📘 Mojeja > 📄 দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে

📄 দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে


হাদীসঃ আন্-নাওয়াস ইবনে সামআন আল-কিলারী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা প্রত্যুষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি এর ভয়াবহতা ও নিকৃষ্টতা তুলে ধরেন। এমনকি আমাদের ধারণা জন্মাল যে, সে হয়ত খেজুর বাগানের ওপাশে উপস্থিত রয়েছে। রাবী বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে চলে গেলাম, অতঃপর বিকালে আবার হাযির হলাম। তিনি আমাদের মধ্যে দাজ্জালের ভীতির আলামত দেখে জিজ্ঞেস করেন, তোমাদের কি হয়েছে? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সকালে আপনি দাজ্জালের আলোচনা করেছেন। আবার এর ভয়াবহতা ও নিকৃষ্টতা এমন ভাষায় তুলে ধরেছেন যে, আমাদের মনে হচ্ছিল যে, সে বোধ হয় খেজুর বাগানের পাশেই উপস্থিত আছে। তিনি বলেনঃ দাজ্জাল ছাড়াও তোমাদের ব্যাপারে আমার আরও কিছু আশংকা আছে। আমার জীবদ্দশায় সে যদি তোমাদের মাঝে আত্মপ্রকাশ করে তবে আমিই তোমাদের পক্ষ তার প্রতিরোধ করব। আর আমার অবর্তমানে যদি সে প্রকাশিত হয়, তাহলে তোমরাই তার প্রতিরোধ করবে। আর আমার প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আল্লাহই সাহায্য করবেন। দাজ্জাল এক শক্তিশালী, কদম চুলবিশিষ্ট, এক চক্ষুওয়ালা যুবক, সে হবে আব্দুল উযযা ইবনে কাতন সদৃশ। তোমাদের মধ্যে কেউ তার সাক্ষাত পেলে সে যেন সূরা কাহফ-এর প্রাথমিক আয়াতগুলো পাঠ করে। তিনি বলেনঃ সে আত্মপ্রকাশ করবে সিরিয়া ও ইরাকের মধ্যবর্তী কোন অঞ্চল থেকে। অতঃপর সে ডান-বামে ফিতনা ফাসাদ ও বিপর্যয় সৃষ্টি করে বেড়াবে। হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা দৃঢ়পদ থাকবে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, সে পৃথিবীতে কতদিন অবস্থান করবে? তিনি বলেনঃ চল্লিশ দিন। এর এক দিন হবে এক বছরের সমান, এক দিন হবে এক মাসের সমান এবং এক দিন হবে এক সপ্তাহের সমান, আর বাকী দিনগুলো তোমাদের বর্তমান দিনের সমান হবে। রাবী বলেন, আমরা জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি কি মনে করেন, যে দিনটি এক বছরের সমান হবে, তাতে এক দিনের নামায আদায় আমাদের জন্য যথেষ্ট হবে? তিনি বলেনঃ না, বরং তোমরা সে দিনের সঠিক অনুমান করে নেবে (এবং তদনুযায়ী নামায পড়বে)। আমরা আবার জিজ্ঞেস করলাম, পৃথিবীতে তার চলার গতি কত দ্রুত হবে? তিনি বললেনঃ তার গতি বাতাসের মেঘের ন্যায়; অতঃপর সে কোন জাতির কাছে গিয়ে তাদেরকে নিজের দাবীর প্রতি আহবান করবে, কিন্তু তারা তাকে মিথ্যাবাদী আখ্যায়িত করতে এবং তার দাবী প্রত্যাখ্যান করবে। সে তখন তাদের নিকট থেকে প্রস্থান করবে এবং তাদের ধন-সম্পদও তার পেছনে চলে আসবে। পরদিন সকালে তারা নিজেদেরকে নিঃস্ব অবস্থায় পাবে। অতঃপর সে আরেক জাতির নিকট গিয়ে আহ্বান করবে। তারা তার আহ্বানে সাড়া দেবে এবং তাকে সত্য বলে গ্রহণ করবে। তখন সে আসমানকে বৃষ্টি বর্ষাতে আদেশ করবে এবং তদানুযায়ী বৃষ্টি বর্ষিত হবে। অতঃপর সে জমিনকে ফসল উৎপাদনের নির্দেশ দিবে এবং তদানুযায়ী ফসল উৎপাদিত হবে। মাগরুহে নূয়ানিফাত ও ভূপেনভিস্টা হতে হবে। অতঃপর সে নির্জন প্রান্তরে গমিত দিয়ে বলবে, তার ভেতরের খনিজ ভাণ্ডার বের কর এবং তা বের কর এবং সে যখন থেকে প্রস্থান করবে তখন সেখানকার ধনভাণ্ডার মু-মাছির ন্যায় তার অনুসরণ করবে। অতঃপর সে পূর্ণ যৌবনকে এক যুবককে তার দিকে আহ্বান করবে। অতঃপর সে তরবারিতে আঘাত হেনে দুই টুকরো করে ফেলবে। অতঃপর সে তাকে ডাক দিবে, অমনি সে সোৎসাহে উজ্জ্বল চেহারায় সামনে এসে দাঁড়াবে। এমতাবস্থায় আল্লাহ দাজ্জালের পূর্র গণের এর একদলকে সাহায্য করার জন্য পাঠাবেন। তিনি তার মধ্যে নিজেরা যুদ্ধ করার জন্য ইরাক ইবনে মারয়াম (আঃ) অবতরণ করবেন। তিনি তার মাথা নিচু করলে ফোঁটায় ফোঁটায় দুই আর তার মাথা উঠালে তার তা মুক্তার মত ঝকঝকে হবে। তার নিঃশ্বাস যাবে যে কাফের মারবে তাকে মারবে। আর তার শ্বাস বায়ু দৃষ্টির শেষ সীমা পর্যন্ত পৌঁছবে। অতঃপর তিনি দাজ্জালকে অনুসন্ধান করবেন এবং বাব লুদ-এর কাছে তাকে পাবেন। অতঃপর তিনি দাজ্জালকে অনুসন্ধান করবেন এবং তাকে ‘লুদ’ এর নগরদ্বারে প্রাপ্ত হয়ে হত্যা করবেন। তিনি বলেনঃ অতঃপর আল্লাহ এমন একদল নাযিল করছি যাদেরকে আল্লাহ তাঁর থেকে রক্ষা করবেন। তিনি তাদের মুখমণ্ডল থেকে ধুলোবালি মুছে ফেলবেন। অতঃপর তিনি বেহেশতের মধ্যে তাদের পদমর্যাদা সম্পর্কে অবহিত করবেন। এমন অবস্থায় আল্লাহ বাণী অনুযায়ী, তার শ্রবণ শুনতে হবে, “তার প্রথম উত্তরটা থেকে দুটি আসতেছে।” তিনি বলেন, তাহলে তিনি বলেন (সিরিয়ায়) তরবারি উপাসনা অতিক্রমকালে এর সমস্ত পানি পান করে ফেলবে। এখান দিয়ে এদের শেষ দলটি অতিক্রমকালে বলবে, এই জলপ্রবাহে নিশ্চয়ই কোনকালে পানি ছিল। পরকালে, আমরা তো পৃথিবীর বাসিন্দাদের ভয় করেছি, আর বলা আসমানের বাসিন্দাদের শেষ করি। এই বলে তারা আসমানের দিকে তাঁর তীর নিক্ষেপ করবে। আল্লাহ তাদের তীরসমূহ রক্ত রঞ্জিত করে ফেরত দিবেন। তারা (খাদ্যদ্রব্য) এমন এক স্থানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে যে, তখন তাদের জন্য একটি গরুর মাথা তোমাদের এ যুগের একশত দীনারের চেয়ে উত্তম মনে হবে। তখন আল্লাহ তাঁর রসূল ঈসা (আঃ) ও তাঁর সাথীর আল্লাহর দিকে রুজু হয়ে দোয়া করবেন। আল্লাহ তখন তাদের (ইয়াজুজ-মাজুজ বাহিনীর) ঘাড়ে ‘নাগাফ’ নামক কীটের উদ্ভব করবেন। অতঃপর তারা এমনভাবে মরা যাবে যেন একটি প্রাণের মৃত্যু হয়। অতঃপর নবী ঈসা (আঃ) এর এমনকার হয়ে যারা এবং পাহাড় থেকে নেমে আসবেন। তিনি সেখানে এমন এক বিস্তৃত জায়গা পাবেন না, যেখানে তাদের পচা দেহের दुर्गन्ध রয়-মাছি ছড়িয়ে না থাকে। আল্লাহ তখন উটের ঘাড়ের ন্যায় লম্বা ঘাড়বিশিষ্ট এক প্রকার পাখি পাঠাবেন। সেই পাখি ওদের লাশগুলো তুলে নিয়ে গভীর খাদে নিক্ষেপ করবে। মুসলমানগণ তাদের পরিত্যক্ত তীর, ধনুক ও গুলীগুলো সাত বছর পর্যন্ত জ্বালানীরূপে ব্যবহার করবে। অতঃপর আল্লাহ এমন বৃষ্টি বর্ষণ করবেন যা সমস্ত ঘরবাড়ি, স্থাবর ও কঠিন মাটির স্তরে গিয়ে পৌঁছবে এবং সমস্ত পৃথিবী ধুয়েমুছে আয়নার মত ঝকঝকে করে দেবে। অতঃপর যমীনকে বলা হবে, তোমার ফল ও ফসলসমূহ বের করে দে এবং বরকত ও কল্যাণ ফিরিয়ে দে। তখন এমন হবে যে, একদল লোক একটি ডালিম খেয়েও পরিতৃপ্ত হতে পারবে না। যেহেতু এমন বরকত হবে যে, একটি একটি উটনী একটি একটি দুধ এবং একটি গাভী এবং একটি ছাগল এবং একটি বকরী হতে দুধ এক দল এবং এক এক গোত্রের যথেষ্ট হবে। এমতাবস্থায় কিছু দিন পর হঠাৎ এক সকাল সবাই দৃশ্যমান হয়ে সকল মুসলমানদেরকে দেখে ফেলবেন এবং তাদের অপর কিয়ামত সংঘটিত হবে। (তিরমিযী)

আناس (রা) থেকে বর্ণিত এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দাজ্জাল মদীনায় উপস্থিত হয়ে দেখতে পাবে যে, ফেরেশতাগণ তা পাহারা দিচ্ছেন। অতএব আল্লাহর ইচ্ছায় ইহুদী মহামারী ও দাজ্জাল মদীনায় প্রবেশ করতে পারবে না। (তিরমিযী)

📘 Mojeja > 📄 ঈসা (আঃ) ও ইমাম মাহদী আবির্ভূত হবেন

📄 ঈসা (আঃ) ও ইমাম মাহদী আবির্ভূত হবেন


আলোচ্য ভবিষ্যদ্বাণীগুলোর মধ্যে এই ভবিষ্যদ্বাণীটি এখনো কার্যকর হয়নি। কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে ইসলাম ও মুসলমানদের উপর ইহুদী-খৃস্টান-মুশরিকদের অত্যাচার ও নির্যাতন যখন চরম পর্যায়ে পৌঁছবে তখন ঈসা (আঃ) পৃথিবীতে অবতরণ করবেন এবং ইমাম মাহদী আত্ম প্রকাশ করবেন। এ সময় ইহুদী নেতা দাজ্জালের আবির্ভাব হবে।

এদের কবল থেকে মুসলমানদের উদ্ধার করার হযরত ঈসা (আঃ) মক্কার মদীনা থেকে পৃথিবীর বুকে ইসলামিক পুন: প্রতিষ্ঠা করবেন যাকে হযরত রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর যুগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তখন পৃথিবীতে ইহুদী, খ্রিস্টান, মুশরিক বা কোন অমুসলিম থাকবে না। সবাই ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নিয়ে মুসলিম হয়ে যাবে। তখন পৃথিবীতে কোন অশান্তি ও অভাব অনটন থাকবে না। থাকবে শুধু শান্তি আর শান্তি।

তবে এ শান্তি ও বিজয় অতি সহজে অর্জিত হয়ে যাবে না। কোন কাজ-যন্ত্র ব্যতীত শুধু মুসলমানগণ আরও একাগ্র থেকে একে একে তাদের পরাধীনতা থেকে পঙ্কলিখিত করে অমুসলিমদের সাথে লড়াই করা হবে। এ লড়াই এর অবস্থা ও অবস্থান সম্পর্কে একাধিক হাদীসে বর্ণনা রয়েছে। এ যুগে যেসব মুসলমান অংশ নিতে পারবে একাদশ শতকে যাবে; জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে। এ যুগের শহীদদের মর্যাদা প্রথম যুগের শহীদদের মত হবে। এতদসংশ্লিষ্ট অসংখ্য হাদীসের মধ্যে থেকে দুটি হাদীস এখানে উদ্ধৃত করা হলঃ

ক) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, আমার উম্মতের দু’টি সেনাদলকে আল্লাহ তায়ালা দোযখের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। (১) যার হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে এবং (২) যারা ঈসা (আঃ) সাথে থাকবে এবং ইহুদীদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। (মুসনাদে আহমাদ)

খ) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, মধ্য যামামার মধ্যে, যখন চেহারা ও উঁচু নাকি বিশিষ্ট। তিনি (ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা) ন্যায় ইনসাফ দ্বারা এমনভাবে জানাবে পূর্ণ করবে যেমন ভাবে তা জুলুম ও অত্যাচারে পরিপূর্ণ ছিল। তিনি সাত বছর শাসন ক্ষমতায় থাকবেন।

গ) নবী (সঃ) বলেছেন, আমি ও তার (ঈসা) এর মাঝে কোন নবী নেই। তিনি নাযিল হবেন। যখন তোমরা তাঁকে দেখবে তখন তাঁকে চিনে নিও। তিনি হবেন মাঝারি আকৃতির লোক। লাল ও সাদা মিশ্রিত রত্ন হবে তাঁর। তিনি ইসলামের জন্য জিহাদ করবেন। ক্রুশ ছিন্নভিন্ন করবেন। শুকর ধ্বংস করবেন। জিজিয়া কর রহিত করবেন। আল্লাহ তায়ালা ইসলাম ছাড়া সব মতবাদপন্থী জাতি ধ্বংস করবেন। তিনি (ঈসা আঃ) দাজ্জালকে হত্যা করবেন। তিনি চল্লিশ বছর দুনিয়ায় থাকবেন। অতঃপর তাঁর ইন্তেকাল হলে মুসলমানগণ তাঁর জানাযার নামায পড়বে। (আবু দাউদ)

ঈসা (আঃ) ও মাহদী সম্পর্কে বহু বর্ণনামূলক কুরআন, হাদীস ও উম্মতের ইজমা দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। এগুলো অস্বীকার করা ঈমানের পরিপন্থী। কেউ অস্বীকার করলে সে মুসলমান থাকবে না।

📘 Mojeja > 📄 বাহিনী ধ্বংস যাবে

📄 বাহিনী ধ্বংস যাবে


উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) একটি সামরিক বাহিনী সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। উম্মু সালমা (রাঃ) বলেন, হয়তো একটি বাহিনী ভূমিতে ধ্বংস হয়ে যাবে। উম্মু সালামা (রাঃ) বললেন, হয়তো সে দলে জবরদস্তি করে হয়ে থাকবে। তাদেরকে তাদের নিয়ত অনুযায়ী পুনরুত্থান করা হবে। (তিরমিযী)

এ ভবিষ্যদ্বাণীটি এখনো কার্যকর হয়নি। অর্থাৎ এরকম বিশাল কোন সেনাবাহিনী ভূমিতে ধ্বংস হয়ে যায়নি। পৃথিবীতে পুনরায় ইসলাম ও মুসলমানদের বিজয়ের প্রাক্কালে মুসলিম বিরোধী কোন বিশাল সেনাবাহিনীর ভূমিতে ধসে যাওয়ার ইঙ্গিত এ হাদীসটিতে রয়েছে।

📘 Mojeja > 📄 তুমি তার সমস্ত সম্পদ উদগীরণ করে দিবে

📄 তুমি তার সমস্ত সম্পদ উদগীরণ করে দিবে


হাদীস: আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, (এমন এক সময় আসবে) যখন জমিন তার সোনা রূপার সমস্ত খনিজ ভাণ্ডার কলিজার টুকরার মত স্তুপাকার করে বের করে দিবে। তখন চোর এসে বলবে, এ সম্পদের কারণেই তো আমার হাত কাটা গেছে। ঘাতক (হন্তা) এসে বলবে, এ সম্পদের জন্যই তো আমি হত্যা করেছি। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী এসে বলবে, এ সম্পদের কারণেই তো আমি আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করেছি। অতঃপর তারা এ সম্পদ ছেড়ে যাবে, তা থেকে কিছুই নেবে না।

এ ভবিষ্যদ্বাণী টি সত্য হবে হযরত ঈসা (আঃ) ও ইমাম মাহদী আসার পর পৃথিবীতে যখন ইসলাম পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে এবং নবুয়াতের পদ্ধতিতে ইসলামিক শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00