📄 যে দয়া করে না
৫৩ - বَابُ مَنْ لا يَرْحَمُ لَا يُرْحَمُ.
٩٤ - عَنْ أَبِي سَعِيدٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَنْ لَا يَرْحَمُ لَا يُرْحَمُ .
৯৪। আবু সাঈদ (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ যে দয়া করে না সে দয়া প্রাপ্ত হয় না (তি)।
٩٥ - عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ لَا يَرْحَمُ اللَّهُ مَنْ لَا يَرْحَمُ النَّاسَ.
৯৫। জারীর ইবনে আবদুল্লাহ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ যে লোক মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহ তার প্রতি দয়ার্দ্র হন না (বু, মু, তি)।
٩٦ - عَنْ حَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَنْ لَا يَرْحَمُ النَّاسَ لَا يَرْحَمُهُ اللَّهُ.
৯৬। জারীর ইবনে আবদুল্লাহ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহ তার প্রতি দয়ার্দ্র হন না (পূর্বোক্ত বরাত)।
٩٧ - عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ آتَي النَّبِيُّ ﷺ نَاسٌ مِّنَ الْأَعْرَابِ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ مِّنْهُمْ يَا رَسُولَ اللهِ اتَّقَبِّلُونَ الصَّبْيَانَ فَوَالله مَا نُقَبِّلُهُمْ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ أَوَ أَمْلِكُ أَنْ كَانَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ نَزَعَ مِنْ قَلْبِكَ الرَّحْمَةَ.
৯৭। আয়েশা (রা) বলেন, একদল বেদুইন নবী (স)-এর নিকট উপস্থিত হলো। তাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনারা কি শিশুদের চুমা দেন? আল্লাহ্র শপথ! আমরা তাদেরকে চুমা দেই না। নবী (স) বলেনঃ মহামহিম আল্লাহ যদি তোমার অন্তর থেকে দয়ামায়া তুলে নেন, তাহলে আমি আর কি করতে পারি (বু,মু,ই)!
۹۸ - عَنْ أَبِي عُثْمَانَ أَنَّ عُمَرَ اسْتَعْمَلَ رَجُلاً فَقَالَ الْعَامِلُ إِنَّ لِي كَذَا كَذَا مِنَ الوَلَدِ مَا قَبْلَتُ وَاحِداً مِنْهُمْ فَزَعَمَ عُمَرُ أَوْ قَالَ عُمَرُ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ لَا يَرْحَمُ مِنْ عباده الا ابرهُمْ .
৯৮। আবু উসমান (র) থেকে বর্ণিত। উমার (রা) এক ব্যক্তিকে কর্মে নিয়োগ করলেন। সেই কর্মচারী বললো, আমার এতোগুলো সন্তান আছে, আমি তাদের একটিকেও চুমা দেইনি। উমার (রা) মন্তব্য করলেন অথবা বললেন, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে সদাচারীদেরকেই দয়া করেন।
📄 সে দয়া প্রাপ্ত হয় না
৫৩ - বَابُ مَنْ لا يَرْحَمُ لَا يُرْحَمُ.
٩٤ - عَنْ أَبِي سَعِيدٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَنْ لَا يَرْحَمُ لَا يُرْحَمُ .
৯৪। আবু সাঈদ (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেনঃ যে দয়া করে না সে দয়া প্রাপ্ত হয় না (তি)।
٩٥ - عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ لَا يَرْحَمُ اللَّهُ مَنْ لَا يَرْحَمُ النَّاسَ.
৯৫। জারীর ইবনে আবদুল্লাহ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ যে লোক মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহ তার প্রতি দয়ার্দ্র হন না (বু, মু, তি)।
٩٦ - عَنْ حَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَنْ لَا يَرْحَمُ النَّاسَ لَا يَرْحَمُهُ اللَّهُ.
৯৬। জারীর ইবনে আবদুল্লাহ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহ তার প্রতি দয়ার্দ্র হন না (পূর্বোক্ত বরাত)।
٩٧ - عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ آتَي النَّبِيُّ ﷺ نَاسٌ مِّنَ الْأَعْرَابِ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ مِّنْهُمْ يَا رَسُولَ اللهِ اتَّقَبِّلُونَ الصَّبْيَانَ فَوَالله مَا نُقَبِّلُهُمْ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ أَوَ أَمْلِكُ أَنْ كَانَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ نَزَعَ مِنْ قَلْبِكَ الرَّحْمَةَ.
৯৭। আয়েশা (রা) বলেন, একদল বেদুইন নবী (স)-এর নিকট উপস্থিত হলো। তাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনারা কি শিশুদের চুমা দেন? আল্লাহ্র শপথ! আমরা তাদেরকে চুমা দেই না। নবী (স) বলেনঃ মহামহিম আল্লাহ যদি তোমার অন্তর থেকে দয়ামায়া তুলে নেন, তাহলে আমি আর কি করতে পারি (বু,মু,ই)!
۹۸ - عَنْ أَبِي عُثْمَانَ أَنَّ عُمَرَ اسْتَعْمَلَ رَجُلاً فَقَالَ الْعَامِلُ إِنَّ لِي كَذَا كَذَا مِنَ الوَلَدِ مَا قَبْلَتُ وَاحِداً مِنْهُمْ فَزَعَمَ عُمَرُ أَوْ قَالَ عُمَرُ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ لَا يَرْحَمُ مِنْ عباده الا ابرهُمْ .
৯৮। আবু উসমান (র) থেকে বর্ণিত। উমার (রা) এক ব্যক্তিকে কর্মে নিয়োগ করলেন। সেই কর্মচারী বললো, আমার এতোগুলো সন্তান আছে, আমি তাদের একটিকেও চুমা দেইনি। উমার (রা) মন্তব্য করলেন অথবা বললেন, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে সদাচারীদেরকেই দয়া করেন।
📄 আল্লাহর রহমত শত ভাগে বিভক্ত
৫৪-অনুচ্ছেদ: আল্লাহ্র রহমাত শত ভাগে বিভক্ত।
٩٩- عَن أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ جَعَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ الرَّحْمَةَ مَاءَةَ حُزْءٍ فَأَمْسَكَ عِنْدَهُ تِسْعَةً وتِسْعِينَ وَأَنْزَلَ فِي الْأَرْضِ جُزْءًا وَاحِداً فَمِنْ ذَلِكَ الْجُزْء يَتَرَاحَمُ الخَلْقُ حَتَّى تَرْفَعَ الْفَرَسُ حَافِرَهَا عَنْ وَلَدِهَا خَشْيَةَ أَنْ تُصِيبَهُ.
৯৯। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছি: মহামহিম আল্লাহ দয়াকে শত ভাগে বিভক্ত করেছেন। তিনি (এর) নিরানব্বই ভাগ নিজের কাছে রেখেছেন এবং মাত্র এক ভাগ পৃথিবীতে অবতীর্ণ করেছেন। এই এক ভাগের কারণে সৃষ্টিকূলের একে অপরের প্রতি দয়াপরবশ হয়, এমনকি ঘোড়া তার পায়ের খুর এই আশংকায় তার শাবকের উপর থেকে তুলে নেয় যাতে সে ব্যথা না পায় (বু, মু, ই, দার)।