📄 রসিকতা
١٣٣ - بَابُ الْمَزَاحِ
٢٦٣ - عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكَ قَالَ أَتَي النَّبِيُّ ﷺ عَلَى بَعْضٍ نِسَائِهِ وَمَعَهُنَّ أُمُّ سُلَيْمٍ فَقَالَ يَا أَنْجَشَةُ رُوَيْدَ سُوقَكَ بِالْقَوَارِيرِ قَالَ أَبُو قِلَابَةَ فَتَكَلَّمَ النَّبِيُّ ﷺ بِكَلِمَةٍ لَوْ تَكَلَّمَ بَعْضُكُمْ لَعِبْتُمُوهَا عَلَيْهِ قَولُهُ سُوقُكَ بِالْقَوَارِير.
২৬৩। আনাস ইবনে মালেক (রা) বলেন, নবী (স) তাঁর এক স্ত্রীর নিকট এলেন। উম্মু সুলাইম (রা)-ও তাদের সাথে ছিলেন। তিনি বলেনঃ "ধীরে হে আনজাশা, ধীরে! তোমার চালান যে কাঁচের চালান হে"! রাবী আবু কিলাবা (র) বলেন, নবী (স) এমন বাক্য উচ্চারণ করলেন, যদি তোমাদের মধ্যকার কেউ তা বলতো, তবে তোমরা নিশ্চয় তাকে দোষারোপ করতে। তাঁর সেই বাক্যটি ছিলঃ "তোমার চালান যে কাঁচের চালান হে" (বু, মু, না)।
٢٦٤ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّكَ تُدَاعِبُنَا قَالَ إِنِّي لَا أَقُولُ إِلا حَقًّا .
২৬৪। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। সাহাবীগণ বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আমাদের সাথে রসিকতাও করেন। তিনি বলেনঃ আমি সত্য ছাড়া কিছু বলি না (তি, আ)।
٢٦٥ - عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كَانَ أَصْحَابُ النَّبِيِّ اللَّهُ يَتَبَادَحُونَ بِالْبِطَّيْنِ فَإِذَا كَانَتِ الْحَقَائِقُ كَانُوا هُمُ الرِّجَالُ.
২৬৫। বাক্স ইবনে আবদুল্লাহ (র) বলেন, নবী (স)-এর সাহাবীগণ একে অপরের প্রতি তরমুজ নিক্ষেপ করেও রসিকতা করতেন। কিন্তু তারা কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন হলে যোগ্য পুরুষই প্রতিপন্ন হতেন।
٢٦٦ - عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةً قَالَ مَزَحَتْ عَائِشَةُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ فَقَالَتْ أُمُّهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ بَعْضَ دَعَابَاتِ هَذا الحَيِّ مِنْ كِنَانَةَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ بَلْ بَعْضُ مَزَاحِنَا هذا الْحَيِّ .
২৬৬। ইবনে আবু মুলাইকা (র) বলেন, আয়েশা (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর সাথে রসিকতা করলেন। তার মা বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এই পরিবারের কোন কোন রসিকতা কিনানা গোত্র থেকে এসেছে। নবী (স) বলেনঃ বরং আমাদের কতক রসিকতা ঐ গোত্র থেকেই এসেছে।
٢٦٧ - عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكَ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيُّ الله يَسْتَحْمِلُهُ فَقَالَ أَنَا حَامِلُكَ علي وَلَد نَاقَةٍ قَالَ يَا رَسُولَ اللهِ وَمَا أَصْنَعُ بِوَلَدِ نَاقَةٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ وَهَلْ تَلِدُ الابل الا النُّوقُ.
২৬৭। আনাস ইবনে মালেক (রা) বলেন, এক ব্যক্তি নবী (স)-এর নিকট একটি বাহন চাইতে আসে। তিনি বলেন: আমি তোমাকে একটা উষ্ট্রীর বাচ্চা বাহন হিসেবে দিবো। সে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! উষ্ট্রীর বাচ্চা দিয়ে আমি কি করবো! রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ উষ্ট্রীই তো উট প্রসব করে (দা, তি, আ)।
📄 শিশুর সাথে রসিকতা
١٣٤ - بَابُ الْمَزَاحَ مَعَ الصَّبِيِّ
٢٦٨ - عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكَ يَقُولُ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ لَيُخَالِطُنَا حَتَّى يَقُولَ لَأَحْ لَيْ صَغِيرٍ يَا أَبَا عُمَيْرٍ مَا فَعَلَ النُّغَيْرُ.
২৬৮। আনাস ইবনে মালেক (রা) বলেন, নবী (স) আমাদের (শিশুদের) সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করতেন। তিনি আমার ছোট ভাইকে বলতেনঃ হে আবু উমাইর! কি করলো তোমার নুগায়র (বু, মু, দা, তি, না, ই)!
٢٦٩ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَخَذَ النَّبِيُّ اللهِ بِيَدِ الْحَسَنِ أَوِ الْحُسَيْنِ ثُمَّ وَضَعَ قَدَمَيْهِ عَلَى قَدَمَيْهِ ثُمَّ قَالَ تَرْقِ.
২৬৯। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) হাসান অথবা হুসাইন (রা)-এর হাত ধরলেন, অতঃপর তার পদদ্বয় নিজের পদদ্বয়ের উপর রাখলেন, অতঃপর বলেনঃ আরোহণ করো।
📄 উত্তম স্বভাব-চরিত্র
١٣٥ - بَابُ حُسْنِ الْخُلُقِ
۲۷۰ - عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَا مِنْ شَيْءٍ فِي المِيزَانِ أَثْقَلُ مِنْ حُسْنِ الْخُلُقِ .
২৭০। আবু দারদা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ ওজনদণ্ডে উত্তম স্বভাব-চরিত্রের চেয়ে অধিক ভারী আর কিছুই হবে না (দা, তি, আ, হি)।
۲۷۱ - عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ لَمْ يَكُنِ النَّبِيُّ ﷺ فَاحِشًا وَلَا مُتَفَحِّشًا وَكَانَ يَقُولُ خَيَارِكُمْ أَحَاسِنُكُمْ أَخْلَاقًا .
২৭১। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) বলেন, নবী (স) নিজেও অশ্লীলভাষী ছিলেন না এবং অশ্লীলতাকে তিনি পছন্দও করতেন না। তিনি বলতেনঃ তোমাদের মধ্যে উত্তম স্বভাব-চরিত্রের লোকই সর্বোত্তম (বু, মু, তি)।
۲۷۲ - عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ ﷺ يَقُولُ أَخْبِرُكُمْ بَاحَبِّكُمْ إِلَيَّ وَأَقْرَبَكُمْ مِنِّي مَجْلِسًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَسَكَتَ الْقَوْمُ فَأَعَادَهَا مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا قَالَ الْقَوْمُ نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ أَحْسَنُكُمْ خُلُقًا .
২৭২। আমর ইবনে শুআইব (র) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী (স)-কে বলতে শুনেছেনঃ আমার নিকট প্রিয়তর এবং কিয়ামতের দিন আমার নিকটবর্তী আসনে উপবিষ্ট হবে তোমাদের মধ্যকার এমন ব্যক্তি সম্পর্কে আমি কি তোমাদের অবহিত করবো না? লোকজন চুপ থাকলো। তিনি দুই অথবা তিনবার কথাটি বললেন। লোকজন বললো, হাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ। তিনি বলেন : তোমাদের মধ্যকার সর্বোত্তম স্বভাব-চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তি (আ, হি)।
۲۷۳ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ إِنَّمَا بُعِثْتُ لِأُتَمِّمَ صَالِحِي الْأَخْلَاقِ.
২৭৩। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ সর্বোত্তম স্বভাব-চরিত্রের পূর্ণতা দান করার জন্যই আমি প্রেরিত হয়েছি (আ, হা)।
۲۷٤ - عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ مَا خُيْرَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ بَيْنَ أَمْرَيْنِ الأَ إِخْتَارَ أَيْسَرَهُمَا مَا لَمْ يَكُنْ إِثْمًا فَإِذَا كَانَ اثْمًا كَانَ أَبْعَدُ النَّاسِ مِنْهُ وَمَا انْتَقَمَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لِنَفْسِهِ إِلَّا أَنْ تُنْتَهَكَ حُرُمَةُ اللَّهِ تَعَالَي فَيَنْتَقِمُ لِلَّهِ عَزَّ وَجَلَّ بِهَا .
২৭৪। আয়েশা (রা) বলেন, যখনই রাসূলুল্লাহ (স)-কে দুইটি ব্যাপারের একটি বেছে নেয়ার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে, তখনই তিনি সহজতরটিকে বেছে নিয়েছেন, যতক্ষণ না তা পাপাচার হতো। যদি তা পাপাচার হতো তবে তিনি লোকজনের চেয়ে তা থেকে সর্বাধিক দূরে থাকতেন। আর রাসূলুল্লাহ (স) কখনো ব্যক্তিগত প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি। অবশ্য আল্লাহ তাআলার বিধানের পরিপন্থী কোন কিছু হতে দেখলে তিনি মহামহিম আল্লাহ্ জন্য তার প্রতিশোধ গ্রহণ করতেন (বু, মু, মা)।
٢٧٥ - عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ إِنَّ اللهَ تَعَالَي قَسَمَ بَيْنَكُمْ أَخْلَاقَكُمْ كَمَا قَسَمَ بَيْنَكُمْ أَرْزَاقَكُمْ وَإِنَّ اللهَ تَعَالَي يُعْطِي الْمَالَ مَنْ أَحَبَّ وَمَنْ لَا يُحِبُّ وَلَا يُعْطِي الْإِيْمَانَ الأَ مَنْ يُحِبُّ فَمَنْ ضَنَّ بِالْمَالِ أَنْ يُنْفِقَهُ وَخَافَ الْعَدُوَّ أَنْ يُجَاهِدَهُ وَهَابَ اللَّيْلَ أَنْ يُكَابِدَهُ فَلْيُكْثِرُ مِنْ قَوْلِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَسُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ.
২৭৫। আবদুল্লাহ (রা) বলেন, আল্লাহ তায়ালা তোমাদের মধ্যে চরিত্র বণ্টন করেছেন যেভাবে তোমাদের মধ্যে রিযিক বণ্টন করেছেন। আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন এবং যাকে ভালোবাসেন না তাদের সকলকেই সম্পদ দান করেছেন। কিন্তু তিনি ঈমান দান করেছেন কেবল যাদেরকে তিনি ভালোবাসেন। অতএব যে ব্যক্তি সম্পদ ব্যয়ে কৃপণ, শত্রুর বিরুদ্ধে জিহাদে ভীত এবং ইবাদতের মাধ্যমে রাত জাগরণে দুর্বল, সে যেন বেশি পাঠ করেঃ "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া সুবহানাল্লাহি ওয়াল-হামদু লিল্লাহি ওয়াল্লাহু আকবার" (আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই। তিনি মহাপবিত্র, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্ এবং আল্লাহ মহান) (আ, হা)।
📄 মনের ঐশ্বর্য
١٣٦ - بَابُ سَخَاوَةِ النَّفْسِ
٢٧٦ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَيْسَ الْغَنِي عَنْ كَثْرَةِ الْعَرَضِ وَلَكِنَّ الغني غني النفس.
২৭৬। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ ঐশ্বর্যের প্রাচুর্য থাকলেই মানুষ ধনী হয় না। মনের ঐশ্বর্যই প্রকৃত ঐশ্বর্য (বু, মু, তি, আ)।
۲۷۷ - عَنْ أَنَسٍ قَالَ خَدَمْتُ النَّبِيِّ ﷺ عَشَرَ سِنِينَ فَمَا قَالَ لِي أُفِّ قَطُّ وَمَا قَالَ لِي لِشَيْءٍ لَمْ أَفْعَلْهُ أَلَا كُنْتَ فَعَلْتَهُ وَلَا لِشَيْءٍ فَعَلْتُهُ لِمَ فَعَلْتَهُ.
২৭৭। আনাস (রা) বলেন, আমি দশটি বছর যাবত নবী (স)-এর খেদমত করেছি। কখনো তিনি আমাকে (বিরক্তিসূচক) উফ শব্দটিও বলেননি। তিনি আমাকে কোন কিছু করতে বললে, (যদিও আমি তা করেছি,) কখনো বলেননি : তুমি এটা করলে না কেন বা যা করেছি তার জন্যও বলেননি যে, তুমি তা করলে কেন (বু, মু)?
۲۷۸ - عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكِ يَقُولُ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ رَحِيمًا وَكَانَ لَا يَأْتِيهِ أَحَدٌ إِلَّا وَعَدَهُ وَأَنْجَزَ لَهُ إِنْ كَانَ عِنْدَهُ وَأُقِيمَتِ الصَّلَاةُ وَجَاءَهُ أَعْرَابِيٌّ فَأَخَذَ بِشَوْبِهِ فَقَالَ إِنَّمَا بَقِيَ مِنْ حَاجَتِي يَسِيْرَةٍ وَأَخَافُ أَنْسَاهَا فَقَامَ مَعَهُ حَتَّي فَرَغَ مِنْ حَاجَتِهِ ثُمَّ أَقْبَلَ فَصَلَّي.
২৭৮। আনাস ইবনে মালেক (রা) বলেন, নবী (স) ছিলেন অত্যন্ত দয়ালু। তাঁর কাছে যে-ই আসতো, তিনি তাকে প্রতিশ্রুতি দিতেন। তাঁর কাছে দেয়ার মত কিছু থাকলে তিনি অবশ্যই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করতেন। নামাযের ইকামত হয়ে গেলে এক বেদুইন এসে তাঁর পরিধেয় বস্ত্র চেপে ধরে বললো, আমার সামান্য একটু প্রয়োজন আছে এবং আমার আশঙ্কা হয় যে, পাছে আমি তা ভুলে না যাই। তখন তিনি তার সাথে গেলেন এবং তার প্রয়োজন সেরে দিয়ে নামাযে মনোনিবেশ করলেন (বু, মু)।
۲۷۹ - عَنْ جَابِرٍ قَالَ مَا سُئِلَ النَّبِيُّ ﷺ شَيْئًا فَقَالَ لَا.
২৭৯। জাবির (রা) বলেন, নবী (স)-এর কাছে কিছু চাওয়া হলে তিনি কখনো "না" বলেননি (মু, দার, হি)।
۲۸۰ - عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ الزُّبَيْرِ قَالَ مَا رَأَيْتُ امْرَأَتَيْنِ أَجْوَدَ مِنْ عَائِشَةَ وَأَسْمَاءَ وَجُودُهُمَا مُخْتَلِفٌ أَمَّا عَائِشَةُ فَكَانَتْ تَجْمَعُ الشَّيْئَ إِلَى الشَّيْئِ حَتَّى إِذَا كَانَ اجْتَمَعَ عِنْدَهَا قَسَمَتْ وَأَمَّا أَسْمَاءُ فَكَانَتْ لَا تَمْسَكُ شَيْئًا لِغَدِ.
২৮০। আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রা) বলেন, আমি আয়েশা (রা) ও আসমা (রা)-এর চাইতে অধিক দানশীলা আর কোন দুই মহিলাকে দেখিনি। তাদের দু'জনের দানের বৈশিষ্ট্য ছিল দুই রকম। আয়েশা (রা) একটু একটু করে সঞ্চয় করতেন। সঞ্চিত বস্তু উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হলে তিনি তা বণ্টন করে দিতেন। আর আসমা (রা) আগামী দিনের জন্য কিছু তুলে রাখতেন না (সাথে সাথে দান করে দিতেন)।