📄 বেদুইনের নিকট দাস-দাসী বিক্রয়
৮৪ - বাবুল খাইদি মিনাল আ'রাব
১৬১- আন আমরাতা আন্না আয়েশা ডাব্বারাট আমাতাল্লাহা ফাশতাকাত আয়েশাতু ফাসয়ালা বানু আখেইহা তাইয়িবাম মিনাল রুতু ফাকালা ইন্নাকুম তুখবিরুনি আনিমরাতিম মুসফুরতিন সাহারাতহা আমাতুল্লাহা ফাআখবিরত আয়েশাতু কালাট সাহারتিনী ফাকালাট নাআম ফাকালাট ওলিম লা তুঞ্জিনা আবাদান সুম্মা কালাট বিয়ুহা মিন শাররিল আরাবি মালাকাতুন.
১৬১। আমরা (র) থেকে বর্ণিত। আয়েশা (রা) তার এক বাঁদীকে তার মৃত্যুর পর মুক্তি প্রদানের কথা ঘোষণা করেন। পরে আয়েশা (রা) অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার ভ্রাতুষ্পুত্রগণ যুত্ত (জাঠ) সম্প্রদায়ের এক চিকিৎসকের সাথে তার ব্যাপারে পরামর্শ করেন। সে বললো, আপনারা আমাকে এমন এক মহিলা সম্পর্কে অবিহিত করেছেন যাকে তার দাসী যাদু করেছে। আয়েশা (রা)-কে তা অবহিত করা হলো। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুই কি আমাকে যাদু করেছিস? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেন, কেন? কখনও তুই মুক্তি পাবি না। তিনি বলেন, তোমরা তাকে উগ্র মেজাজের অসদাচারী বেদুইনের কাছে বিক্রি করো (আ, হা)।
📄 খাদেমের সাথে ক্ষমাসুন্দর ব্যবহার
৮৫ - বাবুল আফউ আনিাল খাদিম
১৬২ - আন আবি উমামা কালা আকবালা নাবিয়্যু ﷺ মাআহু গোলামানি ফাওহাবা আহadahuমা লি আলীয়ু ও কালা লা তাদরিবহু ফাইন্নি নুহিতু আন দারবা আহলাস সালাতা ওয়া ইন্নি রাইয়তুহু ইউসাল্লি মুনজু আকবালানা ওয়া আ'তা আবা যাররি গোলামা ওয়া কালা ইসতাওছি বিহী মা'রুফান ফা' আতিকহু ফাকালা মা ফায়ালা কালা আমারতানী আন ইসতাওছি বিহী খাইরান ফাআ'তাকতুহু.
১৬২। আবু উমামা (রা) বলেন, নবী (স) দুইটি গোলামসহ আসলেন। এদের একটি আলী (রা)-কে দিয়ে তিনি বলেনঃ তাকে মারধর করো না। কেননা নামাযীকে নির্যাতন করতে আমাকে নিষেধ করা হয়েছে। সে আমাদের নিকট আসার পর থেকে আমি তাকে নামায পড়তে দেখেছি। অপর গোলামটি তিনি আবু যার (রা)-কে দিয়ে বলেনঃ তার সাথে সদয় ব্যবহার করো। তিনি তাকে মুক্ত করে দিলেন। নবী (স) জিজ্ঞেস করলেন : সে কি করছে? আবু যার (রা) বলেন, আপনি আমাকে তার সাথে সদয় ব্যবহার করতে বলেছেন। তাই আমি তাকে দাসত্বমুক্ত করে দিয়েছি (আ)।
১৬৩- আন আনাসিন কালা কাদিমান নাবিয়্যু ﷺ আল মাদিনাতা ওয়ালাইসা লাহু খাদিমুন ফাআখাজা আবু তালহাতা বিয়াদী ফানতলাকা বিহী হাত্তা আদখালানী আলা নাবিয়্যু ﷺ ফাকালা ইয়া নাবিয়্যু আল্লাহি ইন্না আনাসান গোলামুন কায়্যিসুন। لَبِيبٌ فَلْيَخْدِمُكَ قَالَ فَخَدَمْتُهُ فِي السَّفَرِ وَالحَضَرِ مَقْدَمُهُ الْمَدِينَةَ حَتَّى تُوفِّيَ ﷺ مَا قَالَ لِي عَنْ شَيْءٍ صَنَعْتُهُ لِمَ صَنَعْتَ هذا هكَذَا وَلَا قَالَ لِي لِشَيْءٍ لَمْ أَصْنَعْهُ الا صَنَعْتَ هُذَا هُكَذَا .
১৬৩। আনাস (রা) বলেন, নবী (স) মদীনায় আসলেন। তাঁর কোন খাদেম ছিলো না। আবু তালহা (রা) আমার হাত ধরে আমাকে নবী (স)-এর নিকট নিয়ে গেলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ্ নবী! আনাস বিচক্ষণ ও বুদ্ধিমান বালক। সে আপনার খেদমত করবে। আনাস (রা) বলেন, আমি তাঁর মদীনায় আসার সময় থেকে তাঁর ইনতিকাল পর্যন্ত সফরে ও আবাসে তাঁর সেবা করেছি। তিনি আমার কোন কাজের জন্য বলেননিঃ তুমি এটা এভাবে করলে কেন? আবার আমার কোন কাজ না করায় তিনি বলেননিঃ তুমি এটা এভাবে করলে না কেন (বু, মু, আ)?
📄 ক্রীতদাস চুরির অপরাধ করলে
٨٦ - بَابُ إِذَا سَرَقَ الْعَبْدُ
١٦٤ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِذَا سَرَقَ الْمَمْلُوكُ بِعْهُ وَلَوْ بِنَشَ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللهِ النَّسُ عَشْرُونَ وَالنَّوَاةُ خَمْسَةٌ وَالْأَوْقِيَةُ أَرْبَعُونَ.
১৬৪। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ ক্রীতদাস চুরি করলে একটি 'নাশ'-এর বিনিময়ে হলেও তাকে বিক্রয় করে ফেলো। ইমাম বুখারী (র) বলেন, 'নাশ' হলো বিশ দিরহাম 'নাওয়াত' হলো পাঁচ দিরহাম এবং 'উকিয়া' হলো চল্লিশ দিরহাম (না, ই, আ)।
📄 খাদেম অপরাধ করলে
۸۷ - بَابُ الْخَادِمِ يُذْنِبُ
١٦٥ - عَنْ عَاصِمِ بْنِ لَقِيطِ بْنِ صَبُرَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ انْتَهَيْتُ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ وَدَفَعَ الرَّاعِي فِي الْمَرَاحِ سَخْلَةً فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ لَا تَحْسَبَنَّ وَلَمْ يَقُلْ لَا تَحْسِبَنَّ أَنَّ لَنَا غَنَمًا مِائَةً لَا نُرِيدُ أَنْ تَزِيدَ فَإِذَا جَاءَ الرَّاعِي بسَخْلَةٍ ذَبَحْنَا مَكَانَهَا شَاةً فَكَانَ فِيْمَا قَالَ لَا تَضْرِبْ ظَعِينَتَكَ كَضَرَبَكَ آمَتَكَ وَإِذَا اسْتَنْشَقْتَ فَبَالِغُ إِلَّا أَنْ تَكُونَ صَائِمًا.
১৬৫। আসেম ইবনে লাকীত ইবনে সাবুরা (র) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি (বনূ মুনতাফিকের প্রতিনিধি হয়ে) নবী (স)-এর নিকট গিয়ে পৌঁছলাম। রাখাল খোঁয়াড়ে একটি ছাগল ছানা নিয়ে যাচ্ছিল। নবী (স) বলেনঃ তুমি ধারণা করো না যে, আমরা এটা তোমার জন্য যবেহ করছি। আমাদের এক শত বকরী আছে। এই সংখ্যা বর্দ্ধিত হওয়া আমরা কামনা করি না। অতএব ছাগল ছানাটি নিয়ে এলে আমরা তৎপরিবর্তে একটি বকরী যবেহ করলাম। নবী (স) তখন যা বলেছেন, তার মধ্যে ছিলঃ তোমার স্ত্রীকে তোমার দাসীর মত মারধর করো না এবং যখন নাক পরিষ্কার করো উত্তমরূপে পরিষ্কার করো, যদি তুমি রোযাদার না হও (দা, আ)।