📘 আবু বকর সিদ্দিক রাঃ > 📄 আবু বকরের সামরিক দক্ষতা এবং আনন্দাশ্রু

📄 আবু বকরের সামরিক দক্ষতা এবং আনন্দাশ্রু


নবিজির শিক্ষার প্রভাব সিদ্দিকের সামরিক যোগ্যতায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। হিজরতের অভিপ্রায়ে নবিজির দরবারে উপস্থিত হলে তিনি যখন তাঁকে বলেন, 'তাড়াহুড়ো করো না, আল্লাহ তোমাকে সাথি দান করবেন', তখন থেকেই তিনি হিজরতের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিতে লেগে যান। দুটি কিনে লালনপালন শুরু করেন। সহিহ বুখারির বর্ণনামতে, 'চার মাস যাবৎ উট দুটিকে বাবলা পাতা খাইয়ে প্রতিপালন করছিলেন।' নবিজি তাঁকে নেতৃত্বদানের নিমিত্তে গড়ে তুলেছিলেন। আবু বকর রা. তাঁর দূরদর্শিতার মাধ্যমে অনুধাবন করতে পেরেছিলেন, হিজরত হবে কঠিন এবং মুহূর্তটি আচমকা উপস্থিত হবে। এ জন্য এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে রাখেন। আপন পরিবারকে নবিজির খিদমতে সঁপে দিয়েছিলেন। এরপর রাসুল তাঁকে নিজের সঙ্গে হিজরতের সুসংবাদ শোনালে আনন্দে তিনি কেঁদে ফেলেন।
এ প্রসঙ্গে আয়েশা রা. বলেন, 'মানুষ যে আনন্দে কাঁদতে পারে, তা আমি ইতিপূর্বে জানতাম না। এটা মানুষের আনন্দের শেষ স্তর, যেখানে মানুষ আনন্দে কেঁদে বুক ভাসায়।' কবি কতই-না সুন্দর বলেছেন,
প্রিয়তমের বার্তা এসে গেছে, শীঘ্রই তিনি আমার সাক্ষাতে আসবেন।
এ সুসংবাদ শুনে আমার চোখ দুটি সজল হয়ে উঠেছে। আনন্দ আমার ওপর এতটাই উপচে পড়ছে যে, আনন্দের আতিশয্যে কেঁদে আমি বুক ভাসাচ্ছি। হে চোখ, অশ্রু ঝরানো তো তোমার অভ্যাস, আনন্দ ও বেদনা উভয় অবস্থায় তুমি অশ্রু ঝরাতে পারো।
সঙ্গদানের লক্ষ্য কী, আবু বকর তা ভালো করেই জানতেন। সম্পূর্ণ একা অবস্থায় কমপক্ষে ১৩ দিন নবিজির সঙ্গে অবস্থান করেন। জীবনটাকে তাঁর প্রিয়তম পথপ্রদর্শক ও নেতা মুহাম্মাদের কাছে উপহার হিসেবে দিয়ে দেন। জগতে এর চেয়ে বড় আর কী সফলতা থাকতে পারে যে, পুরো পৃথিবীর মানুষকে রেখে তিনিই সেই কঠিন দুঃসময়ে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানব সাইয়িদুল খালকের জন্য নিজেকে নিবেদিত করতে পেরেছিলেন।
আল্লাহর ভালোবাসার বোধ তখনই স্পষ্ট হয়, যখন গুহার ভেতর আবু বকরের অন্তরে ভয় জন্ম নেয়-কী জানি শত্রু রাসুল -কে দেখে ফেলে। এখানেও কিন্তু তিনি ইসলামের দায়িদের সামনে আদর্শ রেখে গেছেন। অর্থাৎ, নেতা যখন বিপদে জড়িয়ে যাবেন, তখন অনুসারীদের জন্য যেকোনো মূল্যে তাঁকে সহায়তা দিয়ে যেতে হবে। আবু বকরের অন্তরে তখন তাঁর নিজের মারা যাওয়ার কোনো চিন্তা বা শঙ্কা ছিল না। তাঁর অস্তিত্বজুড়ে কেবল রাসুলের জীবনের নিরাপত্তা আর ইসলামের ভবিষ্যতের নিশ্চয়তার ব্যাপারটি কাজ করছিল। তিনি কেবল এটাই ভাবছিলেন, রাসুলের যদি কিছু একটা হয়ে যায়, তাহলে কী হবে? যদি তাঁর অন্তরে নিজের জীবনের ব্যাপারে সামান্যতম চিন্তা থাকত, তাহলে হিজরতের মতো কঠিন-বিপৎসংকুল সফরে বেরই হতেন না। তিনি তো ভালো করেই জানতেন, রাসুলের সঙ্গে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলে নিম্নতম শাস্তি হবে প্রাণদণ্ড।
হিজরতের ঘটনায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে আবু বকরের শান্তি ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বোধ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। যেমন: পথে একপর্যায়ে তাঁকে রাসুলের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে বলেন, 'তিনি আমার পথপ্রদর্শক। তিনি আমাকে পথ দেখান'। তৎকালের প্রথানুযায়ী প্রশ্নকর্তা বুঝে নিয়েছিল, লোকটি বোধহয় অর্থের বিনিময়ে তাঁকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সিদ্দিকের উদ্দেশ্য তো সাধারণ পথপ্রদর্শনকারী ছিল না; তাঁর উদ্দেশ্য ছিল তিনি তাঁকে চিরসত্যের পথ দেখিয়ে থাকেন। এ থেকে অনুমান করা যায়, চরম বিপদের মুহূর্তেও তিনি মিথ্যা এড়িয়ে উদ্দেশ্যকে কৌশলী আঙ্গিকে উপস্থাপনে কতটা পারদর্শী ছিলেন। এখানে প্রশ্নকর্তার জবাবে কৌশলী জবাবের মাধ্যমে মূলত রাসুলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উদ্দেশ্য ছিল। কেননা, হিজরত বড় রহস্যপূর্ণভাবে সম্পাদিত হয়েছিল। তাঁর এ জবাবের দরুন রাসুল -ও তাঁকে বিরূপ কিছু বলেননি।

টিকাঃ
১৮০ আত-তারবিয়াতুল কিয়াদিয়া, ২/১৯১, ১৯২।
১৮১ আস-সিরাতুন নাবাবিয়াহ, দুরুসুন ওয়া ইবার, সিবায়ি: ৭১।
১৮২ আল-হিজরাতুন নাবাবিয়াহ আল-মুবারাকা: ২০৪।
১৮৩ আস-সিরাতুন নাবাবিয়াহ, দুরুসুন ওয়া ইবার, সিবায়ি: ৬৮।

📘 আবু বকর সিদ্দিক রাঃ > 📄 আধ্যাত্মিক নেতৃত্ব এবং মানুষের সঙ্গে আচরণের নিয়ম

📄 আধ্যাত্মিক নেতৃত্ব এবং মানুষের সঙ্গে আচরণের নিয়ম


হিজরতের সফরের পরতে পরতে রাসুলের প্রতি সিদ্দিকের গভীর ভালোবাসার ব্যাপারটি পরিস্ফুট হয়ে ওঠে। অনুরূপ রাসুলের সিরাত অধ্যয়ন করলে তাঁর প্রতি সাহাবিদের ভালোবাসার বিষয়টিও প্রতিভাত হয়। এই আন্তরিক মুহাব্বাত হৃদয়ের গভীর থেকেই উৎসারিত হতো। এ ছিল তাঁদের নিষ্ঠার প্রতিফলন। এর মধ্যে কোনো মুনাফিকি বা কৃত্রিমতা ছিল না। ছিল না পার্থিব স্বার্থ কিংবা কোনো প্রকার ভয়ভীতি। এর মূলে ছিল রাসুলের নেতৃত্বগুণ, যিনি মানুষকে ঘুম পাড়ানোর জন্য নিজে সজাগ থাকতেন। মানুষকে শান্তি দিতে নিজে শ্রান্ত হতেন। মানুষকে পরিতৃপ্ত করতে নিজে ক্ষুধার্ত থাকতেন। মানুষের আনন্দে আনন্দিত হতেন, দুঃখে পীড়িত হতেন। যে ব্যক্তিই নিজের সাথিদের সঙ্গে আচরণের ক্ষেত্রে রাসুলের এই সুন্নাহ অনুসরণ করবে, সাথির আনন্দে আনন্দিত হবে; আর তার কাজটি হবে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে, সে তার সাথিদের আন্তরিক ভালোবাসা অর্জন করতে পারবে—চাই সে কেন্দ্রীয় নেতা হোক বা সাধারণ কোনো দায়িত্বশীল। কবি আল লিবি আহমাদ রফিক মাহদাবি সত্য বলেছেন,
যখন আল্লাহ তার কোনো বান্দার অন্তর পছন্দ করেন, তখন আল্লাহপ্রদত্ত যোগ্যতা তার মধ্যে প্রকাশ পায়। যখন কোনো সংস্কারবাদীর নিয়ত আল্লাহর জন্য নিবেদিত হয়, তখন অন্তরের গভীর থেকেই মানুষ তার অভিমুখী হয়।
সঠিক নেতৃত্ব সবকিছুর আগে মানুষের সঙ্গে আচরণ ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শনের যোগ্যতা নির্ণয় করে। নেতৃত্ব যত ভালো হবে, অনুসারীর আচরণ হবে তত ভালো। নেতৃত্বের পক্ষ থেকে অধীনদের প্রতি যত অনুগ্রহ থাকবে, নেতৃত্বের প্রতি অধীনদের ভালোবাসা হবে তত বেশি। রাসুল তাঁর অনুসারী ও সেনাদলের প্রতি ছিলেন অত্যন্ত দয়ালু। তিনি ততক্ষণ পর্যন্ত হিজরত করেননি, যতক্ষণ-না তাঁর অধিকাংশ অনুসারী হিজরত করেছিলেন। নবি যখন হিজরত করেন, তখন কেবল দুর্বল লোকজন—যাঁদের হিজরত করতে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রতিবন্ধকতা ছিল—থেকে গিয়েছিলেন।
এখানে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, নবির সঙ্গে আবু বকরের যে ভালোবাসা ছিল, তা ছিল কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে। আবু তালিবও কিন্তু রাসুল-কে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন; কিন্তু তাঁর ও আবু বকরের ভালোবাসার মধ্যে পার্থক্যর ধরন ছিল—আবু তালিবের ভালোবাসা ছিল আত্মীয়তার নিরিখে; আর আবু বকরের ভালোবাসা ছিল নিরেট আল্লাহর জন্য। এ জন্যই আবু বকরের ভালোবাসা হয়েছিল সফল এবং আবু তালিবের ভালোবাসা হয়েছিল ব্যর্থ। এই আয়াত তো তাদের শানেই নাজিল হয়েছিল,
আর তা থেকে দূরে রাখা হবে পরম মুত্তাকিকে, যে নিজের সম্পদ দান করে আত্মশুদ্ধির জন্য এবং তার প্রতি কারও অনুগ্রহের প্রতিদানে নয়, কেবল তার মহান পালনকর্তার সন্তুষ্টির প্রত্যাশায়; সে তো অচিরেই প্রশান্তি লাভ করবে। [সুরা লাইল: ১৭-২১]
আবু তালিবের ভালোবাসা তার নিজের জন্য কোনো সুফল বয়ে আনেনি; বরং প্রবল ভালোবাসা থাকার পরও তিনি হয়েছিলেন জাহান্নামি। যেহেতু তিনি ছিলেন মুশরিক। তার কাজকর্ম ছিল গায়রুল্লাহর জন্য। আবু বকর রা. সৃষ্টির কাছে কোনো কিছু চাইতেন না। এমনকি রাসুলের কাছেও না। তিনি কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যেই রাসুলের ওপর ইমান এনেছিলেন। তাঁকে ভালোবেসেছিলেন, সহায়তা দিয়েছিলেন। তিনি প্রতিদান চাইতেন কেবল আল্লাহর কাছে। এ লক্ষ্যেই তিনি আল্লাহর ওয়াদা ও ভীতির কথা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেন।

টিকাঃ
*আল-হিজরাতুন নাবাবিয়াহ, আবু ফারিস: ৫৪।
**আল-হারকাতুস সানুসিয়াহ, সাল্লাবি: ২/৭১।
***আল-হিজরাতুন নাবাবিয়াহ আল-মুবারাকা: ২০৫।
১৮৭ মাজমুউল ফাতাওয়া, ইবনু তাইমিয়া: ১১/২৮৬।

📘 আবু বকর সিদ্দিক রাঃ > 📄 মদিনায় সিদ্দিকের হিজরত-উত্তর অসুস্থতা

📄 মদিনায় সিদ্দিকের হিজরত-উত্তর অসুস্থতা


মক্কা থেকে সাহাবিদের হিজরত করা ছিল বিরাট এক আত্মত্যাগ। বিষয়টি রাসুল * এভাবে তুলে ধরেছিলেন, 'আল্লাহর শপথ, তুমি ছিলে পুরো পৃথিবীতে আমার কাছে সর্বোৎকৃষ্ট ভূমি। আমাকে যদি তোমার থেকে বিতাড়িত করা না হতো, তাহলে আমি কখনো তোমার পরশ থেকে বেরোতাম না।'
উম্মুল মুমিনিন আয়েশা রা. বলেন, রাসুল যখন হিজরত করে মদিনায় চলে আসেন, তখন সেখানে জ্বরের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব ছিল। উপত্যকার পানি ছিল অপরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধযুক্ত। ফলে সাহাবিগণ রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েন। আল্লাহ তাআলা নবিজিকে এ থেকে নিরাপদ রেখেছিলেন। আবু বকর, আমির ইবনু ফুহায়রা এবং বিলাল রা. একই ঘরে বসবাস করতেন। তাঁরা তিনজনই জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। আমি রাসুলের কাছে তাঁদের সেবা করার অনুমতি চাইলে তিনি আমাকে সে অনুমতি দেন। আমি তাঁদের কাছে যাই। এ ছিল হিজাবের হুকুম অবতীর্ণ হওয়ার আগের ঘটনা। তাঁদের সকলের গায়েই ছিল তীব্র জ্বর। আমি আবু বকরের কাছে এসে বলি, 'আব্বু, আপনার অবস্থা কেমন?' তিনি বলেন,
প্রত্যেকেই তার পরিবার-পরিজনের কাছে সকালে হাজির হয়; আর মৃত্যু তো তার কাছে জুতোর ফিতার চেয়েও কাছে।
তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ, পিতা কী বলতে চাচ্ছিলেন আমি বুঝতে পারছিলাম না। এরপর আমির ইবনু ফুহায়রার কাছে যাই। জিজ্ঞেস করি, 'আমির, কেমন আছেন আপনি?' তিনি বলেন,
মৃত্যুর আগেই আমি মৃত্যুর স্বাদ পেয়ে গেছি নিঃসন্দেহে ভীরুতার মৃত্যু তার উপর দিক থেকেই এসে থাকে। প্রত্যেকেই নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিরোধ করে থাকে, যেমন ষাঁড় তার শিং দিয়ে নিজেকে বাঁচিয়ে থাকে।
আমি বলি, 'আল্লাহর শপথ, আমির যা বলছেন আমি তা বুঝতে পারছি না। আর বিলালের জ্বর ছাড়লেই ঘরের আঙিনায় শুয়ে উঁচু কণ্ঠে বলতে থাকেন, আহ! আমি যদি এমন এক উপত্যকায় রাত যাপন করতাম যেখানে আমার চারপাশে থাকবে ইজখির ও জালিল ঘাস। আমি কি কোনো দিন মাজিন্নার ঘাটে উপনীত হতে পারব, আমার সামনে কি শামা ও তুফায়িল পাহাড় দুটি দৃশ্যমান হবে!
সংবাদটা আমি রাসুলের কাছে দিলে তিনি বলেন, হে আল্লাহ, মক্কার মতো মদিনাকেও আমাদের কাছে প্রিয় করে দাও; অথবা তার থেকে বেশি। হে আল্লাহ, একে সুস্থতার আধার বানিয়ে নাও। এর 'মুদ' ও 'সা'-এর মধ্যে আমাদের জন্য বরকত দান করো এবং এখানকার জ্বরকে জুহফায় পাঠিয়ে দাও।
আল্লাহ তাঁর নবির দুআ কবুল করেন। ফলে মুসলমানগণ ব্যাধিমুক্ত হয়ে ওঠেন। এরপর থেকে মদিনা বিভিন্ন স্থান থেকে আগত মানুষের জন্য উত্তম জায়গায় পরিণত হয়ে ওঠে।
মদিনায় স্থায়ী হওয়ার পর নবিজি ইসলামি সালতানাতের ভিত্তিপ্রতিষ্ঠায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে ভ্রাতৃবন্ধন গড়ে দেন। মসজিদে নববি নির্মাণ করেন। ইয়াহুদিদের সঙ্গে সন্ধিতে উপনীত হন। সামরিক তৎপরতা শুরু করেন; আর নতুন ওই সমাজব্যবস্থায় অর্থনৈতিক এবং শিক্ষাদীক্ষার কার্যক্রম শুরু করেন। পরামর্শ, সম্পদ এবং সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় এ ক্ষেত্রে কোনো কার্পণ্য করা হয়নি।

টিকাঃ
১৮৮ সুনানুত তিরমিজি, আল মানাকিব, বাবু ফাজলি মাক্কাতা: ৫/৭২২। হাদিস নং-৩৯২৫।
*** তৎকালের আরবের পরিমাপ একক।
*** সহিহ বুখারি, আদ-দাওয়াত, বাবুদ দাওয়াত ইয়ারফাউল ওয়াবা ওয়াল ওয়াজ : ৬৩৭২।
১*১ আত-তারবিয়াতুলকিয়াদিয়া: ২/৩১০।
*** তারিখুদ দাওয়া ইলাল ইসলাম ফি আহদিল খুলাফায়ির রাশিদিন: ১২১।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00