📘 কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা > 📄 মালিককে রেখে চাকরকে মাবূদ বানানো চূড়ান্ত বোকামি

📄 মালিককে রেখে চাকরকে মাবূদ বানানো চূড়ান্ত বোকামি


সকল মুশরিকই স্বীকার করছে যে, মহান আল্লাহই একমাত্র মালিক, রাজা এবং সর্বশক্তিমান প্রতিপালক। পাশাপাশি তাঁরা একবাক্যে স্বীকার করছে যে, তার সাথে যাদেরকে তারা ইবাদত করছে তারা সকলেই মহান আল্লহরই সৃষ্টি এবং তাঁরই বান্দা। এ কথা স্বীকার করার পরে মহান মালিককে ছেড়ে চাকরবাকরদের ইবাদত করা বা তাদের নিকট নিজের চূড়ান্ত অসহায়ত্ব ও ভক্তি প্রকাশ করার মত বোকামি আর কি হতে পারে। এ বিষয়ে মহান আল্লাহ বলেন:
أَفَحَسِبَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَنْ يَتَّخِذُوا عِبَادِي مِنْ دُونِي أَوْلِيَاءَ إِنَّا أَعْتَدْنَا جَهَنَّمَ لِلْكَافِرِينَ نُزُلًا "যারা কুফরী করেছে তারা কি মনে করে যে, তারা আমার পরিবর্তে আমার দাসদেরকে ওলী-অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করবে? আমি কাফিরদের আপ্যায়নের জন্য প্রস্তুত রেখেছি জাহান্নাম।"

📘 কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা > 📄 মহান আল্লাহকে সৃষ্টির সাথে তুলনা করা যায় না

📄 মহান আল্লাহকে সৃষ্টির সাথে তুলনা করা যায় না


আমরা দেখেছি যে, শিরকের মূল হলো মহান আল্লাহর বিষয়ে কু-ধারণা বা "অব-ভক্তি' এবং বান্দার বিষয়ে 'অতি-ধারণা' বা 'অতিভক্তি'। আর এর অন্যতম কারণ মহান আল্লাহকে মানুষের সাথে তুলনা করা। মুশরিকদের যুক্তিই ছিল পৃথিবীর রাজা- বাদশাহগণের নিকট আবেদন করতে যেমন মন্ত্রী, খাদেম, দারোয়ান, সামন্তরাজা বা অনুরূপ ব্যক্তিবর্গের সুপারিশ বা মধ্যস্থতার প্রয়োজন হয়, আল্লাহর ক্ষেত্রেও অনুরূপ মধ্যস্থতার প্রয়োজন হবে না কেন। দুনিয়ার সাধারণ একজন রাজা এত আমত্য-পরিষদ রাখেন আর সকল রাজার মহারাজা মহান আল্লাহ তা রাখবেন না কেন? ইত্যাদি।
কুরআনে এরূপ তুলনা করতে বারংবার নিষেধ করা হয়েছে। মহান আল্লাহকে মানুষের সাথে তুলনা করা যায় না। একজন মানুষ মহারাজা তার সেনাপতি, খাদেম, সামন্ত শাসক বা কর্মকর্তাদের সহযোগিতার মুখাপেক্ষী, তিনি নিজে সবকিছু দেখতে, শুনতে বা জানতে পারেন না। তিনি অনেক সময় নিজের ইচ্ছা না থাকলেও তাদের সুপারিশ গ্রহণ করেন, অথবা মূল বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না, তাই সংশ্লিষ্ট অফিসারের সুপারিশের ভিত্তিতেই তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সব কিছু নিজে জানা ও বিচার করা তো তার পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু মহান আল্লাহকে এরূপ মানুষ মহারাজার সাথে তুলনা করার অর্থ তার রুবুবিয়্যাতের সাথে কুফরী করা ও তাঁর বিষয়ে 'কু-ধারণা' পোষণ করা। মহান আল্লাহ বলেন:
فَلَا تَضْرِبُوا لِلَّهِ الْأَمْثَالَ إِنَّ اللَّهَ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ “সুতরাং আল্লাহর জন্য কোনো তুলনা-উদাহরণ স্থাপন করো না। আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জান না।"

📘 কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা > 📄 আল্লাহর মাহবূব বান্দারা মুশরিকদের উপর অসন্তুষ্ট

📄 আল্লাহর মাহবূব বান্দারা মুশরিকদের উপর অসন্তুষ্ট


আমরা ইতোপূর্বে দেখেছি যে, শয়তানের প্ররোচনা, প্রবঞ্চনা এবং বিভিন্ন মিথ্যা অপপ্রচারের কারণে মুশরিকগণ বিশ্বাস করত যে, ফিরিশতাগণ ও আল্লাহর অন্যান্য প্রিয় বান্দা তাদের ইবাদত পেয়ে খুশি হন এবং তাদের জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করেন। স্বপ্ন, কাশফ ইত্যাদির মাধ্যমে শয়তান ফিরিশতাগণের কল্পিত রূপে বা অন্যান্য নবী, ওলী বা কল্পিত মা'বুদদের বেশ ধরে তাদেরকে এরূপ ধারণা প্রদান করত, যেমন ভারতীয় হিন্দু পূজারীদের সামনে স্বপ্নে বা জাগরণে কালী, গনেশ, মহামায়া ইত্যাদি রূপে 'প্রকাশিত' হয়ে তাদের শিককে সঠিক বলে ধারণা দেয়। মুসলিম সমাজে যারা শিরকে লিপ্ত তাদেরকেও এভাবে স্বপ্ন, কাশফ ইত্যাদির মাধ্যমে শয়তান প্রতারিত করে।
এজন্য কুরআন কারীমের বিভিন্ন স্থানে বারংবার উল্লেখ করা হয়েছে যে, আল্লাহর প্রকৃত প্রিয় বান্দাগণ কিয়ামতের দিন এসকল মুশরিকের প্রতি তাদের প্রকৃত বিরাগ প্রকাশ করবেন। বিভিন্নভাবে এ বিষয়টি বারংবার উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কয়েকটি আয়াত
২০১
ইতোপূর্বে আমার দেখেছি। মুশরিকগণ ফিরিশতা, নবী, ওলী বা কল্পিত 'আল্লাহর প্রিয়' বলে যাদেরকে ডাকে তারা কিয়ামতের দিন এ সকল মুশরিকের সাথে শত্রুতা করবেন এবং মুশরিকগণ মূলত শয়তানদের ইবাদত করত বলে ঘোষণা করবেন বলে আমরা দেখেছি। পরবর্তী অনুচ্ছেদে এ বিষয়ক আরো কিছু আয়াত আমরা দেখব।
অন্যত্র মহান আল্লাহ জানিয়েছেন যে, কোনো নবী-রাসূল কখনোই আল্লাহ ছাড়া আর কারো ইবাদত করার কথা বলতে পারেন না। আল্লাহ ছাড়া কোনো ফিরিশতা বা কোনো নবীকে ইলাহ তো দূরের কথা 'রাব্ব' বা প্রতিপালক হিসেবে গ্রহণের কথাও তিনি বলতে পারেন না। আমরা ইতোপূর্বে দেখেছি যে, মহান আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ইলাহ হিসেবে গ্রহণ করা যায় না, তবে আপেক্ষিক লালন- পালন এবং তত্ত্বাবধানের অর্থে 'রাব্ব' বলা যায়। কোনো নবী-রাসূল বা কোনো সত্যিকার ধার্মিক মানুষ কোনো ফিরিশতা বা নবীকে ইবাদত করা তো দূরের কথা তাদের তত্ত্বাবধানের বা বিশ্ব-পরিচালনার কোনোরূপ ক্ষমতা আছে বলে বিশ্বাস করতেও তারা বলতে পারেন না। এ বিষয়ে মহান আল্লাহ বলেন:
مَا كَانَ لِبَشَرٍ أَنْ يُؤْتِيَهُ اللَّهُ الْكِتَابَ وَالْحُكْمَ وَالنُّبُوَّةَ ثُمَّ يَقُولَ لِلنَّاسِ كُونُوا عِبَادًا لِي مِنْ دُونِ اللَّهِ وَلَكِنْ كُونُوا رَبَّانِيِّينَ بِمَا كُنْتُمْ تُعَلِّمُونَ الْكِتَابَ وَبِمَا كُنْتُمْ تَدْرُسُونَ وَلَا يَأْمُرُكُمْ أَنْ تَتَّخِذُوا الْمَلَائِكَةَ وَالنَّبِيِّينَ أَرْبَابًا أَيَأْمُرُكُمْ بِالْكُفْرِ بَعْدَ إِذْ أَنْتُمْ مُسْلِمُونَ "কোনো ব্যক্তিকে আল্লাহ কিতাব, হিকমাত ও নুবুওয়াত প্রদান করার পর তার জন্য শোভন নয় যে, সে বলবে, তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে আমার বান্দা হয়ে যাও', বরং সে বলবে, 'তোমরা আল্লাহওয়ালা-রাব্বানী হয়ে যাও, যেহেতু তোমরা কিতাব শিক্ষা দান কর এবং যেহেতু তোমরা অধ্যয়ন কর। আর সে তোমাদের নির্দেশ দিবে না যে, তোমরা ফিরিশতাগণ এবং নবীগণকে আল্লাহর পরিবর্তে রাব্ব হিসেবে গ্রহণ কর। তোমাদের মুসলিম হওয়ার পরে কি সে তোমাদেরকে কুফরীর নির্দেশ দিবে?" অন্যান্য স্থানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আল্লাহর প্রিয় কোনো বান্দাও যদি কোনোভাবে নিজেকে ইলাহ বলে দাবি করে বা কোনো মানুষের ইবাদত বা চূড়ান্ত ভক্তি গ্রহণে আগ্রহী হয় তবে আল্লাহ তাকে কঠোর শাস্তি প্রদান করবেন। মহান আল্লাহ বলেন:
وَقَالُوا اتَّخَذَ الرَّحْمَنُ وَلَدًا سُبْحَانَهُ بَلْ عِبَادٌ مُكْرَمُونَ لَا يَسْبِقُونَهُ بِالْقَوْلِ وَهُمْ بِأَمْرِهِ يَعْمَلُونَ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يَشْفَعُونَ إِلَّا لِمَنِ ارْتَضَى وَهُمْ مِنْ خَشْيَتِهِ مُشْفِقُونَ. وَمَنْ يَقُلْ مِنْهُمْ إِنِّي إِلَهُ مِنْ دُونِهِ فَذَلِكَ نَجْزِيهِ جَهَنَّمَ كَذَلِكَ نَجْزِي الظَّالِمِينَ "তারা বলে, 'দয়াময় সন্তান গ্রহণ করেছেন।' তিনি পবিত্র, মহান! তারা তো তাঁর সম্মানিত বান্দা। তারা আগে বেড়ে কথা বলে না; তারা তো তাঁর আদেশ অনুসারেই কাজ করে থাকে। তাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে যা কিছু আছে তা তিনি অবগত। তিনি যাদের প্রতি সন্তুষ্ট তাদের ছাড়া আর কারো জন্য তারা সুপারিশ করে না এবং তারা তাঁর ভয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত। তাদের মধ্যে যে বলবে 'আমিই ইলাহ আল্লাহ ব্যতীত', তাকে আমি প্রতিফল দিব জাহান্নাম; এভাবেই আমি জালিমদেরকে শাস্তি দিয়ে থাকি।"

📘 কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা > 📄 মুশরিকগণ নেককারগণের শাফা‘আত পাবে না

📄 মুশরিকগণ নেককারগণের শাফা‘আত পাবে না


আমরা দেখেছি যে, ফিরিশতাগণ, নবীগণ এবং আল্লাহর প্রকৃত বা কল্পিত প্রিয় বান্দাগণের শাফা'আত লাভ এবং তাদের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের ইচ্ছাই শিরকের অন্যতম কারণ। কুরআন কারীমে বারংবার উল্লেখ করা হয়েছে যে, যে শাফা'আতের আশায় তার শিরক করত তা যে তারা পাবে না। বারংবার কিয়ামতের দিবসে মুশরিকদের চরম অসহায় ও বান্ধবহীন অবস্থার কথা বলা হয়েছে।
আমরা জানি যে, যীশুখৃস্টের বা ঈসা মাসীহের (আ) প্রতি ভক্তির সর্বোচ্চ প্রমাণ দিতে তাঁর নামে নিজেদের নামকরণ করেছে খৃস্টানগণ বা মাসীহীগণ। ঈসা (আ)-এর ভক্তির নামে তাকে আল্লাহর শরীক বানিয়েছে তাঁরা। তাদের একটিই দাবি যে, ঈসা (আ) তাদের আখিরাতের কাণ্ডারী, মুক্তিদাতা বা ত্রাণকর্তা (savior)। অনুরূপভাবে আরবের মুশরিকগণ ফিরিশতাগণকে, জিন্নগণকে, কোনো কোনো নবীকে এবং মনগড়া অনেক আল্লাহর প্রিয় বান্দা বা সন্তানকে ইবাদত করেছে। তাদেরও বিশ্বাস যে, এরা তাদের জন্য আল্লাহর কাছে শাফা'আত করবেন। কিন্তু প্রকৃত সত্য যে, এরা কেউই এদের জন্য শাফা'আত করবেন না। এর অর্থ এ নয় যে, নবীগণ, ফিরিশতাগণ বা অন্যান্য নেক বান্দা শাফা'আত করবেন না। তাঁরা শাফা'আত করবেন শুধু তাদের জন্য যারা শিরক থেকে মুক্ত ছিল, যাদের ন্যূনতম তাওহীদে মহান আল্লাহ খুশি ছিলেন এবং যাদের বিষয়ে শাফা'আত করতে মহান আল্লাহ তাদেরকে অনুমতি দিবেন।
এ বিষয়ক কিছু আয়াত আমরা ইতোপূর্বে দেখেছি। এ অর্থে অন্য এক আয়াতে আল্লাহ বলেন:
وَيَوْمَ تَقُومُ السَّاعَةُ يُبْلِسُ الْمُجْرِمُونَ وَلَمْ يَكُنْ لَهُمْ مِنْ شُرَكَائِهِمْ شُفَعَاءُ وَكَانُوا بِشُرَكَائِهِمْ كَافِرِينَ "যেদিন কিয়ামত হবে সে দিন অপরাধীগণ হতাশ হয়ে পড়বে। তাদের শরীকগণের (উপাস্যগণের) মধ্য থেকে কেউ তাদের জন্য সুপারিশ করবে না এবং তারা তাদের শরীকগণকে অস্বীকার করবে।"
অন্য আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন:
وَإِذَا رَأَى الَّذِينَ أَشْرَكُوا شُرَكَاءَهُمْ قَالُوا رَبَّنَا هَؤُلَاءِ شُرَكَاؤُنَا الَّذِينَ كُنَّا نَدْعُو مِنْ دُونِكَ فَأَلْقَوْا إِلَيْهِمُ الْقَوْلَ إِنَّكُمْ لَكَاذِبُونَ وَأَلْقَوْا إِلَى اللَّهِ يَوْمَئِذٍ السَّلَمَ وَضَلَّ عَنْهُمْ مَا كَانُوا يَفْتَرُونَ "মুশরিকরা যাদেরকে আল্লাহর শরীক বানিয়েছিল তাদেরকে যখন তারা দেখবে তখন তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক, এরাই তো তারা যাদেরকে আমরা তোমার শরীক বানিয়েছিলাম, যাদেরকে আমরা ডাকতাম তোমার পরিবর্তে। অতঃপর তদুত্তরে তারা (শরীকগণ বা উপাস্যগণ) বলবে: তোমরা অবশ্যই মিথ্যাবাদী। সে দিন তারা আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ করবে এবং যে মিথ্যা তারা উদ্ভাবন করেছিল তা তাদের জন্য নিষ্ফল হবে।"
অন্য আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন:
وَقِيلَ ادْعُوا شُرَكَاءَكُمْ فَدَعَوْهُمْ فَلَمْ يَسْتَجِيبُوا لَهُمْ وَرَأَوُا الْعَذَابَ لَوْ أَنَّهُمْ كَانُوا يَهْتَدُونَ "তাদেরকে বলা হবে, 'তোমাদের শরীকদেরকে ডাক', তখন তারা তাদেরকে ডাকবে, কিন্তু তারা তাদের ডাকে সাড়া দিবে না। তারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে। হায়! তারা যদি সৎপথ অনুসরণ করত!" অন্যত্র মহান আল্লাহ বলেছেন:
وَيَوْمَ يَقُولُ نَادُوا شُرَكَائِيَ الَّذِينَ زَعَمْتُمْ فَدَعَوْهُمْ فَلَمْ يَسْتَجِيبُوا لَهُمْ وَجَعَلْنَا بَيْنَهُمْ مَوْبِقًا "যে দিন তিনি বলবেন, তোমরা যাদেরকে আমার শরীক মনে করতে তাদেরকে ডাক। তারা তখন তাদেরকে ডাকবে, কিন্তু তারা তাদের ডাকে সাড়া দিবে না এবং তাদের উভয়ের মধ্যস্থলে রেখে দিব এক ধবংস-গহ্বর।" মহান আল্লাহ আরো বলেন:
وَيَوْمَ يَحْشُرُهُمْ وَمَا يَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ فَيَقُولُ أَأَنْتُمْ أَضْلَلْتُمْ عِبَادِي هَؤُلَاءِ أَمْ هُمْ ضَلُّوا السَّبِيلَ قَالُوا سُبْحَانَكَ مَا كَانَ يَنبَغِي لَنَا أَن نَّتَّخِذَ مِنْ دُونِكَ مِنْ أَوْلِيَاءَ وَلَكِن مَّتَّعْتَهُمْ وَآبَاءَهُمْ حَتَّى نَسُوا الذِّكْرَ وَكَانُوا قَوْمًا بُورًا "এবং যেদিন তিনি একত্র করবেন তাদেরকে এবং তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইবাদত করত তাদেরকে, এবং তিনি তাদের এ সকল উপাস্যকে বলবেন: তোমরাই কি আমার এ বান্দাদেরকে বিভ্রান্ত করেছিলে না তারা নিজেরাই পথভ্রষ্ট হয়েছিল? তারা বলবে, 'পবিত্র ও মহান তুমি! তোমার পরিবর্তে আমরা অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করতে পারি না। তুমিই তো এদেরকে এবং এদের পিতৃপুরুষদেরকে ভোগ-সম্ভার দিয়েছিলে, পরিণামে তারা ওহী বিস্মৃত হয়েছিল এবং পরিণত হয়েছিল এক ধবংসপ্রাপ্ত জাতিতে।" কুরআন কারীমে আরো অনেক স্থানে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00