📘 আকীদাহ ত্বহাবিয়্যাহ সালাফ ও খালাফের ব্যাখ্যা > 📄 হাউজে কাওসার

📄 হাউজে কাওসার


রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি আকিদা হলো, আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁকে প্রদত্ত হাউজে বিশ্বাস করা। এ হাউজ আল্লাহ তায়ালা তাঁকে হাশরের দিন প্রদান করবেন। তিনি এটা থেকে তাঁর উম্মতকে পান করিয়ে পিপাসা নিবারণ করাবেন। কারণ, হাশরের দিন হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। প্রচণ্ড রোদ ও তাপে মানুষ ঘেমে যাবে, পিপাসায় ছাতি ফেটে যাওয়ার উপক্রম হবে। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মতকে এই হাউজ থেকে পানি পান করাবেন। যে একবার পান করবে, সে কখনোই পিপাসার্ত হবে না!

প্রায় ত্রিশজন সাহাবি থেকে বিশুদ্ধ সনদে হাউজের বর্ণনা এসেছে। ফলে হাদিসগুলো মুতাওয়াতিরের পর্যায়ে, যা নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের উদ্দেশে বলেন, 'তোমরা আমার পরে শীঘ্রই প্রচণ্ড স্বার্থপরতা দেখতে পাবে, আরও এমন অনেককিছু দেখবে যা তোমাদের খারাপ লাগবে। সুতরাং তোমরা ধৈর্যধারণ করো যতক্ষণ না আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সঙ্গে হাউজের পারে তোমাদের সাক্ষাৎ হয়!' অন্য একটি হাদিসে বলেন, 'আমি তোমাদের আগে যাচ্ছি। আর আমি তোমাদের উপর সাক্ষী। তোমাদের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হবে হাউজের পাড়ে। আমি এখান থেকে তা দেখতে পাচ্ছি।' আরেকটি হাদিসে বলেন, 'আমি তোমাদের আগে হাউজের পাশে থাকব। যে ব্যক্তি আমার পাশ দিয়ে যাবে, সে-ই ওখান থেকে পান করবে। আর যে একবার পান করবে, সে কখনও তৃষ্ণার্ত হবে না।'

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাউজের কিছু চিত্র আঁকেন এভাবে: হাউজের পরিধি হবে মদিনা ও সানআর মধ্যবর্তী জায়গার সমান! তাতে পানপাত্র থাকবে আকাশের তারকার মতো (অধিক)।' অন্য একটি হাদিসে বলা হয়েছে 'আইলা' ও 'জুহফা'র মধ্যবর্তী দূরত্বের সমান!' আবু জর রাজি. বলেন, আমি রাসুলুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ, হাউজের পাত্র কেমন হবে? তিনি বললেন, 'ওই সত্তার কসম যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশে দৃশ্যমান তারকাপুঞ্জ ও নক্ষত্ররাজির চেয়েও এর পাত্রসংখ্যা বেশি হবে। এসব পাত্র জান্নাতেরই পাত্র। যে সেই পাত্রে একবার পান করবে, সে কখনও তৃষ্ণার্ত হবে না। জান্নাত থেকে তাতে দুটো প্রস্রবণ বাহিত হবে। যে ব্যক্তি তা থেকে পান করবে, কখনও তৃষ্ণার্ত হবে না। তার প্রস্থ দৈর্ঘ্যের সমান আম্মান ও আইলার মধ্যবর্তী জায়গা পরিমাণ। তার পানি দুধের চেয়েও অধিক সাদা, মধুর চেয়েও অধিক মিষ্টি।' বুখারির আরেকটি বর্ণনায় এসেছে, 'আমার হাউজের পরিধি এক মাসের পথ। এর পানি দুধের চেয়ে সাদা, ঘ্রাণ মিশকের চেয়ে সুন্দর, এর পেয়ালা আকাশের তারকার মতো। যে একবার পান করবে, কখনও তৃষ্ণার্ত হবে না।'

কিন্তু এই হাউজ থেকে একমাত্র রাসুলুল্লাহর সত্য ও প্রকৃত উম্মতরাই পান করবে। কাফের, মুরতাদ, বিদআতপন্থি ও গোমরাহ লোকেরা এই হাউজ থেকে রাসুলুল্লাহর হাতে পানি পানের সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হবে। একটি হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'আমি তোমাদের আগে হাউজের কাছে গিয়ে থাকব। তোমাদের একটি দল আমার কাছে আসবে, কিন্তু তাদের আসতে দেওয়া হবে না। আমি বলব, 'হে প্রভু, তারা আমার উম্মত।' তিনি বলবেন, 'আপনি জানেন না, তারা আপনার পরে (দ্বীনের মাঝে) কী উদ্ভাবন করেছে!’ তখন আমি তাদের বলব, 'যারা আমার পরে আমার দ্বীনকে পরিবর্তন করেছে, তারা দূর হোক!’ আরেকটি বর্ণনায় এসেছে, 'আপনি জানেন না তারা আপনার পরে কী করেছে। তারা তাদের পিছনে ফিরে গেছে।' মুসলিমের হাদিসে এসেছে, 'হাউজে আমার কাছে আমার উম্মতের এমন একটি দল আসবে, যাদের আমি সেখান থেকে সেভাবে তাড়াব, যেভাবে উটের মালিক অন্যের উটকে নিজের কুয়া থেকে তাড়িয়ে দেয়।' সাহাবারা জিজ্ঞাসা করলেন, 'ইয়া রাসুলাল্লাহ, আমাদের চিনতে পারবেন?' তিনি বললেন, 'হ্যাঁ তোমাদের চিনতে পারব। তোমাদের এমন আলামত থাকবে যা অন্য কারও থাকবে না। ওজুর ফলে তোমাদের কপাল আলোকিত থাকবে।'

ইবনে হিব্বানের একটি বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, কেবল মুরতাদ, গোমরাহ ও বিদআতি লোকেরাই নয়, জালেম শাসক, তাদের সহযোগী ও দরবারি আলেমরাও হাউজে কাউসার থেকে বঞ্চিত হবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'আমার পরে আমির-উমারাদের আগমন ঘটবে। তাদের মিথ্যাকে সত্য বলো না, তাদের জুলুমে সাহায্য করো না। কারণ, যে তাদের সত্যকে মিথ্যা বলবে, তাদের জুলুমে সাহায্য করবে, সে আমার হাউজের কাছে আসতে পারবে না।' অপর একটি বর্ণনায় এভাবে এসেছে, 'কারণ যে তাদের দরবারে যাবে, তাদের মিথ্যাকে সত্য বলবে, তাদের জুলুমে সাহায্য করবে, সে আমার কেউ নয় আমিও তার কেউ নই। সে আমার হাউজের কাছে আসতে পারবে না। আর যে তাদের কাছে যাবে না, তাদের মিথ্যাকে সত্য বলবে না, তাদের জুলুমে সাহায্য করবে না, সে আমার, আমিও তার। সে আমার হাউজে আসবে।'

📘 আকীদাহ ত্বহাবিয়্যাহ সালাফ ও খালাফের ব্যাখ্যা > 📄 হাউজের নাম

📄 হাউজের নাম


ইমাম তহাবি রাহি.-কেবল হাউজের কথা বলেছেন। হাদিসেও কেবল 'হাউজ' শব্দটিই ব্যবহার করা হয়েছে। তাহলে 'হাউজে কাউসার' নাম এলো কোত্থেকে? কুরআনে উল্লিখিত কাউসার কি এই হাউজ নাকি ভিন্ন কোনো বস্তু?

বিষয়টি মতভেদপূর্ণ। একদল আলিম দুটোকে এক বলেছেন। অন্য একদল আলিম দুটোকে আলাদা বলেছেন। এই মতভেদের কারণ হচ্ছে-এ ব্যাপারে কুরআন-সুন্নাহে স্পষ্ট বক্তব্য নেই; একদিক থেকে বোঝা যায় দুটো একই, অন্যদিক থেকে বোঝা যায় দুটো আলাদা।

সহিহ মুসলিমে এসেছে, রাসুলুল্লাহর উপর যখন সুরা কাউসার অবতীর্ণ হলো, তখন তিনি সাহাবাদের বললেন, 'তোমরা কি জানো কাউসার কী?' তারা বললেন, 'আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ভালো জানেন।' তিনি বললেন, 'এটা একটা নদী। আল্লাহ তায়ালা আমাকে তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাতে কল্যাণ রয়েছে। এটা হাউজ, কিয়ামতের দিন আমার উম্মত এখানে আমার কাছে পান করার জন্য আসবে। এর পাত্রগুলো আকাশের তারকা পরিমাণ....'' উক্ত হাদিসে দেখা যাচ্ছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাউসারকে প্রথমে 'নদী' বলে আখ্যা দিলেও পরে এটাকেই 'হাউজ' বলে আখ্যা দেন। ফলে বোঝা যায়, হাউজ আর কাউসার আলাদা নয়; বরং নদী বলা হলেও হাউজটির নামই কাউসার।

কিন্তু কিছু কিছু হাদিসে বোঝা যায়, কাউসার এবং রাসুলুল্লাহর হাউজ আলাদা। যেমন আবু দাউদের বর্ণনায় উক্ত হাদিসটিই এভাবে এসেছে : فَإِنَّهُ نَهَرُ وَعَدَنِيهِ رَبِّي عَزَّ وَجَلَّ فِي الْجَنَّةِ ، وَعَلَيْهِ خَيْرٌ كَثِيرٌ، عَلَيْهِ حَوْضٌ تَرِدُ عَلَيْهِ أُمَّتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ যাচ্ছে, কাউসারকে জান্নাতের নদী বলা হচ্ছে; অথচ হাউজ জান্নাতে নয়, বরং হাশরের মাঠে। অপরদিকে হাউজকে নদীর উপর বলা হচ্ছে।২ এর মানে, হাউজটি জান্নাতের কাউসার নদী থেকে উৎসারিত। অন্য কিছু হাদিসও এটাকে শক্তিশালী করছে। যেমন আবু জর রাজি. থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, 'হাউজ জান্নাতের দুটো নালার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।'৩ এতে বোঝা যাচ্ছে, হাউজটি জান্নাতের কাউসার নদী থেকেই উৎসারিত। অর্থাৎ একদিক থেকে দুটো ভিন্ন; একটি নদী, অপরটি হাউজ। আরেক দিক থেকে দুটো এক। কারণ, হাউজটি নদীরই শাখা। এ কারণে সম্ভবত এর নাম হয়েছে 'হাউজে কাউসার' তথা কাউসার নদী থেকে উৎসারিত হাউজ। আল্লাহ এর স্বরূপ ভালো জানেন।

📘 আকীদাহ ত্বহাবিয়্যাহ সালাফ ও খালাফের ব্যাখ্যা > 📄 শাফায়াতের পরিচয় ও প্রকারভেদ

📄 শাফায়াতের পরিচয় ও প্রকারভেদ


রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আখিরাত সংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ আকিদা হচ্ছে শাফায়াত তথা সুপারিশ। আখিরাতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অপরাধীদের পক্ষে সুপারিশ করে তাদের উদ্ধার করার এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য দেওয়া হয়েছে। এটাকেই বলা হয় 'শাফায়াত'। বিভ্রান্ত খারেজি ও মুতাজিলারা এটাকে অস্বীকার করে। তারা ব্যতীত আহলে সুন্নাতের সকল ধারা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই শাফায়াতকে বিশ্বাস করে। ফলে এটা মুসলমানদের সর্বসম্মত আকিদা।

📘 আকীদাহ ত্বহাবিয়্যাহ সালাফ ও খালাফের ব্যাখ্যা > 📄 কিয়ামতে রাসূলুল্লাহর শাফায়াত

📄 কিয়ামতে রাসূলুল্লাহর শাফায়াত


শাফায়াতের অনেকগুলো প্রকার রয়েছে। কিছু শাফায়াত সকল নবি-রাসুল, ফেরেশতা ও সৎকর্মশীল মুমিন সবার জন্য। আর কিছু শাফায়াত একমাত্র রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য নির্ধারিত। আমরা প্রথমে রাসুলুল্লাহর জন্য নির্ধারিত শাফায়াতগুলো নিয়ে আলোচনা করব, এরপর সবার জন্য উন্মুক্ত শাফায়াত উল্লেখ করব।¹
এক. আহলুল মাওকিফ তথা হাশরের ময়দানে চূড়ান্ত ফয়সালার জন্য অপেক্ষমাণ মানুষের উদ্ধারের শাফায়াত। যখন হাশরের মাঠে মানুষের অবস্থান অত্যন্ত দীর্ঘ হতে থাকবে, ভিড় বাড়তে থাকবে, সূর্য মাথার কাছাকাছি চলে আসবে, বিপদ ও উৎকণ্ঠায় মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত হবে, তখন সকল মানুষ চাইবে চূড়ান্ত ফয়সালা হয়ে যাক; কিন্তু সেটা বাস্তবায়িত করার পথ কী? যেকোনো নবির মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সেটা প্রার্থনা করা। এ জন্য সবাই আদম আলাইহিস সালামের কাছে গিয়ে আল্লাহর দরবারে শাফায়াত প্রার্থনা করবে; কিন্তু তিনি অপারগতা পেশ করবেন। অতঃপর তারা নুহ আলাইহিস সালামের কাছে যাবে। তিনিও অপারগতা পেশ করবেন। এরপর যাবে ইবরাহিম আলাইহিস সালামের কাছে। তিনিও রাজি হবেন না। এরপর যাবে মুসা আলাইহিস সালামের কাছে। তিনিও নিজের অক্ষমতার কথা বলবেন। এরপর যাবে ঈসা আলাইহিস সালামের কাছে। ঈসাও নিজের অক্ষমতা পেশ করবেন। সবশেষে তারা যাবে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে। তিনি সম্মত হয়ে বলবেন, 'হ্যাঁ, আমি প্রস্তুত।' তখন তিনি আল্লাহর কাছে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে দোয়া ও কান্নাকাটি করতে থাকবেন। একপর্যায়ে আল্লাহ তায়ালা বলবেন, 'আপনার মাথা উত্তোলন করুন। আপনি চান, দেওয়া হবে। আপনি সুপারিশ করুন, আপনার সুপারিশ গ্রহণ করা হবে।' তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কাছে সৃষ্টির ব্যাপারে চূড়ান্ত ফয়সালা দেওয়ার সুপারিশ করবেন। আল্লাহ তায়ালা তাঁর সুপারিশ গ্রহণ করে চূড়ান্ত ফয়সালা শুরু করবেন।²
এটা হলো 'শাফায়াতে উজমা' তথা সর্ববৃহৎ ও সর্বশ্রেষ্ঠ শাফায়াত। কারণ, এটা একদিকে একমাত্র রাসুলুল্লাহর জন্য নির্ধারিত। জগতের বড় বড় নবি-রাসুলও এটা করতে পারবেন না। ফলে এর মাধ্যমে একদিকে যেমন রাসুলুল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ পায়, অপরদিকে শুধু তাঁর উম্মত নয়, গোটা সৃষ্টির প্রতি তাঁর অনুগ্রহ ও দরদ প্রকাশ পায়। এই মর্যাদা গোটা সৃষ্টির মাঝে কেবল রাসুলুল্লাহরই। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে এটাকে 'মাকামে মাহমুদ' তথা প্রশংসনীয় স্থান হিসেবে অভিহিত করে তা রাসুলুল্লাহকে দান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন,
وَ مِنَ الَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِهِ نَافِلَةً لَكَ * عَسَى أَنْ يَبْعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامًا مَّحْمُودًا .
অর্থ: 'রাতের কিছু অংশ তাহাজ্জুদ পড়ুন। এটা আপনার জন্য অতিরিক্ত শ্রেষ্ঠত্ব। আশা করা যায়, আপনার পালনকর্তা আপনাকে 'মাকামে মাহমুদে' পৌঁছাবেন।'³ [ইসরা: ৭৯]

টিকাঃ
১. ইবনে আবিল ইজ (২০২-২০৬); গুনাইমি (৭৯-৮১); সালেহ ফাওজান (৭৯-৮০)।
২. বুখারি (৪৭১২); মুসলিম (১৯৪); তিরমিজি (২৪৩৪)।
৩. গুনাইমি (৭৯)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00