📄 একটি সন্দেহের অপনোদন
প্রশ্ন হতে পারে, আল্লাহ তায়ালা যদি পৃথিবীর সবার জন্য ঈমান কামনা করেন, তবে আবু বকর রাজি.-এর কপালে ঈমান লিখে থাকলে আবু লাহাবের কপালে কেন লিখলেন না? আবু বকর রাজি.-কে ঈমান গ্রহণে সহায়তা করেছেন, আবু লাহাবকে কেন করলেন না? উত্তর হলো:
এক. আল্লাহ তায়ালা তাঁর গায়েবি ইলমের মাধ্যমে প্রথমেই জেনেছেন যে, আবু লাহাবের ঈমান তার কোনো উপকারে আসবে না। অর্থাৎ সে গোমরাহির পথেই চলবে, ফলে তাকে মুমিন বানিয়ে সৃষ্টি করেননি, কিংবা তাকে ঈমান গ্রহণে সাহায্য করেননি।
দুই. আবু বকর রাজি.-কে আল্লাহ ঈমান গ্রহণে সহায়তা করে অনুগ্রহ করেছেন। কারণ, তিনি নিজের পুণ্য, উত্তম চরিত্র, হৃদয়ের স্বচ্ছতা ও পবিত্রতার ফলে সেই অনুগ্রহ লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন। অপরদিকে আবু লাহাব তার মন্দ গুণ ও মন্দ চরিত্র, হৃদয়ের অস্বচ্ছতার ফলে অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
তিন. আল্লাহ তায়ালা হক ও বাতিল তৈরি করেছেন। মানুষকে এই দুটো থেকে যেকোনো একটা গ্রহণের স্বাধীনতা দিয়েছেন। কিন্তু স্বাধীনতা দিয়েই ছেড়ে দেননি। বরং নিজ অনুগ্রহে তাদের হক ও বাতিল চিনিয়ে দিয়েছেন। হক গ্রহণ করতে এবং বাতিল বর্জন করতে নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্ক করার জন্য নবি-রাসুল পাঠিয়েছেন, গ্রন্থ অবতীর্ণ করেছেন। এর পরেও আবু লাহাব কুফর করলে সেটার দায়ভার আল্লাহর উপর হতে পারে?।²
এ কারণে একটি বিশুদ্ধ হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন সাহাবাদের বললেন, সকল মানুষের জন্মের আগেই জান্নাত কিংবা জাহান্নামে তার জন্য জায়গা নির্ধারিত হয়ে যায়। সে সৌভাগ্যবান হবে, নাকি দুর্ভাগা হবে, লেখা হয়ে যায়। তখন এক সাহাবি বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, তা হলে তাকদিরের উপর নির্ভর করে বসে থাকলেই তো হয়। আমল করার কী দরকার? কারণ, যে সৌভাগ্যবান হওয়ার, সে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সৌভাগ্যের আমল করবে। আর যে দুর্ভাগা হওয়ার, সে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সে পথে অগ্রসর হবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, বরং তোমরা কাজ করত থাকো। প্রত্যেককে যার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে, সে কাজ তার জন্য সহজ করে দেওয়া হবে। যাকে সৌভাগ্যের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে, সেসব কাজ তার জন্য সহজ করে দেওয়া হবে। আর যাকে দুর্ভাগ্যের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে, সেসব কাজ তার জন্য সহজ করে দেওয়া হবে। এরপর তিনি কুরআনের এই আয়াত পাঠ করলেন,
فَأَمَّا مَنْ أَعْطَى وَ اتَّقَى وَصَدَّقَ بِالْحُسْنَى . فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْيُسْرَى وَأَمَّا مَنْ بَخِلَ وَاسْتَغْنَى : وَكَذَّبَ بِالْحُسْنَى فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْعُسْرَى.
অর্থ: 'অতএব, যে দান করে, আল্লাহভীরু হয় এবং উত্তম বিষয়কে সত্যায়ন করে, তার জন্য সুখের বিষয় সহজ করে দেবো। আর যে কৃপণতা করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং উত্তম বিষয়কে অস্বীকার করে, আমি তার জন্য দুঃখের পথ সহজ করে দেবো।'¹ [লাইল: ৫-১০]
দেখা যাচ্ছে, সৃষ্টির আগেই আল্লাহ তায়ালা তাঁর ইলমের মাধ্যমে কে জান্নাতি হবে এবং কে জাহান্নামি হবে সেটা লিখে রাখলেও মানুষকে তিনি স্বাধীনতা দিয়েছেন। ভালো ও মন্দ এখতিয়ার করার সুযোগ দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকদিরের উপর নির্ভর করে বসে থাকতে নিষেধ করেছেন। কারণ, কেউই জানে না যে, তার তাকদিরে কী আছে। তা ছাড়া পার্থিব বিষয়ে মানুষ তাকদিরের উপর বসে না থেকে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে। এক্ষেত্রে সে তাকদিরে যা আছে তা-ই হবে বলে বসে থাকে না। আখিরাতের ক্ষেত্রেও আমাদের তা-ই করতে হবে। হিদায়াতের জন্য চেষ্টা ব্যয় করলে আল্লাহ জান্নাতের পথ খুলে দেবেন বলেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বরং পার্থিব ব্যাপারেও তাকদির মানুষের সুখের অবলম্বন। বিপদ- আপদে মুমিন তাকদিরের কথা বলে প্রবোধ ও সান্ত্বনা লাভ করে। কারণ, সে জানে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,
মَا أَصَابَ مِنْ مُصِيبَةٍ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي أَنْفُسِكُمْ إِلَّا فِي كِتَابٍ مِنْ قَبْلِ أَنْ نَبْرَأَهَا إِنَّ ذَلِكَ عَلَى اللهِ يَسِيرٌ . لِكَيْلَا تَأْسَوْا عَلَى مَا فَاتَكُمْ وَلَا تَفْرَحُوا بِمَا آتَاكُمْ وَاللهُ لَا يُحِبُّ كُلَّ مُخْتَالٍ فَخُورٍ.
অর্থ: 'পৃথিবীতে এবং তোমাদের নিজেদের উপর যা-কিছু বিপদ আসে, তা জগৎ সৃষ্টির পূর্বেই কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। নিশ্চয়ই এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ। এটা এ জন্য, যাতে তোমরা যা হারাও তার জন্য দুঃখিত না হও, আর তিনি তোমাদের যা দিয়েছেন তার জন্য উল্লসিত না হও। আল্লাহ উদ্ধত অহংকারীকে পছন্দ করেন না।' [হাদিদ: ২২-২৩]
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'যা তুমি পেয়েছ, তা কখনও হারানোরই ছিল না। আর যা হারিয়েছ, তা কখনও পাওয়ারই ছিল না।'¹ বিপরীতে নাস্তিক ও কাফেরের কাছে সান্ত্বনার এই দুর্গটা নেই। ফলে তাকে নিজের উপরই নিজের নির্ভর করতে হয়। যখন সে নিজের বোঝা আর বইতে পারে না, নিরাশার অন্ধকারে আত্মহননের পথে এগিয়ে যায়।
টিকাঃ
¹. বুখারি (৪৯৪৯); মুসলিম (২৬৪৭)।
². ঘুমাইয়িস (২১০-২১১)।
¹. এটা রাসুলুল্লাহর প্রসিদ্ধ হাদিস। তিরমিজি (২১৪৪); মুসনাদে আহমদ (২১৮৩৫); বাজ্জার (৪১০৭)-সহ বিভিন্ন কিতাবে বর্ণিত হয়েছে।
📄 আল্লাহ সম্যক উপলব্ধির ঊর্ধ্বে
কোনো কল্পনাশক্তি তাঁর কাছে পৌঁছতে পারে না। বোধ-বুদ্ধি তাঁকে পরিব্যাপ্ত করতে পারে না। সৃষ্টির কোনোকিছুই তাঁর সঙ্গে সাদৃশ্য রাখে না।
ব্যাখ্যা
আল্লাহ সম্যক উপলব্ধির ঊর্ধ্বে। উপরের আরবি বাক্য অনুমান, ধারণা, কল্পনাশক্তি, মনে করা সবকিছুকে নাকচ করে দেয়। কারণ, আল্লাহ তায়ালা মানুষের কল্পনাশক্তি তৈরি করেছেন। সকল ইন্দ্রিয় সৃষ্টি করেছেন। তিনিই সকল উপলব্ধি এবং উপলব্ধির উপকরণের স্রষ্টা। ফলে তাঁর সৃষ্টি করা কোনো উপায়-উপকরণের মাধ্যমে তাঁকে সম্যকভাবে উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। তিনি সবকিছুর উর্ধ্বে, সবকিছুর চেয়ে বড় ও মহান। সৃষ্টির ছোট্ট বোধ-বুদ্ধি, সীমিত জ্ঞান ও ইন্দ্রিয় দ্বারা তাঁকে সমাকীর্ণ করা সম্ভব নয়। মানুষ আল্লাহর ব্যাপারে যতই এবং যেভাবেই ভাবুক, তাঁকে সম্যকভাবে এবং স্বরূপে উপলব্ধি করতে পারবে না। এ জন্য এক্ষেত্রে মানুষের বিনয়ী হওয়া উচিত। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেন,
يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِهِ عِلْمًا
অর্থ: 'তিনি জানেন যা কিছু তাদের সামনে ও পশ্চাতে আছে এবং তারা তাকে জ্ঞান দ্বারা পরিবেষ্টন করতে পারে না।' [ত্বহা: ১১০] অর্থাৎ তাঁর ব্যাপারে জানা সম্ভব, কিন্তু তাঁর সত্তা ও গুণাবলি পূর্ণরূপে উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। তিনি সকল অনুমান, ধ্যান-ধারণা ও কল্পনা-জল্পনার উর্ধ্বে। সৃষ্টিকে সেসব উপকরণ দেওয়াই হয়নি। ফলে আল্লাহ নিজের ব্যাপারে যা বলেছেন, এর বাইরে কিছু বলা বৈধ নয়।¹
এ কারণেই মানুষকে আল্লাহর ব্যাপারে চিন্তা করতে নিষেধ করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে: 'রাসুল সাল্লাল্লাহু
টিকাঃ
¹. দেখুন: গজনবি (৪৯-৫০); গুনাইমি (৫৪); সালেহ ফাওজান (২৯)।
📄 সৃষ্টির কোনোকিছুই আল্লাহর সঙ্গে সাদৃশ্য রাখে না
সৃষ্টির কোনোকিছুই আল্লাহর সঙ্গে সাদৃশ্য রাখে না: পিছনে 'তাঁর মতো কিছুই নেই' শিরোনামে এ ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে। বর্তমান বাক্যটি সেই কথাকেই তাগিদ দেওয়ার জন্য আনা হয়েছে। আল্লাহ সৃষ্টির সঙ্গে সব ধরনের সাদৃশ্য থেকে মুক্ত। তাঁর সত্তা ও সিফাত (গুণাবলি) সকল ক্ষেত্রে তিনি সৃষ্টির সাদৃশ্য থেকে পবিত্র। কিন্তু যুগে যুগে বিভিন্ন কওম এ ব্যাপারে বিভ্রান্তির শিকার হয়েছে। তারা আল্লাহকে মানুষের মতো কল্পনা করেছে। আসমানি শরিয়তধারীদের মাঝে সর্বপ্রথম এই বিচ্যুতির শিকার হয়েছে ইহুদিরা। ফলে তারা মুজাসসিমাহ (দেহবাদী) হিসেবে প্রসিদ্ধ হয়েছে।¹ এর পর পথভ্রষ্ট হয়েছে খ্রিষ্টানরা। তারা ঈসা আলাইহিস সালামকে আল্লাহর পুত্র কল্পনা করেছে। আর পুত্র তো পিতার মতোই হয়, এটাই স্বাভাবিক। এভাবে আল্লাহ তায়ালাকে মানুষের মতো কল্পনা করে তারা বিভ্রান্তির শিকার হয়েছে। সবশেষে গোমরাহ হয়েছে মুসলিম উম্মাহর মুশাববিহাহ ও মুজাসসিমাহ সম্প্রদায়। তারাও আগের কওমগুলোর মতো আল্লাহকে মানুষরূপে কল্পনা করেছে।²
কিন্তু এই সাদৃশ্যের ভয়ে কুরআন-সুন্নাহে বর্ণিত আল্লাহর সিফাতগুলো অস্বীকার করা যাবে না; যেহেতু সেগুলো কুরআন-সুন্নাহে বর্ণিত হয়েছে, তাই অর্থহীন নয়। ফলে এগুলোকে সালাফের মানহাজের আলোকে স্বীকার করতে হবে। কারণ, আল্লাহর সত্তা বান্দার সত্তার মতো নয়। তাঁর গুণাবলি বান্দার গুণাবলির মতো নয়। হ্যাঁ, সাদৃশ্য রয়েছে কেবল শব্দ ও নামের ক্ষেত্রে। যেমন: জীবন, জানা, শোনা, দেখা ইত্যাদি; কিন্তু এগুলো স্রষ্টা ও সৃষ্টির সঙ্গে সাদৃশ্য বোঝানোর জন্য নয়; বরং মানুষ যেন এসব বিশেষণ বুঝতে পারে সেজন্য বলা হয়েছে। নতুবা আল্লাহর জীবন, তাঁর জ্ঞান, তাঁর দর্শন ও শ্রবণ সবকিছু সৃষ্টির সাদৃশ্য থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত।³
টিকাঃ
¹. দেখুন: আকহাসারি (১১৮)।
². দেখুন: গজনবি (৫০); শাইবানি (১১)।
³. ইবনে আবিল ইজ (৭৩); সালেহ ফাওজান (৩০)।
📄 আল্লাহ চিরঞ্জীব ও চির বিদ্যমান রক্ষাকর্তা
তিনি সদা জীবিত, তাঁর মৃত্যু নেই। তিনি সদা বিদ্যমান রক্ষাকর্তা, নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করে না।
ব্যাখ্যা
আল্লাহ চিরঞ্জীব ও চির বিদ্যমান রক্ষাকর্তা: আল্লাহ তায়ালা সর্বদাই ছিলেন, সর্বদাই থাকবেন। তাঁর শুরু নেই, শেষ নেই। তাঁর জন্ম নেই, মৃত্যু নেই। তাঁর ঘুম নেই, নিদ্রা নেই। এগুলো সৃষ্টি এবং সৃষ্টির গুণাবলি। আর আল্লাহ তায়ালা জন্ম-মৃত্যুর সৃষ্টিকর্তা, তিনি ঘুম ও জাগরণের সৃষ্টিকর্তা। তিনি পৃথিবীর রক্ষাকর্তা। ফলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন না। তিনি নিদ্রামগ্ন হন না। বরং তন্দ্রাও তাঁকে স্পর্শ করে না। তিনি সবকিছুর অমুখাপেক্ষী। কুরআনের বিখ্যাত আয়াত 'আয়াতুল কুরসিতে' আল্লাহ তায়ালা বলেন,
اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ لَهُ مَا فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَةً إِلَّا بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ .
অর্থ: 'আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই, তিনি সদা জীবিত, সবকিছুর রক্ষাকর্তা। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও জমিনে যা-কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছে এমন যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? তাদের দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা-কিছু রয়েছে, সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোনোকিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর কুরসি সমস্ত আসমান ও জমিনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোর সুরক্ষা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।' [বাকারা: ২৫৫] অন্যত্র আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন,
টিকাঃ
¹. গজনবি (৫৪)।
². আকহাসারি (১১৯)।
³. মুসলিম (১৭৯); ইবনে হিব্বান (২৬৬)।