📘 কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা > 📄 তাঁর দায়িত্ব ও ক্ষমতা বিষয়ক বিতর্ক

📄 তাঁর দায়িত্ব ও ক্ষমতা বিষয়ক বিতর্ক


উপরে বিভিন্ন অনুচ্ছেদে আমরা দেখেছি যে, মহান আল্লাহ নবী-রাসূলগণকে সাধারণভাবে এবং মহানবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে বিশেষভাবে অনেক মর্যাদা, অলৌকিক বৈশিষ্ট্য ও মুজিযা দান করেছেন। পরবর্তী বিভিন্ন পরিচ্ছেদে এবং বিশেষত শিরক-কুফর বিষয়ক অধ্যায়ে আমরা দেখব যে, নবী-রাসূলগণের অলৌকিক বৈশিষ্ট্য ও মুজিযাকে 'ক্ষমতা' ও অধিকার ধারণা করে পূর্ববর্তী উম্মাতের মানুষেরা শিরকে নিপতিত হয়। এ জন্য কুরআন কারীমে বারংবার উল্লেখ করা হয়েছে মুজিযা, শাফা'আত বা অন্য কোনো কিছুই নবী-রাসূলগণের ইচ্ছাধীন বা ক্ষমতাধীন নয়, বরং আল্লাহর ইচ্ছাধীন ও ক্ষমতাধীন। বিশ্ব পরিচালনা বা কারো মঙ্গল অমঙ্গলের ক্ষমতা বা দায়িত্ব মহান আল্লাহ নবী-রাসূলগণকে দেন নি। এ বিষয়ে অনেক আয়াত আমরা ইতোপূর্বে দেখেছি। মহান আল্লাহ বলেন:
قُلْ لَا أَمْلِكُ لِنَفْسِي نَفْعًا وَلَا ضَرًّا إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ
"বল, আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত আমার নিজের ভাল-মন্দের উপরেও আমার কোনো অধিকার নেই।” অন্যত্র মহান আল্লাহ বলেন:
قُلْ لَا أَمْلِكُ لِنَفْسِي ضَرًّا وَلَا نَفْعًا إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ
"বল, আল্লাহ যা ইচ্ছা করে তা ব্যতীত আমার নিজের ভালমন্দের উপর আমার কোনো অধিকার নেই।" অন্য আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন:
قُلْ إِنِّي لَا أَمْلِكُ لَكُمْ ضَرًّا وَلَا رَشَدًا قُلْ إِنِّي لَنْ يُجِيرَنِي مِنَ اللَّهِ أَحَدٌ وَلَنْ أَجِدَ مِنْ دُونِهِ مُلْتَحَدًا إِلَّا بَلاغًا مِنَ اللَّهِ ওয়ারাসালাতুহু
"বল, আমি তোমাদের ইষ্ট-অনিষ্টের ক্ষমতা বা মালিকানা আমার নেই। বল: আল্লাহ থেকে কেউই আমাকে রক্ষা করতে পরবে না এবং আল্লাহ ব্যতীত আমি কোনো আশ্রয়ও পাব না, কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে পৌঁছানো এবং তাঁর বাণী প্রচার (আমাকে রক্ষা করবে)।"
কুরআন ও হাদীসে বারংবার দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করা হয়েছে যে, একমাত্র আল্লাহই মানুষকে বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারেন। তিনি ছাড়া আর কেউই কোনো মানুষকে বিপদ-কষ্ট থেকে উদ্ধার করতে পারে না। এর বিপরীতে কখনোই কোনোভাবে কুরআন ও হাদীসে একটি স্থানেও বলা হয় নি যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বা অন্য কোনো নবী বা ওলী কোনোভাবে কাউকে বিপদ থেকে উদ্ধার করার ক্ষমতা রাখেন বা আল্লাহ কাউকে এরূপ কোনো ক্ষমতা প্রদান করেছেন। এ অর্থের আয়াত ও হাদীস অনেক। একস্থানে আল্লাহ বলেন:
قُلْ مَنْ يُنَجِّيكُمْ مِنْ ظُلُمَاتِ الْبَرِّ وَالْبَحْرِ تَدْعُونَهُ تَضَرُّعًا وَخُفْيَةً لَئِنْ أَنْجَانَا مِنْ هَذِهِ لَنَكُونَنَّ مِنَ الشَّاكِرِينَ قُلِ اللَّهُ يُنَجِّيكُمْ مِنْهَا وَمِنْ كُلِّ كَرْبٍ ثُمَّ أَنْتُمْ تُشْرِكُونَ
"বল, কে তোমাদের ত্রাণ করে স্থলভাগের এবং সমূদ্রের অন্ধকার হতে যখন তোমরা কাতরভাবে এবং গোপনে তার নিকট অনুনয় কর: 'আমাদেরকে এ থেকে ত্রাণ করলে আমরা অবশ্যই কৃতজ্ঞদিগের অন্তর্ভুক্ত হব'? বল, 'আল্লাহই তোমারেদকে তা থেকে এবং সমস্ত দুঃখ-কষ্ট বিপদ-আপদ থেকে ত্রাণ করেন। এতদসত্ত্বেও তোমরা তার শরীক কর।" অন্যত্র মহান আল্লাহ বলেন:
أَمْ مَنْ يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ وَيَكْشِفُ السُّوءَ وَيَجْعَلُكُمْ خُلَفَاءَ الأَرْضِ أَإِلَهٌ مَعَ اللَّهِ قَلِيلًا مَا تَذَكَّرُونَ
"তিনিই আর্তের আহবানে সাড়া দেন যখন সে তাকে ডাকে এবং বিপদ-আপদ দূরীভূত করেন এবং তোমাদেরকে পৃথিবীত (পূর্ববর্তীদের) স্থলাভিষিক্ত করেন। আল্লাহর সাথে কি কোনো ইলাহ আছে? তোমরা উপদেশ অতি সামান্যই গ্রহণ করে থাক।" অন্যত্র মহান আল্লাহ বলেন:
وَإِنْ يَمْسَسْكَ اللهُ بِضُرٍّ فَلا كَاشِفَ لَهُ إِلا هُوَ وَإِنْ يَمْسَسْكَ بِخَيْرٍ فَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
"আল্লাহ তোমাকে বিপদ-কষ্ট দিলে তিনি ব্যতীত তা মোচনকারী আর কেউ নেই। আর তিনি যদি তোমার কল্যাণ করেন তবে তিনিই তো সর্ব বিষয়ে শক্তিমান।" মহান আল্লাহ আরো বলেন:
وَإِنْ يَمْسَسْكَ اللَّهُ بِضُرٍّ فَلا كَاشِفَ لَهُ إِلَّا هُوَ وَإِنْ يُرِدْكَ بِخَيْرٍ فَلَا رَادَّ لَفَضْلِهِ
"এবং আল্লাহ তোমাকে বিপদ-আপদ দিলে তিনি ব্যতীত তা মোচনকারী কেউ নেই এবং আল্লাহ যদি তোমার মজ্ঞল চান তবে তাঁর অনুগ্রহ রদ করার কেউ নেই।"
এরূপ বহুসংখ্যক সুস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন আয়াতের বিপরীতে একটি আয়াতেও মহান আল্লাহ বলেন নি যে, আমি বিপদ ত্রানের বা কষ্টদুঃখ দূর করার দায়িত্ব, অধিকার বা ক্ষমতা মুহাম্মাদ ()ﷺ বা অন্য কোনো নবী, নবী বংশের ইমাম বা কোনো ওলীকে প্রদান করেছি। উপন্তু বারংবার বলা হয়েছে যে, এরূপ কোনো অধিকার, সুযোগ বা ক্ষমতা আল্লাহ কাউকে কখনোই প্রদান করেন নি। উপরে উল্লিখিত অনেক আয়াত ও হাদীসে তা আমরা দেখেছি।
মহান আল্লাহ তাঁর নবী-রাসূলগণের এবং বিশেষত মহানবী মুহাম্মাদ ()ﷺ(-এর দু'আ কবুল করতেন। তবে দু'আ কবুল করা বা না করা পুরোপুরিই আল্লাহর এখতিয়ারে। তিনি আল্লাহর প্রিয়তম বান্দা। তার অনেক দোয়া আল্লাহ কবুল করেছেন। আবার কখনো কখনো কবুল করেন নি। আব্দুল্লাহ বিন উমর (রা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ফজরের শেষ রাকাতের রুকু থেকে ওঠার পরে কতিপয় কাফিরের জন্য বদদোয়া করে বলতেন: হে আল্লাহ, আপনি অমুক, অমুককে লানত করুন। তখন আল্লাহ তাঁকে নিষেধ করেন এবং বলেন:
لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ
"এ বিষয়ে আপনার কোনো অধিকার নেই, আল্লাহ চাইলে তাদেরকে ক্ষমা করবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি দিবেন, কারণ তারা জালিম।" কুরআনে আল্লাহ বারংবার জানিয়েছেন যে, তিনি তাঁর প্রিয়তম হাবীব ও খলীল মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ-কে মানুষের হিসাব, শাস্তি, কল্যাণ, অকল্যাণ ইত্যাদির ঝামেলায় ফেলেন নি। এগুলি সবই মহান আল্লাহর একক দয়িত্ব। মহান আল্লাহ যদি অপারগ হতেন বা তাঁর কারো সহযোগিতার প্রয়োজন হতো তবে অবশ্যই তিনি সর্বাগ্রে সর্বোচ্চ সহযোগিতা গ্রহণ করতেন তাঁর প্রিয়তম রাসূল থেকে। কিন্তু তিনি যেহেতু কারো সহযোগিতার মুখাপেক্ষী নন, সেহেতু তিনি তাঁর প্রিয়তমকে এ সকল বিড়ম্বনার মধ্যে ফেলেন নি।
وَإِنْ مَا نُرِيَنَّكَ بَعْضَ الَّذِي نَعِدُهُمْ أَوْ نَتَوَفَّيَنَّكَ فَإِنَّمَا عَلَيْكَ الْبَلَغُ وَعَلَيْنَا الْحِسَابُ
"তাদেরকে যে (শান্তির) প্রতিশ্রুতি প্রদান করি তার কিছু যদি তোমাকে দেখিয়ে দিই অথবা (তার পূর্বেই) তোমার মৃত্যু ঘটিয়ে দিই, তবে তোমার কর্তব্য তো কেবল প্রচার করা এবং হিসাব-নিকাশ তো আমার কাজ।" তাঁর দু'আয় আল্লাহ অসংখ্য মানুষকে মাফ করেছেন। তাঁর শাফায়াতে অসংখ্য পাপী মুসলিমকে আল্লাহ জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবেন। তবে তাঁর দু'আ ও শাফায়াত কবুল করা আল্লাহর ইচ্ছা। আল্লাহর রহমত ও তাঁর রাসূলের দু'আর কল্যাণ পাওয়ার যোগ্য কে তা আল্লাহই ভাল জানেন। আল্লাহ বলেছেন:
اسْتَغْفِرْ لَهُمْ أَوْ لا تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ إِنْ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ سَبْعِينَ مَرَّةً فَلَنْ يَغْفِرَ اللَّهُ لَهُمْ ذَلكَ بِأَنَّهُمْ كَفَرُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الْفَاسِقِينَ
"আপনি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন অথবা ক্ষমা প্রার্থনা না করুন একই কথা। আপনি সত্তর বার তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলেও আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন না। আবূ হুরাইরা (রা) বলেন, যখন আল্লাহ আয়াত নাযিল করলেন: "তোমার নিকট আত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও” তখন তিনি তাঁর নিকট আত্মীয়দের একত্রিত করে বলেন:
يَا مَعْشَرَ قُرَيْشٍ ... اشْتَرُوا أَنْفُسَكُمْ لا أُغْنِي عَنْكُمْ مِنْ اللَّهِ شَيْئًا يَا بَنِي عَبْدِ مَنَافِ لَا أُغْنِي عَنْكُمْ مِنَ اللَّهِ شَيْئًا يَا عَبَّاسُ بْن عَبْدِ الْمُطَّلِبِ لا أُغْنِي عَنْكَ مِنْ اللَّهِ شَيْئًا وَيَا صَفِيَّةُ عَمَّةَ رَسُولِ اللهِ لا أُغْنِي عَنْكَ مِنَ اللَّهِ شَيْئًا وَيَا فَاطِمَةُ بِنْتَ مُحَمَّدٍ سَلِينِي مَا شِئْتِ مِنْ مَالِي لَا أُغْنِي عَنْكَ مِنَ اللَّهِ شَيْئًا
"হে কুরাইশ বংশের লোকেরা, তোমরা (নিজের ঈমান ও সৎকর্মের মাধ্যমে) নিজেদেরকে ক্রয় কর; আমি আল্লাহর পরিবর্তে তোমাদের কোনোই উপকারে আসব না। হে আবদ মানাফ গোত্রের মানুষেরা, আমি আল্লাহর পরিবর্তে তোমাদের কোনোই উপকারে আসব না। হে আব্বাস ইবনু আব্দুল মুত্তালিব, আমি আল্লাহর পরিবর্তে আপনার কোনোই উপকারে আসব না। হে রাসূলুল্লাহর ফুফু সাফিয়া, আমি আল্লাহর পরিবর্তে আপনার কোনোই উপকারে আসব না। হে মুহাম্মাদের মেয়ে ফাতিমা, আমার সম্পদ থেকে তুমি যা ইচ্ছা চেয়ে নাও, আমি আল্লাহর পরিবর্তে তোমার কোনোই উপকারে আসব না।" আবূ হুরাইরা (রা) বলেন,
قَامَ فِينَا النَّبِيُّ ﷺ فَذَكَرَ الْغُلُولَ فَعَظَمَهُ وَعَظَمَ أَمْرَهُ قَالَ لا أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رَقَبَتِهِ شَاةٌ لَهَا تُغَاء عَلَى رَقَبَتِهِ فَرَسٌ لَهُ حَمْحَمَةٌ يَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَعْتْنِي فَأَقُولُ لَا أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ وَعَلَى رَقَبَتِهِ بَعِيرٌ لَهُ رُغَاءٌ يَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَعْتُنِي فَأَقُولُ لَا أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ وَعَلَى رَقَبَتِهِ صَامِتٌ فَيَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَعْتْنِي فَأَقُولُ لَا أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ أَوْ عَلَى رَقَبَتِهِ رِقَاعٌ تَخْفِقُ فَيَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَعْثْنِي فَأَقُولُ لَا أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ
"নবী )ﷺ( আমাদের মধ্যে দণ্ডায়মান হয়ে যাকাত বা সরকারী সম্পদ অবৈধভাবে ভোগ করার বা মালিকানায় নেওয়ার বিষয়ে কথা বললেন। তিনি এর কঠিন পরিণতি সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, তোমাদের কাউকে যেন কিয়ামতের দিন এমন না পাই যে, তার কাঁধে একটি চিৎকার রত মেষ অথবা ঘোড়া রয়েছে, সে বলবে, হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে উদ্ধার করুন। তখন আমি বলব: তোমার জন্য কোনো কিছু করার ক্ষমতা আমার নেই। আমি তো তোমাকে জানিয়েছিলাম। অথবা তাঁর কাঁধে চিৎকার রত উট থাকবে, সে বলবে, হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে উদ্ধার করুন, আমি বলব, তোমার জন্য কোনো কিছু করার ক্ষমতা আমার নেই। আমি তো তোমাকে জানিয়েছিলাম। অথবা তার কাঁধে নীরব (জড়) সম্পদ থাকবে এবং সে বলবে, হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে উদ্ধার করুন, আমি বলব, তোমার জন্য কোনো কিছু করার ক্ষমতা আমার নেই। আমি তো তোমাকে জানিয়েছিলাম। উবাদা ইবনুস সামিত (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একজন মুনাফিক মুসলমানদের খুব কষ্ট দিত। তখন আবূ বাকর (রা) বলেন, চল, আমরা এ মুনাফিক থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ এর নিকট আবেদন করি। তখন রাসূলুল্লাহ বলেন:
إنَّهُ لَا يُسْتَعاتُ بِي، وَإِنَّمَا يُسْتَغاتُ بِالله
"আমার কাছে ত্রাণ প্রার্থনা করতে হয় না, একমাত্র আল্লাহর কাছেই ত্রাণ প্রার্থনা করতে হয়।"

টিকাঃ
৩৬৪. সূরা (৩৯) যুমার: ৩০ আয়াত।
৩৬৫. সূরা (৩) আল-ইমরান: ১৪৪ আয়াত।
৩৬৬. সূরা (২১) আম্বিয়া: ৩৪ আয়াত।
৩৬৭. ইবনু হাজার, ফাতহুল বারী ৬/৪৮৩।
৩৬৮. বাইহাকী, হায়াতুল আনবিয়া, পৃ. ১১০।
৩৬৯. মুসলিম, আস-সহীহ ১/১৪১; ৪/১৮৪৫; বাইহাকী, হায়াতুল আনবিয়া, পৃ. ১২৭-১৩২।
৩৭০. ইবনু হাজার, ফাতহুল বারী ৬/৫৬৯।
৩৭১. আবূ দাউদ, আস-সুনান ২/২১৮; আহমদ, আল-মুসনাদ ২/৫২৭; আলবানী হাদীসটির সনদ হাসান বলেছেন। আলবানী, সহীহুত তারগীব ২/১২১।
৩৭২. হাদীসটির সনদ দুর্বল। আলবানী, সিলসিলা যায়ীফাহ নং ২০৩।
৩৭৩. সাখাবী, ফাতহুল মুগীস ৪/১৮।
৩৭৪. আবূ দাউদ, আস-সুনান ১/৩৮২; ইবনু মাজাহ, আস-সুনান ১/৫২৪।
৩৭৫. এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য দেখুন, ইবনু তাইমিয়া, যিয়ারাতুল কুবূর ওয়াল ইসতিআনাতু বিল মাকবূর, পৃ. ৩৬-৩৭।
৩৭৬. সূরা (৪) নিসা: ৬৪ আয়াত।
৩৭৭. ইবনু কাসীর, তাফসীর ১/৫২২-৫২৩।
৩৭৮. সূরা (৭) আ'রাফ: ১৮৮ আয়াত।
৩৭৯. সূরা (১০) ইউনূস: ৪৯ আয়াত।
৩৮০. সূরা (৭২) জিন্ন: ২১-২৩ আয়াত।
৩৮১. সূরা (৬) আনআম: ৬৩-৬৪ আয়াত।
৩৮২. সূরা (২৭) নামল: ৬২ আয়াত।
৩৮৩. সূরা (৬) আনআম: ১৭ আয়াত।
৩৮৪. সূরা (১০) ইউনূস: ১০৭ আয়াত।
৩৮৬. বুখারী, আস-সহীহ ৪/১৫৮৩; মুসলিম, আস-সহীহ ৫/১৭৯১।
৩৮৭. সূরা (১৩) রা'দ: ৪০ আয়াত।
৩৮৮. সূরা (৯) তাওবা: ৮০ আয়াত।
৩৮৯. সূরা (২৬) শু'আরা: ২১৪ আয়াত।
৩৯০. বুখারী, আস-সহীহ ২/৯৮২; মুসলিম, আস-সহীহ ১/১৯২।
৩৯১. বুখারী, আস-সহীহ ২/৮৩১; মুসলিম, আস-সহীহ ৫/১৭৮৫।
৩৯২. তাবারানী, মু'জামুল কাবীর ১৭/১৮৬; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১৫১; হাইসামী বলেন, হাদীসটির সনদ হাসান।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00