📘 আদর্শ মুসলিম > 📄 ভূমিকা

📄 ভূমিকা


মুসলমানদের প্রতি ইসলামের দাবি হলো, তারা মানুষের মাঝে উন্নত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে বসবাস করবে। যেন তারা জনগণের জন্য উত্তম আদর্শ হতে পারে এবং লোকেরা তাদের দেখে ইসলামের সত্যতা ও সৌন্দর্যের বার্তা লাভ করে।
এ সম্পর্কে ইবনুল হানজালিয়া থেকে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ এক সফর থেকে ফেরার পথে সাহাবিদের উদ্দেশে বলেন: إِنَّكُمْ قَادِمُونَ عَلَى إِخْوَانِكُمْ، فَأَصْلِحُوا رِحَالَكُمْ، وَأَصْلِحُوا لِبَاسَكُمْ، حَتَّى تَكُونُوا كَأَنَّكُمْ شَامَةٌ فِي النَّاسِ، فَإِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْفُحْشَ، وَلَا التَّفَحُشَ
'তোমরা তোমাদের ভাইদের নিকট যাচ্ছ, কাজেই তোমাদের বাহনগুলো ঠিকঠাক করে নাও এবং কাপড়চোপড় পরিপাটি করো; তোমরা যেন সমাজের কেন্দ্রবিন্দু। কেননা, আল্লাহ তাআলা কদর্য ও অশ্লীলতা পছন্দ করেন না। '৬৭
আরবিতে 'রিহাল' (رحال) ওই চাদরকে বলে, যা সওয়ার হওয়ার সময় উটের পিঠে রাখা হয়। আর 'ফুহশ' (فحش) ও 'তাফাহহুশ' (تفحش) বলা হয় খুবই খারাপ ও অশ্লীল বিষয়কে। হাদিস শরিফে রাসুলুল্লাহ পোশাক-আশাকের এলোমেলো অবস্থা ও অসৌন্দর্যকে অশ্লীলতা বলেছেন। এজন্য ইসলামে এ ধরনের অসৌন্দর্য অপছন্দনীয় ও নিষিদ্ধ।
প্রকৃত মুসলমান নিজের যত্ন নেয়। শরীর, বিবেক ও আত্মার মাঝে সুষ্ঠু ভারসাম্য বজায় রাখে। এগুলোর প্রত্যেকটির যথাযথ হক আদায় করে। কোনো বিষয়ে সীমালঙ্ঘন করে না।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00