📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 কারো সম্পর্কচ্ছেদ করা

📄 কারো সম্পর্কচ্ছেদ করা


১৮৮ - بَابُ هِجْرَةِ الرَّجُلِ
১৮৮-অনুচ্ছেদ: কারো সম্পর্কচ্ছেদ করা।
৩৯৮- عَنْ عَوْفِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ الطُّفَيْلِ وَهُوَ ابْنُ أَخِي عَائِشَةَ لِأُمِّهَا أَنْ عَائِشَةَ حَدَّثَتْ أَنَّ عَبْدًا لِلَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ قَالَ فِي بَيْعِ أَوْ عَطَاءٍ أَعْطَتْهُ عَائِشَةُ وَاللَّهِ لَتَنْتَهِيَنَّ عَائِشَةُ أَوْ لَأَحْجُرَنَّ عَلَيْهَا فَقَالَتْ أَهُوَ قَالَ هُذَا قَالُوا نَعَمْ قَالَتْ عَائِشَةُ هُوَ اللَّهِ عَلَيَّ نَدْرٌ أَنْ لَا أَكَلَّمَ ابْنَ الزُّبَيْرِ أَبَداً فَاسْتَشْفَعَ ابْنُ الزُّبَيْرِ بالمُهَاجِرِينَ حِيْنَ طَالَتْ هَجْرَتُهَا إِيَّاهُ فَقَالَتْ وَاللهِ لَا أَشَفَعُ فِيْهِ أَحَدًا أَبَداً وَلَا تَتَحَنْتُ إِلَي نَدْرِي فَلَمَّا طَالَ ذَلِكَ عَلَي ابْنِ الزُّبَيْرِ كَلَّمَ الْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ وَعَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْأَسْوَدِ بْنِ عَبْدِ يَغُوْتَ وَهُمَا مِنْ بَنِي زُهْرَةً فَقَالَ لَهُمَا أَنْشُدُكُمَا بِاللَّهِ لَمَّا أَدْخَلْتُمَانِي عَلَي عَائِشَةَ فَإِنَّهَا لَآيَحِلُّ لَهَا أَنْ
৩৯৮। আওফ ইবনুল হারিস (র) থেকে বর্ণিত। আয়েশা (রা) বর্ণনা করেন যে, তার কোন একটি জিনিস বিক্রয় বা দান করার ব্যাপারে আবদুল্লাহ ইবনুষ যুবাইর (রা) বললেন, আল্লাহ্র কসম! হয় আয়েশা (রা) এ কাজ থেকে বিরত থাকবেন, নয়তো আমি তাকে সম্পদ দানের অযোগ্য ঘোষণা করবো। আয়েশা (রা) জিজ্ঞেস করলেন, সত্যিই কি সে এ ধরনের কথা বলেছে? লোকেরা বললো, হাঁ। আয়েশা (রা) বলেন, আল্লাহর নামে শপথ করছি যে, আমি ইবনুষ যুবাইরের সাথে কখনো কথা বলবো না। এ বিচ্ছেদকাল দীর্ঘায়িত হলে ইবনুষ যুবাইর (রা) আয়েশা (রা)-এর নিকট মধ্যস্থতাকারী পাঠান। কিন্তু আয়েশা (রা) বলেন, আল্লাহ্র কসম! আমি কখনো কারো সুপারিশ গ্রহণ করবো না এবং আমি আমার শপথও ভঙ্গ করবো না। ব্যাপারটি ইবনুয যুবাইর (রা)-এর জন্য দীর্ঘায়িত হলে তিনি মিসওয়ার ইবনে মাখরামা ও আবদুর রহমান ইবনুল আসওয়াদ ইবনে আবদে ইয়াগূসের সাথে কথা বলেন। তারা দু'জন বনু যোহরার লোক ছিলেন। ইবনুয যুবাইর (রা) তাদেরকে বলেন, তোমাদের দু'জনকে আল্লাহর দোহাই দিচ্ছি, আমাকে তোমরা আয়েশা (রা)-এর সামনে পৌছিয়ে দাও। কেননা আমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার মানত মানা তার জন্য জায়েয হয়নি। অতএব মিসওয়ার ও আবদুর রহমান (রা) চাদর গায়ে জড়িয়ে ইবনুষ যুবাইর (রা)-কে সাথে নিয়ে চললেন। শেষ পর্যন্ত দু'জনে আয়েশা (রা)-এর কাছে প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। দু'জন বলেন, আসসালামু আলাইকে ওয়া রাহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহু! আমরা কি ভেতরে আসতে পারি? তিনি বলেন, হাঁ, আসো। তারা বলেন, হে উম্মুল মুমিনীন! আমরা সবাই কি ভেতরে আসতে পারি? আয়েশা বলেন, হাঁ সবাই আসো। আয়েশা (রা) জানতেন না যে, তাদের সাথে ইবনুয যুবাইর (রা)-ও আছেন। তারা ভেতরে প্রবেশ করলে ইবনুয যুবাইর (রা) পর্দার ভেতর গিয়ে আয়েশা (রা)-কে জড়িয়ে ধরে আল্লাহ্র দোহাই দিতে লাগলেন এবং কাঁদতে শুরু করলেন। মিসওয়ার ও আবদুর রহমানও তাঁকে আল্লাহর দোহাই দিয়ে ইবনুয যুবাইর (রা)-এর সাথে কথা বলতে এবং তার ওজর ও অনুশোচনা গ্রহণ করতে বলেন। তারা দু'জন বলেন, আপনি তো জানেন, নবী (স) সালাম-কালাম ও দেখা-সাক্ষাত বন্ধ করে দিতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেনঃ "কোন মুসলমানের জন্য তার মুসলমান ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশী দেখা-সাক্ষাত ও সালাম-কালাম বন্ধ রাখা জায়েয নয়"। তারা দু'জন যখন এভাবে
আয়েশা (রা)-কে বুঝালেন এবং বারবার এর ক্ষতিকর দিক স্মরণ করিয়ে দিলেন তখন তিনিও কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি (কথা না বলার) মানত ও শপথ করে ফেলেছি এবং অনেক কঠিন মানত। কিন্তু তারা দু'জন বরাবর তাকে বুঝাতে থাকেন, যতক্ষণ না তিনি ইবনুয যুবাইরের সাথে কথা বলেন। অতঃপর আয়েশা (রা) তার শপথ ভঙ্গের কাফফারা হিসেবে চল্লিশজন গোলাম আযাদ করেন। এরপর যখনই এ মানতের কথা তার স্মরণ হতো তখনই তিনি কাঁদতেন, এমনকি তার চোখের পানিতে তার ওড়না ভিজে যেতো (বু, মু, দা, আ)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 মুসলমানের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ নিষিদ্ধ

📄 মুসলমানের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ নিষিদ্ধ


১৮৯ - বাব হিজরাতুল মুসলিম
১৮৯-অনুচ্ছেদ: মুসলমানের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ নিষিদ্ধ।
৩৯৯- عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكِ أَنْ رَسُولُ اللهِ ﷺ قَالَ لَا تَبَاغَضُوا وَلَا تَحَاسَدُوا وَلَا تَدَابَرُوا وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا وَلَا يَحِلُّ لِمُسْلِمِ أَنْ يُهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلَاثِ لَيَالٍ.
৩৯৯। আনাস ইবনে মালেক (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ তোমরা পরস্পরের প্রতি ঘৃণা-বিদ্বেষ পোষণ করো না, পরস্পর গোপনে শত্রুতা করো না এবং আল্লাহ্র বান্দাগণ! পরস্পর ভাই ভাই হয়ে যাও। কোন মুসলমানের জন্য তার অপর মুসলমান ভাইয়ের সাথে তিন রাতের অধিক সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকা জায়েয নয় (বু, মু, দা, তি, মা)।
৪০০- عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيُّ الْجُنْدَعِيُّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ لَا يَحِلُّ لِأَحَدٍ أَنْ يُهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلَاثَ لَيَالٍ يَلْتَقِيَانِ فَيَصُدُّ هَذَا وَيَصُدُّ هُذَا وَخَيْرُهُمَا الَّذِي يَبْدَأُ بِالسَّلَام .
৪০০। আতা ইবনে ইয়াযীদ আল-লাইসী আল-জুনদাই (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ কোন ব্যক্তির জন্য তার অপর ভাইয়ের সাথে তিন রাতের অধিক সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকা হালাল নয়। (অবস্থা এই যে,) তাদের দেখা-সাক্ষাত হলে একজন এদিকে এবং অপরজন ওদিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়। তাদের দু'জনের মধ্যে যে প্রথমে সালাম দেয় সে অপরের চেয়ে উত্তম (বু, মু, দা, তি, তা)।
৪০১- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَا تَبَاغَضُوا وَلَا تَنَافَسُوا وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا .
৪০১। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: তোমরা পরস্পর ঘৃণা-বিদ্বেষ পোষণ করো না, ঝগড়া-বিবাদ করো না এবং আল্লাহ্র বান্দাগণ! তোমরা ভাই ভাই হয়ে যাও (বু,মু)।
৪০২- عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ مَا تَوَادٌ إِثْنَانِ فِي اللَّهِ جَلٌ وَعَزَّ أَوْ فِي الْإِسْلَامِ فَيُفَرِّقُ بَيْنَهُمَا أَوَّلُ ذَنْبٍ يُحْدِثُهُ أَحَدُهُمَا .
৪০২। আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ দুই ব্যক্তি মহামহিম আল্লাহ্ জন্য অথবা ইসলামের সৌজন্যে পরস্পর ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর তাদের মধ্যকার কোন একজনের প্রথম অপরাধ তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটায় (আ)।
৪০৩- عَنْ هِشَامِ بْنِ عَامِرٍ الْأَنْصَارِي ابْنِ عَمَّ أَنَسِ بْنِ مَالِكَ وَكَانَ قُتِلَ أَبُوهُ يَوْمَ أَحُدٍ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ لا يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ تُصَارِمَ مُسْلِمًا فَوْقَ ثَلَاثَ فَإِنَّهُمَا نَاكِبَانِ عَنِ الْحَقِّ مَا دَامَا عَلَى صُرَامِهمَا وَأَنَّ أَوَّلَهُمَا فَيْنَا يَكُونُ كَفَّارَةً عَنْهُ سَبْقُهُ بالْفَيْئ وَانْ مَاتَا عَلَى صُرَامِهمَا لَمْ يَدْخُلاَ الْجَنَّةَ جَمِيعًا أَبَدًا وَإِنْ سَلَّمَ عَلَيْهِ فَأَبِي أَنْ يُقْبَلَ تَسْلِيمَهُ وَسَلَامَهُ رَدُّ عَلَيْهِ الْمَلَكُ وَرَدَّ عَلَى الْآخَرِ الشَّيْطَانُ.
৪০৩। আনাস ইবনে মালেক (রা)-র চাচাতো ভাই হিশাম ইবনে আমের আল-আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত। তার পিতা উহুদের যুদ্ধের দিন শহীদ হন। তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছেনঃ কোন মুসলমানের জন্য অপর মুসলমানের সাথে তিন দিনের অধিক সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকা জায়েয নয়। তারা যাবত সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকবে, তাবৎ তারা সত্য বিমুখ বলে গণ্য হবে। তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি প্রথম কথা বলার উদ্যোগ নিবে তার সেই উদ্যোগ তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহের কাফ্ফারাস্বরূপ হবে। আর যদি তারা এরূপ সম্পর্কচ্ছেদ অবস্থায় মারা যায় তবে তারা কখনও একত্রে বেহেশতে যেতে পারবে না। যদি তাদের একজন অপরজনকে সালাম করে, আর সে তা গ্রহণ করতে রাজী না হয়, তবে একজন ফেরেশতা তার সালামের জবাব দেন, আর অপরজনকে দেয় শয়তান।
৪০৪- عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِنِّي لَأَعْرِفُ غَضَبَكَ وَرِضَاكَ قَالَتْ قُلْتُ وَكَيْفَ تَعْرِفُ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللهِ قَالَ إِنَّكَ إِذَا كُنْتِ رَاضِيَةٌ قُلْتِ بَلِي وَرَبِّ مُحَمَّدٍ وَإِذَا كُنْتِ سَاخِطَةٌ قُلَتِ لا وَرَبِّ إِبْرَاهِيمَ قَالَتْ قُلْتُ أَجَلَّ لَسْتُ أَهَاجِرُ إِلَّا إِسْمَكَ.
৪০৪। আয়েশা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বললেনঃ আমি তোমার সন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টি অবশ্যই বুঝতে পারি। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি কেমন করে তা বুঝেন? তিনি বলেনঃ যখন তুমি সন্তুষ্ট থাকো তখন বলো, হাঁ, মুহাম্মাদের প্রভুর শপথ। আর যখন তুমি অসন্তুষ্ট থাকো তখন বলো, না, ইবরাহীমের প্রভুর শপথ। আমি বললাম, হাঁ, আমি তখন আপনার নামটাই কেবল পরিহার করি।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 যে ব্যক্তি বছরব্যাপী তার ভাইয়ের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকে

📄 যে ব্যক্তি বছরব্যাপী তার ভাইয়ের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকে


১৯০ - بَابُ مَنْ هَجَرَ أَخَاهُ سَنَةً
১৯০-অনুচ্ছেদ: যে ব্যক্তি বছরব্যাপী তার ভাইয়ের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকে।
৪০৫- عَنْ أَبِي خِرَاشِ السُّلَمِيِّ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ مَنْ هَجَرَ أَخَاهُ سَنَةً فَهُوَ بِسَفَكِ دَمِهِ.
৪০৫। আবু খিরাশ আস-সুলামী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছেনঃ যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সাথে এক বছর ধরে সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকে, সে যেন তাকে হত্যা করলো (দা, আ, হা)।
৪০৬- عَنْ عِمْرَانَ ابْنِ أَبِي أَنَسٍ أَنَّ رَجُلًا مِّنْ أَسْلَمَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ﷺ حَدَّثَهُ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ هَجْرَةُ الْمُؤْمِنِ سَنَةً كَدَمَه وَفِي المَجْلِسِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي عِتَابٍ فَقَالَا قَدْ سَمِعْنَا هُذَا عَنْهُ .
৪০৬। ইমরান ইবনে আবু আনাস (র) থেকে বর্ণিত। আসলাম গোত্রীয় মহানবী (স)-এর জনৈক সাহাবী তার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ "কোন ঈমানদার ব্যক্তির সাথে এক বছর ধরে সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকা তাকে হত্যা করার সমতুল্য"। সেই মজলিসে মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির এবং আবদুল্লাহ ইবনে আবু ইতাবও উপস্থিত ছিলেন। তারা বলেন, আমরাও সেই সাহারীর নিকট এ হাদীস শুনেছি (দা,আ, হা)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 দুই সম্পর্কচ্ছেদকারী

📄 দুই সম্পর্কচ্ছেদকারী


১৯১ - بَابُ الْمُتَهَجِرَيْنِ
১৯১-অনুচ্ছেদ: দুই সম্পর্কচ্ছেদকারী।
৪০৭- عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ لَا يَحِلُّ لِمُسْلِمِ أَنْ يُهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ يَلْتَقِيَانِ فَيَعْرِضُ هُذَا وَيَعْرِضُ هَذَا وَخَيْرُهُمَا الَّذِي يَبْدَأُ بِالسَّلَامِ.
৪০৭। আবু আইউب আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ কোন লোকের জন্য তার (মুসলমান) ভাইকে এভাবে পরিত্যাগ করা (কথাবার্তা না বলা) বৈধ নয় যে, উভয়ের সাক্ষাত হলে একে অপরের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে। তাদের দু'জনের মধ্যে উত্তম সেইজন যে সালাম দ্বারা (কথাবার্তার) সূচনা করে।
৪০৮- عَنْ هِشَامِ بْنِ عَامِرٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ لَا يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ يُصَارِمُ مُسْلِمًا فَوْقَ ثَلَاثَ لَيَالٍ فَإِنَّهُمَا مَا صَارِمًا فَوْقَ ثَلاثِ لَيَالٍ فَإِنَّهُمَا نَاكِبَانِ عَنِ الْحَقِّ مَا دَامَا عَلَي صُرَامِهِمَا وَإِنْ أَوَّلَهُمَا فَيْنَا يَكُونُ كَفَّارَةٌ لَهُ سَبْقُهُ بِالْفَيْنِ وَإِنَّ هُمَا مَاتَا علي صرامهمَا لَمْ يَدْخُلَا الْجَنَّةَ جَمِيعًا.
৪০৮। হিশাম ইবনে আমের আল-আনসারী (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছিঃ কোন মুসলমানের জন্য অপর মুসলমানের সাথে তিন দিনের অধিক সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকা জায়েয নয়। তারা যাবত সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকবে তাবৎ তারা সত্য বিমুখ বলে গণ্য হবে। তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি প্রথম কথা বলার উদ্যোগ নিবে, তার সেই উদ্যোগ তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহের কাফ্ফারাস্বরূপ হবে। আর যদি তারা এইরূপ সম্পর্কচ্ছেদ অবস্থায় মারা যায় তবে তারা কখনও একত্রে বেহেশতে যেতে পারবে না (আ,হি)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00