📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 মুসলমানের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ নিষিদ্ধ

📄 মুসলমানের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ নিষিদ্ধ


১৮৯ - বাব হিজরাতুল মুসলিম
১৮৯-অনুচ্ছেদ: মুসলমানের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ নিষিদ্ধ।
৩৯৯- عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكِ أَنْ رَسُولُ اللهِ ﷺ قَالَ لَا تَبَاغَضُوا وَلَا تَحَاسَدُوا وَلَا تَدَابَرُوا وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا وَلَا يَحِلُّ لِمُسْلِمِ أَنْ يُهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلَاثِ لَيَالٍ.
৩৯৯। আনাস ইবনে মালেক (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ তোমরা পরস্পরের প্রতি ঘৃণা-বিদ্বেষ পোষণ করো না, পরস্পর গোপনে শত্রুতা করো না এবং আল্লাহ্র বান্দাগণ! পরস্পর ভাই ভাই হয়ে যাও। কোন মুসলমানের জন্য তার অপর মুসলমান ভাইয়ের সাথে তিন রাতের অধিক সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকা জায়েয নয় (বু, মু, দা, তি, মা)।
৪০০- عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيُّ الْجُنْدَعِيُّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ لَا يَحِلُّ لِأَحَدٍ أَنْ يُهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلَاثَ لَيَالٍ يَلْتَقِيَانِ فَيَصُدُّ هَذَا وَيَصُدُّ هُذَا وَخَيْرُهُمَا الَّذِي يَبْدَأُ بِالسَّلَام .
৪০০। আতা ইবনে ইয়াযীদ আল-লাইসী আল-জুনদাই (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ কোন ব্যক্তির জন্য তার অপর ভাইয়ের সাথে তিন রাতের অধিক সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকা হালাল নয়। (অবস্থা এই যে,) তাদের দেখা-সাক্ষাত হলে একজন এদিকে এবং অপরজন ওদিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়। তাদের দু'জনের মধ্যে যে প্রথমে সালাম দেয় সে অপরের চেয়ে উত্তম (বু, মু, দা, তি, তা)।
৪০১- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَا تَبَاغَضُوا وَلَا تَنَافَسُوا وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا .
৪০১। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: তোমরা পরস্পর ঘৃণা-বিদ্বেষ পোষণ করো না, ঝগড়া-বিবাদ করো না এবং আল্লাহ্র বান্দাগণ! তোমরা ভাই ভাই হয়ে যাও (বু,মু)।
৪০২- عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ مَا تَوَادٌ إِثْنَانِ فِي اللَّهِ جَلٌ وَعَزَّ أَوْ فِي الْإِسْلَامِ فَيُفَرِّقُ بَيْنَهُمَا أَوَّلُ ذَنْبٍ يُحْدِثُهُ أَحَدُهُمَا .
৪০২। আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ দুই ব্যক্তি মহামহিম আল্লাহ্ জন্য অথবা ইসলামের সৌজন্যে পরস্পর ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর তাদের মধ্যকার কোন একজনের প্রথম অপরাধ তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটায় (আ)।
৪০৩- عَنْ هِشَامِ بْنِ عَامِرٍ الْأَنْصَارِي ابْنِ عَمَّ أَنَسِ بْنِ مَالِكَ وَكَانَ قُتِلَ أَبُوهُ يَوْمَ أَحُدٍ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ لا يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ تُصَارِمَ مُسْلِمًا فَوْقَ ثَلَاثَ فَإِنَّهُمَا نَاكِبَانِ عَنِ الْحَقِّ مَا دَامَا عَلَى صُرَامِهمَا وَأَنَّ أَوَّلَهُمَا فَيْنَا يَكُونُ كَفَّارَةً عَنْهُ سَبْقُهُ بالْفَيْئ وَانْ مَاتَا عَلَى صُرَامِهمَا لَمْ يَدْخُلاَ الْجَنَّةَ جَمِيعًا أَبَدًا وَإِنْ سَلَّمَ عَلَيْهِ فَأَبِي أَنْ يُقْبَلَ تَسْلِيمَهُ وَسَلَامَهُ رَدُّ عَلَيْهِ الْمَلَكُ وَرَدَّ عَلَى الْآخَرِ الشَّيْطَانُ.
৪০৩। আনাস ইবনে মালেক (রা)-র চাচাতো ভাই হিশাম ইবনে আমের আল-আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত। তার পিতা উহুদের যুদ্ধের দিন শহীদ হন। তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছেনঃ কোন মুসলমানের জন্য অপর মুসলমানের সাথে তিন দিনের অধিক সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকা জায়েয নয়। তারা যাবত সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকবে, তাবৎ তারা সত্য বিমুখ বলে গণ্য হবে। তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি প্রথম কথা বলার উদ্যোগ নিবে তার সেই উদ্যোগ তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহের কাফ্ফারাস্বরূপ হবে। আর যদি তারা এরূপ সম্পর্কচ্ছেদ অবস্থায় মারা যায় তবে তারা কখনও একত্রে বেহেশতে যেতে পারবে না। যদি তাদের একজন অপরজনকে সালাম করে, আর সে তা গ্রহণ করতে রাজী না হয়, তবে একজন ফেরেশতা তার সালামের জবাব দেন, আর অপরজনকে দেয় শয়তান।
৪০৪- عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِنِّي لَأَعْرِفُ غَضَبَكَ وَرِضَاكَ قَالَتْ قُلْتُ وَكَيْفَ تَعْرِفُ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللهِ قَالَ إِنَّكَ إِذَا كُنْتِ رَاضِيَةٌ قُلْتِ بَلِي وَرَبِّ مُحَمَّدٍ وَإِذَا كُنْتِ سَاخِطَةٌ قُلَتِ لا وَرَبِّ إِبْرَاهِيمَ قَالَتْ قُلْتُ أَجَلَّ لَسْتُ أَهَاجِرُ إِلَّا إِسْمَكَ.
৪০৪। আয়েশা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বললেনঃ আমি তোমার সন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টি অবশ্যই বুঝতে পারি। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি কেমন করে তা বুঝেন? তিনি বলেনঃ যখন তুমি সন্তুষ্ট থাকো তখন বলো, হাঁ, মুহাম্মাদের প্রভুর শপথ। আর যখন তুমি অসন্তুষ্ট থাকো তখন বলো, না, ইবরাহীমের প্রভুর শপথ। আমি বললাম, হাঁ, আমি তখন আপনার নামটাই কেবল পরিহার করি।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 যে ব্যক্তি বছরব্যাপী তার ভাইয়ের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকে

📄 যে ব্যক্তি বছরব্যাপী তার ভাইয়ের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকে


১৯০ - بَابُ مَنْ هَجَرَ أَخَاهُ سَنَةً
১৯০-অনুচ্ছেদ: যে ব্যক্তি বছরব্যাপী তার ভাইয়ের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকে।
৪০৫- عَنْ أَبِي خِرَاشِ السُّلَمِيِّ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ مَنْ هَجَرَ أَخَاهُ سَنَةً فَهُوَ بِسَفَكِ دَمِهِ.
৪০৫। আবু খিরাশ আস-সুলামী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছেনঃ যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সাথে এক বছর ধরে সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকে, সে যেন তাকে হত্যা করলো (দা, আ, হা)।
৪০৬- عَنْ عِمْرَانَ ابْنِ أَبِي أَنَسٍ أَنَّ رَجُلًا مِّنْ أَسْلَمَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ﷺ حَدَّثَهُ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ هَجْرَةُ الْمُؤْمِنِ سَنَةً كَدَمَه وَفِي المَجْلِسِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي عِتَابٍ فَقَالَا قَدْ سَمِعْنَا هُذَا عَنْهُ .
৪০৬। ইমরান ইবনে আবু আনাস (র) থেকে বর্ণিত। আসলাম গোত্রীয় মহানবী (স)-এর জনৈক সাহাবী তার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ "কোন ঈমানদার ব্যক্তির সাথে এক বছর ধরে সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকা তাকে হত্যা করার সমতুল্য"। সেই মজলিসে মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির এবং আবদুল্লাহ ইবনে আবু ইতাবও উপস্থিত ছিলেন। তারা বলেন, আমরাও সেই সাহারীর নিকট এ হাদীস শুনেছি (দা,আ, হা)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 দুই সম্পর্কচ্ছেদকারী

📄 দুই সম্পর্কচ্ছেদকারী


১৯১ - بَابُ الْمُتَهَجِرَيْنِ
১৯১-অনুচ্ছেদ: দুই সম্পর্কচ্ছেদকারী।
৪০৭- عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ لَا يَحِلُّ لِمُسْلِمِ أَنْ يُهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ يَلْتَقِيَانِ فَيَعْرِضُ هُذَا وَيَعْرِضُ هَذَا وَخَيْرُهُمَا الَّذِي يَبْدَأُ بِالسَّلَامِ.
৪০৭। আবু আইউب আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ কোন লোকের জন্য তার (মুসলমান) ভাইকে এভাবে পরিত্যাগ করা (কথাবার্তা না বলা) বৈধ নয় যে, উভয়ের সাক্ষাত হলে একে অপরের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে। তাদের দু'জনের মধ্যে উত্তম সেইজন যে সালাম দ্বারা (কথাবার্তার) সূচনা করে।
৪০৮- عَنْ هِشَامِ بْنِ عَامِرٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ لَا يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ يُصَارِمُ مُسْلِمًا فَوْقَ ثَلَاثَ لَيَالٍ فَإِنَّهُمَا مَا صَارِمًا فَوْقَ ثَلاثِ لَيَالٍ فَإِنَّهُمَا نَاكِبَانِ عَنِ الْحَقِّ مَا دَامَا عَلَي صُرَامِهِمَا وَإِنْ أَوَّلَهُمَا فَيْنَا يَكُونُ كَفَّارَةٌ لَهُ سَبْقُهُ بِالْفَيْنِ وَإِنَّ هُمَا مَاتَا علي صرامهمَا لَمْ يَدْخُلَا الْجَنَّةَ جَمِيعًا.
৪০৮। হিশাম ইবনে আমের আল-আনসারী (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছিঃ কোন মুসলমানের জন্য অপর মুসলমানের সাথে তিন দিনের অধিক সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকা জায়েয নয়। তারা যাবত সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকবে তাবৎ তারা সত্য বিমুখ বলে গণ্য হবে। তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি প্রথম কথা বলার উদ্যোগ নিবে, তার সেই উদ্যোগ তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহের কাফ্ফারাস্বরূপ হবে। আর যদি তারা এইরূপ সম্পর্কচ্ছেদ অবস্থায় মারা যায় তবে তারা কখনও একত্রে বেহেশতে যেতে পারবে না (আ,হি)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 শত্রুতা

📄 শত্রুতা


১৯২-বাবুশ্‌ শাহ্‌না
১৯২-অনুচ্ছেদ: শত্রুতা।
৪০৯- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ لا تَبَاغَضُوا وَلَا تَحَاسَدُوا وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ اخْوَانًا .
৪০৯। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ তোমরা পরস্পর ঘৃণা-বিদ্বেষ পোষণ করো না এবং আল্লাহ্‌র বান্দাগণ! তোমরা ভাই ভাই হয়ে যাও (বু,মু)।
৪১০- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ تَجِدُ مِنْ شَرِّ النَّاسِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عِنْدَ اللهِ ذَا الْوَجْهَيْنِ الَّذِي يَأْتِي هُؤُلَاءِ بِوَجْهِ وَهُؤُلَاءِ بِوَجْهِ .
৪১০। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ কিয়ামতের দিন তুমি দ্বিমুখী চরিত্রের লোককে আল্লাহ্‌র নিকট নিকৃষ্টরূপে দেখতে পাবে, যে এদের কাছে এক চেহারা নিয়ে আসে এবং অন্যদের কাছে ভিন্ন চেহারা (চরিত্র) নিয়ে আসে (বু, মু, দা, তি)।
৪১১- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهُ ﷺ إِيَّاكُمْ وَالظَّنَّ فَإِنَّ الظَّنَّ أَكْذَبُ الحَدِيث وَلَا تَنَاجَشُوا وَلَا تَحَاسَدُوا وَلَا تَبَاغَضُوا وَلَا تَفَاسَدُوا وَلَا تَدَابَرُوا وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا .
৪১১। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: সাবধান! তোমরা কুধারণা পোষণ করা থেকে বিরত থাকবে। কেননা কুধারণা হলো ডাহা মিথ্যা। তোমরা নকল ক্রেতা সেজে আসল ক্রেতাকে প্রতারিত করার উদ্দেশ্যে পণ্যের দরদাম করো না, ঘৃণা-বিদ্বেষ পোষণ করো না, অসাক্ষাতে দোষচর্চা করো না, হিংসা ও ঘৃণা-বিদ্বেষ পোষণ করো না। আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে যাও (বু,মু,ই)।
৪১২- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنْ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ تُفْتَحُ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ يَوْمَ الْاثْنَيْنِ وَيَوْمَ الْخَمِيسِ فَيُغْفَرُ لِكُلِّ عَبْدٍ لا يُشْرِكُ بِاللهِ شَيْئًا إِلَّا رَجُلٌ كَانَتْ بَيْنَهُ وَبَيْنَ أخيهِ شَحْنَاءُ فَيُقَالُ أَنْظُرُوا هُدَيْنِ حَتَّى يَصْطَلِحَا أَنْظُرُوا هُدَيْنِ حَتَّى يَصْطَلِحَا أَنْظُرُوا هُدَيْنِ حَتَّى يَصْطَلِحَا .
৪১২। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করা হয়। এরপর এমন সব বান্দাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয় যারা আল্লাহ্‌র সাথে শরীক করে না। তবে সে ব্যক্তিকে নয় যার ভাই ও তার মধ্যে শত্রুতা বিদ্যমান। বলা হয়, এই দু'জনকে আপোষ-রক্ষা করার জন্য অবকাশ দাও। এই দু'জনকে আপোষ-রফা করার জন্য অবকাশ দাও; এই দু'জনকে আপোষ-রফার জন্য অবকাশ দাও (মু,তি,ই,মা, হি)।
৪১৩- عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ يَقُولُ أَلَا أُحَدِّثُكُمْ بِمَا هُوَ خَيْرٌ لَكُمْ مِّنَ الصَّدَقَةِ وَالصَّيَامِ صلاح ذاتِ البَيْنِ أَلَا وَإِنَّ الْبَغْضَةَ هِيَ الْحَالِقَةُ.
৪১৩। আবু দারদা (রা) বলেন, আমি কি তোমাদেরকে এমন কথা বলবো না যা দান-খয়রাত ও রোযার তুলনায় উত্তম? তা হলো মানুষের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা করে দেয়া। সাবধান! ঘৃণা-বিদ্বেষ ধ্বংসাত্মক।
৪১৪- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ ثَلاثَ مَنْ لَمْ يَكُنْ فِيْهِ غُفِرَ لَهُ مَا سِوَاهُ لِمَنْ شَاءَ مَنْ مَاتَ لَا يُشْرِكُ بِاللهِ شَيْئًا وَلَمْ يَكُنْ سَاجِرًا يَتْبَعُ السَّحَرَةَ وَلَم يَحْقَدْ عَلَي أخيه .
৪১৪। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ কোন ব্যক্তির মধ্যে তিনটি পাপাচার না থাকলে যাকে ইচ্ছা তার অন্য গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হবে। (১) যে ব্যক্তি আল্লাহ্র সাথে কিছু শরীক না করে মারা গেলো, (২) সে যাদু চর্চাকারী ছিলো না এবং (৩) সে তার কোন (মুসলমান) ভাইয়ের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করেনি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00