📄 পরামর্শ না চাইতেই কেউ তার ভাইকে পরামর্শ দিলে
১৯৫ - بَابُ مَنْ أَشَارَ عَلَي أَخِيهِ وَإِنْ لَمْ يَسْتَشِرْهُ
১৯৫-অনুচ্ছেদ: পরামর্শ না চাইতেই কেউ তার ভাইকে পরামর্শ দিলে।
৪১৭- عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَأي رَاعِيًا وَغَنَمًا فِي مَكَانٍ قَشْحٍ وَرَأَي مَكَانًا أَمْثَلَ مِنْهُ فَقَالَ لَهُ وَيْحَكَ يَا رَاعِي حَوْلَهَا فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ كُلُّ رَاعٍ مَسْئُولٌ عَنْ رَاعِيَتِهِ
৪১৭। ইবনে উমার (রা) এক রাখালকে তার ছাগলসহ একটি তৃণলতাহীন স্থানে দেখতে পেলেন। তিনি তার চাইতে উত্তম একটি স্থানও দেখতে পেলেন। তিনি তাকে বলেন, হে রাখাল! তোমার জন্য দুঃখ হয়। এগুলো অন্যত্র নিয়ে যাও। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছিঃ "প্রত্যেক রাখালকে তার রাখালী সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে" (বু,মু,আ)।
📄 যে ব্যক্তি অবাঞ্ছিত দৃষ্টান্ত অপছন্দ করে
১৯৬ - بَابُ مَنْ كَرِهَ أَمْثَالَ السَّوْءِ
১৯৬-যে ব্যক্তি অবাঞ্ছিত দৃষ্টান্ত অপছন্দ করে।
৪১৮- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَيْسَ لَنَا مَثَلُ السَّوْءِ الْعَائِدُ فِي هَبَتِهِ كَالْكَلْبِ يَرْجِعُ فِي قَيْنِهِ.
৪১৮। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ আমাদের জন্য মন্দ দৃষ্টান্ত শোভনীয় নয়। যে ব্যক্তি দান করে তা ফেরত নেয় সে কুকুরতুল্য-যে বমি করে পুনরায় তা গলাধকরণ করে (বু,মু,তি, না)।
📄 ধোঁকাবাজ ও প্রতারক সম্পর্কে
১৯৭ - بَابُ مَا ذُكِرَ فِي الْمُكَرَ وَالْخَدِيعَةِ
১৯৭-অনুচ্ছেদ: ধোঁকাবাজ ও প্রতারক সম্পর্কে
৪১৯- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ الْمُؤْمِنُ غَرَّ كَرِيمٌ وَالْفَاجِرُ حَبُّ لَئِيمٌ.
৪১৯। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: মুমিন ব্যক্তি চিন্তাশীল, গম্ভীর ও ভদ্র প্রকৃতির হয়ে থাকে। আর পাপিষ্ঠ ব্যক্তি প্রতারক, ধোঁকাবাজ, কৃপণ, নীচ ও অসভ্য হয়ে থাকে (দা,পত, হা,তহা)।
📄 গালমন্দ করা
১৯৮ - بَابُ السَّبَابِ
১৯৮-অনুচ্ছেদ: গালমন্দ করা।
৪২০- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ اسْتَبْ رَجُلَانِ عَلَي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ فَسَبِّ أَحَدُهُمَا وَالْآخَرُ سَاكِتْ وَالنَّبِيُّ ﷺ جَالِسٌ ثُمَّ رَدَّ الْآخَرُ فَنَهَضَ النَّبِيُّ ﷺ فَقِيلَ نَهَضْتَ قَالَ
৪২০। ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স)-এর যুগে দুই ব্যক্তি পরস্পরকে গালি দিলো। তাদের একজন গালি দিলে অপরজন নীরব থাকলো। নবী (স) বসা অবস্থায় ছিলেন। অতঃপর অপরজনও তার প্রতিপক্ষকে গালি দিলো। নবী (স) উঠে দাঁড়ান। তাঁকে বলা হলো, আপনি উঠে গেলেন কেন? তিনি বলেনঃ ফেরেশতারা উঠে যাওয়ায় আমিও উঠে গেলাম। ঐ ব্যক্তি যতক্ষণ নীরব ছিল, ততক্ষণ ফেরেশতারা তার পক্ষ থেকে যে গালি দিচ্ছিল, তার উত্তর দিচ্ছিলেন। যখন সে প্রতিশোধস্বরূপ গালি দিলো তখন ফেরেশতারা উঠে চলে গেলেন (দা)।
৪২১- عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ أَنَّ رَجُلاً أَتَاهَا فَقَالَ إِنَّ رَجُلاً نَالَ مِنْكِ عِنْدَ عَبْدِ الْمَلِكِ فَقَالَتْ إِنْ نُؤْيَنَ بِمَا لَيْسَ فِيْنَا فَطَالِمًا زَكِّيْنَا بِمَا لَيْسَ فِينَا.
৪২১। উম্মু দারদা (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি তার নিকট এসে বললো, এক ব্যক্তি আবদুল মালেকের নিকট আপনার দুর্নাম করেছে। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে যে দোষ নাই তা কেউ বলে থাকলে, কখনো আমরা এমন গুণের জন্যও প্রশংসিত হয়েছি যা আমাদের মধ্যে নেই।
৪২২- عَنْ قَيْسٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ إِذَا قَالَ الرَّجُلُ لِصَاحِبِهِ أَنْتَ عَدُوِّي فَقَدْ خَرَجَ أَحَدُهُمَا مِنَ الْإِسْلَامِ أَوْ بَرِئَ مِنْ صَاحِبِهِ قَالَ قَيْسٌ وَأَخْبَرَنِي بَعْدُ أَبُو جُحَيْفَةَ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ قَالَ الأَ مَنْ تَابَ.
৪২২। কায়েস (র) বলেন, আবদুল্লাহ (রা) বলেছেন, কোন ব্যক্তি তার সাথীকে বললো, তুমি আমার দুশমন অথবা বললো, সে তার বন্ধুত্ব থেকে দায়মুক্ত, তাদের একজন ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে গেলো। কায়েস (র) বলেন, পরে আবু জুহাইফা (রা) আমাকে অবহিত করেন যে, তারপর আবদুল্লাহ (রা) বলেছেন, তবে যে তওবা করে সে ব্যতীত।