📄 সালাম সম্পর্কচ্ছেদের কাফফারাস্বরূপ
১৯৩ - بَابُ إِنَّ السَّلَامَ يُجْزِءُ مِنَ الصَّرَمِ
১৯৩-অনুচ্ছেদ: সালাম সম্পর্কচ্ছেদের কাফফারাস্বরূপ।
৪১৫- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيِّ ﷺ يَقُولُ لَا يَحِلُّ لِرَجُلٍ أَنْ يَهْجُرَ مُؤْمِنًا فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ فَإِذَا مَرَّتْ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ فَلْيَلْقَهُ فَلْيُسَلَّمْ عَلَيْهِ فَإِنْ رَدَّ عَلَيْهِ السَّلَامَ فَقَدِ اشتَرَكَا فِي الْأَجْرِ وَإِنْ لَمْ يُرَدَّ عَلَيْهِ فَقَدْ بَرِئَ الْمُسْلِمُ مِنَ الْهِجْرَةِ.
৪১৫। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, আমি নবী (স)-কে বলতে শুনেছিঃ কোন ব্যক্তির জন্য কোন ঈমানদার ব্যক্তির সাথে তিন দিনের অধিক সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকা জায়েয নয়। তিন দিন অতিরিক্ত হওয়ার পর সে যেন তার সাথে সাক্ষাত করে তাকে সালাম দেয়। মুমিন ব্যক্তি তার সালামের জবাব দিলে তারা দু'জনই সওয়াবে অংশীদার হবে। আর তার সালামের উত্তর না দেয়া হলে সালামদাতা মুসলমান ব্যক্তি সম্পর্কচ্ছেদের গুনাহ থেকে মুক্ত হয়ে যাবে (দা)।
📄 উঠতি বয়সের যুবকদের পৃথক পৃথক রাখা
১৯৪ - بَابُ التَّفْرِقَةِ بَيْنَ الْأَحْدَاثِ
১৯৪-অনুচ্ছেদ: উঠতি বয়সের যুবকদের পৃথক পৃথক রাখা।
৪১৬- عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيْهِ كَانَ عُمَرُ يَقُولُ لِبَنِيْهِ إِذَا أَصْبَحْتُمْ فَتَبَدَّدُوا وَلَا تَجْتَمِعُوا فِي دَارٍ وَاحِدَةٍ فَإِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ أَنْ تَقَاطَعُوا أَوْ يَكُونُ بَيْنَكُمْ شَرٌّ.
৪১৬। সালিম ইবনে আবদুল্লাহ (র) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। উমার (রা) তার পুত্রদেরকে বলতেন, ভোর হলেই তোমরা পৃথক পৃথক হয়ে যাবে এবং এক ঘরে একত্র হবে না। কেননা আমার আশংকা হয়, না জানি তোমাদের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ বা কোন অঘটন ঘটে যায়।
📄 পরামর্শ না চাইতেই কেউ তার ভাইকে পরামর্শ দিলে
১৯৫ - بَابُ مَنْ أَشَارَ عَلَي أَخِيهِ وَإِنْ لَمْ يَسْتَشِرْهُ
১৯৫-অনুচ্ছেদ: পরামর্শ না চাইতেই কেউ তার ভাইকে পরামর্শ দিলে।
৪১৭- عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَأي رَاعِيًا وَغَنَمًا فِي مَكَانٍ قَشْحٍ وَرَأَي مَكَانًا أَمْثَلَ مِنْهُ فَقَالَ لَهُ وَيْحَكَ يَا رَاعِي حَوْلَهَا فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ كُلُّ رَاعٍ مَسْئُولٌ عَنْ رَاعِيَتِهِ
৪১৭। ইবনে উমার (রা) এক রাখালকে তার ছাগলসহ একটি তৃণলতাহীন স্থানে দেখতে পেলেন। তিনি তার চাইতে উত্তম একটি স্থানও দেখতে পেলেন। তিনি তাকে বলেন, হে রাখাল! তোমার জন্য দুঃখ হয়। এগুলো অন্যত্র নিয়ে যাও। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছিঃ "প্রত্যেক রাখালকে তার রাখালী সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে" (বু,মু,আ)।
📄 যে ব্যক্তি অবাঞ্ছিত দৃষ্টান্ত অপছন্দ করে
১৯৬ - بَابُ مَنْ كَرِهَ أَمْثَالَ السَّوْءِ
১৯৬-যে ব্যক্তি অবাঞ্ছিত দৃষ্টান্ত অপছন্দ করে।
৪১৮- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَيْسَ لَنَا مَثَلُ السَّوْءِ الْعَائِدُ فِي هَبَتِهِ كَالْكَلْبِ يَرْجِعُ فِي قَيْنِهِ.
৪১৮। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ আমাদের জন্য মন্দ দৃষ্টান্ত শোভনীয় নয়। যে ব্যক্তি দান করে তা ফেরত নেয় সে কুকুরতুল্য-যে বমি করে পুনরায় তা গলাধকরণ করে (বু,মু,তি, না)।