📄 সন্তানের কারণে যে নারী ধৈর্য ধারণ করেছে এবং পুনর্বিবাহ থেকে বিরত থেকেছে
৭৮ - بَابُ فَضْلِ الْمَرْأَةِ إِذَا تَصَبَّرَتْ عَلَى وَلَدِهَا وَلَمْ تَتَزَوَّج
١٤٠ - عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ أَنَا وَإِمْرَأَةً سَفْعَاءُ الْخَدِّيْنِ إِمْرَأَةٌ أَمَّتْ مِنْ زَوْجِهَا فَصَبَرَتْ عَلَى وَلَدِهَا كَهَاتَيْنِ فِي الْجَنَّةِ.
১৪০। আওফ ইবনে মালেক (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ আমি ও ঝলসানো (বিষন্ন) গালবিশিষ্ট নারী, যার স্বামী মারা গেছে, কিন্তু সে তার সন্তানের কারণে ধৈর্য ধারণ করেছে (পুনর্বিবাহ করেনি) জান্নাতে এই দুই (আঙ্গুল)-এর মত একত্রে বসবাস করবো (দা, ইলা)।
📄 ইয়াতীমদের আদব-কায়দা শিক্ষাদান
৭৯- বَابُ أَدَبِ الْيَتِيمِ
١٤١ - عَنْ شُمَيْسَةَ العَتَكِيَّةِ قَالَ ذُكِرَ أَدَبُ الْيَتِيمِ عِنْدَ عَائِشَةَ فَقَالَتْ إِنِّي لَأَضْرِبُ الْيَتِيمَ حَتَّى يَنْبَسِطُ.
১৪১। শুমায়সা আতাকিয়া (র) বলেন, আয়েশা (রা)-এর নিকট ইয়াতীমকে আদব-কায়দা শিক্ষা দানের প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, ইয়াতীমকে আমি অবশ্যই আদব-কায়দা শিখাতে প্রহার করি যাবত না সে সটান হয় (বা)।
📄 যার সন্তান মারা গেছে তার মর্যাদা
৮০ - بَابُ فَضْلٍ مَنْ مَاتَ لَهُ الْوَلَدُ
١٤٢ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ لَا يَمُوتُ لِأَحَدٍ مِّنَ الْمُسْلِمِينَ ثَلَاثَةٌ مِّنَ الوَلَدِ فَتَمَسَّهُ النَّارُ إِلَّا تَحِلَّةَ الْقَسَمِ.
১৪২। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ যে মুসলমানের তিনটি সন্তান মারা যায় তাকে দোযখের আগুন স্পর্শ করবে না, অবশ্য শপথ পূর্ণ করার জন্য (বু, মু, তি, না, ই)।
١٤٣ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ امْرَأَةً أَتَتِ النَّبِيُّ ﷺ بِصَبِيٌّ فَقَالَتْ أَدْعُ لَهُ فَقَدْ دَفَنْتُ ثَلَاثَةً فَقَالَ احْتَظرت بحظارٍ شَدِيدٍ مِّنَ النَّار.
১৪৩। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। এক মহিলা একটি শিশুসহ নবী (স)-এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এর জন্য দোয়া করুন। আমি ইতিমধ্যে তিনটি সন্তানকে দাফন করেছি। তিনি বলেনঃ তুমি তো দোযখের মোকাবিলায় মযবুত প্রতিবন্ধক গড়ে তুলেছো (মু)!
١٤٤ - عَنْ خَالِدٍ الْعَبَسِي قَالَ مَاتَ ابْنٌ لَّيْ فَوَجَدْتُ عَلَيْهِ وَجْداً شَدِيدًا فَقُلْتُ يَا أَبَا هُرَيْرَةَ مَا سَمِعْتَ مِنَ النَّبِيِّ ﷺ شَيْئًا تَسْخِي بِهِ أَنْفُسَنَا عَنْ مَوْتَانَا قَالَ سَمِعْتُ مِنَ النَّبِيِّ ﷺ يَقُولُ صِغَارُكُمْ دَعَامِيْصُ الْجَنَّةِ.
১৪৪। খালিদ আল-আবসী (র) বলেন, আমার একটি পুত্র সন্তান মারা গেলে আমি অত্যন্ত শোকাহত হলাম। আমি বললাম, হে আবু হুরায়রা! আপনি কি নবী (স)-এর নিকট এমন কিছু শুনেছেন যা দ্বারা আমরা আমাদের মৃতদের মর্মবেদনায় সান্ত্বনা লাভ করতে পারি? তিনি বলেন, আমি নবী (স)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের ছোট শিশুরা বেহেস্তের পতঙ্গ (মু, আ)।
١٤٥ - عَنْ جابر بن عبد الله قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ الله ﷺ يَقُولُ مَنْ كَانَ لَهُ ثَلَاثَةٌ مِّنَ الْوَلَد فَاحْتَسَبَهُمْ دَخَلَ الْجَنَّةَ قُلْنَا يَا رَسُولَ الله وَاثْنَانِ قَالَ وَاثْنَانِ قُلْتُ لِجَابِرِ وَالله اري لَوْ قُلْتُمْ وَاحِدٌ لَقَالَ قَالَ وَأَنَا أَظُنُّهُ وَاللَّهِ.
১৪৫। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছিঃ যার তিনটি সন্তান মারা গেছে এবং সওয়াবের আশায় ধৈর্য ধারণ করেছে, সে বেহেশতে যাবে। আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আর দু'টি সন্তান? তিনি বলেন: এবং দু'টিও? আমি (মাহমূদ) জাবের (রা)-কে বললাম, আল্লাহর শপথ! আমার তো মনে হয় আপনারা যদি এক সন্তানের কথাও বলতেন তবে তিনি তাই বলতেন। তিনি বলেন, আল্লাহ্র শপথ! আমার ধারণাও তাই (আ)।
١٤٦ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ امْرَأَةً أَنَتِ النَّبِيُّ ﷺ بِصَبِيٌّ فَقَالَتْ أَدْعُ اللَّهَ لَهُ فَقَدْ دَفَنْتُ ثَلَاثَةً فَقَالَ احْتَظَرْتُ بِحِظَارٍ شَدِيدٍ مِّنَ النَّارِ.
১৪৬। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। এক মহিলা একটি শিশুসহ নবী (স)-এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এর জন্য দোয়া করুন। আমি ইতিমধ্যে তিনটি সন্তানকে দাফন করেছি। তিনি বলেনঃ তুমি তো দোযখের মোকাবিলায় মযবুত প্রতিবন্ধক গড়ে তুলেছো (মু)!
١٤٧ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ جَاءَتْ إِمْرَأَةُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ ﷺ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا لَا نَقْدِرُ عَلَيْكَ فِي مَجْلِسِكَ فَوَاعِدْنَا يَوْمًا نَأْتِكَ فِيْهِ فَقَالَ مَوْعِدُكُمْ بَيْتُ فُلَانٍ فَجَاءَهُنَّ لذالك الوَعْدِ وَكَانَ فِيمَ حَدَّثَهُنَّ مَا مِنْكُنْ إِمْرَأَةٌ يَمُوتُ لَهَا ثَلَاتٌ مِّنَ الوَلَدِ فَتَحْتَسِبُهُمْ إِلَّا دَخَلَتِ الْجَنَّةَ قَالَتْ إِمْرَأَةٌ وَإِثْنَانِ قَالَ وَإِثْنَانِ كَانَ سُهَيْلٌ يَتَشَدَّدُ فِي الْحَدِيثَ وَيَحْفَظُ وَلَمْ يَكُنْ أَحَدٌ يَقْدِرُ أَنْ يَكْتُبَ عِنْدَهُ.
১৪৭। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। এক মহিলা নবী (স)-এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা আপনার মজলিসে আসতে পারি না। আপনি আমাদের জন্য একটি দিন নির্দিষ্ট করে দিন। সেদিন আমরা আপনার নিকট হাযির হবো। তিনি বলেনঃ অমুকের ঘরে তোমরা সমবেত হবে। তিনি প্রতিশ্রুত স্থানে তাদের নিকট এলেন। তিনি তাদেরকে যা বললেন তার মধ্যে এ কথাও ছিলোঃ তোমাদের মধ্যে যে নারীর তিনটি সন্তান মারা যায় এবং সে তাদের দ্বারা সওয়াবের আশা করে, সে জান্নাতে যাবে। এক মহিলা বলেন, আর দু'টি? তিনি বলেনঃ দু'টি সন্তানের মৃত্যু হলেও (বু, মু)।
١٤٨ - عَنْ أُمِّ سُلَيْمٍ قَالَتْ كُنْتُ عِنْدَ النَّبِيِّ ﷺ فَقَالَ يَا أَمْ سُلَيْمٍ مَا مِنْ مُسْلِمَيْنِ يَمُوتُ لَهُمَا ثَلَاثَةٌ أَوْلَادِ إِلا أَدْخَلَهُمَا اللهُ الجَنَّةَ بِفَضْلِ رَحْمَتِهِ إِيَّاهُمْ قُلْتُ وَأَثْنَانِ قَالَ وَاثْنَانِ .
১৪৮। উম্মু সুলাইম (রা) বলেন, আমি নবী (স)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি বলেনঃ হে উম্মু সুলাইম! যে দুই মুসলমানের তিনটি সন্তান মারা যায় তাদের দু'জনকেই (পিতা-মাতাকে) আল্লাহ বেহেস্তে প্রবেশ করাবেন, তাদের প্রতি তাঁর দয়ার কল্যাণে। আমি বললাম, দুইজন মারা গেলে? তিনি বলেনঃ দু'জন হলেও (আ, তা)।
١٤٩ - عَنْ صَعْصَعَةَ بْنِ مُعَاوِيَةَ أَنَّهُ لَقِيَ أَبَا ذَر مُتَوَشِحًا قِرْبَةٌ قَالَ مَا لَكَ مِنَ الْوَلَدِ يَا أَبَا ذَرِّ قَالَ أَلَا أُحَدِّثُكَ قُلْتُ بَلَى قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَمُوتُ لَهُ ثَلَاثَةٌ مِّنْ الْوَلَدِ لَمْ يَبْلُغُوا الْحِنْتَ إِلا أَدْخَلَهُ اللهُ الْجَنَّةَ بِفَضْلِ رَحْمَتِهِ إِيَّاهُم وَمَا مِنْ رَجُلٍ اعْتَقَ مُسْلِمًا إِلَّا جَعَلَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ كُلِّ عُضُرٍ مِّنْهُ فِكَاكَهُ لِكُلِّ عُضُرٍ مِّنْهُ.
১৪৯। সাসাআ ইবনে মুয়াবিয়া (র) থেকে বর্ণিত। তিনি আবু যার (রা)-এর সাথে সাক্ষাত করলেন। আবু যার (রা) একটি মশক জড়িয়ে ধরা অবস্থায় ছিলেন। তিনি বলেন, হে আবু যার! আপনার সন্তানের কী প্রয়োজন! তিনি বলেন, আমি তোমাকে হাদীস শুনাবো না? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছি: যে মুসলমানের তিনটি সন্তান নাবালেগ অবস্থায় মারা যায়, অদের প্রতি তার মায়ার কারণে আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করবেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুসলমানকে দাসত্বমুক্ত করবে, মহামহিম আল্লাহ তার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বিনিময়ে তার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ মুক্তি দিবেন।
١٥٠ - عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكِ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَنْ مَاتَ لَهُ ثَلَاثَةٌ لَمْ يَبْلُغُ الْحِنْتَ أَدْخَلَهُ اللَّهُ وَإِيَّاهُمْ بِفَضْلِ رَحْمَتِهِ الْجَنَّةَ.
১৫০। আনাস ইবনে মালেক (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ যার তিনটি সন্তান অপ্রাপ্ত বয়সে মারা গেছে আল্লাহ তার প্রতি দয়াপরবশ হয়ে তাকে এবং তাদেরকে অবশ্যই বেহেশতে প্রবেশ করাবেন (বু, না, ই)।
📄 গর্ভপাতে যার সন্তান মারা যায়
৮১ - بَابُ مَنْ مَاتَ لَهُ سَقَةٌ
١٥١ - عَنْ سَهْلِ بْنِ الْحَنْظَلِيَّةِ وَكَانَ لا يُولَدُ لَهُ فَقَالَ لَأَنْ يُولَدَ لِي فِي الْإِسْلَامِ وَلَدٌ سَقْطُ فَاحْتَسِبُهُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ يَكُونَ لِي الدُّنْيَا جَمِيعًا وَمَا فِيْهَا وَكَانَ ابْنُ الحنظلية ممَّنْ بَايَعَ تَحْتَ الشَّجْرَة.
১৫১। সাহল ইবনুল হানযালিয়া (রা) থেকে বর্ণিত। তার সন্তানাদি হতো না। তিনি বলেন, ইসলামী যুগে যদি আমার একটি সন্তান গর্ভপাত হয়ে মারা যেতো এবং আমি তাতে সওয়াবের আশায় ধৈর্য ধারণ করতাম, তাহলে আমি তাকে দুনিয়া ও তার মধ্যকার সবকিছু আমার মালিকানাভুক্ত হওয়ার চেয়েও উত্তম বিবেচনা করতাম। ইবনুল হানযালিয়া (রা) ছিলেন বৃক্ষতলে (হুদায়বিয়ায়) বায়আত গ্রহণকারী সাহাবীগণের অন্তর্ভুক্ত।
١٥٢ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَيُّكُمْ مَالُ وَارِثِهِ أَحَبُّ إِلَيْهِ مِنْ مَالِهِ قَالُوا يَا رَسُولَ الله مَا مِنَّا أَحَدٌ الا مَالُهُ أَحَبُّ إِلَيْهِ مِنْ مَالِ وَارِثِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ اعْلَمُوا أَنَّهُ لَيْسَ مِنْكُمْ أَحَدٌ إِلَّا مَالُ وَارِثِهِ أَحَبُّ إِلَيْهِ مِنْ مَالِهِ مَالُكَ مَا قَدَّمْتَ وَمَالُ وَارِثِكَ مَا أَخَّرْتَ.
১৫২। আবদুল্লাহ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে যার নিকট নিজ সম্পত্তির চেয়ে তার ওয়ারিসদের সম্পত্তিই অধিক প্রিয়? সাহাবীগণ বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের প্রত্যেকের কাছে তার নিজের সম্পত্তি তার ওয়ারিসদের সম্পত্তির চেয়ে অধিক প্রিয়। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ যেনে রেখো! তোমাদের মধ্য এমন কেউ নাই যার কাছে তার নিজ সম্পত্তি অপেক্ষা তার ওয়ারিসদের সম্পত্তি অধিক প্রিয় নয়। তোমার সম্পত্তি হলো যা তুমি অগ্রিম প্রেরণ করেছো। আর তোমার ওয়ারিসদের সম্পত্তি হলো যা তুমি রেখে দিয়েছো (বু, না)।
١٥٣ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَا تَعُدُّوْنَ فِيكُمُ الرُّقُوبَ قَالُوا الرُّقُوبُ الَّذِي لَا يُولَدُ لَهُ قَالَ لَا وَلَكِنِ الرُّقُوبُ الَّذِي لَمْ يُقَدِّمُ مِنْ وَلَدِهَا شَيْئًا .
১৫৩। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কাকে নিঃসন্তান বলো? সাহাবীগণ বলেন, যার সন্তান হয় না সে নিঃসন্তান। তিনি বলেনঃ না, বরং নিঃসন্তান হলো যে কোন সন্তান অগ্রে প্রেরণ করেনি অর্থাৎ যার কোন সন্তান মারা যায়নি (বু, মু)।
١٥٤ - عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ الله ﷺ مَا تَعُدُّوْنَ فِيْكُمُ الصُّرَعَةَ قَالُوا هُوَ الذي لا تُصْرِعُهُ الرِّجَالُ فَقَالَ لَا وَلَكِنِ الصَّرَعَةُ الَّذِي يَمْلِكُ نَفْسَهُ عِنْدَ الْغَضَبِ.
১৫৪। আবদুল্লাহ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কাকে মল্লযোদ্ধা বলো? সাহাবীগণ বলেন, লোকেরা যাকে ভূপাতিত করতে পারে না। তিনি বলেনঃ না, বরং যে ব্যক্তি ক্রোধের সময় আত্মসংবরণ করতে পারে সে-ই হলো মল্লযোদ্ধা (মু)।