📘 আল আদাবুল মুফরাদ 📄 লোকের মধ্যে সদ্ভাব সৃষ্টি করা

📄 লোকের মধ্যে সদ্ভাব সৃষ্টি করা


১৭৯ - بَابُ يَنْمِي خَيْرًا بَيْنَ النَّاسِ
১৭৯-অনুচ্ছেদ: লোকের মধ্যে সদ্ভাব সৃষ্টি করা।
৩৮৬- عَنْ أَمْ كُلْثُومٍ ابْنَةِ عُقْبَةَ بْنِ أَبِي مُعِيطَ أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ لَيْسَ الْكَذَّابُ الَّذِي يُصْلِحُ بَيْنَ النَّاسِ فَيَقُولُ خَيْرًا أَوْ يَنْمِي خَيْرًا قَالَتْ وَلَمْ أَسْمَعْهُ يُرَخْصُ فِي شَيْءٍ مِّمَّا يَقُولُ النَّاسُ مِنَ الْكَذِبِ إِلا فِي ثَلَاثَ الْإِصْلَاحُ بَيْنَ النَّاسِ وَحَدِيثُ الرَّجُلِ امْرَأَتَهُ وَحَدِيثُ الْمَرْأَةِ زَوْجَهَا .
৩৮৬। উম্মু কুলসুম (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছেনঃ যে ব্যক্তি লোকজনের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা করে দেয় এবং কল্যাণকর কথা বলে বা কল্যাণকর ব্যবস্থার উন্নয়ন করে, সে মিথ্যুক নয়। উম্মু কুলসুম (রা) আরো বলেন, আমি তিনটি ক্ষেত্র ছাড়া আর কোন ব্যাপারে নবী করীম (স)-কে কাউকে মিথ্যা বলার অনুমতি দিতে শুনিনি: (১) লোকজনের মধ্যে আপোষ-রফা করতে, (২) স্ত্রীর নিকট স্বামীর কথায় এবং (৩) স্বামীর নিকট স্ত্রীর কথায় (বু, মু, দা, তি, না)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ 📄 মিথ্যা কথন বর্জনীয়

📄 মিথ্যা কথন বর্জনীয়


১৮ - بَابُ لَا يَصْلُحُ الْكَذِبُ
১৮০-অনুচ্ছেদ: মিথ্যা কথন বর্জনীয়।
৩৮৭- عَبْدِ اللهِ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ عَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ فَإِنَّ الصِّدْقَ يَهْدِي إِلَي البرِّ وَإِنَّ الْبرِّ يَهْدِي الي الْجَنَّةِ وَأَنَّ الرَّجُلَ يُصَدِّقُ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللَّهِ صَدِّيقًا وَأَيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ فَإِنَّ الْكَذِبَ يَهْدِي إِلَى الْفُجُورِ وَالْفُجُورُ يَهْدِي إِلَى النَّارِ وَإِنَّ الرَّجُلَ لَيَكْذِبُ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللهِ كَذَّابًا .
৩৮৭। আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ তোমরা অবশ্যই সত্যের ধারক হবে। কেননা সত্যবাদিতা কল্যাণের দিকে পথ দেখায় এবং কল্যাণ জান্নাতের দিকে পথ দেখায়। কোন ব্যক্তি সত্যবাদিতা অবলম্বন করে শেষ পর্যন্ত আল্লাহর দরবারে পরম সত্যাশ্রয়ী বলে তালিকাভুক্ত হয়। সাবধান! তোমরা মিথ্যা পরিহার করবে। কেননা মিথ্যা পাপাচারের দিকে চালিত করে এবং পাপাচার জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। কোন ব্যক্তি মিথ্যাচার অবলম্বন করে এবং শেষ পর্যন্ত আল্লাহ্র দরবারে চরম মিথ্যাবাদীর তালিকাভুক্ত হয় (বু, মু, দা, তি)।
৩৮৮- عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ لَا يَصْلُحُ الكَذِبُ فِي جَدُّ وَلَا هَزْلٍ وَلَا أَنْ يُعِدَ أَحَدُكُمْ وَلَدَهُ شَيْئًا ثُمَّ لَا يُنْجِزُ لَهُ .
২৮৮। আবদুল্লাহ (রা) বলেন, মিথ্যা বাস্তবিকপক্ষেও নয় এবং ঠাট্টাচ্ছলেও সংগত নয়। তোমাদের কেউ তার সন্তানকে কিছু দেয়ার ওয়াদা করে তা তাকে না দেয়ার বিষয়টিও সংগত নয়।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ 📄 যে ব্যক্তি জনগণের উৎপাতে ধৈর্য ধারণ করে

📄 যে ব্যক্তি জনগণের উৎপাতে ধৈর্য ধারণ করে


১৮১ - بَابُ الَّذِي يَصْبِرُ عَلَي أَذَي النَّاسِ
১৮১-অনুচ্ছেদ: যে ব্যক্তি জনগণের উৎপাতে ধৈর্য ধারণ করে।
৩৮৯- عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ اللهِ قَالَ الْمُؤْمِنُ الَّذِي يُخَالِطُ النَّاسَ وَيَصْبِرُ عَلَي آذَا هُمْ خَيْرٌ مِّنَ الَّذِي لَا يُخَالِطُ النَّاسَ وَلَا يَصْبِرُ عَلَى أَذَاهُمْ.
৩৮৯। ইবনে উমার (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ যে ঈমানদার ব্যক্তি জনগণের সাথে মেলামেশা করে এবং তাদের উৎপাত সহ্য করে সে—যে ব্যক্তি মানুষের সাথে মেলামেশাও করে না এবং তাদের উৎপাতও সহ্য করে না, তার চেয়ে উত্তম (তি, না, ই, আ)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ 📄 উৎপাত সহ্য করা

📄 উৎপাত সহ্য করা


১৮২ - بَابُ الصَّبْرِ عَلَي الْأَذِي
১৮২-অনুচ্ছেদ: উৎপাত সহ্য করা।
৩৯০- عَنْ أَبِي مُوسي عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَيْسَ أَحَدٌ أَوْ لَيْسَ شَيْئً أَصْبَرَ عَلَي أَذًي يُسْمَعُهُ مِنَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ أَنَّهُمْ لَيَدْعُوْنَ لَهُ وَلَدًا وَأَنَّهُ لَيُعَافِيهِمْ وَيَرْزُقَهُمْ .
৩৯০। আবু মূসা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: কষ্টদায়ক কিছু শোনার পরও ধৈর্য ধারণের ব্যাপারে মহামহিম আল্লাহ্ চেয়ে অধিক ধৈর্যশীল আর কেউ বা কিছু নাই। লোকে তাঁর সন্তান আছে বলে দাবি করে। এতদসত্ত্বেও তিনি তাদেরকে নিরাপদ রাখেন এবং রিযিক দান করেন (বু,মু,না,ই)।
৩৯১- قَالَ عَبْدُ اللَّهِ قَسَمَ النَّبِيُّ الله قِسْمَةً كَبَعْضٍ مَا كَانَ يَقْسِمُ فَقَالَ رَجُلٌ مِّنَ الْأَنْصَارِ وَالله أَنَّهَا قَسْمَةً مَا أُريدَ بهَا وَجْهَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ قُلْتُ أَنَا لَأَقُولُنَّ لِلنَّبِيِّ فَآتَيْتُهُ وَهُوَ فِي أَصْحَابِهِ فَسَارَرْتُهُ فَشَقَّ ذَلِكَ عَلَيْهِ وَتَغَيَّرَ وَجْهُهُ وَغَضِبَ حَتَّي وَدِدْتُ أَنِّي لَمْ أَكُنْ أَخْبَرْتُهُ ثُمَّ قَالَ قَدْ أُوذِيَ مُوسَى بِأَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ فَصَبَرَ.
৩৯১। আবদুল্লাহ (রা) বলেন, নবী (স) কিছু মাল বণ্টন করলেন, সাধারণত যেভাবে তিনি বণ্টন করতেন। আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি বললো, আল্লাহ্র শপথ! এটা এমন বণ্টন যাতে মহামহিম আল্লাহ্র সন্তুষ্টি লাভের অভিপ্রায় অনুপস্থিত। আমি মনে মনে বললাম, আমি অবশ্যই নবী (স)-কে বলবো। আমি তাঁর নিকট আসলাম। তিনি তখন তাঁর সাহাবী পরিবেষ্টিত ছিলেন। আমি তাঁকে নীরবে তা বললাম। এতে তাঁর মনোকষ্ট হলো এবং তাঁর চেহারা পরিবর্তিত হয়ে গেলো। তিনি এতো অসন্তুষ্ট হলেন যে, আমি মনে মনে বললাম, যদি আমি তা তাঁকে অবগত না
করতাম! অতঃপর তিনি বলেন: মূসা (আ)-কে এর চেয়েও অধিক কষ্ট দেয়া হয়েছে, কিন্তু তিনি ধৈর্য ধারণ করেছেন (বু, মু, আ)।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية