📄 যে ব্যক্তি দুইটি বা একটি কন্যা সন্তান পোষে
৪১ - بَابُ مَنْ عَالَ جَارِيَتَيْنِ أَوْ وَاحِداً
٧٦ - عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ الله ﷺ يَقُولُ مَنْ كَانَ لَهُ ثَلَاثُ بَنَاتِ وَصَبَرَ عَلَيْهِنَّ وَكَسَاهُنَّ مِنْ جِدَتِهِ كُنْ لَهُ حِجَابًا مِنَ النَّارِ .
৭৬। উকবা ইবনে আমার (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছিঃ যার তিনটি কন্যা সন্তান আছে এবং সে তাদের ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করে এবং তাদেরকে যথাসাধ্য উত্তম পোশাকাদি দেয়, তারা তার জন্য দোযখ থেকে রক্ষাকারী প্রতিবন্ধক হবে (আ, ই)।
۷۷- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَا مِنْ مُسْلِمٍ تُدْرِكُهُ ابْنَتَانِ فَيُحْسِنُ صُحبَتَهُمَا إِلا أَدْخَلْتَاهُ الْجَنَّةَ.
৭৭। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন, যে মুসলমানের দুইটি কন্যা সন্তান আছে এবং সে তাদেরকে উত্তম সাহচর্য দান করে তারা তাকে বেহেশতে দাখিল করবে (ই, হা, ই)।
۷۸- عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَنْ كَانَ لَهُ ثَلَاثُ بَنَاتِ يُوويِهِنَّ وَيَكْفِيهِنَّ وَيَرْحَمُهُنَّ فَقَدْ وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ الْبَتَّةَ قَالَ رَجُلٌ مِّنْ بَعْضِ الْقَوْمِ وَثِنْتَيْنِ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ وَثِنْتَيْنِ.
৭৮। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: যার তিনটি কন্যা সন্তান আছে এবং সে তাদেরকে আশ্রয় দিয়ে তাদের ব্যয়ভার বহন করে এবং তাদের সাথে দয়ার্দ্র ব্যবহার করে, তার জন্য বেহেশত অবধারিত হয়ে যায়। লোকজনের মধ্য থেকে একজন বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কারো যদি দু'টি কন্যা সন্তান থাকে? তিনি বলেনঃ দুইটি কন্যা সন্তান হলেও (আ,তা, বায)।
📄 যে ব্যক্তি তিন বোনকে লালন-পালন করলো
৪২- বাবঃ যে ব্যক্তি তিন বোনকে লালন-পালন করলো।
৭৯- আবূ সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেনঃ যে ব্যক্তির তিনটি কন্যা সন্তান বা তিনটি বোন আছে এবং সে তাদের সাথে মমতাপূর্ণ ব্যবহার করে, সে বেহেশতে প্রবেশ করবে (দা, তি, আ, হি)।
📄 যে ব্যক্তি নিজের তালাকপ্রাপ্তা (বা বিধবা) কন্যার প্রতিপালন করে তার ফযীলাত
৪৩- বাবঃ যে ব্যক্তি নিজের তালাকপ্রাপ্তা (বা বিধবা) কন্যার প্রতিপালন করে তার ফযীলাত।
৮০- হাদ্দাসানী মূসা বিন উলীয়্যি আন আবীহি আন্না নাবী ﷺ কালা লি সুরাক্বাতা বিন জু‘শুম আলা আদul্লুকা আলা আ‘যামুস সাদাক্বাতি আও মিন আ‘যামুস সাদাক্বাতি কালা বালী ইয়া রাসূলাল্লাহ! কালা ইবনাতুকা মারদুদাতুন ইলাইকা লাইসা লাha কাসিবুন গাইরুকা.
৮০। মূসা ইবনে উলায়্যি (র) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী (স) সুরাকা ইবনে জুশুম (রা)-কে বলেন: আমি কি তোমাকে শ্রেষ্ঠতম বা অতীব শ্রেষ্ঠ দান-খয়রাত সম্পর্কে অবহিত করবো না? তিনি বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! অবশ্যই। তিনি বলেন: তোমার নিকট ফিরে আসা তোমার (স্বামী পরিত্যক্ত) কন্যার ব্যয়ভার বহন করা, তুমি ছাড়া যার জন্য উপার্জনকারী আর কেউ নাই (ই, আ, না)।
৮১- আনিল মিক্বদামি ইবনি মা‘দীকারিব আন্নাহু সামি‘আ রাসূল্লাল্লাহি ﷺ ইয়াকুলু মা আত্‘আমতা নাফসাকা ফাহুয়া লাকা সাদাক্বাতুন ওয়ামা আত্‘আমতা ওয়ালাদাকা ফাহুয়া লাকা সাদাক্বাতুন ওয়ামা আত্‘আমতা যাওজাকা ফাহুয়া লাকা সাদাক্বাতুন ওয়ামা আত্‘আমতা খাদিমাকা ফাহুয়া লাকা সাদাক্বাতুন.
৮১। মিকদাম ইবনে মাদীকারিব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছেনঃ তুমি নিজেকে যা খাওয়াও তা তোমার জন্য সদাকা। তোমার সন্তানকে তুমি যা খাওয়াও তাও তোমার জন্য সদাকা, তোমার স্ত্রীকে তুমি যা খাওয়াও তাও তোমার জন্য সদকা এবং তোমার খাদেমকে যা খাওয়াও তাও তোমার জন্য সদাকা (আ)।
📄 যে ব্যক্তি কন্যা সন্তানদের মৃত্যু কামনা অপছন্দ করে
৪৪- বাবঃ যে ব্যক্তি কন্যা সন্তানদের মৃত্যু কামনা অপছন্দ করে।
৮২- আন ইবনি উমারা আন্না রাজুলান কানা ইন্দাহু ওয়া লাহু বানাতুন ফাতামান্না মাওতাহুন্না ফাগাদ্বিবা ইবনু উমারা ওয়া কালা আন্তা তারযুকুহুন্না.
৬২। ইবনে উমার (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি তার সাথে থাকতো। তার কয়েকটি কন্যা সন্তান ছিল। সে তাদের মৃত্যু কামনা করলো। ইবনে উমার (রা) ক্রুদ্ধ হয়ে বলেন, তুমি কি তাদের রিযিক দাও?