📄 নীচ ব্যবহার
٨٣ - بَابُ سُوءِ الْمَلَكَةِ
١٥٨ - عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ لِلنَّاسِ نَحْنُ أَعْرِفُ بِكُمْ مِنَ البَيَاطِرَةِ بِالدَّوَابِ قَدْ عَرَفْنَا خِيَارِكُمْ مِنْ شَرَارِكُمْ أَمَّا خِيَارُكُمْ فَالَّذِي يُرْجِي خَيْرُهُ وَيُؤْمَنُ شَرَّهُ وَأَمَّا شرَارُكُمْ فَالَّذِي لَا يُرْجِي خَيْرُهُ وَلَا يُؤْمَنُ شَرُّهُ وَلَا يُعْتِقُ مُحَرِّرَهُ.
১৫৮। আবু দারদা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি লোকদেরকে বলতেন, পশু চিকিৎসকগণ পশুদেরকে যেরূপ চিনতে পারে, আমি তোমাদেরকে তার চেয়েও উত্তমরূপে চিনি। আমি তোমাদের মধ্যকার উত্তম ও নিকৃষ্ট লোকদের চিনি। অতএব তোমাদের মধ্যকার উত্তম লোক হলো, যাদের নিকট কল্যাণ আশা করা যায় এবং যাদের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ বোধ করা যায়। আর তোমাদের মধ্যকার মন্দ লোক হলো, যাদের নিকট কল্যাণ আশা করা যায় না, যাদের অনিষ্ট থেকেও নিরাপদ বোধ করা যায় না এবং যাদের প্রতিশ্রুত দাসের মুক্তি দেয়া হয় না।
١٥٩ - عَنْ أَبِي أَمَامَةَ يَقُولُ الْكَنُودُ الَّذِي يَمْنَعُ رَفْدَهُ وَيَنْزِلُ وَحْدَهُ وَيَضْرِبُ عَبْدَهُ.
১৫৯। আবু উমামা (রা) বলেন, 'কানূদ' (অকৃতজ্ঞ) সেই ব্যক্তি যে তার দান-খয়রাত বন্ধ রাখে, জনবিচ্ছিন্ন থাকে এবং নিজের দাসকে মারধর করে।
١٦٠ - عَنِ الْحَسَنِ أَنَّ رَجُلاً أَمَرَ غُلَامًا لَهُ أَنْ يُسْنُوَ عَلَي بَعِيرٍ لَهُ فَنَامَ الْغُلَامُ فَجَاءَ بِسُعْلَةٍ مِّنْ نَارَ فَالْقَاهُ فِي وَجْهِهِ فَتَرْدَي الغُلامُ فِي بِئْرٍ فَلَمَّا أَصْبَحَ أَتِي عُمَرَ بْنَ الخَطاب فَرَأَي الَّذِي فِي وَجْهِهِ فَاعْتَقَهُ.
১৬০। হাসান (র) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি তার উটে করে তার গোলামকে কূপ থেকে পানি তুলে আনতে নির্দেশ দিলো। কিন্তু গোলামটি ঘুমিয়ে গেলো। তার মনিব অগ্নিশিখাসহ এসে তা তার মুখের উপর নিক্ষেপ করলো। গোলামটি কূপের মধ্যে ঝাপিয়ে পড়লো। পরদিন সকালে সে উমার (রা)-র নিকট উপস্থিত হলো। তিনি তার মুখে পোড়া দাগ দেখে তৎক্ষণাৎ তাকে দাসত্বমুক্ত ঘোষণা করেন।
📄 বেদুইনের নিকট দাস-দাসী বিক্রয়
৮৪ - বাবুল খাইদি মিনাল আ'রাব
১৬১- আন আমরাতা আন্না আয়েশা ডাব্বারাট আমাতাল্লাহা ফাশতাকাত আয়েশাতু ফাসয়ালা বানু আখেইহা তাইয়িবাম মিনাল রুতু ফাকালা ইন্নাকুম তুখবিরুনি আনিমরাতিম মুসফুরতিন সাহারাতহা আমাতুল্লাহা ফাআখবিরত আয়েশাতু কালাট সাহারتিনী ফাকালাট নাআম ফাকালাট ওলিম লা তুঞ্জিনা আবাদান সুম্মা কালাট বিয়ুহা মিন শাররিল আরাবি মালাকাতুন.
১৬১। আমরা (র) থেকে বর্ণিত। আয়েশা (রা) তার এক বাঁদীকে তার মৃত্যুর পর মুক্তি প্রদানের কথা ঘোষণা করেন। পরে আয়েশা (রা) অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার ভ্রাতুষ্পুত্রগণ যুত্ত (জাঠ) সম্প্রদায়ের এক চিকিৎসকের সাথে তার ব্যাপারে পরামর্শ করেন। সে বললো, আপনারা আমাকে এমন এক মহিলা সম্পর্কে অবিহিত করেছেন যাকে তার দাসী যাদু করেছে। আয়েশা (রা)-কে তা অবহিত করা হলো। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুই কি আমাকে যাদু করেছিস? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেন, কেন? কখনও তুই মুক্তি পাবি না। তিনি বলেন, তোমরা তাকে উগ্র মেজাজের অসদাচারী বেদুইনের কাছে বিক্রি করো (আ, হা)।
📄 খাদেমের সাথে ক্ষমাসুন্দর ব্যবহার
৮৫ - বাবুল আফউ আনিাল খাদিম
১৬২ - আন আবি উমামা কালা আকবালা নাবিয়্যু ﷺ মাআহু গোলামানি ফাওহাবা আহadahuমা লি আলীয়ু ও কালা লা তাদরিবহু ফাইন্নি নুহিতু আন দারবা আহলাস সালাতা ওয়া ইন্নি রাইয়তুহু ইউসাল্লি মুনজু আকবালানা ওয়া আ'তা আবা যাররি গোলামা ওয়া কালা ইসতাওছি বিহী মা'রুফান ফা' আতিকহু ফাকালা মা ফায়ালা কালা আমারতানী আন ইসতাওছি বিহী খাইরান ফাআ'তাকতুহু.
১৬২। আবু উমামা (রা) বলেন, নবী (স) দুইটি গোলামসহ আসলেন। এদের একটি আলী (রা)-কে দিয়ে তিনি বলেনঃ তাকে মারধর করো না। কেননা নামাযীকে নির্যাতন করতে আমাকে নিষেধ করা হয়েছে। সে আমাদের নিকট আসার পর থেকে আমি তাকে নামায পড়তে দেখেছি। অপর গোলামটি তিনি আবু যার (রা)-কে দিয়ে বলেনঃ তার সাথে সদয় ব্যবহার করো। তিনি তাকে মুক্ত করে দিলেন। নবী (স) জিজ্ঞেস করলেন : সে কি করছে? আবু যার (রা) বলেন, আপনি আমাকে তার সাথে সদয় ব্যবহার করতে বলেছেন। তাই আমি তাকে দাসত্বমুক্ত করে দিয়েছি (আ)।
১৬৩- আন আনাসিন কালা কাদিমান নাবিয়্যু ﷺ আল মাদিনাতা ওয়ালাইসা লাহু খাদিমুন ফাআখাজা আবু তালহাতা বিয়াদী ফানতলাকা বিহী হাত্তা আদখালানী আলা নাবিয়্যু ﷺ ফাকালা ইয়া নাবিয়্যু আল্লাহি ইন্না আনাসান গোলামুন কায়্যিসুন। لَبِيبٌ فَلْيَخْدِمُكَ قَالَ فَخَدَمْتُهُ فِي السَّفَرِ وَالحَضَرِ مَقْدَمُهُ الْمَدِينَةَ حَتَّى تُوفِّيَ ﷺ مَا قَالَ لِي عَنْ شَيْءٍ صَنَعْتُهُ لِمَ صَنَعْتَ هذا هكَذَا وَلَا قَالَ لِي لِشَيْءٍ لَمْ أَصْنَعْهُ الا صَنَعْتَ هُذَا هُكَذَا .
১৬৩। আনাস (রা) বলেন, নবী (স) মদীনায় আসলেন। তাঁর কোন খাদেম ছিলো না। আবু তালহা (রা) আমার হাত ধরে আমাকে নবী (স)-এর নিকট নিয়ে গেলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ্ নবী! আনাস বিচক্ষণ ও বুদ্ধিমান বালক। সে আপনার খেদমত করবে। আনাস (রা) বলেন, আমি তাঁর মদীনায় আসার সময় থেকে তাঁর ইনতিকাল পর্যন্ত সফরে ও আবাসে তাঁর সেবা করেছি। তিনি আমার কোন কাজের জন্য বলেননিঃ তুমি এটা এভাবে করলে কেন? আবার আমার কোন কাজ না করায় তিনি বলেননিঃ তুমি এটা এভাবে করলে না কেন (বু, মু, আ)?
📄 ক্রীতদাস চুরির অপরাধ করলে
٨٦ - بَابُ إِذَا سَرَقَ الْعَبْدُ
١٦٤ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِذَا سَرَقَ الْمَمْلُوكُ بِعْهُ وَلَوْ بِنَشَ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللهِ النَّسُ عَشْرُونَ وَالنَّوَاةُ خَمْسَةٌ وَالْأَوْقِيَةُ أَرْبَعُونَ.
১৬৪। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ ক্রীতদাস চুরি করলে একটি 'নাশ'-এর বিনিময়ে হলেও তাকে বিক্রয় করে ফেলো। ইমাম বুখারী (র) বলেন, 'নাশ' হলো বিশ দিরহাম 'নাওয়াত' হলো পাঁচ দিরহাম এবং 'উকিয়া' হলো চল্লিশ দিরহাম (না, ই, আ)।