: হে আল্লাহ! এদের অন্তরকে ফিরিয়ে দিন। অতঃপর তিনি ইরাকের দিকে মুখ ফিরিয়ে অনুরূপ বলেন। এভাবে তিনি প্রত্যেক দিকে ফিরে অনুরূপ বলেন। তিনি আরো বলেনঃ হে আল্লাহ্! আপনি পৃথিবীর উৎপন্নজাত দ্রব্যাদি থেকে আমাদেরকে রিযিক দান করুন এবং আমাদের মুদ্দ ও সা-এ বরকত দান করুন (আ,তি)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 যুলুম হলো অন্ধকার

📄 যুলুম হলো অন্ধকার


২২৫ - باب: الظُّلْمُ ظُلُمَاتٌ
২২৫-অনুচ্ছেদ : যুলুম হলো অন্ধকার।
৪৮৫- عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ اتَّقُوا الظُّلْمَ فَإِنَّ الظُّلْمَ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَاتَّقُوا الشُّحَّ فَإِنَّ الشُّحَّ أَهْلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ وَحَمَلَهُمْ عَلَى أَنْ سَفَكُوا دِمَاءَهُمْ وَاسْتَحَلُّوا مَحَارِمَهُمْ.
৪৮৫। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ তোমরা অত্যাচার করা থেকে বিরত থাকো। কেননা অত্যাচার কিয়ামতের দিন গভীর অন্ধকাররূপে আসবে। তোমরা কৃপণতা থেকে বিরত থাকো। কেননা এই কৃপণতা তোমাদের পূর্ববর্তীদের ধ্বংস করেছে এবং তাদেরকে পরস্পরের রক্তপাত করতে এবং তাদের প্রতি হারামসমূহকে হালালরূপে গ্রহণ করতে উদ্যত করেছে (মু.আ)।
৪৮৬- عَنْ جَابِرٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَكُونُ فِي آخِرِ أُمَّتِي مَسْخٌ وَقَذْفٌ وَخَسْفٌ وَيَبْدَأُ بِأَهْلِ الْمَظَالِمِ.
৪৮৬। জাবির (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের শেষ যমানায় পাপকর্মের (শাস্তিস্বরূপ) চেহারা বিকৃতি, আসমানী বিপদ ও ভূমিধ্বসের ঘটনা ঘটবে। এই বিপদ প্রথমে যালেমের উপর পতিত হবে।
৪৮৭- عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ الظُّلْمُ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ.
৪৮৭। ইবনে উমার (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: যুলুম কিয়ামতের দিন অন্ধকাররূপে আবির্ভূত হবে (বু,মু,তি,আ)।
৪৮৮- عَنْ أَبِي سَعِيدٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ قَالَ إِذَا خَلَصَ الْمُؤْمِنُونَ مِنَ النَّارِ حُبِسُوا بِقَنْطَرَةِ بَيْنَ الْجَنَّةِ وَالنَّارِ فَيَتَقَاصُوْنَ مَظَالِمَ بَيْنَهُمْ فِي الدُّنْيَا حَتَّى إِذَا نَقُوا وَهُذَبُوا أَذِنَ لَهُمْ بِدُخُولِ الْجَنَّةِ فَوَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَأَحَدَّثُهُمْ بِمَنْزِلِهِ أَدَلُّ مِنْهُ فِي الدُّنْيَا .
৪৮৮। আবু সাঈদ (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ মুমিন ব্যক্তিগণের দোযখ থেকে মুক্তি লাভের পর বেহেস্ত ও দোযখের মধ্যখানে স্থাপিত এক পুলের উপর তাদের গতিরোধ করা হবে। তারা দুনিয়াতে পরস্পরের প্রতি যে অবিচার করেছিল তার প্রতিশোধ নেয়া হবে। অতঃপর শেষে যখন তারা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে যাবে তখন তাদেরকে বেহেশতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে। সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! প্রত্যেকেই জান্নাতে তার স্থান তার দুনিয়ার অবস্থান স্থলের চেয়েও উত্তমরূপে চিনতে পারবে (বু,তি,আ)।
৪৮৯- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ أَيَّاكُمْ وَالظُّلْمَ فَإِنَّ الظُّلْمَ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَإِيَّاكُمْ وَالْفُحْشَ فَإِنَّ اللهَ لاَ يُحِبُّ الْفَاحِشَ الْمُتَفَحِّشَ وَأَيَّاكُمْ وَالسُّحُ فَانَّهُ دَعَا مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ فَقَطْعُوا أَرْحَامَهُمْ وَدَعَاهُمْ فَاسْتَحَلُّوا مَحَارِمَهُمْ.
৪৮৯। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ তোমরা অবশ্যই যুলুম করা থেকে বিরত থাকবে। কেননা যুলুম কিয়ামতের দিন অন্ধকার রূপ ধারণ করবে। তোমরা অবশ্যই অশ্লীলতা বর্জন করবে। কেননা আল্লাহ তাআলা অশ্লীলভাষী ও অশ্লীলতার প্রসারকারীকে পছন্দ করেন না। তোমরা অবশ্যই কৃপণতা পরিহার করবে। কেননা তা তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে পারস্পরিক আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করতে এবং হারামসমূহকে হালালরূপে গ্রহণ করতে উদ্যত করেছে।
৪৯০- عَنْ جَابِرٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ إِيَّاكُمْ وَالظُّلْمَ فَإِنَّ الظُّلْمَ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَاتَّقُوا الشُّحْ فَإِنَّهُ أَهْلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ وَحَمَلَهُمْ عَلَى أَنْ سَفَكُوا دِمَاءَهُمْ وَاسْتَحَلُّوا مَحَارِمَهُمْ .
৪৯০। জাবের (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ তোমরা অত্যাচার করা থেকে বিরত থাকো। কেননা অত্যাচার কিয়ামতের দিন গভীর অন্ধকাররূপে আসবে। তোমারা কৃপণতা পরিহার করো। কেননা এই কৃপণতা তোমাদের পূর্ববর্তীদের ধ্বংস করেছে এবং তাদেরকে পরস্পরের রক্তপাত করতে এবং তাদের প্রতি হারামসমূহকে হালালরূপে গ্রহণ করতে উদ্যত করেছে (মু,আ)।
৪৯১- عَنْ عَاصِمٍ عَنْ أَبِي الضُّحَي قَالَ اجْتَمَعَ مَسْرُوقٌ وَشُتَيْرُ بْنُ شَكْلٍ فِي الْمَسْجِدِ فَتَفَوَّضَ إِلَيْهِمَا حَلْقُ الْمَسْجِدِ فَقَالَ مَسْرُوقٌ لَا أَرِي هُؤُلا ، يَجْتَمِعُونَ إِلَيْنَا إِلا لِيَسْتَمِعُوا مِنَّا خَيْرًا فَإِمَّا أَنْ تُحَدِّثَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ فَأَصَدِّقُكَ أَنَا وَإِمَّا أَنْ أُحَدِّثَ عَنْ
৪৯১। আবুদ দোহা (র) বলেন, মাসরূক ও শুতাইর ইবনে শাকল (র) মসজিদে একত্র হলেন। মসজিদে উপস্থিত লোকজন তাদেরকে ঘিরে ধরলো। মাসরূক (র) বলেন, লোকজন আমাদের নিকট উপদেশ শোনার জন্যই আমাদের ঘিরে ধরেছে। হয় আপনি আবদুল্লাহ (রা)-এর সূত্রে (হাদীস) বর্ণনা করুন এবং আমি তা সমর্থন করবো অথবা আমি আবদুল্লাহ (রা)-এর সূত্রে হাদীস বর্ণনা করি এবং আপনি তা সমর্থন করুন। অপরজন বলেন, হে আবু আয়েশা! আপনি বর্ণনা করুন। তখন তিনি বলেন, আপনি কি আবদুল্লাহ (রা)-কে বলতে শুনেছেনঃ চক্ষুদ্বয় যেনা করে, হস্তদ্বয় যেনা করে, পদদ্বয় যেনা করে এবং লজ্জাস্থান তাকে বাস্তবে অথবা মিথ্যায় পরিণত করে? অপরজন বলেন, হাঁ, আমিও তা শুনেছি। পুনরায় তিনি বলেন, আপনি কি আবদুল্লাহ (রা)-কে বলতে শুনেছেন, নিম্নোক্ত আয়াতের মতো কুরআন মজীদের আর কোন আয়াতে একই সাথে হালাল-হারাম ও আদেশ-নিষেধ সন্নিবেশিত হয়নিঃ "নিশ্চয় আল্লাহ ন্যায়-ইনসাফ, দয়া-অনুগ্রহ ও নিকটাত্মীয়ের প্রাপ্য প্রদানের নির্দেশ দিচ্ছেন" (১৬ঃ ৯০)? তিনি বলেনঃ হাঁ, আমি তাকে একথা বলতে শুনেছি। তিনি পুনরায় বলেন, আপনি কি আবদুল্লাহ (রা)-কে বলতে শুনেছেন, কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াতের চেয়ে দ্রুত অভাব মোচনকারী ও বিপদমুক্তির অন্য কোন আয়াত নেইঃ "যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে তিনি তার জন্য মুক্তির একটি ব্যবস্থা করে দেন" (৬৫:২)? তিনি বললেন, হাঁ। মাসরূক (র) বলেন, আপনি কি আবদুল্লাহ (রা)-কে বলতে শুনেছেন, কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াতের চেয়ে অধিক আবেদনময়ী বা সুবিধা দানকারী অন্য কোন আয়াত নাইঃ "হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর বাড়াবাড়ি করেছো তোমরা আল্লাহর রহমাত থেকে নিরাশ হয়ো না" (৩৯ঃ ৫৩)? শুতাইর (রা) বলেন, হাঁ, আমি তার নিকট একথা শুনেছি।
৪৯২- عَنْ أَبِي ذَرٍّ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ عَنِ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَي قَالَ يَا عِبَادِي إِنِّي قَدْ حَرَّمْتُ الظُّلْمَ عَلَى نَفْسِي وَجَعَلْتُهُ مُحَرَّمًا بَيْنَكُمْ فَلَا تُظَالِمُوا يَا عِبَادِي أَنَّكُمُ الَّذِينَ تَخْطُئُونَ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَأَنَا أَغْفِرُ الذُّنُوبَ وَلَا أُبَالِي فَاسْتَغْفِرُونِي أَغْفِرُ لَكُمْ يَا عِبَادِي كُلُّكُمْ جَائِعٌ إِلا مَنْ أَطْعَمْتُهُ فَاسْتَطْعِمُونِي أَطْعِمُكُمْ كُلُّكُمْ عَارُ إِلَّا مَنْ كَسَوْتُهُ فَاسْتَكْسُونِي أَكْسُكُمْ يَا عِبَادِي لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَيْ
৪৯২। আবু যার (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ বরকতময় মহান আল্লাহ বলেন, হে আমার বান্দাগণ! আমি আমার নিজের উপর যুলুম হারাম করে নিয়েছি এবং তোমাদের পরস্পরের প্রতি তোমাদের যুলুম করাও হারাম করেছি। অতএব তোমরা পরস্পরের প্রতি যুলুম করো না। হে আমার বান্দাগণ! তোমরা তো রাত-দিন গুনাহ করো, আর আমি গুনাহ মাফ করি। তাতে আমার কোন পরওয়া নাই। অতএব তোমরা আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের ক্ষমা করবো। হে আমার বান্দাগণ! তোমরা সকলেই ক্ষুধার্ত, অবশ্য আমি যাকে আহার করাই সে ব্যতীত। অতএব তোমরা আমার কাছে আহার চাও, আমি তোমাদের আহার্য দান করবো। তোমরা সকলেই বস্ত্রহীন, তবে আমি যাকে বস্ত্র দান করি সে ব্যতীত। অতএব তোমরা আমার নিকট বস্ত্র চাও, আমি তোমাদের বস্ত্র দান করবো। হে আমার বান্দাগণ! তোমাদের মধ্যকার প্রথম ব্যক্তি থেকে শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত সকলে অর্থাৎ তোমাদের জিন ও মানব সকলে যদি তোমাদের মধ্যকার সর্বাধিক আল্লাহভীরু ব্যক্তির অন্তরসম হয়ে যায়, তবে তাতে আমার রাজত্বের বিন্দুমাত্র শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে না। আর যদি সকলে সর্বাধিক পাপিষ্ঠ ব্যক্তিসম হয়ে যায়, তবে তাতেও আমার রাজত্ব বিন্দুমাত্র শ্রীহীন হবে না। তোমাদের সকলে যদি এক বিশাল প্রান্তরে সমবেত হয়ে আমার নিকট প্রার্থনা করে এবং আমি তাদের প্রত্যেককে তার চাহিদামত দান করি, তবে তাতে আমার রাজত্বের এতটুকুই ঘাটতি হবে, যতটুকু হয় কেউ সমুদ্রে একটি সুই একবার মাত্র ডুবালে। হে আমার বান্দাগণ! আমি তোমাদের আমলসমূহই তোমাদের জন্য সঞ্চয় করে রাখি। সুতরাং তোমাদের কেউ কল্যাণ লাভ করলে সে যেন আল্লাহর প্রশংসা করে। আর কেউ তার বিপরীত (অমঙ্গল) কিছু লাভ করলে সে যেন নিজেকেই তিরস্কার করে। আবু ইদরীস আল-খাওলানী (র) এই হাদীস যখনই বর্ণনা করতেন তখনই নিজের হাঁটুদ্বয় একত্র করে পরম বিনয় প্রকাশ করতেন (বু,মু,ই, আ, হি, হা)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00