📘 আকীদাহ ত্বহাবিয়্যাহ সালাফ ও খালাফের ব্যাখ্যা > 📄 ইসরা ও মিরাজ

📄 ইসরা ও মিরাজ


ইসরা হলো নৈশ ভ্রমণ করা। আর মিরাজ হলো ঊর্ধ্বগমনের সিঁড়ি। আল্লাহ তায়ালা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর জীবদ্দশায় এক রাতে জাগ্রত অবস্থায় সশরীরে মক্কা থেকে ফিলিস্তিনের বাইতুল মাকদিস পর্যন্ত নিয়ে যান। সেখান থেকে ঊর্ধ্ব জগতে ডেকে নেন। তাঁর সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেন। নামাজ ফরজ করেন। সেই রাতেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আবার মক্কাতে নিজ গৃহে পৌঁছে দেন! এই আকিদাগুলো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ আকিদা। কুরআন-সুন্নাহ দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত। এতে সন্দেহের অবকাশ নেই। তাই প্রত্যেক মুসলিমের জন্য এগুলোতে বিশ্বাস রাখা আবশ্যক। প্রকৃতির

📘 আকীদাহ ত্বহাবিয়্যাহ সালাফ ও খালাফের ব্যাখ্যা > 📄 ঘটনা-প্রবাহ

📄 ঘটনা-প্রবাহ


প্রিয়তমা স্ত্রী খাদিজা রাজি. ও শ্রদ্ধেয় চাচা আবু তালিবের মৃত্যুর পরে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। তারা যে বছর ওফাত পান, সেই বছরটি 'আমুল হুজন' তথা দুঃখের বছর হিসেবে ইসলামের ইতিহাসে পরিচিতি পায়। আল্লাহ তায়ালা এই দুঃখের সময়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সান্ত্বনা ও সম্মাননা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। তিনি তাঁকে ইসরা ও মিরাজ উপহার দেন। এ ছিল এমন উপহার, যা তাঁর আগে কিংবা পরে মানবজাতির কাউকে দেওয়া হয়নি। কুরআনের পাশাপাশি অসংখ্য সাহাবি ইসরা ও মিরাজের ঘটনা বর্ণনা করেছেন। হ্যাঁ, এগুলোর সময় নির্ধারণ ও বিস্তারিত বর্ণনার ক্ষেত্রে তাদের মাঝে মতভেদ হয়েছে। কারণ, ঘটনাটি অনেক দীর্ঘ এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাতে অনেককিছু দেখেছেন, ফলে বিভিন্ন হাদিসে বিক্ষিপ্তভাবে এসেছে সেসব বর্ণনা। কিন্তু মূল ঘটনা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত। ফলে জগতের সব ধারার সকল মুসলিম ইসরা ও মিরাজে বিশ্বাস করে থাকেন। কেবল হাতেগোনা কিছু বিভ্রান্ত মানুষ এটাকে অস্বীকার করে। কেউ কেউ আবার অপব্যাখ্যা করে। তাদের ধারণা-এগুলো ইসরাইলি বর্ণনা, ইহুদি ও শিআদের বানানো গল্প। অথচ ইসরা ও মিরাজের বিষয়টি কুরআন-সুন্নাহ ও উম্মাহর ইজমা দ্বারা দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রমাণিত। তাই যদি কেউ জেনে-শুনে এগুলোকে অস্বীকার করে এবং এক্ষেত্রে তার কোনো উজর না থাকে, তবে সে কাফের হিসেবে পরিগণিত হবে।

ইসরা সম্পর্কে কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, সُبْحْنَ الَّذِي أَسْرَى بِعَبْدِهِ لَيْلًا মِّنَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ إِلَى الْمَسْجِدِ الْأَقْصَا الَّذِي بُرَكْنَا حَوْلَهُ لِنُرِيَهُ مِنْ ايْتِنَا إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ .
অর্থ: 'পরম পবিত্র ও মহিমাময় সত্তা তিনি, যিনি স্বীয় বান্দাকে রাতের বেলায় ভ্রমণ করিয়েছিলেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত, যার চারদিকে আমি বরকত দান করেছি, যাতে আমি তাঁকে কুদরতের কিছু নিদর্শন দেখিয়ে দিই। নিশ্চয়ই তিনি সবকিছু শোনেন, সবকিছু দেখেন।' [ইসরা: ১]

আর মিরাজ সম্পর্কে বলেন, وَلَقَدْ رَآهُ نَزْلَةً أُخْرَى. عِنْدَ سِدْرَةِ الْمُنْتَهَى عِنْدَهَا جَنَّةُ الْمَأْوَى. إِذْ يَغْشَى السِّدْرَةَ مَا يَغْشَى. مَا زَاغَ الْبَصَرُ وَمَا طَغَى . لَقَدْ رَأَى مِنْ أَيْتِ رَبِّهِ الْكُبْرَى.
অর্থ: 'নিশ্চয় তিনি তাকে আরেকবার দেখেছিলেন; সিদরাতুল মুনতাহার নিকটে, যার কাছে অবস্থিত বসবাসের জান্নাত, যখন বৃক্ষটি যা দ্বারা আচ্ছন্ন হওয়ার তা দ্বারা আচ্ছন্ন ছিল। তাঁর দৃষ্টিবিভ্রম হয়নি এবং সীমালঙ্ঘনও করেননি। নিশ্চয় তিনি তার পালনকর্তার মহান নিদর্শনাবলি অবলোকন করেছেন।' [নাজম: ১৩-১৮]

সংক্ষেপে ইসরা ও মিরাজের ঘটনাক্রম ছিল এমন: নবুওতের পরে ও হিজরতের আগে এক রাতে মক্কায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমন্ত ছিলেন। হঠাৎ তাঁর ঘুম ভেঙে গেল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাগ্রত হলেন। ফেরেশতা জিবরাইল আলাইহিস সালাম অবতরণ করে তাঁর বক্ষ বিদারণ করলেন। জমজমের পানি দ্বারা সেটা ধৌত করে তাঁর হৃদয়কে ঈমান ও হিকমতের আলোতে পূর্ণ করলেন। এরপর 'বোরাক' নামের একটি প্রাণী নিয়ে আসা হয়। এটি একটি লম্বা সাদা রঙের প্রাণী ছিল। আকারে গাধার চেয়ে বড় খচ্চরের চেয়ে একটু ছোট ছিল। কিন্তু এর গতি ছিল অকল্পনীয়। দৃষ্টিসীমার শেষে এর পা পড়ত। এটা অন্য নবিদেরও বাহন ছিল। সেটার পিঠে চড়ে তিনি ফিলিস্তিনের মসজিদুল আকসাতে আসেন। মসজিদে প্রবেশ করে দুই রাকাআত নামাজ আদায় করেন।

টিকাঃ
1. উদাহরণস্বরূপ দেখুন মুহাম্মাদ আবু রাইয়াহর 'আজওয়াউন আলাস সুন্নাহ আল-মুহাম্মাদিয়‍্যাহ'। আহমদ শালাবির 'আল-ইসরা ওয়াল মিরাজ'।
2. আমাদের দেশে বোরাক নামে প্রচলিত ডানাবিশিষ্ট একটি প্রাণীর ছবি লক্ষ করা যায়। বিশুদ্ধ কোনো বর্ণনায় বোরাককে ডানাবিশিষ্ট বলা হয়নি। প্রচলিত ছবিতে বোরাকের যে চিত্র দেখা যায়, সেটা মূলত বিভিন্ন জাল কিংবা দুর্বল হাদিসের ভিত্তিতে তৈরি (দেখুন: আল-মাওজুআত, ইবনুল জাওজি ১/২৮৮)।
3. ইসরা ও মিরাজের তারিখ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তবে নির্ভরযোগ্য মত হলো, নবুওতের পরে রাসুলুল্লাহর মক্কি জীবনে। কারণ, নামাজ ফরজ হয়েছিল মিরাজের রাতে। আর নামাজ তো নবুওতের আগে ফরজ হওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু বুখারি ও মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে, 'নবুওতের আগে'। এ কারণে কেউ কেউ খোদ ইসরা ও মিরাজকে অস্বীকার করেছেন। কেউ কেউ হাদিসকে জাল বলেছেন এবং ইমাম বুখারি ও মুসলিমের সমালোচনা করেছেন। বাস্তব কথা হলো, ইমাম বুখারি ও মুসলিম যেভাবে বর্ণনা পেয়েছেন, সেভাবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু হাদিসে উল্লিখিত 'নবুওতের আগে' শব্দটি হয়তো ব্যাখ্যা করা হবে অথবা বর্ণনাকারী তাবেয়ি শরিক রাহি.-এর ভুল হিসেবে গণ্য করা হবে। ইসরা ও মিরাজ আলিমদের সর্বসম্মত মতানুযায়ী নবুওতের পরে সংঘটিত হয়েছিল। বিস্তারিত দেখুন: ফাতহুল বারি, ইবনে হাজার (১৩/৪৮০-৪৮৭); শরহে মুসলিম, নববি (২/২০৯)।
4. বুখারি (৭৫১৭); মুসলিম (১৬২); সহিহ ইবনে হিব্বান (৪৯, ৪৮, ৫৯); মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা (৩৭৭২৫)।

📘 আকীদাহ ত্বহাবিয়্যাহ সালাফ ও খালাফের ব্যাখ্যা > 📄 একটি প্রশ্ন ও উত্তর

📄 একটি প্রশ্ন ও উত্তর


ইসরা ও মিরাজ কি জাগ্রত অবস্থায় ছিল, নাকি ঘুমে ও আধ্যাত্মিকভাবে? আয়েশা, মুআবিয়া ও হাসান বসরি থেকে মিরাজ আধ্যাত্মিকভাবে হওয়ার বর্ণনা পাওয়া যায়। তারা মূলত কুরআনের বাণী:

📘 আকীদাহ ত্বহাবিয়্যাহ সালাফ ও খালাফের ব্যাখ্যা > 📄 হাউজে কাওসার

📄 হাউজে কাওসার


রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি আকিদা হলো, আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁকে প্রদত্ত হাউজে বিশ্বাস করা। এ হাউজ আল্লাহ তায়ালা তাঁকে হাশরের দিন প্রদান করবেন। তিনি এটা থেকে তাঁর উম্মতকে পান করিয়ে পিপাসা নিবারণ করাবেন। কারণ, হাশরের দিন হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। প্রচণ্ড রোদ ও তাপে মানুষ ঘেমে যাবে, পিপাসায় ছাতি ফেটে যাওয়ার উপক্রম হবে। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মতকে এই হাউজ থেকে পানি পান করাবেন। যে একবার পান করবে, সে কখনোই পিপাসার্ত হবে না!

প্রায় ত্রিশজন সাহাবি থেকে বিশুদ্ধ সনদে হাউজের বর্ণনা এসেছে। ফলে হাদিসগুলো মুতাওয়াতিরের পর্যায়ে, যা নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের উদ্দেশে বলেন, 'তোমরা আমার পরে শীঘ্রই প্রচণ্ড স্বার্থপরতা দেখতে পাবে, আরও এমন অনেককিছু দেখবে যা তোমাদের খারাপ লাগবে। সুতরাং তোমরা ধৈর্যধারণ করো যতক্ষণ না আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সঙ্গে হাউজের পারে তোমাদের সাক্ষাৎ হয়!' অন্য একটি হাদিসে বলেন, 'আমি তোমাদের আগে যাচ্ছি। আর আমি তোমাদের উপর সাক্ষী। তোমাদের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হবে হাউজের পাড়ে। আমি এখান থেকে তা দেখতে পাচ্ছি।' আরেকটি হাদিসে বলেন, 'আমি তোমাদের আগে হাউজের পাশে থাকব। যে ব্যক্তি আমার পাশ দিয়ে যাবে, সে-ই ওখান থেকে পান করবে। আর যে একবার পান করবে, সে কখনও তৃষ্ণার্ত হবে না।'

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাউজের কিছু চিত্র আঁকেন এভাবে: হাউজের পরিধি হবে মদিনা ও সানআর মধ্যবর্তী জায়গার সমান! তাতে পানপাত্র থাকবে আকাশের তারকার মতো (অধিক)।' অন্য একটি হাদিসে বলা হয়েছে 'আইলা' ও 'জুহফা'র মধ্যবর্তী দূরত্বের সমান!' আবু জর রাজি. বলেন, আমি রাসুলুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ, হাউজের পাত্র কেমন হবে? তিনি বললেন, 'ওই সত্তার কসম যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশে দৃশ্যমান তারকাপুঞ্জ ও নক্ষত্ররাজির চেয়েও এর পাত্রসংখ্যা বেশি হবে। এসব পাত্র জান্নাতেরই পাত্র। যে সেই পাত্রে একবার পান করবে, সে কখনও তৃষ্ণার্ত হবে না। জান্নাত থেকে তাতে দুটো প্রস্রবণ বাহিত হবে। যে ব্যক্তি তা থেকে পান করবে, কখনও তৃষ্ণার্ত হবে না। তার প্রস্থ দৈর্ঘ্যের সমান আম্মান ও আইলার মধ্যবর্তী জায়গা পরিমাণ। তার পানি দুধের চেয়েও অধিক সাদা, মধুর চেয়েও অধিক মিষ্টি।' বুখারির আরেকটি বর্ণনায় এসেছে, 'আমার হাউজের পরিধি এক মাসের পথ। এর পানি দুধের চেয়ে সাদা, ঘ্রাণ মিশকের চেয়ে সুন্দর, এর পেয়ালা আকাশের তারকার মতো। যে একবার পান করবে, কখনও তৃষ্ণার্ত হবে না।'

কিন্তু এই হাউজ থেকে একমাত্র রাসুলুল্লাহর সত্য ও প্রকৃত উম্মতরাই পান করবে। কাফের, মুরতাদ, বিদআতপন্থি ও গোমরাহ লোকেরা এই হাউজ থেকে রাসুলুল্লাহর হাতে পানি পানের সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হবে। একটি হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'আমি তোমাদের আগে হাউজের কাছে গিয়ে থাকব। তোমাদের একটি দল আমার কাছে আসবে, কিন্তু তাদের আসতে দেওয়া হবে না। আমি বলব, 'হে প্রভু, তারা আমার উম্মত।' তিনি বলবেন, 'আপনি জানেন না, তারা আপনার পরে (দ্বীনের মাঝে) কী উদ্ভাবন করেছে!’ তখন আমি তাদের বলব, 'যারা আমার পরে আমার দ্বীনকে পরিবর্তন করেছে, তারা দূর হোক!’ আরেকটি বর্ণনায় এসেছে, 'আপনি জানেন না তারা আপনার পরে কী করেছে। তারা তাদের পিছনে ফিরে গেছে।' মুসলিমের হাদিসে এসেছে, 'হাউজে আমার কাছে আমার উম্মতের এমন একটি দল আসবে, যাদের আমি সেখান থেকে সেভাবে তাড়াব, যেভাবে উটের মালিক অন্যের উটকে নিজের কুয়া থেকে তাড়িয়ে দেয়।' সাহাবারা জিজ্ঞাসা করলেন, 'ইয়া রাসুলাল্লাহ, আমাদের চিনতে পারবেন?' তিনি বললেন, 'হ্যাঁ তোমাদের চিনতে পারব। তোমাদের এমন আলামত থাকবে যা অন্য কারও থাকবে না। ওজুর ফলে তোমাদের কপাল আলোকিত থাকবে।'

ইবনে হিব্বানের একটি বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, কেবল মুরতাদ, গোমরাহ ও বিদআতি লোকেরাই নয়, জালেম শাসক, তাদের সহযোগী ও দরবারি আলেমরাও হাউজে কাউসার থেকে বঞ্চিত হবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'আমার পরে আমির-উমারাদের আগমন ঘটবে। তাদের মিথ্যাকে সত্য বলো না, তাদের জুলুমে সাহায্য করো না। কারণ, যে তাদের সত্যকে মিথ্যা বলবে, তাদের জুলুমে সাহায্য করবে, সে আমার হাউজের কাছে আসতে পারবে না।' অপর একটি বর্ণনায় এভাবে এসেছে, 'কারণ যে তাদের দরবারে যাবে, তাদের মিথ্যাকে সত্য বলবে, তাদের জুলুমে সাহায্য করবে, সে আমার কেউ নয় আমিও তার কেউ নই। সে আমার হাউজের কাছে আসতে পারবে না। আর যে তাদের কাছে যাবে না, তাদের মিথ্যাকে সত্য বলবে না, তাদের জুলুমে সাহায্য করবে না, সে আমার, আমিও তার। সে আমার হাউজে আসবে।'

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00