📘 আকীদাহ ত্বহাবিয়্যাহ সালাফ ও খালাফের ব্যাখ্যা 📄 অধমের পর্যবেক্ষণ

📄 অধমের পর্যবেক্ষণ


ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান হচ্ছে দুটোর মাঝামাঝি। একদিকে যেমন খবরে ওয়াহেদ ও মুতাওয়াতিরকে এক ভাবা এবং এক স্তরে রাখা যৌক্তিক নয়, অপরদিকে অযথা হাদিস বর্ণনাকারীদের ব্যাপারে সন্দেহ করাও উচিত নয়। কারণ, ইসলামের ইতিহাসে মুহাদ্দিসগণ হাদিসের বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে যে বিরল নজির স্থাপন করেছেন, তা মানুষের ইতিহাসে আর কোথাও নেই। বর্তমানেও অনেক শাইখ মানুষ ফিতান ও মালাহিম-সংক্রান্ত হাদিস এবং মুরতাদ হত্যার হাদিসকে প্রত্যাখ্যান করছেন। তাদের যুক্তিও একই—খবরে ওয়াহেদ দিয়ে আকিদা সাব্যস্ত করা যাবে না।

আমরা খবরে ওয়াহিদের মাধ্যমে প্রমাণিত আকিদাকে কুরআন কিংবা তাওয়াতুরের পর্যায়ে রাখব না, আবার বিশুদ্ধ সনদে প্রমাণিত হলে এবং কুরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হলে সেগুলোতে অযথা সন্দেহও করব না, অস্বীকার করব না। মুতাওয়াতির সনদে প্রমাণিত কোনো মৌলিক আকিদা অস্বীকার করা কুফর। বিপরীতে খবরে ওয়াহিদের মাধ্যমে প্রমাণিত কোনো আকিদায় কেউ সন্দেহ করলে সেটাকে কুফর বলা যাবে না। তাই বিপরীত মানহাজের ব্যাপারে কথা বলার সময় এসব পার্থক্য আমাদের মাথায় রাখতে হবে। যেন কারও লঘু অপরাধের কারণে তাকে কাফের-মুশরিক কিংবা গোমরাহ ফাতাওয়া দেওয়া থেকে বাঁচা যায়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px