📄 নিয়্যাতের মাস্আলাহ্
'আমাল ও 'ইবাদাত শুদ্ধ-অশুদ্ধ এবং তাতে সাওয়াব পাওয়া-না পাওয়ার কথা নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল। নিয়্যাত শুদ্ধ হলে 'আমাল শুদ্ধ; নচেৎ না। প্রিয়নবী বলেন, “যাবতীয় 'আমাল নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল। অতএব প্রত্যেক ব্যক্তির তা-ই প্রাপ্য হয়, যার সে নিয়্যাত করে থাকে। যে ব্যক্তির হিজরত পার্থিব কোন বিষয় লাভের উদ্দেশে হয়, সে ব্যক্তির তা-ই প্রাপ্য হয়। যার হিজরত কোন মহিলাকে বিবাহ করার উদ্দেশে হয়, তার প্রাপ্যও তাই। যে যে নিয়্যাতে হিজরত করবে সে তাই পেয়ে থাকবে। (সহীহুল বুখারী ২/৯৯০, হাঃ ৬৬৮৯; সহীহ মুসলিম ২/১৪০, ১৪১, হাঃ ১৯০৭-[১৫৫])
নিয়্যাতের অর্থ:
নিয়্যাত আরবী শব্দ। এর বাংলা অর্থ ইচ্ছা করা, মনস্থ করা, সংকল্প করা। (মুনজিদ ৮৪৯, ফাতহুল বারী ১/১৭)
আর মনের সংকল্প ও পরিকল্পনাকে নিয়্যাত বলা হয়। সংকল্প ও পরিকল্পনার স্থান মন, মুখ নয়। (ইবনু তাইমিয়াহ্, আল ফাতাওয়া আল কুবরা ১/১)
মুখে উচ্চারণ করে নিয়্যাত করা নাতো নাবী থেকে প্রমাণিত আছে, না কোন সাহাবী থেকে আর না কোন তাবি'ঈ থেকে...। (যাদুল মা'আদ ১/২০১)
📄 সলাত
'আবদুল্লাহ ইবনু 'আব্বাস থেকে বর্ণিত আছে যে,
لَمَّا بَعَثَ النَّبِيُّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ إِلَى نَحْوِ أَهْلِ اليَمَنِ قَالَ لَهُ: «إِنَّكَ تَقْدَمُ عَلَى قَوْمٍ مِنْ أَهْلِ الكِتَابِ، فَلْيَكُنْ أَوَّلَ مَا تَدْعُوهُمْ إِلَى أَنْ يُوَحِدُوا الله تَعَالَى، فَإِذَا عَرَفُوا ذُلِكَ، فَأَخْبِرْهُمْ أَنَّ اللَّهَ قَدْ فَرَضَ عَلَيْهِمْ خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي يَوْمِهِمْ وَلَيْلَتِهِمْ، فَإِذَا صَلَّوْا ...
"নাবী যখন মু'আয ইবনু জাবাল-কে ইয়ামানে প্রেরণ করেন তখন তাকে বলেন, তুমি আহলে কিতাবদের নিকট যাচ্ছ। অতএব তাদেরকে সর্বপ্রথম তাওহীদের দা'ওয়াত দিবে। যখন তারা তাওহীদের পরিচয় লাভ করবে তখন তাদেরকে বলবে যে, আল্লাহ দিনে-রাতে তাদের ওপরে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত ফার্য করেছেন। যখন তারা সলাত আদায় করতে শুরু করবে...।" (সহীহুল বুখারী ১/১৯৬, হাঃ ১৪৫৮, ২/১০৯৬, হাঃ ৭৩৭২; মুসলিম ১/৩৬, হাঃ ১৯৬, হাঃ ১৯; শব্দ বুখারী)
ফার্য ও নাফ্ল সলাতের সংখ্যা, রাক্'আত এবং বিস্তারিত বিবরণ রসূলুল্লাহ বর্ণনা করে দিয়েছেন এবং স্বীয় উম্মাতকে হুকুম দিয়েছেন যে, «وَصَلُّوا كَمَا رَأَيْتُمُونِي أُصَلَّى» “আর তোমরা যেভাবে আমাকে সলাত আদায় করতে দেখেছ, সেভাবে সলাত আদায় করো”। (সহীহুল বুখারী ১/৮৮, ৬৩১; ২/৮৮৮, ৬০০৮; ২/১০৭৬, ৭২৪৬; ইবনু খুযায়মাহ্ ৩৯৭, ৫৮৬; ইবনু হিব্বান ১৬৫৮, ১৮৭২; দারিমী ১২৮৮, দারাকুত্বনী ১০৬৮, ১০৬৯, ১৩১১; বায়হাক্বী ৩৮৫৬, ৫২৯৩; আদাবুল মুফরাদ ২১৩, মুসনাদ শাফি'ঈ ২৯৪, মুশকিলুল আসার ১৭২৫, মারিফাতুস্ সুনান ৪৬০৪, ৫৮৯৩, ৫৮৯৫)
সহাবীগণ নাবী-এর নিকট থেকে সলাতের পদ্ধতি শিখেছেন। তাঁরা সেই বারাকাতময় পদ্ধতিকে হাদীসরূপে মানুষের নিকট পৌঁছিয়েছেন। এজন্য প্রমাণিত হল যে, মুসলিম উম্মাহ হাদীসসমূহ থেকে সলাতের পদ্ধতি শিখেছে। উম্মাতের যে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সলাতের পদ্ধতি ঐ হাদীসসমূহের বিপরীত [যেমন মালিকীদের হাত ছেড়ে দিয়ে সলাত আদায় প্রভৃতি] তাদের উচিত হ'ল সহীহ হাদীসসমূহের আলোকে নিজেদের সলাতকে সংশোধন করে নেয়া।
📄 সলাতের ওয়াক্তসমূহ
(সলাতের ওয়াক্তসমূহের ব্যাপারে) হাদীসে জিবরীলে আছে যে, তিনি রসূলুল্লাহ -কে সূর্য ঢলে যাওয়ার পরে যুহরের সলাত আদায় করান। অতঃপর বস্তুর ছায়া একগুণ হলে 'আসর আদায় করান... এবং দ্বিতীয় দিন বস্তুর ছায়া একগুণ হলে যুহর এবং দুইগুণ হলে 'আসর'র সলাত আদায় করান। গতকালের মতো সূর্যাস্তের পর মাগরিব আদায় করান এবং বলেন যে,
يَا مُحَمَّدُ، هَذَا وَقْتُ الْأَنْبِيَاءِ مِنْ قَبْلِكَ، وَالوَقْتُ فِيمَا بَيْنَ هَذَيْنِ الوَقْتَيْنِ. “হে মুহাম্মাদ! এটাই হল আপনার পূর্ববর্তী নাবীগণের সলাতের ওয়াক্ত। আর সলাতের সময় এই দুই সময়ের মধ্যবর্তী।” (এ হাদীসটিকে ইমাম তিরমিযী [হাঃ ১৪৯, মুসনাদে শাফি'ঈ হাঃ ১৪৫, ইবনুল জারূদ, মুনতাক্বা হাঃ ১৪৯] প্রমুখ বর্ণনা করেছেন এবং এর সানাদ হাসান। নিমবী হানাফী, আসারুস্ সুনান পৃঃ ১২২, হাঃ ১৯৪। তিনি বলেন, 'এর সানাদ হাসান')
এ জাতীয় হাদীসসমূহ জাবির প্রমুখ থেকেও উত্তম সানাদসমূহে বর্ণিত আছে। নিমবী হানাফী বলেছেন, 'আমি কোন সুস্পষ্ট সহীহ বা য'ঈফ হাদীস পাইনি, যা এ কথার প্রতি নির্দেশ করে যে, বস্তুর ছায়া দ্বিগুণ হওয়া পর্যন্ত যুহরের ওয়াক্ত'। (আসারুস সুনান [উর্দু অনুবাদ], পৃঃ ১৬৮, হাঃ ১৯৯)
স্মর্তব্য যে, কিছু দেওবন্দী ও ব্রেলভী এ বিষয়ে অস্পষ্ট সন্দেহ পেশ করে থাকেন। অথচ উসূলে ফিক্বহে এ স্বতঃসিদ্ধ নিয়ম রয়েছে যে, মানতুক (منطوق) মাফহুম (مفهوم)-এর উপর প্রাধান্য লাভ করে। (ফাতহুল বারী ২/২৪২, ২৯৭, ৪৩০, ৪/৩৮২, ৩৮৬, ৯/৩৬৯, ১২/২০৩)
📄 মোজার উপরে মাসাহ
ইমাম আবূ দাঊদ আস্ সিজিস্তানী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন :
وَمَسَحَ عَلَى الْجَوْرَبَيْنِ عَلَى بْنُ أَبِي طَالِبٍ، وَابْنُ مَسْعُودٍ، وَالْبَرَاءُ بْنُ عَازِبٍ، وَأَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، وَأَبُو أُمَامَةَ، وَسَهْلُ بْنُ سَعْدٍ، وَعَمْرُو بْنُ حُرَيْثٍ وَرُوِيَ ذَلِكَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَابِ، وَابْنِ عَبَّاسٍ.
'আলী ইবনু আবূ ত্বালিব, ইবনু মাস্'ঊদ, বারা ইবনু 'আযিব, আনাস ইবনু মালিক, আবূ উমামাহ্, সাহল ইবনু সা'দ, 'আম্র ইবনু হুরায়স মোজার উপরে মাসাহ করেছেন। 'উমার ইবনুল খাত্ত্বাব ও ইবনু 'আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকেও মোজার পরে মাসাহ বর্ণিত আছে'। (আবূ দাউদ ১/২৪, হাঃ ১৫৯)
সহাবায়ে কিরামের এ আসারগুলো মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ (১/১৮৮, ১৮৯), মুসান্নাফ 'আবদুর রায্যাক্ব (১/১৯৯, ২০০), ইবনু হাযম-এর মুহাল্লা (২/৮৪), দূলীবীর আল কুনা (১/১৮১) প্রভৃতি গ্রন্থে সানাদসহ মওজুদ রয়েছে। 'আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) -এর আসারটি ইবনুল মুনযির-এর 'আল আওসাত্ব' গ্রন্থে (১/৪৬২) সহীহ সানাদে মওজুদ রয়েছে। যেমনটি সামনে আসছে। ইমাম ইবনু কুদামাহ্ বলছেন,
وَلِأَنَّ الصَّحَابَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ مَسَحُوا عَلَى الْجَوَارِبِ، وَلَمْ يَظْهَرُ لَهُمْ مُخَالِفٌ فِي عَصْرِهِمْ، فَكَانَ إِجْمَاعًا.
'যেহেতু সহাবীগণ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) মোজার উপরে মাসাহ করেছেন এবং তাদের যুগে তাদের কোন বিরোধিতাকারী পরিদৃষ্ট হয়নি, সেজন্য এ বিষয়ে ইজমা রয়েছে যে, মোজার উপরে মাসাহ করা সঠিক'। (আল মুগনী ১/১৮১, মাসআলাহ্ নং- ৪২৬)
সাহাবীগণ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) -এর উক্ত ইজমার সমর্থনে মারফু' বর্ণনাসমূহও মওজুদ রয়েছে। (আল মুসতাদরাক ১/১৬৯, হাঃ ৬০২)
মোজার (খফিন) উপরে মাসাহ মুতাওয়াতির হাদীসসমূহ দ্বারা প্রমাণিত রয়েছে। জাওরাবও (জুব) মোজার (খফ) একটি প্রকার। যেমনটা আনাস, ইবরাহীম নাখ'ঈ, নাফি' প্রমুখ থেকে বর্ণিত আছে। যারা মোজার (জুব) উপরে মাসাহকে অস্বীকার করেন, তাদের নিকটে কুরআন, হাদীস ও ইজমার একটিও সুস্পষ্ট দলীল নেই।
ইমাম ইবনুল মুনযির (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন :
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، ثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، ثَنَا يَزِيدُ بْنُ مَرْدَانَبَةَ، ثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ سَرِيعٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ، قَالَ : رَأَيْتُ عَلِيًّا بَالَ، ثُمَّ تَوَضَّأَ، وَمَسَحَ عَلَى الْجَوْرَبَيْنِ.
মর্মার্থ: ১- 'আলী প্রস্রাব করলেন। অতঃপর উযূ করলেন এবং মোজার উপরে মাসাহ করলেন। (ইবনুল মুনযির, আল আওসাত্ব ১/৪৬২, হাঃ ৪৫৮; এর সানাদ সহীহ।
২- আবূ উমামাহ্ মোজার উপর মাসাহ করেছেন। (মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ ১/১৮৮, হাঃ ১৯৭৯; এর সানাদ হাসান)
৩- বারা ইবনু 'আযিব মোজার উপরে মাসাহ করেছেন। (মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ ১/১৮৯, হাঃ ১৯৮৪; এর সানাদ সহীহ)
৪- 'উক্ববাহ্ ইবনু 'আম্র মোজার উপরে মাসাহ করেছেন। (মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ ১/১৮৯, হাঃ ১৯৮৭; এর সানাদ সহীহ)
৫- সাহল ইবনু সা'দ মোজার উপরে মাসাহ করেছেন। (মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ ১/১৮৯, হাঃ ১৯৯০; এর সানাদ হাসান)
ইবনুল মুনযির বলেছেন যে, ইমাম ইসহাক্ব ইবনু রহওয়াহ বলেছেন : 'এ মাসআলায় সাহাবীগণের মধ্যে কোন মতভেদ নেই'- (ইবনুল মুনযির, আল আওসাত্ব ১/৪৬৪, ৪৬৫)। ইবনু হায্যও প্রায় এরূপই বলেছেন- (আল মুহাল্লা ২/৮৬, মাসআলাহ্ নং- ২১২)।
ইবনু কুদামাহ্ বলেছেন: 'এ ব্যাপারে সহাবীগণের ইজমা রয়েছে'। (আল মুগনী ১/১৮১, মাসআলাহ্ নং- ৪২৬)
জানা গেল যে, মোজার উপরে মাসাহ জায়িয হওয়ার ব্যাপারে সাহাবীগণ -এর ইজমা রয়েছে। আর ইজমা শার'ঈ দলীল। রসূলুল্লাহ বলেছেন:
«لَا يَجْمَعُ اللَّهُ هُذِهِ الْأُمَّةَ عَلَى الضَّلَالَةِ أَبَدًا» 'আল্লাহ আমার উম্মাতকে কখনো ভ্রষ্টতার উপরে ঐক্যবদ্ধ করবেন না'। (হাকিম, আল মুস্তাদরাক ১/১১৬, হাঃ ৩৯৭, ৩৯৮)
আরো দেখুন : সাইয়িদ নাযীর হুসায়ন মুহাদ্দিস দেহলভী (রহিমাহুল্লাহ)-এর ছাত্র হাফিয 'আবদুল্লাহ গাযীপুরী (মৃত ১৩৩৭ হিঃ) রচিত 'ইবরাউ আহলিল হাদীস ওয়াল কুরআন মিম্মা ফিশ্ শাওয়াহিদ মিনাত্ তুহমাতি ওয়াল বুহতান' পৃঃ ৩২।
অতিরিক্ত তথ্য তাবি'ঈ (রহিমাহুমুল্লাহ) থেকে :
১. ইবরাহীম নাখ'ঈ (রহিমাহুল্লাহ) মোজার উপরে মাসাহ করেছেন। (মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ ১/১৮৮, হাঃ ১৯৭৭: এর সানাদ সহীহ)
২. সা'ঈদ ইবনু জুবায়র (রহিমাহুল্লাহ) মোজার উপরে মাসাহ করেছেন। (মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ ১/১৮৯, হাঃ ১৯৮৯ এর সানাদ সহীহ)
৩. 'আত্বা ইবনু আবী রবাহ মোজার উপরে মাসাহ-এর প্রবক্তা ছিলেন। (আল মুহাল্লা ২/৮৬)
প্রমাণিত হল যে, মোজার উপরে মাসাহ জায়িয হওয়ার ব্যাপারে তাবি'ঈগণেরও ইজমা রয়েছে। (আলহামদুলিল্লাহ-হ)
১- ক্বাযী আবূ ইউসুফ মোজার উপরে মাসাহ-এর প্রবক্তা ছিলেন। (আল হিদায়াহ্ ১/৬১)
২- মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ্ শায়বানীও মোজার উপরে মাসাহ- এর প্রবক্তা ছিলেন। (ঐ ১/৬১, 'মোজার উপরে মাসাহ' অনুচ্ছেদ)
৩- ইমাম আবূ হানীফাহ্ (রহিমাহুল্লাহ) প্রথমে মোজার উপরে মাসাহ- এর প্রবক্তা ছিলেন না। কিন্তু পরে তিনি তাঁর মত পরিবর্তন করেছিলেন। وعنه أنه رجع إلى قولهما وعليه الفتوى. “ইমাম সাহেব থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি সাহেবায়েনেরে মতের দিকে ফিরে এসেছিলেন। আর এর উপরেই ফাতাওয়া।” (ঐ ১/৬১, 'মোজার উপরে মাসাহ' অনুচ্ছেদ)
ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) বলছেন: সুইয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারক, শাফি'ঈ, আহমাদ এবং ইসহাক্ব (বিন রহওয়াহ) মোজার উপরে মাসাহ-এর প্রবক্তা ছিলেন (এই শর্তে যে, সেটা মোটা হবে)। (তিরমিযী হাঃ ৯৯)
سوتا یا اول کے موزوں کو کھتے ھیں. : (جورب)
'সুতা বা পশমের মোজাকে জাওরাব বলা হয়'। (মুহাম্মাদ তাক্বী 'উসমানী দেওবন্দী, দারসে তিরমিযী ১/৩৩৪; আরো দেখুন: আয়নী, আল বিনায়াহ্ ফী শারহিল হিদায়া ১/৫৯৭)