📘 আহলে হাদীস ও হানাফী মাযাহাবের ইখতিলাফ ও তার নিরসন > 📄 ছয় তাকবীরের পক্ষে হাদীসগুলোর জবাব

📄 ছয় তাকবীরের পক্ষে হাদীসগুলোর জবাব


দলীল- ১ :
নাবী-এর জনৈক সহাবী আমার নিকটে বর্ণনা করেছেন যে, নাবী আমাদেরকে নিয়ে ঈদের সলাত আদায় করলেন এবং তিনি চারটি করে তাকবীর প্রদান করলেন। সলাত সমাপ্ত করে আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেন যে, তোমরা ভুলে যাবে না যে, জানাযার তাকবীরের মতো। এই বলে তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি গুটিয়ে বাকী চার আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করলে। (শারহু মা'আনিল আসার হাঃ ৭২৭৩; দলীলসহ নামাযের মাসায়িল পৃঃ ৩৬০, ৩৬১)
'উলামাদের জন্য লক্ষণীয়
তাহক্বীক্ব : য'ঈফ বর্ণনা। ওয়াযীন ইবনু 'আত্বা (রহিমাহুল্লাহ) দুর্বল হিফ্যের অধিকারী।
(১) ইবনু হাজার 'আসক্বালানী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন : "الوضين بفتح أوله وكسر المعجمة بعدها تحتانية ساكنة ثم نون ابن عطاء ابن كنانة أبو عبد الله أو أبو كنانة الخزاعي الدمشقى صدوق سيء الحفظ ورمى بالقدر"
“ওয়াযীন ইবনু 'আত্বা....সত্যবাদী, বাজে হিফ্যের অধিকারী। তাকে কাদরিয়া হওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত।” (তাক্বরীবুত্ তাহযীব, রাবী নং ৭৪০৮)
(২) ইবনু সা'দ (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন : "وكان ضعيفا في الحديث" “তিনি হাদীসে য'ঈফ ছিলেন”। (আত্ব ত্ববাক্বাতুল কুবরা, রাবী নং ৩৯০৬)
(৩) অপর রাবী ওয়াযীন-এর উস্তায আবূ 'আবদুর রহমান ক্বাসিম ইবনু 'আবদুর রহমান আশ্ শামী সম্পর্কে ইবনুত্ তুরকুমানী হানাফী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন :
"واما القاسم فقد قال ابن حنبل يروى عنه على بن يزيد اعاجيب..."
ক্বাসিম সম্পর্কে (আহমাদ) ইবনু হাম্বাল বলেছেন : তিনি 'আলী ইবনু যায়দ হতে আশ্চর্যজনক হাদীস বর্ণনা করতেন। (আল জাওহারুন নাক্বী ৬/১৪)
(৪) হাফিয আলাঈ (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন : "القاسم بن عبد الرحمن أبو عبد الرحمن الشامي متكلم فيه" বিতর্কিত রাবী”। (জামিউত্ তাহসীল, রাবী নং ৬২৫)
ইমাম ত্বহাবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন : এ হাদীসটির সানাদ চমৎকার।
ইমাম ত্বহাবী (রহিমাহুল্লাহ) সম্পর্কে শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ্ (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন :
وَالطَّحَاوِيُّ لَيْسَتْ عَادَتُهُ نَقْدَ الْحَدِيثِ كَنَقْدِ أَهْلِ الْعِلْمِ : وَلِهُذَا رَوَى فِي شَرْحِ مَعَانِي الْآثَارِ الْأَحَادِيثَ الْمُخْتَلِفَةَ، وَإِنَّمَا يُرَبِّحُ مَا يُرَبِّحُهُ مِنْهَا فِي الْغَالِبِ مِنْ جِهَةِ الْقِيَاسِ الَّذِي رَآهُ حُجَّةً، وَيَكُونُ أَكْثَرُهَا تَجْرُوحًا مِنْ جِهَةِ الْإِسْنَادِ لَا يَثْبُتُ، وَلَا يَتَعَرَّضُ لِذلِكَ : فَإِنَّهُ لَمْ تَكُنْ مَعْرِفَتُهُ بِالْإِسْنَادِ كَمَعْرِفَةِ أَهْلِ الْعِلْمِ بِهِ، وَإِنْ كَانَ كَثِيرَ الْحَدِيثِ، فَقِيهًا عَالِمًا.
“যেভাবে হাদীসের 'আলিমগণ হাদীসের সমালোচনা করেন, ত্বহাবীর সেভাবে সমালোচনা করার অভ্যাস নেই। সেজন্য তিনি "শারহু মা'আনিল আসার” গ্রন্থে বিভিন্ন হাদীস বর্ণনা করার পর কতিপয় হাদীসকে যে কতিপয় হাদীসের উপর অগ্রাধিকার দিতেন, তো সেটা তিনি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্বিয়াসের ভিত্তিতে দিতেন। আর তিনি একে দলীল মনে করতেন। অথচ সেগুলোর মধ্যে অধিকাংশ বর্ণনাই য'ঈফ হয়ে থাকে। এর কারণ এই যে, ত্বহাবী যদিও অত্যধিক হাদীস বর্ণনাকারী, ফাক্বীহ ছিলেন, কিন্তু অন্যান্য হাদীসের 'আলিমের ন্যায় তার সানাদ সম্পর্কে ইলম ছিল না।” (ইবনু তায়মিয়াহ্, মিনহাজুস্ সুন্নাহ্ ৮/১৯৪, ১৯৫)
মোট কথা উভয়ই বিতর্কিত, য'ঈফ রাবী।
এ হাদীসটি হানাফীদের পক্ষে দলীল হতে পারে না। এখানে চার চার তাকবীর-এর কথা রয়েছে। অথচ হানাফীরা তিন তিন তাকবীর প্রদান করেন। তাই এ হাদীসের মাতান তাদের পক্ষে দলীল হতে পারে না। যদিও তারা মনগড়া ব্যাখ্যা করে এটাকে নিজেদের পক্ষে পেশ করে থাকেন।
দলীল- ২:
মাকহুল বলেন : আমাকে আবূ হুরায়রার সাথী আবূ 'আয়িশাহ্ বলেছেন : সা'ঈদ ইবনু 'আস মূসা আল আশ্'আরী এবং হুযায়ফাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, রসূলুল্লাহ ঈদুল ফিত্বর এবং ঈদুল আযহার সলাতে কত তাকবীর বলতেন? আবূ মূসা আল আশ্'আরী বলেছেন, চার চার তাকবীর বলতেন। যেভাবে জানাযার সলাতে বলতেন। হুযায়ফাহ্ বলেছেন, ঠিক বলেছে। আবূ মূসা বললেন, যখন আমি বাসরার হাকিম ছিলাম তখন এভাবে তাকবীর বলা হত। আবূ 'আয়িশাহ্ বলেন যে, আমি সা'ঈদ ইবনু 'আস-এর কাছে (প্রশ্ন করার সময়ে স্বয়ং) হাজির ছিলাম। (আবূ দাউদ হাঃ ১১৫৩)
'উলামাদের জন্য লক্ষণীয়
(১) শায়খ যুবায়র 'আলী যাঈ (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, 'এর সানাদটি য'ঈফ। আবূ 'আয়িশাহ্ হলেন মাজহুল রাবী। যেমনটি ইবনু হায্য, ইবনুল কুক্কান ইত্যাদি বিদ্বানগণ বলেছেন'। (আনওয়ারুস্ সহীফাহ্, য'ঈফ আবূ দাউদ হাঃ ১১৫৩, পৃঃ ৫১)
(২) এ হাদীসে মোট আট বার তাকবীরের কথা রয়েছে। তাই হানাফীদের পক্ষে এটা দলীল হতে পারে না।
(৩) এর আরেকজন রাবী 'আবদুর রহমান ইবনু সাওবান ইবনু সাবেত সম্পর্কে ইবনু হাজার আসক্বালানী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন : عبد الرحمن ابن ثابت ابن ثوبان العنسي بالنون الدمشقى الزاهد صدوق يخطىء ورمى بالقدر وتغير بأخرة ““আবদুর রহমান ইবনু সাবিত ইবনু সাওবান... সত্যবাদী, ভুল করেতন। তাকে ক্বদারিয়া হওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। আর তার শেষ বয়সে স্মৃতি পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল।” (তাক্বরীবুত্ তাহযীব, রাবী নং ৩৮২০)
(৪) শায়খ আলবানী (রহিমাহুল্লাহ) য'ঈফ বলেছেন। (মিশকাতুল মাসাবীহ হাঃ ১৪৪৩)
(৫) 'আবদুল হাই লাক্ষ্ণৌবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন : "وفيه عبد الرحمن بن ثوبان، متكلم فيه" “এতে 'আবদুর রহমান ইবনু সাওবান নামক রাবী রয়েছেন। তিনি বিতর্কিত রাবী।” (আত্ তালীকুল মুমাজ্জাদা ১/৬১৬)
(৬) 'আবদুর রহমান মুবারকপূরী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন : قُلْتُ فِي سَنَدِ هُذَا الْحَدِيثِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَابِتِ بْنِ ثَوْبَانَ الْعَنْسِي الدِّمَشْقِيُّ الزَّاهِدُ مُتَكَلَّمْ فِيهِ فَوَثَقَهُ جَمَاعَةٌ وَضَعَفَهُ جَمَاعَةٌ وَمَعَ هَذَا فَقَدْ تَغَيَّرَ فِي آخِرِ عمره. “আমি বলেছি, এ হাদীসটির সানাদের মধ্যে 'আবদুর রহমান ইবনু সাবিত ইবনু সাওবান আল 'আনসী আদ্‌ দিমাশক্বী আয যাহিদ বিতর্কিত রাবী। একটি জামা'আত তাকে সিক্বাহ্ বলেছেন। অপর আরেকটি জামা'আত তাকে য'ঈফ আখ্যা দিয়েছেন। এতদসত্ত্বেও শেষ বয়সে তার মস্তিষ্ক বিকৃত হয়ে গিয়েছিল।” (তুহফাহ্ ৩/৭১)
(৭) 'উবায়দুল্লাহ মুবারকপূরী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন : "في سنده أبو عائشة الأموى مولاهم، جليس أبى هريرة، وهو مجهول الحال"
“আমি বলেছি, এ সানাদের মধ্যে আবূ 'আয়িশাহ্ উমাবী রয়েছেন। আর তিনি মাজহুলুল হাল রাবী ।” (মির্'আতুল মাফাতীহ ৫/৫৭)
দলীল-৩:
عَنِ الثَّوْرِيِّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، وَالْأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ، أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ كَانَ يُكَبِّرُ فِي الْعِيدَيْنِ تِسْعًا تِسْعًا: أَرْبَعًا قَبْلَ الْقِرَاءَةِ، ثُمَّ كَبَّرَ فَرَكَعَ، وَفِي الثَّانِيَةِ يَقْرَأُ فَإِذَا فَرَغَ كَبَّرَ أَرْبَعًا، ثُمَّ رَكَعَ".
ইবনু মাস্ঊদ আনহু দু' ঈদে নয়টি তাকবীর দিতেন। প্রথম রাক্'আতে ক্বিরাআতের পূর্বে চার তাকবীর বলতেন। অতঃপর তাকবীর বলে রুকূ'তে যেতেন। দ্বিতীয় রাক্'আতের আগে ক্বিরাআত পড়তেন। ক্বিরাআত শেষ হলে চার তাকবীর বলে রুকূ' করতেন। (মুসান্নাফ 'আবদুর রাযযাক্ব হাঃ ৫৬৮৬)
'উলামাদের জন্য লক্ষণীয়
তাহক্বীক্ব : সানাদের মধ্যে সুইয়ান সাওরী এবং আবূ ইসহাক্ব তাদলীস করেছেন। (ইবনু হাজার, ত্ববাক্বাতুল মুদাল্লিসীন, রাবী নং ৫১, ৯১)
মুসান্নাফ 'আবদুর রাযযাক্ব-এর অনুরূপ অন্য একটি বর্ণনার (হাঃ ৯৫১৩) সানাদে 'আবদুল মালিক ইবনু 'উমায়র ও কুরদূস রয়েছেন। কুরদূস সম্পর্কে উপরে আলোচনা করা হয়েছে। 'আবদুল মালিক সম্পর্কে ইমামদের বক্তব্য নিম্নরূপ-
[১] হাফিয ইবনু হাজার আসক্বালানী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন :
"عبد الملك بن عمير القبطى الكوفى تابعي مشهور من الثقات مشهور بالتدليس وصفه الدارقطني وابن حبان وغير هما"
““আবদুল মালিক ইবনু 'উমায়র আল ক্বিবত্বী কূফী, তাবি'ঈ, প্রসিদ্ধ সিক্বাহ্ রাবী। তিনি তাদলীসের সাথে প্রসিদ্ধ। তাকে দারাকুত্বনী, ইবনু হিব্বান এবং অন্যরা মুদাল্লিস রাবী বলেছেন।” (ত্ববাক্বাতুল মুদাল্লিসীন, জীবনী নং ৮৪)
[২] আলবানী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন :
قلت: وعبد الملك بن عمير ثقة فقيه، لكنه تغير حفظه، وربما دلس كما قال الحافظ في "التقريب".
“আমি বলছি, 'আবদুল মালিক ইবনু 'উমায়র সিক্বাহ্, ফাক্বীহ। কিন্তু তার হিফ্য পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল। আর তিনি কখনো কখনো তাদলীস করতেন। যেমনটি ইবনু হাজার আত্ তাক্বরীব গ্রন্থে বলেছেন।” (আল ইরওয়া হাঃ ৯৪৬)
অতএব এটাও য'ঈফ হাদীস। সুফিয়ান সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য রফ'উল ইয়াদায়ন অধ্যায় দেখুন।
দলীল-৪:
ওয়ালীদ ইবনু 'উক্ববাহ্ ঈদের রাতে ইবনু মাস্'ঊদ, আবূ মাস্'ঊদ, হুযায়ফাহ্ এবং আবূ মূসা আল আশ্'আরীয়া-এর কাছে লোক পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করলেন যে, আগামীকাল তো ঈদ। তাকবীর কিভাবে দিতে হবে? ইবনু মাস্'ঊদ বললেন, সলাতে দাঁড়িয়ে চার তাকবীর দিবে। পরে সূরাহ্ ফাতিহাহ্ এবং মুফাসসাল সূরাহ্ হতে এমন একটি সূরাহ্ পাঠ করবে যা বড়ও নয়, ছোটও নয়। এরপর রুকূ' করবে। পরে (রাক্'আত শেষ করে) পুনরায় দাঁড়াবে এবং ক্বিরাআত পাঠ করবে। ক্বিরাআত পাঠ শেষ হলে চারটি তাকবীর দিবে এবং চতুর্থ তাকবীর বলে রুকূ'তে যাবে। (ইবনু আবূ শায়বাহ্ হাঃ ৫৬০৫; দলীলসহ নামাযের মাসায়িল পৃঃ ৩৬৫-৩৬৬)
'উলামাদের জন্য লক্ষণীয়
তাহক্বীক্ব : সানাদ য'ঈফ। আশ্'আস ইবনু সাওয়ার হলেন য'ঈফ রাবী। তার সম্পর্কে মনীষীগণ বলেছেন –
(১) ইমাম নাসায়ী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন : أَشْعَثُ بْنُ سَوَّارٍ" "ضَعِيفٌ আশ্'আস ইবনু সাওয়ার য'ঈফ রাবী। (হাঃ ৪৯৭৬)
(২) শায়খ আলবানী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: وتابعه أشعث بن" "سوار وهو ضعيف আশ্'আস ইবনু সাওয়ার য'ঈফ রাবী। (আল ইরওয়া হাঃ ১০১৬, ১৭৩০, ২২৭৪)
(৩) ইমাম 'আবদুল্লাহ (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: سألته عَن أَشْعَث بن سوار فَقَالَ هُوَ أَمثل من مُحَمَّد بن سالم ولكنه على ذَاكَ ضَعِيفَ يَعْنِي الْأَشْعَتْ" " আশ্'আস ইবনু সাওয়ার সম্পর্কে আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তিনি মুহাম্মাদ ইবনু সালিম হতে উত্তম। কিন্তু তিনি য'ঈফ অর্থাৎ আশ্'আস। (আল ইলাল ওয়া মা'রিফাতুর রিজাল, জীবনী নং ৮৮৭)
(৪) ইবনুল ক্বাসারানী (রহিমাহুল্লাহ) একটি হাদীস সম্পর্কে বলেছেন: وَأَشْعَتْ هَذَا ضَعِيفٌ، قَلَبَ إِسْنَادَهُ، وَغَيَّرَ مَتْنَهُ
আর অত্র আশ্'আস হলেন য'ঈফ রাবী। তিনি সানাদ উলট পালট করে ফেলতেন এবং মাতানকে পরিবর্তন করে দিতেন। (তাযকিরাতুল হুফফায হাঃ ৯২৬)
(৫) 'যাখীরাতুল হুফফায' গ্রন্থে তাকে য'ঈফ রাবী বলা হয়েছে। (হাঃ ১৩৩১, ২৩৪৩)
(৬) মুসনাদে আহমাদের মধ্যে একটি হাদীসের টীকায় বলা হয়েছে, "وَهُذَا إسناد ضعيف لضعف أشعث بن سوار" এ সানাদটি য'ঈফ। আশ্'আস ইবনু সাওয়াবের দুর্বলতার জন্য। (আহমাদ হাঃ ১২৩৯ এর টীকা দ্রঃ)
(৭) হুসায়ন সালীম আসাদ বলেছেন : إسناده ضعيف أشعث بن" سوار ضعيف وهو متأخر السماع من أبي إسحاق" আশ্'আস ইবনু সাওয়ার য'ঈফ রাবী। তিনি আবূ ইসহাক্ব হতে পরবর্তী শ্রবণকারী ছাত্রদের অন্যতম। (সুনানে দারিমী হাঃ ৫৮, ২৭৯, ২৮৮, ৩৩৯, ২৯৮৩; মুসনাদে আবূ ইয়া'লা হাঃ ৫৬৩)
(৮) ইমাম নাসায়ী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন : قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمٰنِ : أَشْعَثُ بْنُ سَوَّارٍ ضَعِيفٌ لَا يُحْتَجُ بِحَدِيثِهِ.
আশ্আস ইবনু সাওয়ার হলেন য'ঈফ রাবী। তার হাদীস দ্বারা দলীল পেশ করা যাবে না। (আস্ সুনানুল কুবরা হাঃ ৭৪২৭, ৯৫৬২)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00