📄 মৃত পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার
٣٥- عَنْ أَبِي أُسَيْدِ يُحَدِّثُ الْقَوْمَ قَالَ كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ ﷺ فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللهِ هَلْ بَقِيَ مِنْ بِرِّ أَبَوَيْ شَيْئً بَعْدَ مَوْتِهِمَا أَبَرُّهُمَا قَالَ نَعَمْ خِصَالٌ أَرْبَعُ الدُّعَاءُ لَهُمَا وَالْاسْتِغْفَارُ لَهُمَا وَإِنْفَاذُ عَهْدِهِمَا وَإِكْرَامُ صَدِيقِهِمَا وَصِلَةُ الرَّحِمِ الَّتِي لَا رَحِمَ لَكَ إِلَّا مِنْ قَبْلِهِمَا .
৩৫। আবু উসাইদ (রা) বলেন, আমরা নবী (স)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করার কোন অবকাশ আছে কি? তিনি বলেনঃ হাঁ, চারটি উপায় আছে। (১) তাদের জন্য দোয়া করা, (২) তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা, (৩) তাদের প্রতিশ্রুতিসমূহ পূর্ণ করা এবং (৪) তাদের বন্ধু-বান্ধবদের সম্মান করা ও তাদের আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহার করা, যারা তাদের মাধ্যমে তোমার আত্মীয় (দা,ই, হা, হি)।
٣٦- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ تُرْفَعُ لِلْمَيِّتِ بَعْدَ مَوْتِهِ دَرَجَتُهُ فَيَقُولُ أَي رَبِّ أَيُّ شَيْءٍ هُذِهِ فَيُقَالُ وَلَدَكَ اسْتَغْفَرَ لَكَ.
৩৬। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, মানুষের মৃত্যুর পর তার মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়। তখন সে বলে, হে প্রভু! এটা কি জিনিস? তাকে বলা হয়, তোমার সন্তান তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছে (ই,মা)।
۳۷- عَنْ غَالِبٍ قَالَ قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ سِيرِينَ كُنَّا عِنْدَ أَبِي هُرَيْرَةَ لَيْلَةً فَقَالَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِأَبِي هُرَيْرَةَ وَلِأُمِّي وَلِمَنِ اسْتَغْفَرَ لَهُمَا قَالَ مُحَمَّدٌ فَنَحْنُ نَسْتَغْفِرُ لَهُمْ حَتَّي نَدْخُلَ فِي دَعْوَةٍ أَبِي هُرَيْرَةَ.
৩৭। মুহাম্মাদ ইবনে সীরীন (র) বলেন, এক রাতে আমরা আবু হুরায়রা (রা)-এর সাথে ছিলাম। তিনি বললেন, "হে আল্লাহ! আবু হুরায়রাকে, আমার মাকে এবং তাদের দু'জনের জন্য যারা ক্ষমা প্রার্থনা করে, তাদের সকলকে তুমি ক্ষমা করো"। মুহাম্মাদ (R) বলেন, আমরা তার দোয়ায় শামিল হওয়ার আশায় তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করি।
٣٨- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ إِذَا مَاتَ الْعَبْدُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلَّا مِنْ ثَلَاثَ صَدَقَةٌ جَارِيَةٌ أَوْ عِلْمٌ يُنْتَفَعُ بِهِ أَوْ وَلَدٌ صَالِحٌ يَدْعُو لَهُ.
৩৮। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ বান্দা মারা যাবার সাথে সাথে তার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, তিনটি কাজ ব্যতীত। (১) সদকায়ে জারিয়া, (২) উপকারী জ্ঞান এবং (৩) সুসন্তান যে তার জন্য দোয়া করে (মু, দা, তি, না)।
٣٩- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَجُلاً قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أُمِّي تُوُفِّيَتْ وَلَمْ تُوْصُ أَفَيَنْفَعُهَا إِنْ أَتَصَدِّقُ عَنْهَا قَالَ نَعَمْ.
৩৯। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার মা মারা গেছেন। তিনি কোনরূপ ওসিয়াত করে যাননি। আমি যদি তার পক্ষ থেকে দান-খয়রাত করি তবে তাতে তার কোন উপকার হবে কি? তিনি বলেনঃ হাঁ (বু, দা, তি, না)।
📄 পিতা যাদের সাথে সদাচার করতেন তাদের সাথে সন্তানের সদাচার
২০- অনুচ্ছেদ: পিতা যাদের সাথে সদাচার করতেন তাদের সাথে সন্তানের সদাচার।
৪০ - عَنِ ابْنِ عُمَرَ مَرَّ أَعْرَابِيُّ فِي سَفَرٍ فَكَانَ أَبُو الْأَعْرَابِيِّ صَدِيقًا لِعُمَرَ فَقَالَ الْأَعْرَابِيُّ أَلَسْتَ ابْنَ فُلانٍ قَالَ بَلَى فَأَمَرَ لَهُ ابْنُ عُمَرَ بِحِمَارِ كَانَ يَسْتَعْقِبُ وَنَزَعَ عِمَامَتَهُ مِنْ رَأْسِهِ فَأَعْطَاهُ فَقَالَ بَعْضُ مَنْ مُعَهُ أَمَا يَكْفِيْهِ دِرْهَمَانِ فَقَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ: احْفَظْ وُدَّ أَبِيْكَ لَا تَقْطَعْهُ فَيُطْفِي اللَّهُ نُورَكَ.
৪০। ইবনে উমার (রা) থেকে বর্ণিত। এক বেদুইন সফরে গেলো। তার পিতা উমার (রা)-এর বন্ধু ছিলেন। বেদুইন বললো, আপনি কি অমুকের পুত্র নন? তিনি বলেন, হাঁ। তিনি তার সাথে আনা একটি গাধা বেদুইনকে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন এবং নিজের মাথার পাগড়ী খুলে তাকে দান করলেন। তার এক সঙ্গী বললো, তাকে দু'টি দিরহাম দিলে কি যথেষ্ট হতো না? তিনি বলেন, নবী (স) বলেছেনঃ পিতার বন্ধুত্ব অটুট রাখো, তা ছিন্ন করো না। অন্যথায় আল্লাহ তোমার (ঈমানের) আলো নিভিয়ে দিবেন (মু,আ)।
٤١- عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللهِ ﷺ قَالَ إِنَّ أَبَرَّ الْبِرِّ أَنْ يَصِلَ الرَّجُلُ أَهْلَ وُدُ أَبِيْهِ.
৪১। ইবনে উমার (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: কোন ব্যক্তির সর্বোত্তম সদ্ব্যবহার হলো, তার পিতার বন্ধু পরিবারের প্রতি তার সদ্ব্যবহার (মু,দা,তি)।
২০- অনুচ্ছেদ: পিতা যাদের সাথে সদাচার করতেন তাদের সাথে সন্তানের সদাচার।
৪০ - عَنِ ابْنِ عُمَرَ مَرَّ أَعْرَابِيُّ فِي سَفَرٍ فَكَانَ أَبُو الْأَعْرَابِيِّ صَدِيقًا لِعُمَرَ فَقَالَ الْأَعْرَابِيُّ أَلَسْتَ ابْنَ فُلانٍ قَالَ بَلَى فَأَمَرَ لَهُ ابْنُ عُمَرَ بِحِمَارِ كَانَ يَسْتَعْقِبُ وَنَزَعَ عِمَامَتَهُ مِنْ رَأْسِهِ فَأَعْطَاهُ فَقَالَ بَعْضُ مَنْ مُعَهُ أَمَا يَكْفِيْهِ دِرْهَمَانِ فَقَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ: احْفَظْ وُدَّ أَبِيْكَ لَا تَقْطَعْهُ فَيُطْفِي اللَّهُ نُورَكَ.
৪০। ইবনে উমার (রা) থেকে বর্ণিত। এক বেদুইন সফরে গেলো। তার পিতা উমার (রা)-এর বন্ধু ছিলেন। বেদুইন বললো, আপনি কি অমুকের পুত্র নন? তিনি বলেন, হাঁ। তিনি তার সাথে আনা একটি গাধা বেদুইনকে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন এবং নিজের মাথার পাগড়ী খুলে তাকে দান করলেন। তার এক সঙ্গী বললো, তাকে দু'টি দিরহাম দিলে কি যথেষ্ট হতো না? তিনি বলেন, নবী (স) বলেছেনঃ পিতার বন্ধুত্ব অটুট রাখো, তা ছিন্ন করো না। অন্যথায় আল্লাহ তোমার (ঈমানের) আলো নিভিয়ে দিবেন (মু,আ)।
٤١- عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللهِ ﷺ قَالَ إِنَّ أَبَرَّ الْبِرِّ أَنْ يَصِلَ الرَّجُلُ أَهْلَ وُدُ أَبِيْهِ.
৪১। ইবনে উমার (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: কোন ব্যক্তির সর্বোত্তম সদ্ব্যবহার হলো, তার পিতার বন্ধু পরিবারের প্রতি তার সদ্ব্যবহার (মু,দা,তি)।
📄 তোমার পিতা যাদের সাথে সম্পর্ক রাখতেন
২১- অনুচ্ছেদ: তোমার পিতা যাদের সাথে সম্পর্ক রাখতেন, তুমি তাদের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করো না। অন্যথায় তোমার ঈমানের আলো নিভে যাবে।
৪২- عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ الزُّرَقِيَّ أَنَّ آبَاهُ قَالَ كُنْتُ جَالِسًا فِي مَسْجِدِ الْمَدِينَةِ مَعَ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ فَمَرَّ بِنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ سَلَامٍ مُتَكَنَّئَا عَلَى ابْنِ أَخِيهِ فَنَفَذَ عَنِ الْمَجْلِسِ ثُمَّ عَطَفَ عَلَيْهِ فَرَجَعَ عَلَيْهِمْ فَقَالَ مَا شِئْتَ عَمْرِو بْنَ عُثْمَانَ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاثًا فَوَالَّذِي بَعَثَ مُحَمَّدًا بِالْحَقِّ إِنَّهُ لَفِي كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ مَرَّتَيْنِ لَا تَقْطَعُ مَنْ كَانَ يَصِلُ أَبَاكَ فَيُطْفَأُ بِذلِكَ نُورُكَ
৪২। সাদ ইবনে উবাদা আয-যুরাকী (র) বলেন, তার পিতা বলেছেন, আমি মদীনার মসজিদে আমর ইবনে উসমানের সাথে বসা ছিলাম। আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা) তার ভাতিজার কাঁধে ভর করে আমাদের পাশ দিয়ে গেলেন। তিনি মজলিস অতিক্রম করে যেতে যেতে ফিরে তাকালেন এবং আবার সেখানে ফিরে এলেন। তিনি বলেন, আমর ইবনে উসমান! তুমি কি চাও? তিনি দুই বা তিনবার একথা বলেন। তারপর বলেন, সেই সত্তার শপথ, যিনি মুহাম্মাদ (স)-কে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন! নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ কিতাবে (তাওরাত) দুইবার বলা হয়েছে: তোমার পিতা যাদের সাথে সম্পর্ক রাখতো, তাদের সাথে তুমি সম্পর্ক ছিন্ন করো না। অন্যথায় তাতে তোমার ঈমানের নূর নির্বাপিত হবে।
২১- অনুচ্ছেদ: তোমার পিতা যাদের সাথে সম্পর্ক রাখতেন, তুমি তাদের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করো না। অন্যথায় তোমার ঈমানের আলো নিভে যাবে।
৪২- عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ الزُّرَقِيَّ أَنَّ آبَاهُ قَالَ كُنْتُ جَالِسًا فِي مَسْجِدِ الْمَدِينَةِ مَعَ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ فَمَرَّ بِنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ سَلَامٍ مُتَكَنَّئَا عَلَى ابْنِ أَخِيهِ فَنَفَذَ عَنِ الْمَجْلِسِ ثُمَّ عَطَفَ عَلَيْهِ فَرَجَعَ عَلَيْهِمْ فَقَالَ مَا شِئْتَ عَمْرِو بْنَ عُثْمَانَ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاثًا فَوَالَّذِي بَعَثَ مُحَمَّدًا بِالْحَقِّ إِنَّهُ لَفِي كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ مَرَّتَيْنِ لَا تَقْطَعُ مَنْ كَانَ يَصِلُ أَبَاكَ فَيُطْفَأُ بِذلِكَ نُورُكَ
৪২। সাদ ইবনে উবাদা আয-যুরাকী (র) বলেন, তার পিতা বলেছেন, আমি মদীনার মসজিদে আমর ইবনে উসমানের সাথে বসা ছিলাম। আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা) তার ভাতিজার কাঁধে ভর করে আমাদের পাশ দিয়ে গেলেন। তিনি মজলিস অতিক্রম করে যেতে যেতে ফিরে তাকালেন এবং আবার সেখানে ফিরে এলেন। তিনি বলেন, আমর ইবনে উসমান! তুমি কি চাও? তিনি দুই বা তিনবার একথা বলেন। তারপর বলেন, সেই সত্তার শপথ, যিনি মুহাম্মাদ (স)-কে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন! নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ কিতাবে (তাওরাত) দুইবার বলা হয়েছে: তোমার পিতা যাদের সাথে সম্পর্ক রাখতো, তাদের সাথে তুমি সম্পর্ক ছিন্ন করো না। অন্যথায় তাতে তোমার ঈমানের নূর নির্বাপিত হবে।
📄 তুমি তাদের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করো না
২১- অনুচ্ছেদ: তোমার পিতা যাদের সাথে সম্পর্ক রাখতেন, তুমি তাদের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করো না। অন্যথায় তোমার ঈমানের আলো নিভে যাবে।
৪২- عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ الزُّرَقِيَّ أَنَّ آبَاهُ قَالَ كُنْتُ جَالِسًا فِي مَسْجِدِ الْمَدِينَةِ مَعَ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ فَمَرَّ بِنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ سَلَامٍ مُتَكَنَّئَا عَلَى ابْنِ أَخِيهِ فَنَفَذَ عَنِ الْمَجْلِسِ ثُمَّ عَطَفَ عَلَيْهِ فَرَجَعَ عَلَيْهِمْ فَقَالَ مَا شِئْتَ عَمْرِو بْنَ عُثْمَانَ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاثًا فَوَالَّذِي بَعَثَ مُحَمَّدًا بِالْحَقِّ إِنَّهُ لَفِي كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ مَرَّتَيْنِ لَا تَقْطَعُ مَنْ كَانَ يَصِلُ أَبَاكَ فَيُطْفَأُ بِذلِكَ نُورُكَ
৪২। সাদ ইবনে উবাদা আয-যুরাকী (র) বলেন, তার পিতা বলেছেন, আমি মদীনার মসজিদে আমর ইবনে উসমানের সাথে বসা ছিলাম। আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা) তার ভাতিজার কাঁধে ভর করে আমাদের পাশ দিয়ে গেলেন। তিনি মজলিস অতিক্রম করে যেতে যেতে ফিরে তাকালেন এবং আবার সেখানে ফিরে এলেন। তিনি বলেন, আমর ইবনে উসমান! তুমি কি চাও? তিনি দুই বা তিনবার একথা বলেন। তারপর বলেন, সেই সত্তার শপথ, যিনি মুহাম্মাদ (স)-কে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন! নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ কিতাবে (তাওরাত) দুইবার বলা হয়েছে: তোমার পিতা যাদের সাথে সম্পর্ক রাখতো, তাদের সাথে তুমি সম্পর্ক ছিন্ন করো না। অন্যথায় তাতে তোমার ঈমানের নূর নির্বাপিত হবে।
২১- অনুচ্ছেদ: তোমার পিতা যাদের সাথে সম্পর্ক রাখতেন, তুমি তাদের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করো না। অন্যথায় তোমার ঈমানের আলো নিভে যাবে।
৪২- عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ الزُّرَقِيَّ أَنَّ آبَاهُ قَالَ كُنْتُ جَالِسًا فِي مَسْجِدِ الْمَدِينَةِ مَعَ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ فَمَرَّ بِنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ سَلَامٍ مُتَكَنَّئَا عَلَى ابْنِ أَخِيهِ فَنَفَذَ عَنِ الْمَجْلِسِ ثُمَّ عَطَفَ عَلَيْهِ فَرَجَعَ عَلَيْهِمْ فَقَالَ مَا شِئْتَ عَمْرِو بْنَ عُثْمَانَ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاثًا فَوَالَّذِي بَعَثَ مُحَمَّدًا بِالْحَقِّ إِنَّهُ لَفِي كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ مَرَّتَيْنِ لَا تَقْطَعُ مَنْ كَانَ يَصِلُ أَبَاكَ فَيُطْفَأُ بِذلِكَ نُورُكَ
৪২। সাদ ইবনে উবাদা আয-যুরাকী (র) বলেন, তার পিতা বলেছেন, আমি মদীনার মসজিদে আমর ইবনে উসমানের সাথে বসা ছিলাম। আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা) তার ভাতিজার কাঁধে ভর করে আমাদের পাশ দিয়ে গেলেন। তিনি মজলিস অতিক্রম করে যেতে যেতে ফিরে তাকালেন এবং আবার সেখানে ফিরে এলেন। তিনি বলেন, আমর ইবনে উসমান! তুমি কি চাও? তিনি দুই বা তিনবার একথা বলেন। তারপর বলেন, সেই সত্তার শপথ, যিনি মুহাম্মাদ (স)-কে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন! নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ কিতাবে (তাওরাত) দুইবার বলা হয়েছে: তোমার পিতা যাদের সাথে সম্পর্ক রাখতো, তাদের সাথে তুমি সম্পর্ক ছিন্ন করো না। অন্যথায় তাতে তোমার ঈমানের নূর নির্বাপিত হবে।