📘 আদর্শ মুসলিম > 📄 বর্তমান মানবতার করুণ পরিণতির কারণ ইসলামি আখলাকের অনুপস্থিতি

📄 বর্তমান মানবতার করুণ পরিণতির কারণ ইসলামি আখলাকের অনুপস্থিতি


বর্তমান সময়ে বিশ্বের প্রতিটি জায়গায় মানবতার প্রতি যে দুর্ভোগ নেমে এসেছে, তার একমাত্র কারণ হলো, ইসলাম ও প্রকৃত মুসলমানের অনুপস্থিতি। ইসলামের ইনসাফপূর্ণ মানবিক মূলনীতিগুলো যখন মানবরচিত ভোগবাদী রীতিনীতির আড়ালে হারিয়ে যায়, তখন এমন দুর্ভোগ অস্বাভাবিক কিছু নয়। মানবরচিত ভোগবাদী জীবনব্যবস্থা মানবের চন্দ্রাভিযানের যুগে মানবতাকে উপহার দিয়েছে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের অসহ্য ব্যথা। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) ১৯৭৫ সালে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এশিয়া ও আফ্রিকায় বিগত কয়েক বছর ধরে ২০ থেকে ১০০ মিলিয়ন মানুষ ক্ষুধা ও অনাহারের কারণে মৃত্যুঝুঁকিতে আছে। এভাবে চলতে থাকলে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৩ মিলিয়ন মানুষ মারা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়াও সেখানে প্রায় ১,৪৬০ মিলিয়ন মানুষ খাদ্যসংকটে ভুগছে।
চলতি বছরে বিশ্ব প্রচারমাধ্যম একটি ঘটনা খুব ফলাও করে প্রচার করেছে। ঘটনাটির সারসংক্ষেপ হলো, এক ইউরোপীয় তরুণী চরম খাদ্যসংকটে ভোগা আফ্রিকার একটি অঞ্চলে স্বেচ্ছাসেবী নার্স হিসাবে গমন করেন। সেখানে যাওয়ার পর মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পাগলের মতো হয়ে যান তিনি। তার এমনভাবে বিধ্বস্ত হওয়ার কারণ হলো, একদিন তিনি দেখলেন, কিছু আফ্রিকান শিশু—যাদের সবচেয়ে বড়জনের বয়স আটের বেশি নয়—ক্ষুধার তাড়নায় আমের একটা অংশের জন্য নিজেদের মাঝে বুনো লড়াই লড়ছে। একজনের চক্ষু ফুঁড়ে দেওয়া পর্যন্ত তাদের এ লড়াই অব্যাহত থাকল!
এমন ক্ষুধার কারণে সেখানকার লোকদের শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন থেকে বঞ্চিত থাকে এবং শিশুদের জন্য শরীর গঠনকারী খাদ্য তারা পায় না। ফলে তারা একেকজন জীবন্ত কঙ্কাল হয়ে দুনিয়াতে বিচরণ করে। তাদের শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে না বিধায় নানাবিধ রোগে তারা আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এভাবে ধুঁকতে ধুঁকতে একসময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
যে সময় এশিয়া ও আফ্রিকায় মানুষ ক্ষুধায় জর্জরিত, সে সময় পশ্চিমা ধনাট্য বিশ্বে—যে বিশ্বে পৃথিবীর জনসংখ্যার মাত্র ২০% মানুষ বাস করে, কিন্তু বৈশ্বিক প্রাচুর্যের ৮০% তারা নিজেদের হাতে ধরে রেখেছে—তাদের ধনাঢ্যতা ও প্রাচুর্য অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য পাগলের মতো অসংখ্য কাণ্ড ঘটিয়ে চলছে। যেমন: বিশ্ববাজারে কফির দাম চড়া রাখার জন্য ১৯৭৫ সালে ব্রাজিল হাজার হাজার কফি গাছ পুড়িয়ে ফেলে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহ প্রয়োজনাতিরিক্ত খাদ্যদ্রব্য ও কৃষি উৎপন্নদ্রব্য ধ্বংস করার জন্য প্রতিবছর পঞ্চাশ মিলিয়ন ডলার খরচ করে, যেন বিশ্ববাজারে সেগুলোর দাম চড়া থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর তিন লক্ষ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে খাদ্যশস্য উৎপাদন রোধ করার জন্য, যেন বিশ্ববাজারে সেগুলোর দাম বেশি হয়। মার্কিন মাংস ব্যবসায়ীরা লাখ লাখ গরুর বাছুর মেরে মাটিতে পুঁতে ফেলে, যেন বিশ্ববাজারে মাংসের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকে; অথচ তখন এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকায় লক্ষ লক্ষ মানুষ খাদ্যাভাবে মারা যায়। যদি দাম বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এসব খাদ্যদ্রব্য ধ্বংস না করা হতো, তাহলে পৃথিবীর বুকে কোনো মানুষ খাদ্যসংকটে ভুগত না।
ইসলামি মানবিক সভ্যতা ও পাশ্চাত্য ভোগবাদী সভ্যতার মাঝে কী বিরাট পার্থক্য! ইসলাম তরকারির সুঘ্রাণের মাধ্যমে গরিব প্রতিবেশীকে কষ্ট দেওয়ার মতো সামান্য অমানবিক কাজের সাথেও আপস করেনি। কিন্তু পাশ্চাত্য ভোগবাদী সভ্যতা ধনাঢ্য লোকদের ধনাঢ্যতা আরও বৃদ্ধি করার জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন প্রাণকে না খাইয়ে মেরে ফেলতেও কুণ্ঠাবোধ করে না!
পাশ্চাত্য ও প্রাচ্যের ভোগবাদী জীবন ও অর্থব্যবস্থা এভাবে মানবতাকে বিপন্ন করে চলেছে যুগ যুগ ধরে। এহেন দুর্ভোগ থেকে মানবতাকে মুক্ত করতে হলে ফিরে আসতে হবে ইসলামের পথে। ভোগবাদের বিষাক্ত গ্যাসে দমবন্ধ হয়ে মরা থেকে মানবতাকে মুক্ত করতে হলে তাকে ছেড়ে দিতে হবে ইসলামের মুক্ত বাতাসে।

📘 আদর্শ মুসলিম > 📄 সাধ্যানুযায়ী প্রতিবেশীর উপকার করে

📄 সাধ্যানুযায়ী প্রতিবেশীর উপকার করে


প্রকৃত মুসলমান তার সাধ্যানুযায়ী প্রতিবেশীর উপকার করে। উপকারের পরিমাণ কম হলে তা করতে লজ্জাবোধ করে না, যেমনটা মূর্খরা করে থাকে। মূর্খরা (অনেক সময়) উপকারকে ছোট মনে করে প্রতিবেশীর জন্য তা করা থেকে বিরত থাকে। ফলে নিজেও সাওয়াব থেকে বঞ্চিত হয়, প্রতিবেশীকেও উপকার থেকে বঞ্চিত রাখে।
প্রতিবেশীকে ছোট উপকার করতে সাধারণত মেয়েরাই বেশি লজ্জা পায়। এজন্য রাসুলুল্লাহ ﷺ মেয়েদের উদ্দেশ্য করে বলেন:
يَا نِسَاءَ المُسْلِمَاتِ، لَا تَحْقِرَنَّ جَارَةُ لِجَارَتِهَا، وَلَوْ فِرْسِنَ شَاةٍ
'হে মুসলিম নারীরা, তোমাদের কোনো প্রতিবেশী যদি ছাগলের খুরও উপহার দেয়, তবুও তা তুচ্ছজ্ঞান করবে না (অর্থাৎ দাতা যেন লজ্জার বশীভূত হয়ে দান থেকে বিরত না থাকে এবং গ্রহীতাও যেন অল্প বলে অবজ্ঞা না করে)।'২৫০
হাদিসে ছাগলের খুর বলে কম বা নিম্নমানের উপহার বুঝানো হয়েছে। হাদিসের ব্যাখ্যা হলো, এক প্রতিবেশী আরেক প্রতিবেশীর কোনো ছোট উপকার করতে লজ্জাবোধ করবে না এবং একইভাবে যার উপকার করা হয়েছে, সে যেন ছোট বলে তাকে অবজ্ঞা না করে। কারণ, প্রবাদ আছে 'নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো।'
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন : فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ 'অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে।'২৫১
রাসুলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন: اتَّقُوا النَّارَ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ 'খেজুরের সামান্য একটা অংশের (সদকা করার) মাধ্যমেও হলে তোমরা জাহান্নাম থেকে বাঁচো। ২৫২
উল্লিখিত হাদিস থেকে বুঝা গেল, প্রথমত, কোনো প্রতিবেশী তার প্রতিবেশীকে ছোট উপহার দিতে লজ্জা করবে না। তার পাশাপাশি হাদিস থেকে এটাও বুঝা গেল যে, উপহারগ্রহীতা প্রতিবেশীর ছোট উপহারকে অবজ্ঞা করবে না; বরং তার শুকরিয়া আদায় করবে। এর মাধ্যমে উভয় প্রতিবেশীর মাঝে ভালোবাসা ও হৃদ্যতার সম্পর্ক কায়েম হবে। তাদের মাঝে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতি ও সহমর্মিতা জাগবে। তা ছাড়া উপকারকারীর শুকরিয়া আদায় করা মুসলমানদের অন্যতম উত্তম চরিত্রও বটে।
এজন্য রাসুলুল্লাহ তার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে বলেন:
لَا يَشْكُرُ اللَّهَ مَنْ لَا يَشْكُرُ النَّاسَ
'যে ব্যক্তি মানুষের শুকরিয়া আদায় করে না, সে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে পারে না। '২৫৩

📘 আদর্শ মুসলিম > 📄 মুসলিম ও অমুসলিম উভয় প্রকার প্রতিবেশীর সাথে সে সদ্ব্যবহার করে

📄 মুসলিম ও অমুসলিম উভয় প্রকার প্রতিবেশীর সাথে সে সদ্ব্যবহার করে


প্রকৃত মুসলমান শুধু আত্মীয় প্রতিবেশী ও মুসলমান প্রতিবেশীর সাথেই ভালো ব্যবহার করে, তা নয়; বরং অমুসলিম প্রতিবেশীর সাথেও উত্তম ব্যবহার করে এবং তার উপকার করে। কেননা, ইসলামের উদারনীতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য প্রযোজ্য।
প্রখ্যাত সাহাবি আব্দুল্লাহ বিন উমর -এর আমল দেখুন। তাঁর ব্যাপারে বর্ণিত আছে :
أَنَّهُ ذُبِحَتْ لَهُ شَاةٌ، فَجَعَلَ يَقُولُ لِغُلَامِهِ: أَهْدَيْتَ لِجَارِنَا الْيَهُودِيَّ؟ أَهْدَيْتَ لِجَارِنَا الْيَهُودِيَّ؟ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: مَا زَالَ جِبْرِيلُ يُوصِينِي بِالْجَارِ حَتَّى ظَنَنْتُ أَنَّهُ سَيُوَرِّثُهُ
'তার ঘরে একটি ছাগল জবাই করা হলো। তখন তিনি ভৃত্যকে ডেকে বললেন, আমাদের প্রতিবেশী ওই ইহুদি লোকটার ঘরে কি হাদিয়া পাঠানো হয়েছে (দুবার বললেন)? কেননা, আমি রাসুলুল্লাহ -কে বলতে শুনেছি, জিবরাইল আমাকে প্রতিবেশীর ব্যাপারে এত বেশি উপদেশ দিয়েছেন যে, একসময় আমি ধারণা করতে শুরু করেছিলাম, অচিরেই বুঝি প্রতিবেশীকে উত্তরাধিকারী ঘোষণা করা হবে।'২৫৪
এজন্যই যুগ যুগ ধরে ইহুদি ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায় مسلمانوں পাশে নিরাপত্তা ও স্বস্তির সাথে বসবাস করে আসছে। তাদের জান-মাল, ইজ্জত-আবরু ও ধর্মপালনের ওপর মুসলমানদের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের অনিষ্টের আশঙ্কা নেই। তারা করে না। মুসলমানদের এলাকায় পাহাড়ের ওপর তাদের বড় বড় গির্জাগুলো তার জীবন্ত সাক্ষী। গির্জার আশপাশে হাজার হাজার মুসলমান বসবাস করে, কিন্তু তারা তাদের সাথে উত্তম আচরণ করে, প্রতিবেশীর হক যথাযথ আদায় করে এবং অন্যায়ভাবে তাদের ওপর আক্রমণ করে না।
কুরআন মাজিদে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন: لَا يَنْهَاكُمُ اللهُ عَنِ الَّذِينَ لَمْ يُقَاتِلُوكُمْ فِي الدِّينِ وَلَمْ يُخْرِجُوكُمْ مِنْ دِيَارِكُمْ أَنْ تَبَرُّوهُمْ وَتُقْسِطُوا إِلَيْهِمْ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُقْسِطِينَ 'ধর্মের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেনি এবং তোমাদের দেশ থেকে বহিষ্কৃত করেনি, তাদের প্রতি সদাচরণ ও ইনসাফ করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেন না। নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন। '২৫৫

📘 আদর্শ মুসলিম > 📄 সদ্ব্যবহার ও উপকারের ক্ষেত্রে নিকটতম প্রতিবেশীকে এগিয়ে রাখে

📄 সদ্ব্যবহার ও উপকারের ক্ষেত্রে নিকটতম প্রতিবেশীকে এগিয়ে রাখে


প্রকৃত মুসলমান প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার করার ক্ষেত্রে নিকটতম প্রতিবেশীকে অন্যদের ওপর প্রাধান্য দেয়। কেননা, এটাই ইসলামের নির্দেশ। দুই নিকটতম প্রতিবেশীর মাঝে সম্পর্ক শক্তিশালী হওয়ার কারণে ও তাদের মাঝে সাধারণত খুব স্পর্শকাতর কিছু বিষয় জড়িয়ে থাকার কারণে ইসলাম সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। যাতে তাদের মাঝে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও সখ্যতা দৃঢ় হয়।
এ সম্পর্কে আয়িশা থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন:
قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ لِي جَارَيْنِ فَإِلَى أَيِّهِمَا أُهْدِي؟ قَالَ: إِلَى أَقْرَبِهِمَا مِنْكِ بَابًا 'আমি রাসুলুল্লাহ-কে বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, আমার প্রতিবেশী তো দুজন আছে। তাহলে কার কাছে হাদিয়া পাঠাব? তিনি বললেন, দুজনের মধ্যে যার দরজা তোমার অধিকতর নিকটবর্তী, তার নিকট?'২৫৬
সাহাবায়ে কিরাম প্রতিবেশীর সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইসলামের এ নির্দেশনা অনুসরণ করতেন। এজন্য সদ্ব্যবহার ও উপকার করার ক্ষেত্রে তাঁরা নিকটতম প্রতিবেশীকে দূরতম প্রতিবেশীর ওপর প্রাধান্য দিতেন।
এ সম্পর্কে আবু হুরাইরা বলেন: وَلَا يَبْدَأُ بِجَارِهِ الْأَقْصَى قَبْلَ الْأَدْنَى، وَلَكِنْ يَبْدَأُ بِالْأَدْنَى قَبْلَ الْأَقْصَى
'নিকটবর্তী প্রতিবেশীকে বাদ দিয়ে দূরবর্তী প্রতিবেশী থেকে (হাদিয়া-তোফহা প্রেরণ) শুরু করবে না; বরং দূরবর্তী প্রতিবেশীর পূর্বে নিকটবর্তী প্রতিবেশী থেকে শুরু করবে।'২৫৭
ইসলাম নিকটবর্তী প্রতিবেশীকে অন্যান্য প্রতিবেশীর ওপর প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলে। এর অর্থ কোনোভাবেই এটা নয় যে, ইসলাম দূরবর্তী প্রতিবেশীদের থেকে একদম মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে; বরং নিকটবর্তী বা দূরবর্তী প্রত্যেক প্রতিবেশীর হক ও অধিকার যথাযথভাবে আদায় করার প্রতি ইসলাম নির্দেশ দিয়েছে। তবে নিকটবর্তী প্রতিবেশীর সাথে একটু বেশি দেখা-সাক্ষাৎ হওয়ার কারণে এবং তার সাথে স্বাভাবিকভাবেই কিছু স্পর্শকাতর বিষয় জড়িয়ে থাকার কারণে তাকে অন্যান্য প্রতিবেশীর ওপর প্রাধান্য দিতে বলা হয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00