📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 চাটুকারদের মুখে ধূলি নিক্ষেপ করা

📄 চাটুকারদের মুখে ধূলি নিক্ষেপ করা


১৫৫ - بَابُ يُحْيِي فِي وُجُوهِ الْمَدَاحِيْنَ
১৫৫ - অনুচ্ছেদ: চাটুকারদের মুখে ধূলি নিক্ষেপ করা।
৩৩৯- عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ قَالَ قَامَ رَجُلٌ يُثْنِي عَلَى أَمِيرٍ مِّنَ الْأَمْرَاءِ فَجَعَلَ الْمِقْدَادُ يَحْتِي فِي وَجْهِهِ التَّرَابَ وَقَالَ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَنْ نَّحْشِيَ فِي وُجُوهِ الْمَدَاحِيْنَ التَّرَابَ.
৩৩৯। আবু মামার (র) বলেন, এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে জনৈক প্রশাসকের চাটুকারিতা করছিল। মিকদাদ (রা) তার মুখে ধূলি নিক্ষেপ করে বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) আমাদেরকে চাটুকারদের মুখে ধূলি নিক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন (মু, দা, তি, ই)।
৩৪০- عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ أَنَّ رَجُلاً كَانَ يَمْدَحُ رَجُلًا عِنْدَ ابْنِ عُمَرَ فَجَعَلَ ابْنُ عُمَرَ يَحْلُو التَّرَابَ نَحْوَ فِيْهِ وَقَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِذَا رَأَيْتُمُ الْمَدَاحِينَ فَاحْتُوا فِي وُجُوهِهِمُ التَّرَابَ .
৩৪০। আতা ইবনে আবু রাবাহ (র) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি ইবনে উমার (র)-এর সামনে অপর ব্যক্তির প্রশংসা করছিল। ইবনে উমার (রা) তার মুখের দিকে ধূলি নিক্ষেপ করতে করতে বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলছেনঃ তোমরা চাটুকারদের দেখলে তাদের মুখে ধূলি নিক্ষেপ করবে (হি)।
৩৪১- قَالَ رَجَاءَ أَقْبَلْتُ مَعَ مِحْجَنٍ ذَاتَ يَوْمٍ حَتَّى انْتَهَيْنَا إِلَي مَسْجِدِ أَهْلِ الْبَصْرَةِ فَإِذَا بُرَيْدُ الْأَسْلَامِيُّ عَلَي بَابٍ مِّنْ أَبْوَابِ الْمَسْجِد جَالِسٌ قَالَ وَكَانَ فِي الْمَسْجِدِ رَجُلٌ يُقَالُ لَهُ سُكْبَةً يُطِيلُ الصَّلاةَ فَلَمَّا انْتَهَيْنَا الي بَابِ الْمَسْجِدِ وَعَلَيْهِ بُرْدَةً وَكَانَ بُرَيْدَةُ صَاحِبُ مَزَاحَاتٍ فَقَالَ يَا مِحْجَنُ أَتُصَلِّي كَمَا يُصَلِّي سُكْبَةٌ فَلَمْ يَرُدْ عَلَيْهِ مِحْجَنٌ وَرَجَعَ قَالَ قَالَ مِحْجَنٌ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ أَخَذَ بِيَدِي فَانْطَلَقْنَا نَمْشِي حَتَّى
৩৪১। রাজা (র) বলেন, আমি একদিন মিজান আল-আসলামী (রা)-এর সাথে ছিলাম। শেষে আমরা বসরাবাসীদের এক মসজিদে গিয়ে পৌঁছলাম। তখন মসজিদের এক দরজায় বুরাইদা আল-আসলামী (রা) বসা ছিলেন। রাবী বলেন, মসজিদে সুকবা নামক এক ব্যক্তিও ছিলেন। তিনি নামায দীর্ঘ করে পড়তেন। আমরা যখন মসজিদের দরজায় পৌঁছলাম তখন বুরাইদা (রা)-র গায়ে জড়ানো ছিল একটি চাদর। বুরাইদা (রা) ছিলেন রসিক প্রকৃতির। তিনি বলেন, হে মিজান! তুমি কি সুকবার মতো নামায পড়ো? মিজান (রা) এর প্রতিউত্তর না করেই প্রত্যাবর্তন করেন। রাবী বলেন, মিজান (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) আমার হাত ধরলেন। আমরা পদব্রজে অগ্রসর হলাম। শেষে আমরা গিয়ে উহুদ পাহাড়ে উঠলাম। তিনি মদীনার দিকে তাকিয়ে বলেন: এই জনপদের জন্য দুঃখ হয় যখন তা বসতিপূর্ণ থাকবে, এমন অবস্থায় তার অধিবাসীরা তা ত্যাগ করবে। এখানে দাজ্জাল আসবে এবং মদীনার প্রতিটি প্রবেশদ্বারে একজন করে ফেরেশতা দেখতে পাবে। অতএব সে তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি ফিরে এলেন। আমরা মসজিদে পৌঁছলে রাসূলুল্লাহ (স) এক ব্যক্তিকে নামায ও রুকু-সিজদায় মশগুল দেখলেন। রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে বলেনঃ লোকটি কে? আমি তার অতিরিক্ত প্রশংসা করে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে অমুক লোক যার এই গুণ আছে। তিনি বলেন: ক্ষান্ত হও, তাকে শুনাবে না, অন্যথায় তুমি তার সর্বনাশ করবে। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি চলতে থাকলেন, শেষে যখন তাঁর হুজরার নিকট এলেন তখন তার দুই হাত জড়িয়ে ধরে বলেন: তোমাদের উত্তম দীন হলো তার সহজতা, তোমাদের উত্তম দীন হলো তার সহজতা। তিনি একথা তিনবার বলেন (দা, না, আ ১৯১৮৫)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 যে ব্যক্তি কবিতার মাধ্যমে প্রশংসা করলো

📄 যে ব্যক্তি কবিতার মাধ্যমে প্রশংসা করলো


১৫৬ - بَابُ مَنْ مَدَحَ فِي الشَّعْرِ
১৫৬-অনুচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কবিতার মাধ্যমে প্রশংসা করলো।
৩৪২- عَنِ الْأَسْوَدِ بْنِ سَرِيعِ قَالَ آتَيْتُ النَّبِيَّ ﷺ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَدْ مَدَحْتُ اللَّهَ بِمَحَامِدٍ وَمِدَحٍ وَإِيَّاكَ فَقَالَ أَمَا إِنَّ رَبَّكَ يُحِبُّ الْحَمْدَ فَجَعَلْتُ أَنْشُدُهُ فَاسْتَأْذَنَ رَجُلٌ طَوَالٌ أَصْلُعُ فَقَالَ لِي النَّبِيُّ ﷺ اسْكُتْ فَدَخَلَ فَتَكَلَّمَ سَاعَةً ثُمَّ خَرَجَ فَانْشَدْتُهُ ثُمَّ جَاءَ فَسَكَتَنِي ثُمَّ خَرَجَ فَعَلَ ذَلِكَ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاثًا فَقُلْتُ مَنْ هُذَا الَّذِي سَكَتَنِي لَهُ قَالَ هَذَا رَجُلٌ لَا يُحِبُّ الْبَاطِلَ .
৩৪২। আল-আসওয়াদ ইবনুস সারী (রা) বলেন, আমি নবী (স)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আল্লাহ্র পর্যাপ্ত প্রশংসা করেছি এবং আপনারও। তিনি বলেনঃ তোমার প্রতিপালক তো তাঁর প্রশংসা পছন্দ করেন। আমি তাঁকে কবিতা আবৃত্তি করে শুনাতে লাগলাম। তখন দীর্ঘকায় ও টাকমাথার এক ব্যক্তি তাঁর সাক্ষাত প্রার্থনা করলেন। নবী (স) আমাকে বলেনঃ থামো। সেই ব্যক্তি প্রবেশ করে ক্ষণিক তাঁর সাথে আলাপ করে বের হয়ে চলে গেলেন। আমি পুনরায় আবৃত্তি করতে লাগলাম। লোকটি পুনরায় এলে তিনি আমাকে থামিয়ে দিলেন, অতঃপর বের হয়ে চলে গেলেন। তিনি দুই কি তিনবার এরূপ করলেন। আমি বললাম, এ লোকটি কে, যার জন্য আপনি আমাকে থামিয়ে দিলেন? তিনি বলেনঃ ইনি এমন ব্যক্তি (উমার) যিনি বাতিলকে পছন্দ করেন না (আ, হা, হি)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 কবির অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তাকে বখশিশ দেয়া

📄 কবির অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তাকে বখশিশ দেয়া


১৫৭ - بَابُ اعْطَاء الشاعر اذا خَافَ شَرَّهُ
১৫৭-অনুচ্ছেদ: কবির অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তাকে বখশিশ দেয়া।
৩৪৩- عَنْ نُجَيْدِ بْنِ عِمْرَانَ أَنَّ شَاعِرًا جَاءَ الي عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ فَأَعْطَاهُ فَقِيلَ لَهُ تُعْطِي شَاعِرًا فَقَالَ أَبْقِي عَلَى عِرْضِي .
৩৪৩। নুজাইদ ইবনে ইমরান (র) থেকে বর্ণিত। এক কবি ইমরান ইবনে হুসাইন (রা)-এর নিকট এলে তিনি তাকে কিছু বখশিশ দেন। তাকে বলা হলো, আপনিও কবিকে বখশিশ দিলেন! তিনি বলেন, নিজের ইজ্জত রক্ষার্থে।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 বন্ধুকে এমনভাবে সম্মান দেখাবে না যাতে সে অস্বস্তি বোধ করে

📄 বন্ধুকে এমনভাবে সম্মান দেখাবে না যাতে সে অস্বস্তি বোধ করে


১৫৮ - بَابُ لَا تُكْرِمْ صَدِيقَكَ بِمَا يَشُقُّ عَلَيْهِ
১৫৮-অনুচ্ছেদ: বন্ধুকে এমনভাবে সম্মান দেখাবে না যাতে সে অস্বস্তি বোধ করে।
৩৪৪- عَنْ مُحَمَّدٍ قَالَ كَانُوا يَقُولُونَ لا تُكْرِمْ صَدِيقَكَ بِمَا يَشُقُّ عَلَيْهِ.
৩৪৪। মুহাম্মাদ (র) বলেন, প্রবীণগণ বলতেন, তুমি তোমার বন্ধুকে এমনভাবে সম্মান দেখাবে না যা তার জন্য কষ্টকর বা অস্বস্তিকর হতে পারে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00