📘 আকীদাহ ত্বহাবিয়্যাহ সালাফ ও খালাফের ব্যাখ্যা > 📄 বিচারের কারণ

📄 বিচারের কারণ


আত্মপ্রকাশ ঘটে, যারা ঈমান ও আকিদার বিভিন্ন বিষয়ে রাসولুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়। ইসলামে বিভিন্ন আকিদাগত বিদআতের উদ্ভাবন ঘটায়। এভাবে তারা 'ফিরাকে বাতিলা' বা ভ্রান্ত সম্প্রদায় হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। ইসলামের ইতিহাসে সর্বপ্রথম ভ্রান্ত ফিরকা হিসেবে খারেজি সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটে। অতঃপর আসে রাফেজি-শিয়া সম্প্রদায়। সাহাবায়ে কেরামের শেষ যুগে প্রাদুর্ভাব ঘটে মুরজিয়া ও কাদারিয়্যাহ (মুতাজিলা), নামে আরও দুটো সম্প্রদায়ের। সাহাবাদের পরে তাবেয়িদের যুগে আবির্ভাট ঘটে জাহমিয়্যাহ (জাবরিয়্যাহ), মুআত্তিলাহ, মুশাববিহাহ, মুজাসসিমাহ নামে অসংখ্য ভ্রান্ত সম্প্রদায়ের। ইবনুল জাওজি লিখেন, 'ভ্রান্ত ফিরকাগুলোর মূল হলো ছয়টি: খারেজি, কাদারিয়্যাহ, জাহমিয়্যাহ, মুরজিয়া, রাফেজা ও জাবরিয়্যাহ'।
বস্তুত এগুলো ছিল রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই ভবিষ্যদ্বাণীর অনিবার্য বাস্তবায়ন, যাতে তিনি বলেছিলেন, 'ইহুদিরা একাত্তর ফিরকায় বিভক্ত হয়েছে। খ্রিষ্টানরা বাহাত্তর ফিরকায় বিভক্ত হয়েছে। আমার উম্মত তিয়াত্তর ফিরকায় বিভক্ত হবে। সবগুলো ফিরকা জাহান্নামে যাবে। কেবল একটি জান্নাতে যাবে।' জিজ্ঞাসা করা হলো, 'তারা কারা, হে আল্লাহর রাসুল?' তিনি বললেন, 'যারা আমি ও আমার সাহাবাদের পথে থাকবে'। অন্য হাদিসে তিনি বলেন, 'বনু ইসরাইলের যা হয়েছিল, আমার উম্মতের মাঝেও ঠিক তা-ই হবে। এমনকি তাদের কেউ যদি প্রকাশ্যে তার মায়ের সঙ্গে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়ে থাকে, তবে আমার উম্মতেরও কেউ কেউ তাতে লিপ্ত হবে। বনু ইসরাইলরা বাহাত্তর সম্প্রদায়ে বিভক্ত হয়েছে আর আমার উম্মত বিভক্ত হবে তিয়াত্তর সম্প্রদায়ে। এদের একটি মিল্লাত ছাড়া সবাই হবে জাহান্নামি।' সাহাবাগণ জিজ্ঞাসা করলেন, 'তারা কারা?' তিনি বললেন, 'যারা আমার এবং আমার সাহাবাদের পথের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে'। সুতরাং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবাদের পথে না চললে বিচ্যুতি অনিবার্য।
বিচ্যুতির কারণ: প্রশ্ন হতে পারে, একই কুরআন ও সুন্নাহ, এক আল্লাহ, এক কিবলা ও এক রাসুলকে মানার পরেও মুসলিম উম্মাহ এতগুলো ভাগে কেন বিভক্ত হলো?

টিকাঃ
১. মাকালাতুল ইসলামিয়িয়ন, আশআরি (৫)।
২. তালবিসু ইবলিস, ইবনুল জাওজি (১৯)।
৩. তিরমিজি (২৬৪০); ইবনে মাজা (৩৯৯২); আবু দাউদ (৪৫৯৬)।
৪. তিরমিজি (২৬৪১); হাকেম (৪৪৩); আল-মুজামুল কাবির, তাবারানি (১৪৬৪৬)।

📘 আকীদাহ ত্বহাবিয়্যাহ সালাফ ও খালাফের ব্যাখ্যা > 📄 আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত

📄 আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত


সংক্ষেপে এর উত্তর দেওয়া জটিল। তবে কিছু মৌলিক কারণে মুসলিম উম্মাহ শতধাবিভক্ত হয়ে গিয়েছে। এসব মৌলিক কারণগুলোর মাঝে উল্লেখযোগ্য হলো:
এক. প্রবৃত্তির অনুসরণ। যেসব ফিরকা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত থেকে বিচ্যুত হয়ে গিয়েছে, তাদের বিচ্যুতির অন্যতম কারণ ছিল প্রবৃত্তির অনুসরণ। ফলে কুরআন-সুন্নাহ তাদের বিচ্যুতি প্রতিহত করেনি। কারণ তারা কুরআন-সুন্নাহকে হিদায়াতের উৎস হিসেবে গ্রহণ করেনি; বরং বিচ্যুতির হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছে। তারা নিজেরা মনগড়া মতবাদ (বিদআত) বানিয়ে কুরআন-সুন্নাহকে সেগুলোর মাঝে খাপ খাওয়াতে চেয়েছে, নিজেদের কুরআন-সুন্নাহর আলোকে গড়তে চায়নি। ফলে বিচ্যুতির শিকার হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের ব্যাপারে বলেন, 'অতি শীঘ্রই আমার উম্মতের মাঝে এমন সম্প্রদায় বের হবে, প্রবৃত্তি তাদের সেভাবে তাড়িয়ে বেড়াবে যেভাবে জলাতঙ্ক রোগ মানুষকে তাড়িয়ে বেড়ায়'। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাজি. বলে গিয়েছেন, 'তোমরা (দ্বীনের) অনুসরণ করো। বিদআত উদ্ভাবন করো না। কারণ, প্রত্যেক বিদআতই গোমরাহি'। সুফিয়ান সাওরি রাহি. বলেছেন, 'শয়তানের কাছে গুনাহের চেয়ে বিদআত প্রিয়। কারণ, গুনাহগার ব্যক্তি তাওবা করে, কিন্তু বিদআতি তাওবা করে না'।
দুই, অন্যান্য ভ্রান্ত ধর্ম ও মতবাদের অনুসরণ। ইসলামের বাইরে অন্যান্য ধর্ম যেমন ইহুদিবাদ, খ্রিষ্টবাদ ও বিভিন্ন পৌত্তলিক ধর্ম ও মতাদর্শের অনুসরণ বিভিন্ন ইসলামি ফিরকার আকিদাগত বিচ্যুতির অন্যতম কারণ ছিল। তারা কুরআন-সুন্নাহর আলোকে দ্বীনকে বুঝতে না চেয়ে অন্যান্য ধর্মের আলোকে বুঝতে চেয়েছে। কাদারিয়্যাহ, জাবরিয়্যাহ, রাফেজি ও অনেক ভ্রান্ত সুফিবাদী তাদের ভ্রান্ত মূলনীতিগুলো অন্যান্য ধর্ম থেকে ধার করে ইসলামে ঢুকিয়েছে। ফলে পদস্খলন ঘটেছে। এটাও একটা হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভবিষ্যদ্বাণী করে যান: 'আল্লাহর শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ! অতি শীঘ্রই তোমরা পূর্ববর্তী জাতিদের রীতিনীতি অনুসরণ করা শুরু করবে। পদে পদে তাদের অনুকরণ করবে। বরং তারা যদি 'দব্ব' (সান্ডাজাতীয় প্রাণী)-এর গর্তে প্রবেশ করে তোমরাও তাতে প্রবেশ করবে।' সাহাবায়ে কেরাম বললেন, 'হে আল্লাহর রাসুল, (পূর্ববর্তী জাতি বলতে) তারা কি ইহুদি ও খ্রিষ্টান?' রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু

টিকাঃ
১. আবু দাউদ (৪৫৯৭)।
২. আল-ইবানা, ইবনে বাত্তা (১/৩২৭)।
৩. হিলইয়াতুল আউলিয়া (৭/২৬); শুআবুল ঈমান, বাইহাকি (১২/৫৩)।

📘 আকীদাহ ত্বহাবিয়্যাহ সালাফ ও খালাফের ব্যাখ্যা > 📄 আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সংক্ষিপ্ত আকিদা

📄 আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সংক্ষিপ্ত আকিদা


আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, 'তারা ছাড়া আর কারা?'১ অন্য হাদিসে রাসولুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত হবে না, যতক্ষণ না আমার উম্মত পূর্ববর্তীদের পথে হাঁটা শুরু করবে; পায়ে পায়ে তাদের অনুসরণ করবে।' বলা হলো, 'রোমান ও পারস্যরা?' তিনি বললেন, 'তারা ছাড়া আর কারা?'২ আজও মুসলিম উম্মাহর দিকে তাকালে রাসولুল্লাহর হাদিসের সত্যতা সুস্পষ্টভাবে ধরা দেয়।
তিন. সালাফে সালেহিন তথা সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়িন, তাবে-তাবেয়িদের মানহাজের আলোকে কুরআন ও সুন্নাহ না বোঝা। বরং কুরআন-সুন্নাহ বোঝার জন্য নিজেদের মনগড়া মূলনীতি উদ্ভাবন ও সেগুলোর অনুসরণ করা। এ কারণেই জাহমিয়্যাহ, মুতাজিলা-সহ অসংখ্য ফিরকা বিচ্যুতির শিকার হয়েছে। অথচ রাসولুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে গিয়েছেন, 'তোমরা আমার সুন্নাহ এবং হিদায়াতপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশেদিনের সুন্নাহ আঁকড়ে ধরো'। অন্য হাদিসে রাসولুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'এক আলোকিত পথের উপর আমি তোমাদের রেখে যাচ্ছি, যেখানে রাত দিনের মতোই সুস্পষ্ট। আমার পরে কেবল দুর্ভাগারাই বিচ্যুত হবে। তোমাদের মধ্যে যে বেঁচে থাকবে, সে অচিরেই অনেক মতবিরোধ দেখতে পাবে। অতএব, তোমরা তোমাদের কাছে আমার সুপরিচিত সুন্নাহ ও হিদায়াতপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশেদিনের সুন্নাহ আঁকড়ে ধরবে'। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাজি. বলেন, 'তোমাদের ভিতর যে-কেউ অনুসরণ করতে চায়, সে যেন রাসুলুল্লাহর সাহাবাদের অনুসরণ করে। কারণ, তারা এই উম্মতের সবচেয়ে পবিত্র হৃদয়ের অধিকারী, সর্বাপেক্ষা গভীর জ্ঞানের অধিকারী। লৌকিকতা থেকে সবচেয়ে দূরে। সবচেয়ে বেশি হিদায়াতপ্রাপ্ত। সর্বাপেক্ষা ভালো অবস্থার উপর প্রতিষ্ঠিত। তারা সেই সম্প্রদায়, আল্লাহ তায়ালা তাঁর নবির সোহবতের জন্য যাদের মনোনীত করেছেন। সুতরাং তোমরা তাদের শ্রেষ্ঠত্বের কথা মনে রেখো। তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করো। কারণ, তারা সিরাতে মুস্তাকিমের উপর অটল ছিলেন।
চার. জ্ঞানগত গরিমা ও বিতর্ক: বিভিন্ন ভ্রান্ত মতবাদ তৈরি হওয়া এবং আকিদার ক্ষেত্রে মুসলিম উম্মাহর বিভক্তির অন্যতম কারণ ছিল এমন সব বিষয়ে কথা বলতে

টিকাঃ
১. মুসলিম (২৬৬৯); সহিহ ইবনে হিব্বান (৬৭০৩); মুসনাদে আহমদ (৮৪৫৫)।
২. বুখারি (৭৩১৯)।
৩. সুনানে আবু দাউদ (৩৯৯১); সুনানে তিরমিজি (২৬০০); সুনানে ইবনে মাজা (৪২)।
৪. সুনানে ইবনে মাজা (৪৩); মুসনাদে আহমদ (১৭৪১৬); হাকেম (৩৩০)
৫. জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাজলিহি, ইবনে আবদুল বার (২/১৯৮)।

📘 আকীদাহ ত্বহাবিয়্যাহ সালাফ ও খালাফের ব্যাখ্যা > 📄 বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি বর্জন

📄 বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি বর্জন


শুরু করা, সালাফ যে বিষয়ে কথা বলতে কঠোরভাবে নিষেধ করে গিয়েছেন। ইসলামে আল্লাহ, তাকদির-সহ ঈমানের জটিল ও নিগূঢ় (মুতাশাবিহাত) বিষয় নিয়ে বিতর্ক করতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। একটি হাদিস দ্বারাও মতভেদপূর্ণ বিষয়গুলো আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুলের কাছে সঁপে দেওয়ার নির্দেশনা বোঝা যায়। আমর ইবনে শুআইব তাঁর বাবা তাঁর দাদা (আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস) থেকে বর্ণনা করেন, একদিন রাসুলের সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু সাহাবি কুরআনের একটি আয়াত নিয়ে বিতর্ক করছিলেন। তারা রাসুলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দরজার কাছেই বসা ছিলেন। একপর্যায়ে তাদের আওয়াজ উঁচু হয়ে গেল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে এলেন। তাঁর মুখমণ্ডল ক্রোধে রক্তিম ছিল। তিনি তাদের প্রতি কিছু মাটি ছুঁড়ে বললেন, 'থামো! এভাবেই তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতগুলো ধ্বংস হয়েছে। তারা নবিদের ব্যাপারে মতভেদ করেছে। কিতাবের একটা আয়াতকে অপরটার বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়েছে। কুরআনের এক আয়াত তো অন্য আয়াতকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে না। বরং এক আয়াত অন্য আয়াতকে সত্যায়ন করে। সুতরাং যা জানো সেটার উপর আমল করো। আর যা জানো না, তা যিনি জানেন তাঁর কাছে সঁপে দাও'। আবু হুরাইরা রাজি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসولুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন আমাদের মাঝে বের হলেন। তখন আমরা তাকদির নিয়ে বিবাদ করছিলাম। তিনি প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন। তাঁর মুখ লাল হয়ে যায়। মনে হচ্ছিল সেখানে ডালিম নিংড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বললেন, 'তোমাদের কি এটা করতে বলা হয়েছে? আমি কি এটা নিয়ে তোমাদের নিকট প্রেরিত হয়েছি? তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতরা তখনই ধ্বংস হয়েছিল, যখন এটা নিয়ে তারা বিতর্ক শুরু করেছিল। তাই আমি তোমাদের কঠোরভাবে এ ব্যাপারে বিতর্ক করতে নিষেধ করে দিচ্ছি'। আরেক হাদিসে রাসولুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'আমি তিনটি বিষয় আমার উম্মতের ব্যাপারে ভয় করি—তারকার মাধ্যমে বৃষ্টি প্রার্থনা, শাসকদের অত্যাচার এবং তাকদির অস্বীকার করা'। পরবর্তীকালে তা-ই ঘটেছে, যা তিনি আশঙ্কা করেছিলেন। সাহাবাদের শেষ যুগেই তাকদির অস্বীকারকারী কাদারিয়্যাহ সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটে!
উমর ইবনুল খাত্তাব রাজি. বলেন, 'অতি শীঘ্রই এমন একটি দলের আবির্ভাব ঘটবে, যারা তোমাদের সঙ্গে কুরআনের বিভিন্ন সন্দেহপূর্ণ ও অস্পষ্ট বিষয়

টিকাঃ
১. মুসনাদে আহমদ (৬৮১৭); খালকু আফআলিল ইবাদ, বুখারি (৬৩)।
২. তিরমিজি (২১৩৩); মুসানদে আবু ইয়ালা (৬০৪৫); বাজ্জার (১০০৬৩); মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক (১৭৩৭)।
৩. মুসনাদে আহমদ (২১১৮৫); বাজ্জার (৪২৮৮); মুসনাদে আবু ইয়ালা (৭৪৬২)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00